দিনাজপুরে পাট চাষীদের প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত

মোঃ ফরহাদ রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি :“সোনালী আশেঁর সোনার দেশ, মুজিববর্ষে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ এবং সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত পাট উৎপাদনকারী বিস্তারিত

ডুমুরিয়ার  নিরাপদ ও বালাই মুক্ত সবজি রপ্তানি কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন।

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার সময় খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার টিপনা ভিলেজ সুপার মার্কেট, সবজি প্রথম বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। সাসটেইনেবল এগ্রিকালচার, ফুড সিকিউরিটি এন্ড লিংকেজেস (সফল-২)নিরাপদ ও বালাই বিস্তারিত

শ্রমিক সংকটে দশমিনায় বিপাকে পড়েছে মুগডাল চাষিরা

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি। পটুয়াখালীর দশমিনায় শ্রমিক সংকটের কারণে মুগডাল ঘরে তোলা নিয়ে বিপাকে পড়েছে। প্রচন্ড তাপদাহে মাঠে কাজ করতে পারছেনা শ্রমিকরা আর তাই ক্ষেতের ডাল ক্ষেতেই ঝরে যাচ্ছে। এতে বিস্তারিত

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।পটুয়াখালীর দশমিনায় এবার মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে, কিন্তু ঠিকসময় বাজারজাত
করতে না পারায় লোকসান কাটিয়ে উঠতে কৃষকরা মরিচ শুকানো শুরু করেছে। মাঠ জুড়ে
কাঁচা-পাকা মরিচ দেখে মনে হয় লাল-সবুজ গালিচা বিছানো, কাছে গেলে এমন ভুল
ভাঙ্গবে অনেকের। বর্তমানে মাঠ জুড়ে মরিচের এমন খুশির ঝিলিক চোখে মুখে বেশে
উঠে কৃষকের। বাজারে কাঁচা মরিচের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হতাশ হলেও এখন অনেকেই
মরিচ শুকানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কৃষকরা। ইতোমধ্যে ক্ষেত থেকে তুলে শুকিয়ে মজুদ
করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে অনেকে। চলতি মৌসুমে অনাবৃষ্টিতে মরিচের ফলন যেমন ভালো
হয়েছে, তেমনি মরিচের ঝাল বেশি বলে জানিয়েছেন মরিচ চাষীরা। করোনা মহামারির
কারনে ঠিকভাবে বাজারজাত করতে না পারা এবং পাইকারের উপস্থিতি কম থাকায় এবারের
বাজারে কাঁচা মরিচের দাম ছিল কম। তাই উৎপাদিত মরিচ শুকিয়ে মজুদ করা হচ্ছে বলে
জানিয়েছেন ভূক্তভোগী কৃষকরা। করোনার প্রাদুর্ভাব কমে গেলে মজুদ করা মরিচ উপযুক্ত
দামে বিক্রি হবে- এমনটাই আশা তাদের।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলায় চলতি মৌসুমে মিন্টু সুপার, লঙ্কা,
হাইব্রীড-৬৫৩, বীজ প্লাস, সানী ও বিজলী প্লাসসহ নানা জাতের মরিচের আবাদ
হয়েছে। কৃদের উৎপাদিত মরিচ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন
জেলায় বাজারজাত হয়ে থাকে। ক্ষেত থেকে মরিচ তুলতে নারী-পুরুষ ও শিশুরা এখন ব্যস্ত সময়
পার করছেন। দল বেধে গৃহবধূ ও শিশুরা গ্রামে মরিচ তোলার কাজে এখন ব্যস্ত। স্কুল বন্ধ
থাকায় শিশুরা পরিবারের এ কাজে সহায়তা করছে। এছাড়া কৃষক পরিবারের বাইরেও নারী
শ্রমিকরা মরিচ তোলার কাজে যুক্ত হয়েছেন। কৃষকদের তথ্যমতে, ক্ষেত থেকে যারা মরিচ
তুলে আনেন তাদেরকে ৪ ভাগের ১ভাগ দিতে হয়। পানি সেচ, সার, ঔষধ, পরিচর্যা বাবদ
অনেক টাকাই ব্যয় হয় সংশ্লিষ্ট কৃষকের। বাজারে বর্তমানে মূল্যে মরিচ বিক্রি করতে
গেলে লোকসান গুনতে হবে বলে দাবি মরিচ চাষীদের। এজন্য বেশিরভাগ কৃষকই ন্যায্য
মূল্যের আশায় মরিচ মজুদ করতে শুরু করেছেন। এদিকে, উপযুক্ত দাম না পেলে আগামিতে
মরিচ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন কৃষকরা, এমন ধারণা করছেন অনেকে।
উপজেলার রনগোপালদী গ্রামের মরিচ চাষী মো. শাহ আলম জানান, গত কয়েক বছরের
চেয়ে এবার মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মরিচ চাষ হয়েছে
দ্বিগুন। কৃষকরা কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে মরিচের চাষাবাদ করছেন। বিগত বছর
গুলোতে ভালো ফলন ও কাঙ্খিত দাম পাওয়ায় এবারে মরিচ চাষে ঝুঁকেছেন অনেক কৃষক।
ভাগ্য ফেরানোর আশায় দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছিলেন তারা। মরিচ চাষী হাবিবের মতে,
ধান ও গমের মত সরকার উৎপাদিত মরিচের মূল্য নির্ধারণ করে দিলে কৃষকরা লাভবান হতেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, উপজেলা ৭টি ইউনিয়নের ৫শ’ হেক্টর
জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে গড়ে কাচাঁ অবস্থায় ১০/১২ টন আর পাকা
শুকনো ২/৩ টন উৎপাদন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উৎপাদনের লক্ষমাত্রা
ছাড়িয়েছে এবার। একই ইউনিয়নের মরিচ চাষী সেলিম জানান, গত বছর ভালো দাম
পাওয়ায় এবারে তিনি বেশি জমিতে মরিচ আবাদ করেছেন। এ বছরে ফলন ভালো হলেও দাম
অনেক কম।
বহরমপুর ইউনিয়নের দক্ষিন আদুমপুর গ্রামের কৃষক মো. সুলতান ফকির জানান, তিনি
প্রায় ১একর জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। চলতি মৌসুমের প্রথম দিকে কাঁচা মরিচ
বিক্রি করেছেন কিন্তু দাম কম থাকায় শুকানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবু জাফর আহাম্মেদ বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে
থাকায় উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ছাড়িয়েছে। আর কৃষকদের ন্যায্য দাম পাওয়াটা জরুরী, অন্যথায়
আগামীতে অনেক কৃষক মরিচ চাষাবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবেন।

মরিচে ন্যায্য মূল্য না পেয়ে দশমিনায় মরিচ শুকানোর সিদ্ধান্ত কৃষকরা

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।পটুয়াখালীর দশমিনায় এবার মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে, কিন্তু ঠিকসময় বাজারজাত করতে না পারায় লোকসান কাটিয়ে উঠতে কৃষকরা মরিচ শুকানো শুরু করেছে। মাঠ জুড়ে কাঁচা-পাকা মরিচ দেখে মনে বিস্তারিত

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা। ডুমুরিয়া (খুলনা) মুজিব বর্ষের  অঙ্গীকার,  কৃষি হবে দূর্বার। দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে ডুমুরিয়ার কৃষি সেবা, সবুজ মাঠের দিকে তাকালে দেখা যায় বিচিত্রময় কৃষি।  কৃষিতে তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি,  কৃষির বানিজ্যিকীকরণ এবং বেকারত্ব দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে ডুমুরিয়ার ডিজিটাল কৃষি সেবা। ডিজিটাল বাংলাদেশ ছিল বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার। প্রথম দিকে মানুষের মনে কিছুটা সংশয় থাকলে বিগত ১০ বছরে মানুষ ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল ভোগ করছে। স্বাস্থ্য কিংবা শিক্ষা, কৃষি কিংবা যোগাযোগ কোথায় নাই ডিজিটাল বাংলাদেশের ছোঁয়া?  ডুমুরিয়া কৃষি অফিস, “মাঠ কৃষি” ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত দিয়ে যাচ্ছে ডিজিটাল কৃষি সেবা। কৃষির আধুনিককীকরন, বানিজ্যিকীকরন, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি এবং বেকারত্ব দূরীকরণে মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেলের ভুমিকা অনশ্বিকার্য।  বর্তমান চ্যনেলটিতে ৯০০০ সাবসক্রাইবার ৫ লক্ষাধিক ভিউয়ার এবং ১৪২ টি ভিডিও আছে। বিভিন্ন নতুন নতুন জাত, কৃষি প্রযুক্তি দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে চ্যানেলটির মাধ্যমে। এটি বর্তমানে উপকূলীয় লবনাক্ত এলাকার অন্যতম মাইলফলক। মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে কৃষিতে আসা খলসী গ্রামের একাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া তরুণ উদ্যোক্তা তরিকুল ইসলাম তারেক বলেন, আমি মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেলে নিউটনের পানিকচু চাষের একটি ভিডিও দেখে পানি কচু চাষে উদ্বুদ্ধ হয় এবং ১ বিঘা জমিতে পানি কচু চাষ করে, লতি, কচু এবং চারা মিলিয়ে প্রায় ৮০,০০০/- টাকা লাভ করি। বর্তমানে আমার দেখাদেখি পাশে আরও ৪/৫ জন পানি কচু চাষ করেছেন। ঝিনাইদহ, কালিগঞ্জের কৃষক আরজান মোড়ল বলেন, আমি যশোর ক্যন্টমেন্ট কলেজে শিক্ষকতা করি,  আমি প্রথমে মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেল দেখে উদ্বুদ্ধ হয় এবং আমার একবিঘা জমিতে চুইঝালের আবাদ করি।  বর্তমানে আমি প্রায় ৫০০০ চুইঝাল চারা তৈরি করেছি যার বাজার মূল্য ২ লক্ষ টাকা। এই বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি অফিসার, ডুমুরিয়া কৃষিবিদ মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন এই প্রতিবেদককে জানান, মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেলের দেশ বিদেশে অনেক তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। আমি নিয়মিত মাঠ ভ্রমনে যেসমস্ত নতুন ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি দেখতে পাই, তা মোবাইল ক্যামেরার মাধ্যমে ধারন করে এডিট করে মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যনেলের মাধ্যমে প্রচার করি।  এতে দেশ বিদেশে অনেক কৃষক উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে।  তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রয়োজনে আমার সাথে যোগাযোগ করেন। কৃষি কাজ করতে গিয়ে কোন সমস্যায় পড়লে তারা ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে সমাধান পেয়ে যায়। ভবিষ্যতে এটির মাধ্যমে আমি কৃষিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই।

ডুমুরিয়ায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে কৃষি সেবা, কৃষকের মাঝে ব্যাপক সাড়া।

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা। ডুমুরিয়া (খুলনা) মুজিব বর্ষের  অঙ্গীকার,  কৃষি হবে দূর্বার। দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে ডুমুরিয়ার কৃষি সেবা, সবুজ মাঠের দিকে তাকালে দেখা যায় বিচিত্রময় কৃষি।  কৃষিতে তরুণ বিস্তারিত

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা :খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষক সিরাজুল ইসলাম খান উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ করে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন।পেয়ার চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি।
কৃষক সিরাজুল ইসলাম জানান, ১লক্ষ২৫ হাজার টাকা ব্যায়ে পেয়ারা চাষ করে ৭ লাখ টাকা বিক্রি করেছেন। এ উন্নত জাতের গাছ থেকে কম খরচে ১২ মাসই পেয়ারা পাওয়া যায়।প্রতিটি পেয়ারা আধা কেজি থেকে প্রায় এক কেজি ওজন হয় । একটি গাছ টানা সাত বছর ফল দেয়। আর এ পেয়ারা প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি করা হয়। প্রায় ৫ বিঘা জমিতে উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ করেছেন। চলতি বছরে তিনি ৭ লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রি করেছেন বলে জানান তিনি ।
তার দেখাদেখি অনেক চাষি পেয়ারা আবাদ করছেন। পঞ্চুর গ্রামের কৃষক আরিফুল ইসলাম ইসলাম বেশ কয়েক বছর ধরেই পেয়ারার চাষ শুরু করেছেন। মাসের পর মাস পেয়ারার বাগান পরিচর্যা করছেন।পেয়ারার চাষ করেছেন সলুয়া গ্রামের পুর্নন্দুবিশ্বাস ।  উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা মাঠের পর মাঠ উন্নত জাতের পেয়ারা বাগান করেছেন। ডুমুরিয়ার অনেক কৃষক ও বেকার যুবকরা এখন উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ শুরু করছেন।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জানান, চলতি বছরে ২৫ হেক্টর জমিতে পেয়ারা আবাদ হয়েছে। সাধারণ ফসলের চেয়ে পেয়ারার আবাদে ৩ গুণ লাভ হয়। খুলনা হকি কালচার থেকে চারা সংগ্রহ করে বৈশাখের শেষ সময় থেকে পেয়ারার চারা লাগানো শুরুহয়। গাছ লাগানোর ৯ মাসের মাথায় ফল ধরতে শুরু করে। প্রতিটি গাছে ১০০ থেকে ১৫০টি ফল ধরে। কিন্তু গাছের সুরক্ষায় ছোট থাকতে তা ফেলে দিয়ে ২০-২৫টি পেয়ারা রাখা হয়। ১২ মাস পেয়ারা ধরলেও শীত মৌসুমের পেয়ারায় দাম বেশি পাওয়া যায়। বর্ষাকালে পেয়ারার পোকা ও পচন রোধে সুষম সার প্রয়োগ করতে হয়। এছাড়া পেয়ারার গায়ে পলিথিন জড়িয়ে দিতে হয়। এ জাতের গাছে কমপক্ষে সাত বছর সুস্বাদু পেয়ারা ধরে। অন্য ফসলের আবাদ ছেড়ে অনেক চাষি এখন উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ শুরু করছেন।

ডুমুরিয়ায় পেয়ারা চাষে অভাবনীয় সাফল্য কৃষক সিরাজুল ইসলামের।

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা :খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষক সিরাজুল ইসলাম খান উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ করে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন।পেয়ার চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি। কৃষক সিরাজুল বিস্তারিত

হিলি প্রতিনিধঃসম্প্রতি প্বার্শবতী দেশ ভারতে করোনা ভাইরাসের প্রাদুভার্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় হাকিমপুর পৌরবাসীর ও দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সাময়িক আমদানি-রপ্তানি বন্ধের জন্য দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কাছে প্রস্তাব দিয়েছেন হাকিমপুর পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত।

আজ রবিবার দুপুরে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকির  সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল জেলা সমন্বয় আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে এ প্রস্তাবনা দেন মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত।

হাকিমপুর পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত বলেন,দেশে দ্বিতীয় স্থলবন্দর হিলি। এই বন্দর দিয়ে করোনা মহামারীর মধ্যেও আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক রয়েছে। সম্প্রতি ভারতে করোনা সংক্রমণ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এতে করে আমরা চরম ঝুঁকির মধ্যে আছি। যেহেতু প্রতিদিন এখানে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভার ও হেলপাররা আসে। তাই হিলি বাসীর কথা চিন্তা করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সাময়িক আমদানি-রপ্তানি বন্ধের জন্য প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে হাকিমপুর উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো‏হাম্মদ নুর-এ আলম বলেন,মেয়র মহোদয় আমদানি-রপ্তানি বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যাবার পর সরকারী যেকোন নির্দেশনা আসলে সেটা আমাদের পক্ষ থেকে বাস্তবায়ন করা হবে।

হাকিমপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন উর রশিদ হারুন বলেন,এটা ভালো উদ্যোগ। এতে করে আমাদের উপজেলায় করোনায় মোকাবিলায় কিছুটা কাজে লাগবে।

হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সাময়িক বন্ধের জন্য পৌর মেয়রের আবেদন

হিলি প্রতিনিধঃসম্প্রতি প্বার্শবতী দেশ ভারতে করোনা ভাইরাসের প্রাদুভার্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় হাকিমপুর পৌরবাসীর ও দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সাময়িক আমদানি-রপ্তানি বন্ধের জন্য দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কাছে প্রস্তাব বিস্তারিত

ঢাকা, ২৪ এপ্রিল, ২০২১ এ বৈশ্বিক মহামারিতে গ্রাহকরা যাতে ঘরে বসে ঈদের কেনাকাটার আনন্দ
উপভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে দেশের শীর্ষ ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ
(https://daraz.com.bd/) আয়োজন করেছে ‘ঈদ শপিং ফেস্ট’।
সারাদিন রোজা রাখা এবং পবিত্র মাহে রমজানের অন্যান্য কাজের ভিড়ে মুসলমানদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ঈদুল
ফিতরের আমেজ বিরাজ করছে। ঈদুল ফিতর মুসলমানদের সবচেয়ে বড় এবং আনন্দের উৎসব। ঈদের অন্যতম
আনন্দের বিষয় হচ্ছে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসাথে ঈদের কেনাকাটা করতে যাওয়া। গত বছর অতিমারির
কারণে এই আনন্দে অনেকটাই ভাটা পড়ে গিয়েছিল, এই বছরেও সম্ভবত এর পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে।
জনসমাগম এড়িয়ে ভার্চুয়ালভাবে আসন্ন ঈদের কেনাকাটার সুবর্ণ সুযোগ নিয়ে চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল
থেকে ১৩ মে পর্যন্ত  চলবে দারাজ ঈদ শপিং ফেস্ট। এছাড়াও, এতে থাকছে আকর্ষণীয় মূল্যছাড় এবং
প্রমোশনাল ডিল। অর্থাৎ, ঘরে বসে কেনাকাটা এখন আরও সুবিধাজনক এবং সাশ্রয়ী।
ঈদ শপিং ফেস্টে গ্লোবাল ভাউচার, ডি মল ভাউচার, মেগা ডিলস, প্রিপেমেন্ট ডিসকাউন্ট, ক্যাটাগরি ভিত্তিক
ভাউচার এবং আই লাভ ভাউচারের পাশাপাশি ফ্যাশন, ইলেকট্রনিকস, গ্রোসারি ও এফএমসিজি
আইটেমগুলোতে রয়েছে আকর্ষণীয় ছাড়। গ্রাহকরা দারাজ অ্যাপের মাধ্যমে শীর্ষস্থানীয়
ব্র্যান্ডগুলোরকালেকশন দেখতে পারবেন এবং আকর্ষণীয় অফারে ঈদের কেনাকাটা করতে পারবেন।
দারাজ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোস্তাহিদল হক বলেন, ‘খুব কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে
যাচ্ছি আমরা। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে আমরা আমাদের বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের নিকটে যেতে
পারছি না এবং সামাজিক যোগাযোগও কম হচ্ছে। কিন্তু আমাদের মা-বাবা এবং সন্তানদের জন্য নতুন পোশাক
না কিনলে ঈদ অপূর্ণ রয়ে যাবে। আমরা আশা করছি, দারাজ শপিং ফেস্ট গ্রাহকদের কিছুটা হলেও স্বস্তি
দিবে, কারণ গ্রাহকরা এখন কোনো প্রকার স্বাস্থ্য ঝুঁকি ছাড়াই উন্নত মানের ঈদের আইটেম ঘরে বসে পেতে
পারেন।’

দারাজের ঈদ শপিং ফেস্টের কো-স্পন্সর হিসেবে রয়েছে বাটা, ডেটল, ইমামি, স্টুডিওএক্স, স্প্ল্যাশ এবং
লাইফবয়।  ব্র্যান্ড পার্টনার হচ্ছে হারপিক, প্যারাসুট ন্যাচারালে  শ্যাম্পু, রিবানা, টিপি-লিংক, ব্রুনো
মরেটি, নেসলে, ওডোনিল, নোয়াহ, ইংলট ও লোটো, এবং গ্লোবাল ব্র্যান্ড পার্টনার হিসেবে আছে
সিকেইওয়াইআইএন এবং এসকেএমইআই। দারাজের এই ক্যাম্পেইনে পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে সহায়তা
করছে বিকাশ, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সিটি
ব্যাংক,স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, এইচএসবিসি, এসইবিএল এবং ব্র্যাক ব্যাংক।

নিরাপদে ও সাশ্রয়ী মূল্যে কেনাকাটায় দারাজের ‘ঈদ শপিং ফেস্ট’ 

ঢাকা, ২৪ এপ্রিল, ২০২১ এ বৈশ্বিক মহামারিতে গ্রাহকরা যাতে ঘরে বসে ঈদের কেনাকাটার আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে দেশের শীর্ষ ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ (https://daraz.com.bd/) আয়োজন করেছে ‘ঈদ শপিং বিস্তারিত

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।খুলনার ডুমুরিয়ায় মেসার্স বিশ্বাস কার্প ও বাহারি মাছের হ্যাচারি  এর স্বত্বাধিকারী খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার রুদাঘরা গ্রামের মৃত্য বিলায়েত ‌বিশ্বাসের ছেলে মোঃ হেমায়েত বিশ্বাস, তিনি ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম-ফেজ প্রজেক্ট (এনএটিপি-২ডুমুরিয়া  সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আবুবকর সিদ্দিকের  পরামর্শ নিয়ে  একুরিয়ামে মাছ পালনের মাধ্যমে আয় সূচনা কথা ও কেস স্টাডি বসত বাড়ি কিংবা অফিসের ভেতরের শোভা বৃদ্ধির জন্যে বহুকাল যাবৎ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশের মানুষেরা ও একুয়ারিয়ামে মাছ রাখার কিংবা মাছ পালবার একটা শখ ছিল। বহুদিনের এই শখটি এখন একটি প্রতিষ্ঠিত বাণিজ্যে রূপ নিয়েছে। এখন একুয়ারিয়াম শুধুই একটি কাচের আধায় নয়, এটি একটি উপার্জনের উৎসও বটে। কথা হচ্ছিল  সাবেক ডুমুরিয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার সরোজ কুমার মিস্ত্রী  তা‌র অফিসে বসে কথা হয়‌। মোঃ হেমায়েত বিশ্বাস,এখন বাহারি মাছের একজন ব্যবসায়ী হিসাবে পরিচিত। সে শিক্ষাকতার  পাশাপাশি  সামাজিক অবক্ষয়ের স্রোতে ভাসিয়ে দিয়েছিল  হেমায়েত নিজেকে, কিন্তু বাহারি মাছ তাকে নতুন পথের সন্ধান দিয়েছিল। শখের বসে  হেমায়েত বহুদিন আগে থেকেই বাহারি মাছ পালত। হঠাৎ একদিন লক্ষ্য করল একটি গোল্ডফিশ অনেকগুলো বাচ্চা দিয়েছে। সোনার টুকরের মতো দেখতে এই গোল্ডফিশ হেমায়েত বিশ্বাসের ভাগ্য ফিরিয়ে দিল। বাহারি মাছ পালার শখটি বাহারি মাছ চাষে রূপান্তরিত হয়ে গেল। গোল্ড ফিশের বাচ্চাগুলো সে ঢাকার কাঁটাবন মসজিদ সংলগ্ন বাহারি মাছের বাজারে বিক্রি করে কিছুটা মুনাফা পেল। এ থেকে গুরু হল তার পরিবর্তন। এখন সে একজন বাহারি মাছের পোনা উৎপাদক বা ব্রীডার। মাসে তার না হলেও দশ থেকে বারো হাজার টাকা আয় হয়। সে এখন সমাজে প্রতিষ্ঠিত একজন যুবক। কাঁটাবন মসজিদ সংলগ্ন বাহারি মাছের  মতো এমন আরও কয়েকজনের সাথে পরিচয় ঘটল যারা বাহারি মাছ ব্যবসার সাথে জড়িত। তালুকদার এদের একজন। ঢাকার হাতিরপুল এলাকায় তার নিজ বাড়িতে বাহারি মাছের এক বিশাল হ্যাচরি দেখে এ মাছ ব্যবসায় বাংলাদেশ কতদূর এগিয়ে গেছে তা অনুধাবন করতে পারলাম। সবচেয়ে ভালো লাগার ব্যাপার হল, এক্ষেত্রে যতটুকু উন্নয়ন ঘটেছে তার পুরোটাই প্রাইভেট সেক্টর বা ব্যক্তি উদ্যোগে। তালুকদার সাহেবই এদেশে সর্বপ্রথম বাহারি মাছ আমদানি করেছিলেন। আবার তিনিইি সর্বপ্রথম এদেশ থেকে বাহারি মাছ রফতানি করলেন ‘৯২-এ। এখন বাংলাদেশ নিয়মিত বাহারি মাছ রফতানি করে। বাংলাদেশ থেকে জার্মানিতেই সবচেয়ে বেশি বাহারি মাছ রফতানি হয়। এখানে একটি মজার ব্যাপার আছে- আর তা হল ক্ষেত্রবিশেষে পৃথিবীর অন্য প্রান্তের বা দেশের টেবিল ফিশ আমাদের দেশে কাচের আধারে বাহারি মাছ হিসাবে গণ্য হয়। আবার আমাদের দেশের টেবিল ফিশ যেমন- টেংরা, পুঁটি, বাইন, গুতুম, টাকি, খলিসা, মেনি- এগুলোর ইউরোপের বাজারে অত্যন্ত আকর্ষণীয় একুয়ারিয়াম ফিশ হিসাবে চাহিদা রয়েছে। অনেকে আছেন সোহেলের মতো মাছ পালতে পালতে ব্যবসায়ী হয়েছেন। যেমন- ঘরে একুয়ারিয়াম আছে, মাছ বড় হচ্ছে, বাচ্চা দিচ্ছে। এগুলো বিক্রি করছে। এতে বাড়তি কিছু আয় আসছে, মন্দ কি! অনেকটা মাছের তেলে মাছ ভাজারই মত। যা হোক, একুয়ারিয়ামে কিভাবে মাছ পালবেন, কোথায় একুয়ারিয়াম সাজাবেন, মাছকে কী খাবার দেবেন-সে সম্পর্কে এখন বলছি : একুয়ারিয়ামরে বিভিন্ন আকার রয়েছে। ঘরে রাখার জন্য ২৪”×১২”×১২” একুয়ারিয়ামই উপযুক্ত। একুয়ারিয়ামের ফ্রেমগুলো মজবুত ধাতব পদার্থের তৈরি এবং চতুর্পাশ্বে ও তলার কাচ অন্তত ০.২৫” পুরু হওয়া প্রয়োজন।
একুয়ারিয়ামের মাছ রাখার জন্য নিম্নোক্ত কাজগুলো পর্যায়ক্রমে করতে হবে-
পরিষ্কার থিতানো পানি দিয়ে একুয়ারিয়ামের ভেতরে এবং বাইরে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
কখনও সাবান বা অন্য কোন ডিটারজেন্ট ব্যবহার করা যাবে না। তবে লবনের ঘন দ্রবণ ব্যবহার করা যেতে পারে।
পরিষ্কার মোটা দানার বালি সংগ্রহ করে উপরে বর্ণিত পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে।
ধৌত করা বালি একুয়ারিয়ামের তলদেশে ৪ ইঞ্চির মতো গভীর করে ভালোভাবে বসাতে হবে।
পানি ভর্তি করার আগেহ একুয়ারিয়ামকে বাড়ির নির্দিষ্ট স্থানে সেট করতে হবে সেট করার সবচেয়ে উত্তম জায়গা হল ঘরের উত্তর সাইডের জানালা পাশর্্ব যেখানে দিনে আশিংক সূর্যালোক পড়ে।
৬. এবার থিতানো ক্লোরিনমুক্ত পানি দ্বারা একুয়ারিয়াম পূর্ণ করতে হবে। পানির উপরিতল একুয়ারিয়ামের উপরিতল থেকে ৩ ইঞ্চি বা ৪ ইঞ্চির মতো নিচে হতে হবে।
জলজ উদ্ভিদ বালির মধ্যে লাগাতে হবে এবং সুন্দর (প্রয়োজনে রংযুক্ত/রঙ করা) নুড়িপাথর/ছোট পাথরের টুকরা দ্বারা গাছের গোড়াকে ঢেকে দিতে হবে। নানা ধরনের জলজ উদ্ভিদই একুয়ারিয়ামের রোপন করা যায়। এ ব্যাপারে শালুক, ঝাঁজি, ঝাউঝাঁজি, পাতা কাটা শেওলা, জলজ পদ্ম, শাপলা ইত্যাদি জলজ উদ্ভিদগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।
একুয়ারিয়ামের বেশিসংখ্যক মাছ ছাড়ার চেয়ে অল্পসংখ্যক সুন্দর সুস্থ ও সবল মাছ ছাড়াই উত্তম। নিয়মানুযায়ী ১ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের মাছের জন্য প্রায় ১ গ্যালন পরিমাণ পানির প্রয়োজন। সেই হারে ২৪ ইঞ্চি দ্ধ ১০ ইঞ্চি দ্ধ ১২ ইঞ্চি মাপের একুয়ারিয়ামে ১/১.৫ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের এক ডজন মাছ অনায়াসেই স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকতে পারে এবং এদের শ্বাসকার্যের ব্যাঘাত ঘটতে দেখা যায় না। আমাদের দেশীয় মাছের মধ্যে বউ মাছ, রঙিন খলিসা, চিংড়ি, পুঁটি, টেংরা, চান্দা, কানপোনা, বেলে মলা, কই, মাগুর ইত্যাদি এবঙ বিদেশি মাছর মধ্যে গাপ্পি না রঙের সোর্ড টেইল, মলি, প্লাটি, এনজেল, জেরা, রঙিন তেলাপিয়া ইত্যাদি মাছ একুয়ারিয়ামে ছাড়া যেতে পারে।
মাছের খাদ্য
বাজারে একুয়ারিয়াম মাছর বিভিন্ন ধরনের খাবার পাওয়া যায়। এগুলো মাছের দেহের ওজনের ৫% করে সকালে ও বিকালে দুবার খাওয়ানো যেতে পারে। এছাড়া ফিশমিল ও ভূষি ১:২ অনুপাতে একত্রেও অল্প পানিতে মিশিয়ে ছোট ছোট দানা করে একটা বাটিতে রেখে একুয়ারিয়ামের তলায় রাখতে হবে। অনেক সময় কেঁচো, টিউবিফিক্স, ভাত ইত্যাদি খাবার হিসাবে ব্যবহার করা যায়। খাবার সমস্ত জায়গায় না ছিটিয়ে নির্দিষ্ট ২ বা ৩ হায়ড়ায় দিতে হবে।
প্রতিদিন ২ বা ৩ ঘন্টার জন্য সূর্যকিরণে একুয়ারিয়াম রাখা উত্তম। তবে অপরিহার্য নয়। এর ঢাকনার ভেতর দিকে থেকে টিউব লাইট এর আলো দ্বারা একুয়ারিয়ামকে আলোকিত করা যায়। পর্যাপ্ত আলোর প্রভাবে একুয়ারিয়ামকে আরও মনোরম দেখায়। এ ব্যাপারে ৬০ ওয়াটের ইলেকট্রিক বাল্ব ব্যবহার করা যেতে পারে। আগেই বলেছি, বাংলাদেশে বাহারি মাছ আজ যে পর্যায়ে এসেছে। তার পুরোটাই ব্যক্তি উদ্যোগে, এর তেমন কোনো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নেই। কেউ যদি এ বিষয়ে পরামর্শ বা নির্দেশনা চান তবে তো দেয়া সম্ভব হয় না। আমি ব্যক্তিগতভাবে দেখেছি যে, একুয়ারিয়ামে ফিশের উপর টিভি অনুষ্ঠান প্রচারের পর উল্লেখ যোগ্যসংখ্যক চাহিদা আসা সত্ত্বেও তার সমাধান দেয়া সম্ভব হয়নি। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বগুড়া, যশোহর সহ বড় বড় শহরে একুয়ারিয়াম ফিশের ছোট-বড় মার্কেট আছে ঠিকই, কিন্তু এগুলো একেবারেই নিজেদের চেষ্টায় দাঁড়িয়েছে। এই ক্ষেত্রটিতে একটা বড় সম্ভাবনা রয়েছে, যা উদ্যোক্তারা প্রমাণ করছেন। সে ক্ষেত্রে সরকার চাইলে এ বিষয়টিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারে।
তথ্য সূত্র: শাইখ সিরাজ রচিত ‘মাটি ও মানুষের চাষবাস’ গ্রন্থ থেকে সংগ্রহীত
গোল্ড ফিশের প্রজনন, শখ থেকে আয়
গোল্ডফিশে
বর্তমান বিশ্বে স্বচ্ছল মানুষের ঘরে অ্যাকুরিয়াম অন্যতম শোভাবর্ধক অংশে পরিণত হয়েছে। ২০০৭ সালে বিশ্বে অন্তত এক মিলিয়ন অ্যাকুরিয়াম ফিশ বিক্রি হয়েছে যার মূল্য কয়েক বিলিয়ন টাকা। চমকপ্রদ তথ্য হলো এই বিপুল পরিমাণ মাছের ৬৫ ভাগ সরবরাহ করে এশিয়া, ভারত, মালয়েশিয়া, চীন ও থাইল্যান্ড এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছে।
অ্যাকুরিয়াম ফিশে মিঠাপানির ৪০০০ এবং লোনাপানির ১৪০০ প্রজাতির মধ্যে গোল্ড ফিশ অন্যতম। বর্ণিল কার্প জাতীয় এই মাছ আমাদের আবহাওয়ার সাথেও বেশ চাষোপযোগী। তাই স্বল্প পুঁজিতে এর চাষ করে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আনা সম্ভব।
মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গোল্ড ফিশের প্রজনন মৌসুম। এর আগেই উন্নত খাদ্য ও ব্যবস্থপনার মাধ্যমে এই মাছ সংগ্রহ কিংবা উৎপাদন করা প্রয়োজন। এরা ৮ সে.মি. লম্বা হলেই প্রজননক্ষম হয়ে ওঠে। পুরুষ গোল্ড ফিশের প্রজননক্ষম হলে মুখ, শরীর ও পায়খানায় সাদা ফুস্কুরি এবং স্ত্রী গোল্ড ফিশের পেট ফুলে যায় এবং নরম হয়ে যায়, পায়ুপথ ও বড় দেখায়। প্রজননের আগে পুরুষ ও স্ত্রী গোল্ড ফিস আলাদা করে রাখলে ভাল ফল পাওয়া যায়। ৪×১.৫×২ ঘনফুটের এ্যাকুরিয়াম তৈরি করে ভালভাবে জীবাণুমুক্ত করে পরিস্কার পানি দিয়ে ৬ ইঞ্চি পর্যন্ত ভর্তি করতে হবে। বেশি পানি ভরলে পানির চাপে ডিম ফোটা ব্যাহত হতে পারে। তিনটি পুরুষ ও দুইট স্ত্রী গোল্ড ফিশ একত্রে সেই অ্যাকুরিয়ামে ছাড়তে হবে। এ সময় তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস রাখা ভাল। একটি পূর্ণবয়স্ক স্ত্রী গোল্ড ফিস ২০০০ পর্যন্ত ডিম ছাড়ে। স্ত্রী গোল্ডফিস ডিম ছাড়ার পর পুরুষগুলি দ্রুত ডিমের উপর বীর্য ছড়াতে থাকে। ডিম নিষিক্ত হলে মাছগুলো আলাদা করতে ডিমগুলোকে তাড়াতাড়ি অন্য ট্যাংকে স্থানান্তর করা দরকার। এক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখ্যতে হবে যে পানির তাপমাত্রা যেন অবশ্যই সমান থাকে। ডিমে ফাংগাস সংক্রমণ রোধ করার জন্য কয়েক ফোটা মেথিলিন ব্লু পানির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া যায়। যে ডিমগুলো স্বচ্ছ ও হালকা বাদামী বর্ণের সেগুলো নিষিক্ত ডিম। অন্য ডিম নষ্ট ডিম হিসেবে সরিয়ে ফেলা দরকার। ৩-৪ দিন পর ডিম ফুটে বাচ্চা বের হবে। ২-৩ মাস বয়সে পোনা বিক্রির উপযোগী হয়ে ওঠে। ৩ মাস পর আবারও সেই একই পুরুষ ও স্ত্রী মাছগুলোর প্রজনন করানো যায়।
ডিম ফোটার প্রথম ৪৮ ঘন্টার মধ্যে রেনুকে কোন খাদ্য সরবরাহ করার দরকার হয় না। এরপর সেদ্ধ ডিমের কুসুম এবং আটা পেস্ট করে খুব ছোট পিলেট আকারে দেয়া যেতে পারে। অনেক সময় বাজারে রেনুর তরল খাবার পাওয়া যায়। ২ সপ্তাহ পর হতে ব্রাইন শ্রিম্প খাওয়ানো ভাল। ডিম থেকে রেনু বের হওয়ার প্রথম ৪ সপ্তাহ প্রতিদিন ৩ বার এবং ৪ মাস প্রতিদিন ২ বার করে খাবার প্রয়োগ করা যায়। ৪ মাস পর প্রতিদিন একবার খাবার দিলেই চলে। খাবার ব্যাপারে গোল্ড ফিশ বৈচিত্র পছন্দ করে। ভাসমান অথবা ডুবন্ত পিলেট আকারে খাদ্য দেয়া যায়। সব সময় একই খাবার ব্যবহার না করে ভিন্নতা আনা আবশ্যক। গোল্ড ফিশের খাবার নির্বাচনে উচ্চ শর্করা ও নিম্ন ফ্যাট সন্নিবেশ করা জরুরি। বেশি পরিমাণে খাবার দেয়া ঠিক না। ১-২ মিনিটে যতটুকু খাবার শেষ করে ততটুকুই খাবার সরবাহ করা দরকার। দিনে কোনভাবেই তিনবারের বেশি খাবার দেয়া ঠিক না।
অব্যহৃত খাদ্য ও অন্যান্য বর্জ্য যত দ্রুত সম্ভব অপসারণ করতে হবে। প্রতিমাসে একবার পানিতে এক চা চামচ পরিমাণ খাবার লবণ মিশিয়ে দিতে হবে।
পোনার বয়স একমাস হলেই কৃত্রিম অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে।
পানির পিএইচ ৬.০-৮.০ খরত্ব ৫.১৯ এবং তাপমাত্রা ৪-১’ সে. পর্যন- থাকতে হবে। তবে ২০-২০’ সে. তাপমাত্রা এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযোগী।

ডুমুরিয়ায় একুরিয়ামে মাছ পালনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন হেমায়েত বিশ্বাস।

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।খুলনার ডুমুরিয়ায় মেসার্স বিশ্বাস কার্প ও বাহারি মাছের হ্যাচারি  এর স্বত্বাধিকারী খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার রুদাঘরা গ্রামের মৃত্য বিলায়েত ‌বিশ্বাসের ছেলে মোঃ হেমায়েত বিশ্বাস, তিনি ন্যাশনাল বিস্তারিত

[ঢাকা, ২১ এপ্রিল, ২০২১] কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন সরঞ্জাম ও সমাধান নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছে
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। সম্প্রতি অটো
সাংহাই ২০২১ -এ ‘ফোকাসড ইনোভেশন ফর ইনটেলিজেন্ট ভেহিকেলস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে এই ঘোষণা
দেয়।
অত্যাধুনিক বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন গাড়ি ও এর সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে উল্লেখযোগ্যভাবে সাহায্য
করবে এসব সমাধান। পাশাপাশি চীনের অটোমেটিভ খাতের প্রযুক্তিগত উন্নয়নে এবং জ্বালানিসাশ্রয়ী ও
স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চালনার ক্ষেত্রে পথিকৃৎ হতেও সহায়তা করবে হুয়াওয়ের এসব পণ্য। এই পদক্ষেপকে
হুয়াওয়ে নিজের দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায়িক সফলতার কৌশল হিসেবে বিবেচনা করছে। তাই এক্ষেত্রে, অত্যাধুনিক
ও স্বতন্ত্র ড্রাইভিং ব্যবস্থার বিকাশ, বিশেষ করে স্বয়ক্রিয় ড্রাইভিং সফটওয়্যার উন্নয়নে
ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ করবে প্রতিষ্ঠানটি।
এ বছর হুয়াওয়ে পাঁচ হাজার জনের বেশি জনবল নিয়ে একটি দল গঠন করবে, যারা বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন
অটোমেটিভ কম্পোনেন্ট এর গবেষণা ও উন্নয়নে নিবেদিতভাবে কাজ করবে এবং এ খাতে হুয়াওয়ে এক বিলিয়ন
মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। হুয়াওয়ে এই অটোমেটিভ খাতের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের বিষয়ে সবসময়ই জোর
দিয়ে আসছে কারণ পণ্যের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে গ্রাহকদের উন্নত পণ্য ও ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা দান
করাই এর লক্ষ্য। আর একারণে ইউরোপ, জাপান ও চীনে হুয়াওয়ের আরঅ্যান্ডডি (রিসার্চ এন্ড
ডেভেলপমেন্ট) সেন্টারে অনেকদিন থেকেই মেধাবী ইঞ্জিনিয়ারগণ কাজ করে আসছে।
এ নিয়ে হুয়াওয়ের ইনটেলিজেন্ট অটোমেটিভ সল্যুশন বিজনেস ইউনিটের প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম ওয়্যাং বলেন,
“উন্নত প্রযুক্তি ও বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন গাড়ি আরও উপভোগ্য ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা প্রদান করবে; এবং এ
গাড়ি নির্মাণে হুয়াওয়ের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সাথে গাড়ি নির্মাতাদের গাড়ি নির্মাণে সক্ষমতার সমন্বয়
করাই হুয়াওয়ে ইনসাইডের লক্ষ্য”।
অটো সাংহাই ২০১৯ -এ হুয়াওয়ে বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন বাহনের ক্ষেত্রে অটোমেটিভ কম্পোনেট খাতে প্রবেশের
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়। এবং বিগত দুই বছরে হুয়াওয়ে বৈশ্বিকভাবে শীর্ষস্থানীয় গাড়ি নির্মাতাদের সাথে
কাজ করেছে। এ বছর হুয়াওয়ের ইনটেলিজেন্ট কম্পোনেন্ট ব্যবহার করে বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাগশিপ মডেল
উন্মোচিত হবে যার মাধ্যমে শুরু হবে হুয়াওয়ের স্মার্ট অটোমেটিভ সল্যুশনের বাণিজ্যিকীকরণ।
অপটিক্যাল টেকনোলজি ও শীর্ষস্থানীয় ভবিষ্যতমুখী প্রযুক্তি নিয়ে বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতার আলোকে
হুয়াওয়ে হাই-পারফরমেন্স এ-আর এইচইউডি চালু করেছে। ১০ এল এ-আর এইচইউডি একটি সাধারণ
উইন্ডশিল্ডকে ৭০-ইঞ্চি এইচডি স্ক্রিনে পরিণত করতে পারে এবং ব্যবহারকারীর চোখ নড়াচড়া পর্যবেক্ষণ
করে প্রজেকশন এরিয়া সমন্বয় করতে পারে। এর অনন্য ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিফিকেশন ও এআই সক্ষমতা
দেখার ক্ষেত্রে দারুণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে, পাশাপাশি গাড়ি চালনায় সহায়তা করবে।

ট্রেডিশনাল এমএমওয়েভ রাডারের সুপিরিয়র ডিসট্যান্স ও ভেলোসিটি মেজারমেন্ট সক্ষমতা ব্যবস্থাপনার
পাশাপাশি ফোরডি ইমেজিং রাডার উদ্ভাবনী নন-লাইন-অব-সাইট (এনএলওএস) সেন্সিং স্ট্রেন্থ প্রদান করবে।

বাইরের আলোর অবস্থা ও খারাপ আবহাওয়া নির্বিশেষে কাজ করবে এ প্রযুক্তি। এছাড়াও, হুয়াওয়ে ফোরডি
ইমেজিং রাডারের রেজ্যুলেশন অনেক বেশি এবং এটি আরও বিস্তৃত সীমায় বস্তুর উপস্থিতি শনাক্ত করতে
পারবে।
এ শিল্পখাতের সর্বোচ্চ কম্পিউটিং পাওয়ার নিয়ে এমডিসি ৮১০ বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ড্রাইভিং কম্পিউটিং
প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এমডিসি কোর ও সম্পূর্ণ টুলচেইন থাকার ফলে এমডিসি ৮১০ ট্র্যাফিক
জ্যাম পাইলট (টিজেপি), হাইওয়ে পাইলট (এইচডব্লিউপি) এবং অটো ভ্যালেট পার্কিং (এভিপি) -এর মতো
উচ্চস্তরের স্বয়ংক্রিয় ড্রাইভিং ফাংশন ব্যহারের সুযোগ তৈরি করবে। ওপেন ও স্ট্যান্ডার্ডাইজড
প্ল্যাটফর্ম হুয়াওয়ে এমডিসি’র লক্ষ্য বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ড্রাইভিং শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধি ত্বরাণ্বিত করা।
পণ্য উন্মোচনের সময় হুয়াওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এর অত্যাধুনিক এইচডি ম্যাপ ক্লাউড সার্ভিস ক্যাপাবিলিটি
ও রোডম্যাপ সম্পর্কে ঘোষণা দিয়েছে। বর্তমানে, ইলেকট্রনিক নেভিগেশন ম্যাপ তৈরিতে এবং কম্প্রিহেনসিভ
এইচডি ম্যাপ ডাটা কালেকশন ও ম্যাপিং সক্ষমতা বিকাশে হুয়াওয়ে গ্রেড-এ সার্ভেয়িং ও ম্যাপিং দক্ষতা
অর্জন করেছে।
চার বছর গবেষণা ও উন্নয়নের পর হুয়াওয়ে গাড়ির জন্য বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন থার্মাল ম্যানেজমেন্ট সল্যুশন
নিয়ে এসেছ। ইন্টিগ্রেটেড ডিজাইন, সেন্ট্রালাইজড কম্পোনেন্টস ও কন্ট্রোল ফাংশনের মাধ্যমে হুয়াওয়ে
টিএমএস জ্বালানি সাশ্রয়ে শতভাগ উন্নতি, ক্যালিব্রেশন এফিসিয়েন্সি ও ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতায় ৬০
শতাংশ উন্নতি অর্জন করেছে।

বিস্তারিত তথ্যের জন্যঃ তানভীর আহমেদ, সিনিয়র মিডিয়া ম্যানেজার, হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ)
লিমিটেড।
হুয়াওয়ে:
হুয়াওয়ে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।
সমৃদ্ধ জীবন নিশ্চিতকরণ ও উদ্ভাবনী দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি উন্নত ও সংযুক্ত পৃথিবী গড়ে তোলাই
প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য। নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে হুয়াওয়ে একটি পরিপূর্ণ আইসিটি সল্যুশন পোর্টফোলিও
প্রতিষ্ঠা করেছে, যা গ্রাহকদের টেলিকম ও এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্ক, ডিভাইস এবং ক্লাউড কম্পিউটিং-এর
সুবিধাসমূহ প্রদান করে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের ১৭০টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে সেবা দিচ্ছে, যা বিশ্বের এক
তৃতীয়াংশ জনসংখ্যার সমান। এক লাখ ৯৪ হাজার কর্মী নিয়ে বিশ্বব্যাপী টেলিকম অপারেটর, উদ্যোক্তা ও
গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করে ভবিষ্যতের তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক সমাজ তৈরির লক্ষ্যে হুয়াওয়ে
এগিয়ে চলেছে।

শীর্ষস্থানীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে, গত ২১ বছর ধরে বাংলাদেশের
তথ্য-প্রযুক্তি শিল্প, টেলিকম অপারেটর এবং স্থানীয় অংশীদারদের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যার
মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে তথ্য-প্রযুক্তির সেবা পৌঁছে দিয়ে ’ডিজিটাল বাংলাদেশে’র স্বপ্ন পূরণে
অসামান্য ভূমিকা রেখে চলেছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া বিভিন্ন সিএসআর কর্মসূচী পরিচালনার মাধ্যমে সামাজিক
ক্ষেত্রেও নানান অবদান রাখছে হুয়াওয়ে। অগ্রযাত্রার পথে, বাংলাদেশের সাথে এই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে
হুয়াওয়ে।
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন হুয়াওয়ের ওয়েবসাইট www.huawei.com এবং যুক্ত থাকুন আমাদের ফেইসবুক
পেইজে https://www.facebook.com/HuaweiTechBD/

ইনটেলিজেন্ট গাড়ি তৈরির স্মার্ট সরঞ্জাম আনল হুয়াওয়ে

[ঢাকা, ২১ এপ্রিল, ২০২১] কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন সরঞ্জাম ও সমাধান নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। সম্প্রতি অটো সাংহাই ২০২১ -এ ‘ফোকাসড বিস্তারিত

অনলাইন ডেস্ক: মাদারীপুরের শিবচরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২২ শত পরিবারের মাঝে খাবার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম থেকে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

এ সময় পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবচর পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান বলেন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির পক্ষ চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমন রোধে শিবচর বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে চিফ হুইপ স্যারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

চিফ হুইপের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাবার বিতরণ

নিরেন দাস,জয়পুরহাটঃ- জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দিপুর ইউনিয়নের চকবিলা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান, প্রবীণ আওয়ামী নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মহুরম গোলাম রসুল চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র রুকিন্দিপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান,জেলা যুবলীগ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক,৮০ দশকের সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর ২০১১ সালে আক্কেপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি-জামায়াত কবলিত আক্কেলপুর উপজেলাকে আওয়ামীলীগের ঘটিতে পরিণত করেন। তিনি দলের একটি প্রধান দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আক্কেলপুরে আওয়ামী লীগ পরিবারকে বেগবান করার জন্য তিনি দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করতে শুরু করেন যার সুফলে সুসংগঠিত হয় একটি শক্তিশালী উন্নয়নমুখী আওয়ামীলীগ পরিবার। এদিকে দলের সাধারন সম্পাদক আবার অন্যদিকে রুকিন্দিপুর ইউপি চেয়ারম্যান তাই তিনি তিনবছর চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করে স্বেচ্ছায় চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে দিয়ে আক্কেলপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেন এবং এমন উদারতাকে দলীয় কিছু নেতারা গোপনে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিএনপির প্রার্থী পক্ষ নিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অল্প ভোট পরাজিত করাতে বাধ্য করান। এরপর তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে ২০১৫ সালে আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচন করেন যে নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন একই সাথে আক্কেলপুর পৌরসভায় ইতিহাস রচনা করেন যে ১৯৯৯ সাল স্থাপিত এ পৌরসভায় আওয়ামীলীগের কোন প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারেনি যা তিনিই সর্বপ্রথম আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে মেয়রের চেয়ারে বসে এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। তার এমন (গডগিফট) রাজনৈতিক প্রতিভা আর কঠোর পরিশ্রমে একটি সুসংগঠিত আওয়ামীলীগ পরিবার তৈরি করার পরেও এবং তার দলীয় ও নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমর্থন থাকার শর্তেও তিনি গত ১৪ এ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচনে স্বেচ্ছায় মেয়রের পদ ছেড়ে দিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শহীদুল আলম চৌধুরী তিনি সমর্থন দেন এবং তাকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মেয়র পদে বিপুল ভোটে জয়লাভ করিয়ে আর একটি ইতিহাস গড়েছেন। এদিকে পৌর নির্বাচনের আমেজ শেষ হতে না হতেই কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সিদ্ধান্তে আসছে ১১ এ মার্চ আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলনের ঘোষণা। ইতিমধ্যে সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করতে দিনরাত দেদারে পরিশ্রম করছেন দলের সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার সন্ধায় আক্কেলপুর সরকারি মুজিবর রহমান সরকারি কলেজ মাঠে সম্মেলন কে সফল করার লক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর উপজেলা,পৌর,ইউপি আওয়ামীলীগ সহ সকল সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দদের উপস্থিতিতে তার বক্তব্যে ঘোষনা দিয়ে বলেন মেয়র পদ থেকে যেমন স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছি ঠিক তেমনি ১১ এ মার্চ আসন্ন আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনেও স্বেচ্ছায় সাধারন সম্পাদক পদ ছেড়ে দিচ্ছি এমনকি উক্ত সম্মেলনে আমি কোন প্রার্থীও হবোনা বলেও জানান। তার এমন স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দেওয়ার ঘোষনার পর থেকেই উপজেলা আওয়ামীলীগ পরিবারের তৃনমূল বঞ্চিত নেতাকর্মীরা চরম হতাশ হয়ে পড়েছেন।আবার অনেকেই ভাবছেন তিনি চলে গেলে এমন শক্তিশালী আওয়ামীলীগ আর কোন নেতা কি তৈরি করতে পারবে। এই অবসর চৌধুরী কে নিয়ে ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোচনা ঝড় বইছে আক্কেলপুর পৌর সদর সহ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন গুলোতে কেউ হারাতে চাচ্ছেনা এমন একজন পরিশ্রমী অভিভাবক কে। এমনকি তিনি যেন আক্কেলপুরের রাজনীতি থেকে শড়ে না জান এমন বিষয়টি নিয়েও অসংখ্য নেতাকর্মীরা তাদের ফেইসবুক আইডি থেকে জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ,কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক ও জয়পুরহাট-২ আসনের সাংসদ আক্কেলপুর, কালাই ক্ষেতলাল উপজেলা বাসীর অভিভাবক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন-এমপি”র সুদৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখছেন যে গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর যেন আক্কেলপুরের রাজনীতি থেকে না যেতে না পারেন আপনি অভিভাবক আপনি তাকে যা বলবেন তিনি তাই শুনবেন। গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসরের পক্ষে নেতাকর্মীদের সর্মথক ও দলীয় ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা শর্তেও তিনি কেন-? স্বেচ্ছায় সকল পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন এমন বিষয়টি নিয়ে তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে,আমার প্রাণপ্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতি করি,তাই আমি বিশ্বাস করি একজন ব্যক্তি একই জায়গায় বসে নেতৃত্ব দেয়া ঠিক হবে না। কেননা দলের অসংখ্য ত্যাগী প্রতিভাবান নেতৃত্বদানকারীরা রয়েছেন তাদেরও সুযোগ দেয়া উচিৎ বলেই আমার প্রতি নেতাকর্মী সহ দলীয় ব্যাপক সর্মথক থাকা শর্তেও স্বেচ্ছায় আমি সকল পদ ছেড়ে দিচ্ছি। তিনি আরো বলেন যে আমার এ ঘটনা হয়তো বাংলাদেশে একটি ইতিহাস হবে যে তিনি চেয়ারের লোভ না করে দলের অন্যদের দায়িত্ব দিতে স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দিয়েছেন। আপনি কি-? শুধু পদই ছেড়ে দিচ্ছেন নাকি আক্কেলপুর তথা আওয়ামী রাজনীতিই ছেড়ে দিচ্ছেন এমন জবাবে তিনি বলেন, কখনওই না আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন আমি তারই সন্তান আমার জীবন যতদিন থাকবে আওয়ামীলীগের রাজনীতি থেকে কেউ আমাকে সরাতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। এমনকি অনেকেই মনে করছেন আমি স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দিচ্ছি বলে হয়তো আক্কেলপুর থাকবো না এমন ধারণা টি তাদের ভুল কেননা আমি আক্কেলপুরের সন্তান আমার মৃত্যুর পর দাফনো হবে এই পবিত্র আক্কেলপুরের মাটিতে। তাই আপনাদের মাধ্যমে সকলকে জানাতে আমি বিগত দিনে আক্কেলপুর বাসীর সুখেদুঃখে যেমন পাশে ছিলাম, ঠিক তেমনি আগামীতেও সকলের সুখেদুঃখে পাশে থাকবো। আর এতে আমি প্রমাণ করে দেখাবো যে শুধু চেয়ারে বসেই জনগণের সেবা করা যায় তা তা ভুল, চেয়ার ছাড়াও যে জনগণের সেবা করা যায় তা আমি করে দেখাবো বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

Niren sent Today at 2:06 AM


স্বেচ্ছায় মেয়র ও দলীয় পদ ছেড়ে দেয়াই পরিশ্রমী নেতা অবসর চৌধুরীকে নিয়ে হতাশ আওয়ামী পরিবার


ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০১৯ (চ্যানেল ২৬) : ঝুঁকি কমাতে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বীমা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বীমা অংক বাংলাদেশি টাকায় ১৩৪ কোটি ২৮৮ লাখ টাকা। বীমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে বাংলাদেশি টাকায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

ইতিমধ্যে সাধারণ বীমা সরকারের গৃহীত মেগা প্রকল্প সমূহ যেমন- মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু টানেল ও মেট্টো রেল প্রকল্পগুলোর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে করা হচ্ছে এ বীমা পলিসিটি। এর ফলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বীমা সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে দেশের বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে দেশি বীমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি বীমা কোম্পানি গুলো বীমা করতে উৎসাহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন

নিউজ ডেক্স: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নর্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গণমানুষের নেতা জাতীয় পাটির ঢাকা মহানগর-উত্তরের প্রচার সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম হাসেম।

সরোজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে, তারা জানান এস.এম হাসেমকে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুন এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছ যেতে পারেন এবং তিনি ভূক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর আরো জানান, এলাকা আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, চাঁদাবাজী সন্ত্রাস-মাস্তানি বন্ধ এবং দূর্নীতির জঙ্গীবাদ-এর বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান, তাই এই ৩২নং ওয়ার্ডে এস.এম হাসেম জনপ্রিয়তার শীর্ষে বা বিকল্প কোন নেতা এখনও এই ৩২নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয়নি।

তরঙ্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাত্কারে কাউন্সিলর প্রার্থী এস.এম হাসেম বলেন, আমি এলাকাবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচন করবো্ জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যাবো।আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এস.এম হাসেম ৩২নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ের সহযাত্রী ও সব ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। যদি মনে করেন আপনাদের চাওয়া পাওয়ার কথা উচ্চারিত হোক কোন বলিষ্ঠ কন্ঠে তবে আমার বলতে দিন।আপনাদের জন্য আমাকে কিছু করার সুযোগ দিন।আমি আপনাদের ভিড় থেকেই উঠে আসা আপনাদেরই একজন। আপনারা ভালো থাকলে ৩২নং ওয়ার্ডবাসী ভালো থাকবে,আমাদের রাজধানী ঢাকা ভালো থাকবে এবং ভালো থাকবে আমাদের সোনার বাংলাদেশ। তাই সকল দিক বিবেচনা করে আমাকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এর ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে একটি ভোট দিন।

ডিএনসিসিনির্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এস.এম হাসেম

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম:০৪/১০/২০১৯ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া আমিরাবাদ হোটেল ও আই সি হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এমএ তাহের (তারেক) জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লোহাগাড়া শাখা সাংবাদিক মুহাম্মদ ঈসা পবিত্র কোরআন তেলােওয়াতের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠান শুরু করে। সঞ্চালনা ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি , জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক , দৈনিক ওলামা কন্ঠ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট মুহাম্মদ মিয়া ফারুক, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, আরো উপস্থিত ছিলেন তুষার আহামেদ কাইছার শিহাব উদ্দিন শিহাব চ্যানেল কর্ণফুলি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বান্দরবান পার্বত্য জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম, জেলা কৃষক লীগ নেতা নূরুল ইসলাম ভান্ডারী, ইসমাইল হোসেন সোহাগ সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লামা উপজেলা শাখা,জিয়া হোসেন, বাবুল চৌধুরী, মোঃ কাউছার আলম, মুহাম্মদ ঈসা দপ্তর সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা , আব্বাছ উদ্দিন দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য , রফিকুর রহমান দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, মুহাম্মদ ফাহিম রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক মুক্তালোক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, আরো উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, রমজান আলী, মুহাম্মদ এমরান সহ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, উক্ত এ বৈঠকে সংগঠনের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার জন্যে স্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ও সাংবাদিকদের কল্যাণে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ধরে পরিকল্পিত যোগসাজশে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) জাফিকুর রহমান অমি (১৫) ও তার মা মোছাঃ আছমা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা অর্থবান ও ক্ষমতাধর হওয়াই আহতরা যেন থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করতে যায় এ জন্য প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে বিষয়টি আহত পরীক্ষার্থী অমি”র চাচা মোঃ আব্দুল হাই মিলন জানতে পেরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে হামলাকারী ৬ জনের বিরুদ্ধে (৫-ফেব্রুয়ারি) ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হামলাকারী আসামীরা হলেন,উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামের মৃতঃ- মোত্তালেব সরদারের ছেলে (১) মেহেদি হাসান,(২) মোস্তাক হোসেন নাহাজ,(৩) মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জগলুল,(৪) আসামী মেহেদির স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা আক্তার নূপুর,(৫) আসামী মোস্তাকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার ও একই গ্রামের মোঃ মাফতুম হোসেনের স্ত্রী (৬) পাখি বেগম। উক্ত মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, (গত ৩ এ-ফেব্রুয়ারি) সোমবার শুরু হয় এসএসসি-সমমান-২০ পরীক্ষা প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে ওই দিন সন্ধায় অমি তার নিজ ঘরে পড়ছিল হঠাৎই সে শুনতে পারে বাহিরে বেজোড়ে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা পূর্ব শত্রুতার জেড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়ির সামনের একটি মুরগির ঘর উল্লেখিত আসামীরা ভাঙচুর করছে এমনি অবস্থায় অমি”র মা তাদের বাঁধা দিতে গেলে আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দ্বারা মাথায় আঘাত করছে পাশাপাশি পড়নের কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করার দৃশ্য দেখে অমি ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে তার মা কে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় লোহার রড দ্বারা আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার মা ছেলেকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী মোঃ মনতাছির মামুন সনি,মোছাঃ শাহানা আক্তার ও লাইজু বেগম সহ আরও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়,ততক্ষণিক ওই স্থানীয়রা অমি ও তার মা কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভ্যানযোগে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী”র চাচা আব্দুল হাই মিলন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দিলে মামলাটি আমলে নিয়ে,আমার থানা পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এতে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

ক্ষেতলালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তার মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম”৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

স্টাফ রিপোর্টার : বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীদের চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ৷ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘােষণা করা হয়।

বিভিন্ন ইউনিয়নে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন, ১ নং গৌরম্ভা ইউনিয়নে মোঃ রাজীব সরদার, ২ নং উজলকুড় ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুন্সী বোরহান উদ্দিন জেড, ৩ নং বাইনতলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ ফকির, ৪ নং রামপাল সদরে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন হাওলাদার, ৫নং রাজনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি সরদার আঃ হান্নান ডাবলু, ৬নং হুড়কা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সভাপতি তপন গোলদার, ৭ নং পেড়িখালী ইউনিয়নে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবুল, ৮ নং ভোজপাতিয়া ইউনিয়নে তরফদার মাহফুজুল হক , ৯ নং মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে তালুকদার ছাবির আহাম্মদ , ১০ নং বাঁশতলী ইউনিয়নে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (ভিপি সোহেল)৷

শনিবার দলের সংসদীয় এবং স্থানীয় সরকার
জনপ্রতিনিধি মনােনয়ন বাের্ডের যৌথসভায় এসব প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং সংসদীয় স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনােনয়ন বাের্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রামপালে ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হলেন যারা

themesbazartvsite-01713478536
error: Content is protected !!