বাঙালির সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব বাংলা নববর্ষ। পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ, চৈত্রের শেষ বৈশাখের শুরু। এই শেষ চৈত্র আর পহেলা বৈশাখ নিয়ে যে উৎসব আয়োজন, তা বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি। বাঙালির নতুন বছরের প্রথম দিন। মোঘল সম্রাট আকবর তার শাসনামলে ফসলের খাজনা তোলার সুবিধার্থে বাংলা বছরের হিসাব শুরু করেন। সেই থেকে বাংলা নববর্ষ বরণ শুরু হয়। পহেলা বৈশাখ ধর্ম বর্ণ ভেদাভেদ ভুলে সকল সম্প্রদায়ের এক মিলনের স্মারক।
বাঙালি জাতি সারাটা বছর অধীর আগ্রহে এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে। পহেলা বৈশাখ প্রকৃতির নিয়মে ঘুরে আসে। কিন্তু এ বছর ১৪২৮ সনের বাংলা নববর্ষের দিনটি বাঙালি জাতি উদযাপন করছে এমন এক সময় যখন বিশ্বময় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ২৯ মার্চ সরকার স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত  ১৮টি নির্দেশনা প্রদান করে এবং ৫ এপ্রিল থেকে সীমিত আকারে এক সপ্তাহ দেশব্যাপী লকডাউন ছিল। এরপরেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষের দিন থেকে সরকার আবারো দেশব্যাপী এক সপ্তাহের জন্যে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে। ফলে  এই সংকটময় পরিস্থিতিতে বাঙালির সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব পহেলা বৈশাখে বর্ষবরণের চিরাচরিত চেহারাও পাল্টে গেছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজকরা ডিজিটাল মাধ্যমে বর্ষবরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই সময় স্বাস্থ্য ঝুকি এড়িয়ে বাড়িতে থেকে পরিবারের  সদস্যদের সঙ্গে আনন্দঘন পরিবেশে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান পালন করা উচিত। উল্লেখ্য যে ১৯৬৭ সাল থেকে নিয়মিত সূর্যোদয় থেকে রমনার বটমূলে পহেলা বৈশাখের প্রভাতী  সংগীতায়োজন করে আসছে ছায়ানট। কিন্তু মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালে ও করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত বছর এবং তৃতীয় বারের মতো এবছর রমনা বটমূলে অনুুষ্ঠানের আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ বছর বাংলা নববর্ষ পালনের অনুষ্ঠানাদি নিজ গৃহে সীমিত আকারে পালন ও করোনাভাইরাসে বিপন্ন অসহায় মানুষের সেবায় সামর্থবানদের মনোনিবেশ করা উচিত। প্রত্যেক জাতির  নিজস্ব সংস্কৃতি প্রভাব বিস্তার করে একটা সুস্থ ও সচেতন মানস গঠনের দায়িত্ব নেয়। সংস্কৃতির মধ্যে অবগাহন করেই মানুষ নিজের ব্যক্তিত্বের স্পষ্ট একটি রূপ তুলে ধরার চেষ্টা করেন। নিজের সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা যে কোন জাতিকে বড় হওয়ার প্রাথমিক দীক্ষা দেয়। বাঙালির জীবনে বাংলা নববর্ষ একটি সচেতন প্রতিফলন। মূলত বাংলা নববর্ষ উদযাপনের মধ্যে দিয়ে বাঙালি জাতি তার নিজস্ব সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে থাকে। বাংলা নববর্ষের সঙ্গে বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক বিদ্যমান। সচেতন জাতির পরিচয় প্রকাশিত হয়, বিচিত্র সাংস্কৃতির রূপের মধ্য দিয়ে। বাংলা নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির সেই পরিচয়বাহী। নববর্ষ মানুষকে সচেতন করে তার সাংস্কৃতিক চেতনার স্বপন্দনে। জাতীয় জীবনে বর্ষ বরণের প্রথম দিনে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর অর্থ নতুনকে বরণের সাগ্রহ মনোভাব। বাঙালি একটি ভাষাভিত্তিক জাতি। যাদের জন্ম বঙ্গে, মাতৃভাষা বাংলা, মূলত তারাই বাঙালি। এই বাঙালির বড় উৎসব বাংলা নববর্ষ। বিগত বছরের দুঃখ, বেদনা, আনন্দ, উৎসবের স্মৃতিচারণ পরিহার করে নতুন বর্ষকে স্বাগত জানানো হয়। বৈশাখে উৎসবে মানুষের ঢল নামে। মেলা বসে গ্রামে গ্রামে। নানা ধরনের হাতের তৈরী দ্রব্য ও খাবারের মেলা যেন গ্রামবাংলার মানুষের প্রতিচ্ছবি। তাদের জীবন যেন খন্ড খন্ড হয়ে ধরা পড়ে তাদের হাতের কারু কাজে। মাটির পুতুল, পাটের শিখা, তালপাতার পাখা, সোলার পাখি, বাঁশের বাঁশি, ঝিনুকের ঝাড়, পুঁতিমালা, কত না অদ্ভুত সব জিনিসের সমাবেশ ঘটে সে মেলায়। চোখে না দেখলে যেন বিশ্বাসই হয় না বাংলার মানুষের জীবন এত সমৃদ্ধশালী। বাংলার মানুষ গরীব হতে পারে, দারিদ্র্যের নিস্পেষণে তারা জর্জরিত হতে পারে কিন্তু এসব দুঃখ কষ্ট তাদের জীবনকে আনন্দ থেকে বঞ্চিত করতে পারে না। নববর্ষ বছরটির জন্যে আশার বাণী বহন করে নিয়ে আসে। তাই নববর্ষ আমাদের প্রাণে জাগায় আশার আলো ও উদ্দীপনা।
এ জন্য আমাদের কাছে পহেলা বৈশাখ, পারসিকদের কাছে নওরোজ এবং ইংরেজদের কাছে ঐধঢ়ঢ়ু ঘবি ণবধৎ বিশেষ আনন্দময় দিবস। বাঙালি জীবনে যেমন ছিল পূণ্যাহ অনুষ্ঠান তেমনি হালখাতা অনুষ্ঠান। জমিদারি প্রথা বাতিলের সাথে পূণ্যাহ অনুষ্ঠান বিলুপ্ত হয়েছে কিন্তু হালখাতা অনুষ্ঠান সগৌরবে বিরাজমান। নানা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে উদযাপিত হয় হালখাতা উৎসব। বিগত বছরের ধার-দেনা শোধের পর্ব শুরু হয় এই দিনে। এর মধ্যে শুধু ব্যবসায়িক লেনদেন নয় হৃদয়ের বিনিময়ও ঘটে। ব্যবসায়িক লেনদেনের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখে মানুষে মানুষে সৌহার্দ্যতা বাড়ে। আজকাল পহেলা বৈশাখ উদযাপনের মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে বিশেষ করে নাগরিক জীবনে। শহরে শহরে মুক্তাঙ্গণে কবিতা পাঠ, আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রভৃতি কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকায় রমনার বটমূলে এই অনুষ্ঠান বিশেষ ব্যাপকতা লাভ করেছে। শুধু নাচ-গানই নয়, বাঙালির বহুকালের অভ্যাস, পান্তা ভাত ও ইলিশ ভাজি খাওয়া এখানে চালু আছে বহু বছর থেকে। তবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের জন্যে এ বছর রমনা বটমূলে কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। বৈশাখের তথা বাংলা নববর্ষের চেতনা বাঙালির হৃদয়ে অন্তরে মিশে আছে, কিন্তু পরিতাপের বিষয় বাংলা নববর্ষের ব্যবহারিক প্রয়োগ আমাদের জীবনে প্রায় অনুপস্থিত। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বাংলা সন কিংবা বাংলা তারিখের ব্যবহার নেই বললেই চলে। বিদ্যালয়, অফিস, আদালত, ব্যাংক-বীমা, বিদেশ ভ্রমণের তারিখ নির্ধারণ ইত্যাদি কোন পর্যায়েই বাংলা তারিখ ব্যবহৃত হয় না। পৃথিবীর বুকে একমাত্র যে দেশের মানুষ তাদের ভাষা রক্ষার জন্যে আন্দোলন করে জীবন দিয়েছে, যে দেশে প্রতি বছর বাংলা নববর্ষ পালিত হয় জমজমাট পরিবেশে, আনন্দঘন উৎসবে। সে দেশেই বাংলা সন ও বাংলা তারিখ উপেক্ষিত! এই অবস্থায় পহেলা বৈশাখের চেতনা তথা বাঙালির সংস্কৃতি ও বাংলা সন তারিখ আদালতসহ দেশের সর্বত্র চালু করা প্রয়োজন। সর্বক্ষেত্রে বাংলা ভাষা ও বাংলা তারিখ ব্যবহার করা অপরিহার্য।

বাঙালির সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব বাংলা নববর্ষ ॥ লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল ॥

বাঙালির সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব বাংলা নববর্ষ। পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ, চৈত্রের শেষ বৈশাখের শুরু। এই শেষ চৈত্র আর পহেলা বৈশাখ নিয়ে যে উৎসব আয়োজন, তা বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি। বাঙালির বিস্তারিত

শাহানাজ পারভীনঃ চট্টগ্রামঃ- দেশের প্রায় সব সেক্টরেই পেশাদারিত্বের ক্ষেত্রে সততায় বড় ইস্যু। দেশের যে কোন নাগরিক যে কোন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ সেবা পাবেন, সংবিধান সেই অধিকার তাকে দিয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগী বা তাঁর স্বজন সরাসরি আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে চান না, আর তখনই তাদের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া অন্যদিকে গড়ায়। সরকারি হাসপাতালগুলোতে অনেক সময় চিকিৎসক যথাসময়ে উপস্থিত থাকেন না কিংবা বেসরকারি হাসপাতাল বা চেম্বারে রোগী দেখায় ব্যস্ত থাকেন, বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানি চিকিৎসকদের নানান উপহার ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়ায় তাঁরা রোগীকে ঔষধ লেখার আগেই দায়বদ্ধ হয়ে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ঔষধ লিখতে। চিকিৎসক-রোগীর মাঝে সম্পর্ক সেবামূলক হলেও চিকিৎসকরা সবসময় চাইলেও সবকিছু করতে পারেন না কারণ তৃতীয় পক্ষ হিসেবে সেখানে থাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ ইং রাতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়ন ফোরাম আয়োজিত এক ওয়েবিনারে বক্তারা এসব মতামত ব্যক্ত করেন। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়ন ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত সাপ্তাহিক এই অনুষ্ঠানের এ পর্বে আলোচনার মূল বিষয় ছিলো-স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নয়নে শিষ্টাচার, সুবিচার ও সাম্যের গুরুত্ব। ওয়েবিনারে আলোচক অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির কোষাধ্যক্ষ ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, মানিকগঞ্জের শিবালয়ের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. আসিফ ইকবাল, আইনজীবী ও লেখক পারভীন আখতার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী লুবনা ইয়াসমিন। আলোচনার শুরুতে ড. আসিফ বলেন, শুধু স্বাস্থ্যসেবাই নয়, দেশের প্রায় সব সেক্টরেই পেশাদারিত্বের ক্ষত্রে সততা একট বড় ইস্যু। নিজ নিজ পেশার প্রতি সততা এবং একাগ্রতা ঠিক রাখতে দেশের সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কাজ করার উপর গুরুত্ব দিতে হবে যাতে খুব ছোটবেলা থেকেই মানুষ এসব শেখে। চিকিৎসকদের পাশাপাশি রোগীদের মধ্যেও অনেক সময় সহনশীলতার ঘাটতি দেখা যায় মন্তব্য করে তিনি বলেন, সে ক্ষেত্রেও শিক্ষাই হতে পারে নিয়ামক। শিক্ষাই মানুষকে পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে কখনোই গুরুত্ব দেয়া হয়না। গণমাধ্যম এবং অন্যান্য জায়গায় চিকিৎসক এবং রোগীকে একপ্রকার প্রতিপক্ষ রূপে দেখানো হয় যা কোনভাবেই ঠিক নয়। সব পেশাতেই এ জাতীয় সমস্যা রয়েছে। অনাস্থার জায়গা সব পেশাতেই আছে। দেশের যে কোন নাগরিক যে কোন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ সেবা পাবেন, সংবিধান সেই অধিকার তাকে দিয়েছে উল্লেখ করে ব্যারিস্টার রাগীব বলেন, মেডিকেল নেগলিজেন্স এর বিষয়ে পেনাল কোডে সরাসরি কোন প্রোভিশন না থাকায় এসব নিয়ে সরাসরি আইনী প্রক্রিয়া দেখতে পাওয়া যায় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগী বা তার স্বজন সরাসরি আইনী প্রক্রিয়ায় যেতে চান না। আর তখনই তাদের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া অন্যদিকে গড়ায়। সরকারি হাসপাতালগুলোতে অনেক সময় চিকিৎসক যথাসময়ে উপস্থিত থাকেন না কিংবা বেসরকারি হাসপাতাল বা চেম্বারে রোগী দেখায় ব্যস্ত থাকেন। এতে রোগীরা ওই চিকিৎসকদের প্রতি এক ধরনের বিরূপ মনোভাব নিয়েই হাসপাতালে যান। চিকিৎসকদের প্রতি তখন রোগীদের আস্থাহীনতা তৈরি হয়। এছাড়াও চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে নিজেদের পছন্দমতো কোম্পানির অতিরিক্ত ঔষধ লেখারও অভিযোগ আছে। বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানি চিকিৎসকদের নানান উপহার ও সুবিধা দেয়ায় তারা রোগীকে ঔষধ লেখার আগেই দায়বদ্ধ হয়ে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ঔষধ লিখতে। এছাড়া বিভিন্ন প্যাথলজি ল্যাবে এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও অহেতুক রোগী পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে অনেক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। তাছাড়া অনেক বড় বড় হাসপাতালে ভালো বেতনে চিকিৎসক নিয়োগ দেয় হয় এই শর্তে যে তারা ওই হাসপাতালকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ মুনাফার সুযোগ করে দেবেন। ফলে চিকিৎসক রোগী দেখে অহেতুক অনেক পরীক্ষা দেন, ভর্তি করান, কেবিন/আইসিউতে পাঠান যার মাধ্যমে হাসপাতালের অধিক মুনাফা হয়। শুধু আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে এসব সমাধান করা সম্ভব নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসকদের সংগঠন সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে নিয়ে এজন্য একটি টাস্কফোর্স জাতীয় কিছু করে বিধিমালা প্রণয়ন করতে হবে। এডভোকেট পারভীন সংক্ষুব্ধ রোগীর স্বজনদের দ্বারা অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনা ঘটবার আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়ার উপর জোর দেন। তিনি বলেন, চিকিৎসক এবং রোগী ছাড়াও তৃতীয় পক্ষ হিসেবে থাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসক-রোগীর মাঝে সম্পর্ক সেবামূলক হলেও চিকিৎসকরা সবসময় চাইলেও সবকিছু করতে পারেন না। এটাও মাথায় রাখতে হবে। অনেক হাসপাতালে নার্স পর্যন্ত নিয়োগ দেয়া হয়না, ক্লিনাররাই নার্স হিসেবে কাজ করেন। সরকারি হাসপাতালে কাগজেকলমে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কেনার তালিকা দেখানো হলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে সেগুলো দেখতে পাওয়া যায় না। তিনি বলেন, হাসপাতালগুলো চিকিৎসকদের দ্বারা পরিচালিত করার পাশাপাশি রোগীদের প্রতি ভালো আচরণ, পর্যাপ্ত সময় দিয়ে রোগী দেখা ইত্যাদি নিশ্চিত করতে ঔষধ প্রাশাসন, ফার্মাসিউটিক্যালস এসোসিয়েশন সহ সকলকে যৌথ দায়িত্ব নিতে হবে। এছাড়া ব্যক্তিভিত্তিক চিকিৎসক না হয়ে রোগভিত্তিক চিকিৎসক অর্থাৎ সাধারণ চিকিৎসকের ধাপ পার হয়েই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পর্যন্ত যাওয়া উচিত যাতে রোগীদের সেবার মান যেমন নিশ্চিত হবে, পাশাপাশি অহেতুক বিড়ম্বনাও কমাবে। অনুষ্ঠান শেষে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়ন ফোরামকে সুন্দর একটা গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য আলোচকরা অভিনন্দন জানান

বাংলাদেশের ঔষধ কোম্পানিগুলো চিকিৎসকেরা দায়বদ্ধ হন সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ঔষধ লিখতে

শাহানাজ পারভীনঃ চট্টগ্রামঃ- দেশের প্রায় সব সেক্টরেই পেশাদারিত্বের ক্ষেত্রে সততায় বড় ইস্যু। দেশের যে কোন নাগরিক যে কোন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ সেবা পাবেন, সংবিধান সেই অধিকার তাকে দিয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিস্তারিত

কুতুবদিয়া দ্বীপ
মু. মুজিবুর রহমান

দেখো হে মাবুদ
জল বেষ্টিত অর্ণবে ঘেরা
ভূখণ্ড বসে মোরা 
ডাকি গো তোমায়। 

সিন্ধুতরঙ্গ বেগবান হয় 
তোমারি ইশারায়। 
রহম করো প্রভু 
ঠেলে দিও না মোদের 
অম্বুধিজলে।

ঘনকালের আভাসে
যখনই জলধিলহরী আসে ধেয়ে
নেত্রজল গড়িয়ে পড়ে নয়ন বেয়ে।

রাক্ষুসে জলাধিপা 
প্রতিহায়নে কেড়ে নেয় কতশত প্রাণ
প্রভু, বাঁচাও গো তুমি 
নির্বিশঙ্ক নাবিকের জান।

মাতৃভূমি কুতুবদিয়াকে নিয়ে স্বরচিত একটি কবিতা।

কুতুবদিয়া দ্বীপমু. মুজিবুর রহমান দেখো হে মাবুদজল বেষ্টিত অর্ণবে ঘেরাভূখণ্ড বসে মোরা ডাকি গো তোমায়।  সিন্ধুতরঙ্গ বেগবান হয় তোমারি ইশারায়। রহম করো প্রভু ঠেলে দিও না মোদের অম্বুধিজলে। ঘনকালের আভাসেযখনই জলধিলহরী আসে ধেয়েনেত্রজল গড়িয়ে পড়ে বিস্তারিত

রাহাত মামুন: সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের সাদিপুর এলাকায় অবস্থিত কনকা ইলেক্টনিকস ফ্যাক্টরীতে ভয়াবহ আগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকান্ডে কয়েক হাজার টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় দুুই শ্রমিক আহত হয়েছে। স্থানীয়রা আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে হাতপাতালে প্রেরণ করেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সোনারগাঁ থানার ওসি ও হাইওয়ে থানার ওসিসহ বিভিন্ন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, রবিবার সকাল ১০টার দিকে শ্রমিকরা যখন কাছে যোগদান করছিলেন তখন ফ্যাক্টরীটির ৩য় তলায় বিকট শব্দে বিস্ফোরন ঘটে আগুনের সুত্রপাত ঘটে। মুহুর্তের মধ্যে আগুন ফ্যাক্টরীতে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় ফ্যাক্টরীর ভেতরে থাকা শ্রমিকরা জানালা ও মুল ফটক দিয়ে দৌড়ে বেরিয়ে আসে। এতে ২ শ্রমিক আহত হয়। এদিকে খবর পেয়ে সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করে। পরে আশপাশের উপজেলা, ডেমরা ও ঢাকার ১২ টি ইউনিট ও মেঘনা ইকোনোমি জোনের ২ টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে ৩ ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে।
তবে মুল ফটক নির্মানাধীন থাকায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী ভেতরে প্রবেশ করতে না পারায় আগুন নেভানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
ফ্যাক্টরী সংশ্লষ্টদের ধারনা আগুনে ফ্যাক্টরীতে থাকা কয়েক হাজার কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ঢাকা ফায়ার স্টেশনের মিডিয়া উয়িং মো: রায়হান জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে সোনারগাঁ ও ঢাকাসহ প্রায় ১২টি সরকারী ও ২টি বেসরকারি ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। তবে কিভাবে কোথায় থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে তা বলা যাচ্ছে না। আমরা তদন্ত করে দেখছি। তিনি আরো জানান, আগুনে কোন শ্রমিক নিহত হয়েছেন কিনা সে ব্যাপারে কোন তথ্য নেই। তবে শুনেছি দুজন শ্রমিক আহত হয়েছে।

সব পুড়ে ছাই

রাহাত মামুন: সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের সাদিপুর এলাকায় অবস্থিত কনকা ইলেক্টনিকস ফ্যাক্টরীতে ভয়াবহ আগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকান্ডে কয়েক হাজার টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় দুুই শ্রমিক আহত বিস্তারিত

বিভাগঃ কবিতা শিরোনামঃ বর্ষবরণ কলমেঃ ডাঃ গোলাম রহমান ব্রাইট 

তারিখঃ ৩১-১২-২০২০ ইং- **আরো একটা বছর চলে গেলো স্মৃতির পাতাকে করে ভারী অক্ষিপটে ভাসে সব ঘটনার লাইন গুলি সারি সারি। কাল পরিক্রমায় বর্ষবিদায় নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন বছর ভালো প্রাপ্তির আশায় বর্ষবরণ করি হোক সবই অক্ষি গোচর। অনাবিল আনন্দ বয়ে নিয়ে আসুক ফিরে আসুক শান্তি স্বস্তিতে স্থবিরতা কাটিয়ে গতিময়তা বাড়ুক পাড়া মহল্লা আর বস্তিতে।
সারাবিশ্বে ছড়িয়ে সম্মুখে দাঁড়িয়ে গেছে একি ভীষণ মহামারী!সতর্ক থেকেও ব্যর্থ হলে বলো কেমনে চিন্তা মুক্ত হতে পারি!অপমৃত্যু আর স্বজন হারানো ভুক্তভোগী এবছর যত ব্যতিক্রমী ঘাতকের এমন ছোবল এর আগে দেখিনি তত। হৃদয়ের ক্ষত স্বজনের আহাজারি শুনে চলেছি অবিরত শিক্ষা-দীক্ষা আর অর্থ-বিত্তের মাঝে ভেবেছি কি ক্ষতি কত!
বেদনা বিধুর স্মৃতি রোমন্থনে চলে দু’নেত্রে অশ্রু ঝরালিখে রেখেছি আমি পড়ে দেখো সবাই কাব্যের পাতা ভরা।আগামী দিনের দিকে সবার নজর কেমন দিন যে পাবো! ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে হয়তো এগিয়ে গিয়ে সুখী রবো।
কি পেয়েছি আর কি হারালাম হিসাব করাটা মূখ্য নয় বিপদ সংঘাত মোকাবেলা করে করতে হবে যে জয়।পুরোনো দিনের হানাহানি আর হিংসা বিদ্বেষ গুলো ভুলি দৃঢ় সংকল্প আর ভালো পরিকল্পনায় নতুন পৃথিবী গড়ে তুলি।

বিভাগঃ কবিতা শিরোনামঃ বর্ষবরণ কলমেঃ ডাঃ গোলাম রহমান ব্রাইট  তারিখঃ ৩১-১২-২০২০ ইং- **আরো একটা বছর চলে গেলো স্মৃতির পাতাকে করে ভারী অক্ষিপটে ভাসে সব ঘটনার লাইন গুলি সারি সারি। কাল পরিক্রমায় বর্ষবিদায় নিয়ে শুরু হচ্ছে বিস্তারিত

তারিখঃ ২৫-১২-২০২০ ইং

তোর অপেক্ষায় রইলাম বসে সারা জনম থাকবো যতদিন ধরায় বেঁচে থাকি তোকে মনে রাখবো। যত দুঃখ আসে আসুক তোকেই আপন মানবো বাস্তবে না পেলেও তোকে কল্পনায় আমার জানবো।
স্বপ্নগুলো সব শিশিরে ভিজে সিক্ত হলো মনতোর ভাবনায় সারাক্ষণ থাকে ভেজা চোখের কোন। ব্যস্ততায় দিন কাটাই তবু মনে ভাসে সর্বক্ষণ স্মৃতিরা আমাকে ব্যাকুল করতে করেছে যেন পণ।
অশ্রু সিক্ত একটা চিঠি পাঠিয়ে দিলাম আজ তনু মন আজ বিষণ্ণ ভীষণ ভালো লাগে না কাজ।আমার দুঃখ কষ্ট গুলো স্পর্শ করে না তোকে আঘাতে আঘাতে বেলা ফুরালো জীবন গেল শোকে!

কবিতা শিরোনামঃ বেলা ফুরালো কলমেঃ ডাঃ গোলাম রহমান ব্রাইট

তারিখঃ ২৫-১২-২০২০ ইং তোর অপেক্ষায় রইলাম বসে সারা জনম থাকবো যতদিন ধরায় বেঁচে থাকি তোকে মনে রাখবো। যত দুঃখ আসে আসুক তোকেই আপন মানবো বাস্তবে না পেলেও তোকে কল্পনায় আমার জানবো।স্বপ্নগুলো সব শিশিরে বিস্তারিত

রাজাকারের সন্তানদের হাতেই স্বাধীনতার নিশান। এই ডিসেম্বরে বাঙালি পরেছিল বিজয়ের বরমাল্য। ৪৮ বছর পর সেই ডিসেম্বরেই শুরু হলো কলঙ্কমোচনের নতুন অধ্যায়। ৪৯ তম বিজয় দিবসের আগমুহূর্তে ১৯৭১-এর মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের বিস্তারিত

তারিখঃ ১২-১২-২০২০ ইং- “”””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””
বর্ণিল সমারোহ মনে ধরে না বিষাদে এ মনটা কাঁদে একাকী নিশিতে আনমনে হেঁটে পড়েছি ভীষণ খাঁদে। নিষ্প্রভ জ্যোৎস্নায় বিরহীর ক্রন্দন অজস্র চিন্তার ফাঁদে নীলাম্বরে উড়ে ঘনকালো মেঘ লুকোচুরি খেলে চাঁদে। বিষণ্ণ মেঘে ম্রিয়মান জ্যোৎস্নারা মিশ্র অবয়বে হাসে নিশুতির আঁধারে তপ্ত বিরহ মোর অশ্রু ধারায় ভাসে।
রিক্তের ভাবনা ব্যবচ্ছেদ হয়ে বিরূপ প্রতাপে জ্বলে অধরা স্বপ্নগুলো গুমরে কেঁদে নিরব রোদনে চলে।কণ্টকাকীর্ণ পথে চলতে গিয়ে রূদ্ধ হয়েছে এ চরণ নির্ঘুম রাতের জাগ্রত এ তনু দুঃখকে করেছে বরণ।মনের কার্ণিশের অবাঞ্ছিত মেঘ সরাতে এলো আশা দৃশ্যপটে ভাসে জীর্ণ স্মৃতিরা লুণ্ঠিত এ মননের ভাষা।
ক্রমাগত ক্ষরিত তপ্ত লোনাজল ভাবাবেগে মলিন হলে সমাগত জীবনে ব্যর্থ প্রদীপ;জোনাকিও আলোহীন চলে।সুপ্ত মনের স্ফুরণে ঘটে যায় কত বিষাদে ভরা ব্যথা অশ্রুর প্লাবনে ভিজে যায় বালিশ,ভিজে যায় কাঁথা। তীর্যক যাতনায় একি প্রহসন! বিমোহিত মনের পাতা; কবিতার পাণ্ডুলিপি স্পর্শের বাইরে,পড়ে থাকে হিসাবের খাতা।””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””®নাবিহা ফ্যাশন হাউস, গ্রাম- ফরিদপুর, থানা- কালিগঞ্জ, জেলা- সাতক্ষীরা।

বিভাগঃ কবিতা শিরোনামঃ হিসাবের খাতা কল মেঃ ডাঃ গোলাম রহমান ব্রাইট

তারিখঃ ১২-১২-২০২০ ইং- “”””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””বর্ণিল সমারোহ মনে ধরে না বিষাদে এ মনটা কাঁদে একাকী নিশিতে আনমনে হেঁটে পড়েছি ভীষণ খাঁদে। নিষ্প্রভ জ্যোৎস্নায় বিরহীর ক্রন্দন অজস্র চিন্তার ফাঁদে নীলাম্বরে উড়ে ঘনকালো মেঘ লুকোচুরি খেলে চাঁদে। বিষণ্ণ মেঘে বিস্তারিত

কবিতা শিরোনামঃ “দূর নীলিমায়” কলমেঃ ডাঃ গোলাম রহমান ব্রাইট

মেঘের উপরে দীপ্ত প্রভা আপন মহিমায় বিলীন দূর পবনে বিরহের কান্না উদ্বেলিত আর মলিন। স্বপনে হারায় লোকান্তরে যায় কল্পলোকে সব মেকি দূর নীলিমায় ধূম্রের কুণ্ডলী রহস্যের ইন্দ্রজাল দেখি।আকাঙ্ক্ষার বাঁধ নিরাশায় ভাঙ্গে অবাক চেয়ে বিস্তারিত

বিভাগঃ কবিতা শিরোনামঃ “নৈঃশব্দের তরঙ্গে” কলমেঃ ডাঃ গোলাম রহমান ব্রাইট

বীভৎস স্বপ্নে বিমোহিত হই নৈঃশব্দের তরঙ্গে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে আৎকে উঠি মৃত্যুপুরী সুড়ঙ্গে। সহস্রাব্দের নিষ্ঠুরতা বিক্ষত করে মোহিত অন্তরেউচ্ছ্বাসেই বিভোর অতন্দ্র প্রহর দুস্তর প্রান্তরে। অবসাদে আচ্ছন্ন প্রাঞ্জল পরশে দুর্বোধ্য শিহরণ অমোঘ সঞ্চারণে অন্তর্বাস ছোঁয় মিশ্র বিস্তারিত

অনলাইন ডেস্ক: মাদারীপুরের শিবচরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২২ শত পরিবারের মাঝে খাবার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম থেকে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

এ সময় পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবচর পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান বলেন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির পক্ষ চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমন রোধে শিবচর বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে চিফ হুইপ স্যারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

চিফ হুইপের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাবার বিতরণ

নিরেন দাস,জয়পুরহাটঃ- জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দিপুর ইউনিয়নের চকবিলা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান, প্রবীণ আওয়ামী নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মহুরম গোলাম রসুল চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র রুকিন্দিপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান,জেলা যুবলীগ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক,৮০ দশকের সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর ২০১১ সালে আক্কেপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি-জামায়াত কবলিত আক্কেলপুর উপজেলাকে আওয়ামীলীগের ঘটিতে পরিণত করেন। তিনি দলের একটি প্রধান দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আক্কেলপুরে আওয়ামী লীগ পরিবারকে বেগবান করার জন্য তিনি দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করতে শুরু করেন যার সুফলে সুসংগঠিত হয় একটি শক্তিশালী উন্নয়নমুখী আওয়ামীলীগ পরিবার। এদিকে দলের সাধারন সম্পাদক আবার অন্যদিকে রুকিন্দিপুর ইউপি চেয়ারম্যান তাই তিনি তিনবছর চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করে স্বেচ্ছায় চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে দিয়ে আক্কেলপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেন এবং এমন উদারতাকে দলীয় কিছু নেতারা গোপনে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিএনপির প্রার্থী পক্ষ নিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অল্প ভোট পরাজিত করাতে বাধ্য করান। এরপর তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে ২০১৫ সালে আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচন করেন যে নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন একই সাথে আক্কেলপুর পৌরসভায় ইতিহাস রচনা করেন যে ১৯৯৯ সাল স্থাপিত এ পৌরসভায় আওয়ামীলীগের কোন প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারেনি যা তিনিই সর্বপ্রথম আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে মেয়রের চেয়ারে বসে এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। তার এমন (গডগিফট) রাজনৈতিক প্রতিভা আর কঠোর পরিশ্রমে একটি সুসংগঠিত আওয়ামীলীগ পরিবার তৈরি করার পরেও এবং তার দলীয় ও নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমর্থন থাকার শর্তেও তিনি গত ১৪ এ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচনে স্বেচ্ছায় মেয়রের পদ ছেড়ে দিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শহীদুল আলম চৌধুরী তিনি সমর্থন দেন এবং তাকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মেয়র পদে বিপুল ভোটে জয়লাভ করিয়ে আর একটি ইতিহাস গড়েছেন। এদিকে পৌর নির্বাচনের আমেজ শেষ হতে না হতেই কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সিদ্ধান্তে আসছে ১১ এ মার্চ আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলনের ঘোষণা। ইতিমধ্যে সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করতে দিনরাত দেদারে পরিশ্রম করছেন দলের সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার সন্ধায় আক্কেলপুর সরকারি মুজিবর রহমান সরকারি কলেজ মাঠে সম্মেলন কে সফল করার লক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর উপজেলা,পৌর,ইউপি আওয়ামীলীগ সহ সকল সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দদের উপস্থিতিতে তার বক্তব্যে ঘোষনা দিয়ে বলেন মেয়র পদ থেকে যেমন স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছি ঠিক তেমনি ১১ এ মার্চ আসন্ন আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনেও স্বেচ্ছায় সাধারন সম্পাদক পদ ছেড়ে দিচ্ছি এমনকি উক্ত সম্মেলনে আমি কোন প্রার্থীও হবোনা বলেও জানান। তার এমন স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দেওয়ার ঘোষনার পর থেকেই উপজেলা আওয়ামীলীগ পরিবারের তৃনমূল বঞ্চিত নেতাকর্মীরা চরম হতাশ হয়ে পড়েছেন।আবার অনেকেই ভাবছেন তিনি চলে গেলে এমন শক্তিশালী আওয়ামীলীগ আর কোন নেতা কি তৈরি করতে পারবে। এই অবসর চৌধুরী কে নিয়ে ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোচনা ঝড় বইছে আক্কেলপুর পৌর সদর সহ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন গুলোতে কেউ হারাতে চাচ্ছেনা এমন একজন পরিশ্রমী অভিভাবক কে। এমনকি তিনি যেন আক্কেলপুরের রাজনীতি থেকে শড়ে না জান এমন বিষয়টি নিয়েও অসংখ্য নেতাকর্মীরা তাদের ফেইসবুক আইডি থেকে জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ,কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক ও জয়পুরহাট-২ আসনের সাংসদ আক্কেলপুর, কালাই ক্ষেতলাল উপজেলা বাসীর অভিভাবক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন-এমপি”র সুদৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখছেন যে গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর যেন আক্কেলপুরের রাজনীতি থেকে না যেতে না পারেন আপনি অভিভাবক আপনি তাকে যা বলবেন তিনি তাই শুনবেন। গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসরের পক্ষে নেতাকর্মীদের সর্মথক ও দলীয় ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা শর্তেও তিনি কেন-? স্বেচ্ছায় সকল পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন এমন বিষয়টি নিয়ে তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে,আমার প্রাণপ্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতি করি,তাই আমি বিশ্বাস করি একজন ব্যক্তি একই জায়গায় বসে নেতৃত্ব দেয়া ঠিক হবে না। কেননা দলের অসংখ্য ত্যাগী প্রতিভাবান নেতৃত্বদানকারীরা রয়েছেন তাদেরও সুযোগ দেয়া উচিৎ বলেই আমার প্রতি নেতাকর্মী সহ দলীয় ব্যাপক সর্মথক থাকা শর্তেও স্বেচ্ছায় আমি সকল পদ ছেড়ে দিচ্ছি। তিনি আরো বলেন যে আমার এ ঘটনা হয়তো বাংলাদেশে একটি ইতিহাস হবে যে তিনি চেয়ারের লোভ না করে দলের অন্যদের দায়িত্ব দিতে স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দিয়েছেন। আপনি কি-? শুধু পদই ছেড়ে দিচ্ছেন নাকি আক্কেলপুর তথা আওয়ামী রাজনীতিই ছেড়ে দিচ্ছেন এমন জবাবে তিনি বলেন, কখনওই না আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন আমি তারই সন্তান আমার জীবন যতদিন থাকবে আওয়ামীলীগের রাজনীতি থেকে কেউ আমাকে সরাতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। এমনকি অনেকেই মনে করছেন আমি স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দিচ্ছি বলে হয়তো আক্কেলপুর থাকবো না এমন ধারণা টি তাদের ভুল কেননা আমি আক্কেলপুরের সন্তান আমার মৃত্যুর পর দাফনো হবে এই পবিত্র আক্কেলপুরের মাটিতে। তাই আপনাদের মাধ্যমে সকলকে জানাতে আমি বিগত দিনে আক্কেলপুর বাসীর সুখেদুঃখে যেমন পাশে ছিলাম, ঠিক তেমনি আগামীতেও সকলের সুখেদুঃখে পাশে থাকবো। আর এতে আমি প্রমাণ করে দেখাবো যে শুধু চেয়ারে বসেই জনগণের সেবা করা যায় তা তা ভুল, চেয়ার ছাড়াও যে জনগণের সেবা করা যায় তা আমি করে দেখাবো বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

Niren sent Today at 2:06 AM


স্বেচ্ছায় মেয়র ও দলীয় পদ ছেড়ে দেয়াই পরিশ্রমী নেতা অবসর চৌধুরীকে নিয়ে হতাশ আওয়ামী পরিবার


ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০১৯ (চ্যানেল ২৬) : ঝুঁকি কমাতে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বীমা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বীমা অংক বাংলাদেশি টাকায় ১৩৪ কোটি ২৮৮ লাখ টাকা। বীমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে বাংলাদেশি টাকায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

ইতিমধ্যে সাধারণ বীমা সরকারের গৃহীত মেগা প্রকল্প সমূহ যেমন- মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু টানেল ও মেট্টো রেল প্রকল্পগুলোর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে করা হচ্ছে এ বীমা পলিসিটি। এর ফলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বীমা সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে দেশের বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে দেশি বীমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি বীমা কোম্পানি গুলো বীমা করতে উৎসাহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন

নিউজ ডেক্স: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নর্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গণমানুষের নেতা জাতীয় পাটির ঢাকা মহানগর-উত্তরের প্রচার সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম হাসেম।

সরোজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে, তারা জানান এস.এম হাসেমকে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুন এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছ যেতে পারেন এবং তিনি ভূক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর আরো জানান, এলাকা আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, চাঁদাবাজী সন্ত্রাস-মাস্তানি বন্ধ এবং দূর্নীতির জঙ্গীবাদ-এর বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান, তাই এই ৩২নং ওয়ার্ডে এস.এম হাসেম জনপ্রিয়তার শীর্ষে বা বিকল্প কোন নেতা এখনও এই ৩২নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয়নি।

তরঙ্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাত্কারে কাউন্সিলর প্রার্থী এস.এম হাসেম বলেন, আমি এলাকাবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচন করবো্ জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যাবো।আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এস.এম হাসেম ৩২নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ের সহযাত্রী ও সব ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। যদি মনে করেন আপনাদের চাওয়া পাওয়ার কথা উচ্চারিত হোক কোন বলিষ্ঠ কন্ঠে তবে আমার বলতে দিন।আপনাদের জন্য আমাকে কিছু করার সুযোগ দিন।আমি আপনাদের ভিড় থেকেই উঠে আসা আপনাদেরই একজন। আপনারা ভালো থাকলে ৩২নং ওয়ার্ডবাসী ভালো থাকবে,আমাদের রাজধানী ঢাকা ভালো থাকবে এবং ভালো থাকবে আমাদের সোনার বাংলাদেশ। তাই সকল দিক বিবেচনা করে আমাকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এর ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে একটি ভোট দিন।

ডিএনসিসিনির্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এস.এম হাসেম

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম:০৪/১০/২০১৯ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া আমিরাবাদ হোটেল ও আই সি হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এমএ তাহের (তারেক) জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লোহাগাড়া শাখা সাংবাদিক মুহাম্মদ ঈসা পবিত্র কোরআন তেলােওয়াতের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠান শুরু করে। সঞ্চালনা ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি , জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক , দৈনিক ওলামা কন্ঠ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট মুহাম্মদ মিয়া ফারুক, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, আরো উপস্থিত ছিলেন তুষার আহামেদ কাইছার শিহাব উদ্দিন শিহাব চ্যানেল কর্ণফুলি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বান্দরবান পার্বত্য জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম, জেলা কৃষক লীগ নেতা নূরুল ইসলাম ভান্ডারী, ইসমাইল হোসেন সোহাগ সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লামা উপজেলা শাখা,জিয়া হোসেন, বাবুল চৌধুরী, মোঃ কাউছার আলম, মুহাম্মদ ঈসা দপ্তর সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা , আব্বাছ উদ্দিন দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য , রফিকুর রহমান দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, মুহাম্মদ ফাহিম রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক মুক্তালোক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, আরো উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, রমজান আলী, মুহাম্মদ এমরান সহ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, উক্ত এ বৈঠকে সংগঠনের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার জন্যে স্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ও সাংবাদিকদের কল্যাণে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ধরে পরিকল্পিত যোগসাজশে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) জাফিকুর রহমান অমি (১৫) ও তার মা মোছাঃ আছমা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা অর্থবান ও ক্ষমতাধর হওয়াই আহতরা যেন থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করতে যায় এ জন্য প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে বিষয়টি আহত পরীক্ষার্থী অমি”র চাচা মোঃ আব্দুল হাই মিলন জানতে পেরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে হামলাকারী ৬ জনের বিরুদ্ধে (৫-ফেব্রুয়ারি) ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হামলাকারী আসামীরা হলেন,উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামের মৃতঃ- মোত্তালেব সরদারের ছেলে (১) মেহেদি হাসান,(২) মোস্তাক হোসেন নাহাজ,(৩) মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জগলুল,(৪) আসামী মেহেদির স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা আক্তার নূপুর,(৫) আসামী মোস্তাকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার ও একই গ্রামের মোঃ মাফতুম হোসেনের স্ত্রী (৬) পাখি বেগম। উক্ত মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, (গত ৩ এ-ফেব্রুয়ারি) সোমবার শুরু হয় এসএসসি-সমমান-২০ পরীক্ষা প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে ওই দিন সন্ধায় অমি তার নিজ ঘরে পড়ছিল হঠাৎই সে শুনতে পারে বাহিরে বেজোড়ে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা পূর্ব শত্রুতার জেড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়ির সামনের একটি মুরগির ঘর উল্লেখিত আসামীরা ভাঙচুর করছে এমনি অবস্থায় অমি”র মা তাদের বাঁধা দিতে গেলে আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দ্বারা মাথায় আঘাত করছে পাশাপাশি পড়নের কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করার দৃশ্য দেখে অমি ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে তার মা কে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় লোহার রড দ্বারা আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার মা ছেলেকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী মোঃ মনতাছির মামুন সনি,মোছাঃ শাহানা আক্তার ও লাইজু বেগম সহ আরও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়,ততক্ষণিক ওই স্থানীয়রা অমি ও তার মা কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভ্যানযোগে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী”র চাচা আব্দুল হাই মিলন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দিলে মামলাটি আমলে নিয়ে,আমার থানা পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এতে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

ক্ষেতলালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তার মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম”৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

স্টাফ রিপোর্টার : বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীদের চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ৷ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘােষণা করা হয়।

বিভিন্ন ইউনিয়নে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন, ১ নং গৌরম্ভা ইউনিয়নে মোঃ রাজীব সরদার, ২ নং উজলকুড় ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুন্সী বোরহান উদ্দিন জেড, ৩ নং বাইনতলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ ফকির, ৪ নং রামপাল সদরে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন হাওলাদার, ৫নং রাজনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি সরদার আঃ হান্নান ডাবলু, ৬নং হুড়কা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সভাপতি তপন গোলদার, ৭ নং পেড়িখালী ইউনিয়নে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবুল, ৮ নং ভোজপাতিয়া ইউনিয়নে তরফদার মাহফুজুল হক , ৯ নং মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে তালুকদার ছাবির আহাম্মদ , ১০ নং বাঁশতলী ইউনিয়নে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (ভিপি সোহেল)৷

শনিবার দলের সংসদীয় এবং স্থানীয় সরকার
জনপ্রতিনিধি মনােনয়ন বাের্ডের যৌথসভায় এসব প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং সংসদীয় স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনােনয়ন বাের্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রামপালে ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হলেন যারা

themesbazartvsite-01713478536
error: Content is protected !!