অনলাইন ডেস্ক : দেশে করোনা ভাইরাস চলাকালীন নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের কথা বলে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের উপর মোটা অংকের চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর (কামরাঙ্গীরচর ) মোহাম্মদ হোসেনের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও বাড়ির মালিকদের থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে কাউন্সিলর হোসেনকে মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। এমনকি সাংবাদিকের বাবাকে নিয়েও আপত্তিকর মন্তব্য করেন (যার অডিও রেকর্ড নতুন কাগজের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে)।

তিনি (হোসেন) এলাকায় ব্যাপক প্রভাবশালী (নব্য এরশাদ শিকদার) হওয়ায় ভুক্তভোগীরা নাম ও পরিচয় প্রকাশে অপারগতা প্রকাশ করেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে মোহাম্মদ হোসেনের প্রতিক্রিয়া জানতে তাকে ফোন করা হলে এসময় তিনি উত্তেজিত হয়ে যান। এক পর্যায়ে দাবি করেন তিনি পঞ্চায়েত এর মাধ্যমে জোর-জুলুমহীন স্থানীয় বিত্তশালীদের থেকে টাকা তুলছেন।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর হোসেনের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘ এক যুগ দুর্নীতি, অনিয়ম, দখল, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে বারবার বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইনে নেতিবাচক সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন তিনি। দেশের প্রথম সারির ৫টি পত্রিকার রিপোর্ট ও বিভিন্ন অভিযোগ মতে নিজেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের খাস লোক বলে দাবি করেন এ বিতর্কিত কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন।

জানা গেছে, হোসেনের শশুর রফিক (বানচাল রফিক) প্রয়াত বিএনপি নেতা নাছির উদ্দিন পিন্টুর ক্যাডার ছিলেন। সেসময় হোসেনও পিন্টুর ক্যাডার ছিলেন এবং থাকতেন একটি টিনশেড বাড়িতে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর যোগ দেন ছাত্রলীগে। প্রথমবার কাউন্সিলর হয়েই আলাদিনের চেরাগের মত বিপুল পরিমান আয় বর্হিভূূূূূত অর্থ সম্পদ অর্জন করেন। অবশ্য এ বিষয়ে হোসনেরে দাবি তিনি কখনো বিএনপি করেননি। কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক থেকে পরে সভাপতি হন তিনি।

মোহাম্মদ হোসেন বাড়িওয়ালাদের হোল্ডিং প্লেট দেবেন-এমন আশ্বাস দিয়ে দেড় লক্ষাধিক পরিবার থেকে ৪০০-৫০০ করে প্রায় কোটি টাকা তুললেও ৬ বছরে সেই প্লেট না পাওয়ার অভিযোগ কামরাঙ্গীরচরবাসীদের। পুরো থানার ডিস ব্যবসার একক নিয়ন্ত্রক এ আলোচিত-সমালোচিত কাউন্সিলর হোসেন।

জানা যায়, ২০১৪ সালে অন্য এক ব্যবসায়ীর থেকে জোর করে এসব ব্যবসা দখলে নেয় হোসেন, আর তাকে সহায়তা করেন কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক বিপ্লব। সাধারণ মানুষের জমি, খাসজমি, খেয়াঘাট, ট্রলারঘাট, রাস্তা, ফুটপাত, মার্কেট দখলের মতো অনেক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে হোসেনের বিরুদ্ধে। হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে এলাকায় ব্যাটারী চালিত রিকশা চলাচল করানোসহ প্রতি অটো রিকশা থেকে মাসে ১ হাজার করে ৫০ লক্ষাধিক টাকা চাঁদা তুলছে হোসেনের ক্যাডার বাহিনী।

একসময় টিনশেডের বাসায় মানবেতর জীবন-যাপন করা হোসেন এখন শতকোটি টাকার সম্পত্তির মালিক। এরমধ্যে রয়েছে হুজুরপাড়া নূরজাহান স্কুলের সামনে ১০ কাঠা জমিতে বিলাশবহুল বাড়ি। আশ্রাফাবাদ দশআনি বাজারে ৭ কাঠা, ইসলামনগর মদিনাবাদ মসজিদের সামনে ৬তলা বাড়ি। আশ্রাফাবাদ, খালপাড়, আলীনগর, টেকেরহাটি, রসুলপুরসহ এলাকার সব অটোস্ট্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করে হোসনের ক্যাডার বিপ্লব। তার আরেক ক্যাডার ইসমাইলের বিরুদ্ধে রয়েছে টাকার বিনিময়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেওয়ার অভিযোগ। নামে-বেনামে একাধিকবার দুদকে লিখিত দরখাস্ত দিলেও হয়নি কোন প্রতিকার।

এছাড়াও বিভিন্ন সময় পুলিশকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে এ বিতর্কিত কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেনের বিরুদ্ধে। এলাকায় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে হামলা-মামলার পাশাপাশি মিথ্যা অপবাদ দেওয়া পুরোনো স্বভাব হয়ে দাড়িয়েছে তার। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোশারফকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। হোসেনের অত্যাচারে রাজনীতি হতে নিজেকে ঘুটিয়ে নিয়েছে পুরোনো আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা।
অন্যদিকে, ক্যাসিনোকান্ডে জড়িত গডফাদারদের সঙ্গে হোসেনের রয়েছে গভীর সখ্যতা। এসকল গডফাদার ও তাদের অর্জিত সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ করছে এই হোসেন। অভিযোগ আছে এই হোসেন নেপথ্যে কাসিনোকান্ডে টাকা লগ্নি করার কারণে রাতারাতি বিশাল সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে কাউন্সিলর হোসেনের ত্রাণের নামে চাঁদাবাজি

অনলাইন ডেস্ক : দেশে করোনা ভাইরাস চলাকালীন নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের কথা বলে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের উপর মোটা অংকের চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি বিস্তারিত

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মদিনে তার প্রতিকৃতিকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

আজ সকালে ধানমন্ডি ৩২ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে আবারও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মদিনে তার প্রতিকৃতিকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। আজ সকালে ধানমন্ডি ৩২ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে প্রতিকৃতিতে বিস্তারিত

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ট্রাফিক আইন ভেঙে, কেউ যদি জনগণের দুর্ভোগের সৃষ্টি করে। সে যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রোববার (১৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা মোড়ে (১৭-২৩) ট্রাফিক সপ্তাহ উদ্বোধনকালে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ট্রাফিক পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মীর রেজাউলসহ ট্রাফিক পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমি রাজনীতিবিদ, বড় ব্যবসায়ী, আমলা, আইনজীবীসহ সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অনুরোধ করবো। আপনারা ট্রাফিক আইন মেনে চলুন। তাহলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

তিনি বলেন, রাজধানীতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ চলছে। যার ফলে রাস্তা-ঘাট কাটাছেঁড়া হয়েছে। আমরা এ কাটাছেঁড়ার দুর্ভোগের কবল থেকে, মানুষদের বাঁচাতে পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আমি সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বলবো, আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন, ট্রাফিক আইন মেনে চলুন।

গাড়ির চালকদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আমি চালক ভাইদের অনুরোধ করবো। আপনারা বেশি গতিতে গাড়ি চালাবেন না।একে অন্যের সঙ্গে পাল্লাপাল্লি করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়বেন না। তাছাড়া কোনো ক্রমেই মোবাইল ফোন কানে নিয়ে গাড়ি চালাবেন না। আমরা যদি কাউকে এই অবস্থা দেখতে পাই, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

গাড়ির মালিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পরিবহনের মালিক যারা আছেন। তাদের বলবো, আপনারা সর্বপ্রথম গাড়ির কাগজপত্র ঠিক করুন। তারপর ফিটনেস যাচাই করে গাড়ি রাস্তায় নামান। আর চালকদের চুক্তি ভিত্তিতে না, মাসিক বেতন দিন। তাহলে দেখবেন ঝুঁকির পরিমাণ কমে আসবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে।

ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া জানান, রাজধানীর গুলশান এলাকার চক্রাকার (সার্কুলার) বাসের মতো ধানমন্ডি, মতিঝিল ও উত্তরা এলাকায়ও চক্রাকার বাস চালু করা হবে। আগামী এপ্রিল মাস থেকে এই কার্যক্রম চালু হবে বলে

তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন ও বিআরটিএ’র সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। বিআরটিএ বাসগুলো চালু করবে। এই চক্রাকার বাস চালু হলে যানজট কিছুটা কমে আসবে। কারণ, তখন মতিঝিলের বাস উত্তরা বা ধানমন্ডি যাবে না।

আইন ভঙ্গ করে জনদুর্ভোগ বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ট্রাফিক আইন ভেঙে, কেউ যদি জনগণের দুর্ভোগের সৃষ্টি করে। সে যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রোববার (১৭ মার্চ) বিস্তারিত

দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির অংশগ্রহণ ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়ে গেল পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোট। ৭ দিনের ব্যবধানে আগামীকাল সোমবার (১৭ মার্চ) দ্বিতীয় ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। 

ওইদিন দেশের ১৬টি জেলার ১১৬ উপজেলায় একযোগে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ। 

দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে এরইমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন উপলক্ষে আগামীকাল সংশ্লিষ্ট উপজেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। 

ভোটের আগের দিন রবিবার (১৭ মার্চ) ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা নির্বাচনে কোনও ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। এ ব্যাপারে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

ইসি সূত্র জানিয়েছে, এই ১১৬টি উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ৭ হাজার ৩৯টি, ভোটার ১ কোটি ৭৯ লাখ ৯ হাজার ৬ জন।

এদিকে সোমবারের ভোটকে সামনে রেখে গতকাল শনিবার মধ্যরাত থেকেই উল্লিখিত ১১৬ উপজেলায় সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ করা হয়েছে। 

দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। যদিও বিএনপি এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না।

নির্বাচন কমিশনের দেয়া তথ্য মোতাবেক, দ্বিতীয় ধাপে ১ হাজার ৩১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যেখানে চেয়ারম্যান পদে ৩৭৭ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫৩৯ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩৯৪ জন ভোটে লড়বেন। 

এর আগে গত ১০ মার্চ প্রথম ধাপে দেশের ৭৮ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হয়। যেখানে ভোট পড়ে ৪৩ শতাংশ। 

উল্লেখ্য, গত ৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। আগামী ২৪ মার্চ তৃতীয় ধাপের, ৩১ মার্চ চতুর্থ ধাপের ভোট হবে এবং পঞ্চম ও ১৮ জুন শেষ ধাপের ভোট হবে।

রাত পোহালেই ১১৬ উপজেলায় ভোট

দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির অংশগ্রহণ ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়ে গেল পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোট। ৭ দিনের ব্যবধানে আগামীকাল সোমবার (১৭ মার্চ) দ্বিতীয় ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।  ওইদিন বিস্তারিত

বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

রোববার (১৭ মার্চ) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

হানিফ বলেন, বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু আর বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। তার জন্ম না হলে কোনোদিন এ দেশের জন্ম হতো না। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ওই দিন সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে এ জাতির আশা আকাঙ্ক্ষাকেও হত্যা করা হয়।

আওয়ামী লীগের এ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশের জনগণ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ওপর আস্থাশীল। দেশের আপামর জনগণের অবিচল আস্থার প্রতি সম্মান দেখিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে শেখ হাসিনা এগিয়ে চলেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে বিশ্বে বাংলাদেশকে তুলে ধরেছেন তিনি।

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাদের প্রতি জনগণের কোনো আস্থা নেই। গণবিচ্ছিন্ন এ দলের কাছে জনগণ কিছু আশাও করে না। এতিমের টাকা আত্মসাৎ, দুর্নীতি ও লুটপাট এবং জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তারা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক করে হানিফ বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী। তবে আমাদের নেতাকর্মীরা অনেক সময় এমন কাজ করেন, যেটা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বিরুদ্ধে যায়। সেটা খেয়াল রাখতে হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার

বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। রোববার (১৭ মার্চ) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিস্তারিত

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টাচার্চের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের শোকসভা আয়োজন করা হয় নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে। ওই শোকসভায় যোগ দেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মেয়ে চেলসি ক্লিনটন। সেখানে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন চেলসি ক্লিনটন। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, এতে দেখা যায় এক তরুণী চেলসিকে আক্রমণাত্মক কথা বলছেন। তার অভিযোগ, নিউ জিল্যান্ডে ভয়াবহ ওই হামলার পেছনে চেলসির বক্তব্যেরও দায় রয়েছে।

বিল ক্লিনটন ও যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের মেয়ে চেলসি ক্লিনটন এখন অন্তঃসত্ত্বা। 

শুক্রবার (১৫ মার্চ) ক্রাইস্টচার্চের দুই মসজিদে গুলি চালিয়ে অর্ধশত মানুষ হত্যার নিন্দা জানানোর জন্য ওইদিনই শোক সভায় গিয়েছিলেন তিনি।

সিএনএন এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার সঙ্গে ওই আচরণের ভিডিও দেখে লোকজন ঘটনাটির নিন্দা জানানোর পর ভিডিও পোস্টকারী টুইটার থেকে সরিয়ে নেন।

ভিডিওতে তরুণীর চেলসিকে উদ্দেশ্য করে বলতে শোনা যায়, ‘তোমার মতো মানুষ এবং তোমরা যেসব কথা বিশ্বে ছড়িয়ে দাও তার ফলই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড।’

‘আমি তোমাকে জানাতে চাই যে তুমি গভীরভাবে এটা উপলব্ধি কর- তোমরা যেসব কথা বলো তার কারণে ৪৯ জন মানুষ মারা গেছে।’

জবাবে চেলসি ক্লিনটনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি খুব দুঃখিত যে, তুমি এভাবে ভাবছ।’

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১৫ মার্চ) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে জুমার নামাজের সময় মসজিদে হামলা চালায় মুসলিম বিদ্বেষী অস্ট্রেলিয়ান এক নাগরিক। প্রথমে আল নূর মসজিদে হামলা চালায় সে। পরে পার্শ্ববতী লিনউড মসজিদ হামলা চালায়। নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনা ফেসবুক লাইভে প্রচার করে হামলাকারী। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

শোকসভায় তোপের মুখে ক্লিনটন কন্যা

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টাচার্চের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের শোকসভা আয়োজন করা হয় নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে। ওই শোকসভায় যোগ দেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মেয়ে চেলসি ক্লিনটন। সেখানে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন বিস্তারিত

মসজিদে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ২০০ জন মুসল্লি। জুমআর নামাজের জন্য ইমাম জামাল ফাওদা বয়ান শুরু করেছিলেন মাত্র পাঁচ মিনিট আগে। মসজিদে হঠাৎ তিনটি গুলির শব্দ। এরপর সামনে বসে থাকা মুসল্লিরা দ্বিগ্বিদিক দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন।

তিনি বিস্মিত হয়ে ভাবছিলেন, হয়তো পাশের কিছু তরুণ খেলাধুলা করছে অথবা বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছে; যেখান থেকে শব্দ আসছে। শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের আল-নূর ও লিনউড মসজিদে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার শাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি ও সেখান থেকে পালিয়ে বাঁচার গল্প জানিয়েছেন দুই ইমাম জামাল ফাওদা এবং ইমাম আলাবি লতিফ জিরুল্লাহ।

ওই হামলার পর প্রথমবারের মতো কোনো গণমাধ্যম হিসেবে দেশটির ইংরেজি দৈনিক নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। তার কণ্ঠে উঠে এসেছে হামলাকারীর তাণ্ডব ও চোখের সামনে কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যুর চিত্র।

জামাল ফাওদা বলেন, মুহূর্তের মধ্যেই মুহুর্মুহু গুলির শব্দ। এবার ঘাতক সামনের দিকে এগিয়ে আসছে। আলজেরীয় বংশোদ্ভূত এই ইমাম দেখেন এক বন্দুকধারী গুলি ছুড়তে ছুড়তে আসছে। এমন পরিস্থিতি মসজিদের জানালা ভেঙে লাফিয়ে দৌড় শুরু করেন তিনি।

ফাওদা বলেন, পরে গুলি আরো তীব্র আকার ধারণ করে। আক্রমণকারীর মাথায় হেলমেট, চোখে চশমা ও শরীরে সামরিক বাহিনীর পোশাক। হাতে ছিল আধা স্বয়ংক্রিয় বন্দুক।

‘তখন মসজিদের ভেতরের লোকজন ভেঙে যাওয়া জানালার দিকে দৌড়াতে থাকেন। অধিকাংশ মানুষ এই জানালা দিয়ে বেরিয়ে আসেন। যে কারণে মসজিদের ডান পাশের অল্প কয়েকজন খুন হন। কিন্তু বাম পাশের মুসল্লিরা একজন আরেকজনের ওপর পড়ে যান। এভাবে তারা একটি স্তুপে পরিণত হন। এসময় হামলাকারী পাশে দাঁড়িয়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।’

ফাওদা বলেন, মানুষকে মারতে বন্দুকধারী ধারাবাহিকভাবে একের পর এক কক্ষে যান। যখনই সে কোনো পাশ থেকে শব্দ পেয়েছে তখন সেই পাশে গিয়ে গুলি করেছে। সে ঠান্ডা মাথায় মানুষকে ঘিরে রেখেছে, বের হওয়ার শব্দ পেলেই সেদিকে ছুটে গিয়ে গুলি করেছে। সে শুধুই গুলি ছুড়েছে, গুলি ছুড়েছে, গুলি ছুড়েছে।

তিনি বলেন, এমনকি ধোঁয়ার জ্বালায় আমরা নিশ্বাস নিতে পারছিলাম না। সর্বত্রই বুলেট উড়ছে। যখন আমরা বেরিয়ে আসলাম, তখন নিশ্চিত ছিলাম না যে সে চলে গেছে কি-না। কারণ সেখানে তখন নীরবতা ছিল। আমরা ধারণা করছিলাম, সে লুকিয়ে আছে, অপেক্ষা করছে…আমরা তাকে দেখতে পাইনি। সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ।

‘সে ফিরে এল এবং আবার গুলি শুরু করল। যারা লুকিয়েছিল তারা বের হওয়ায় গুলির শিকার হলো। কারণ আমরা জানতাম না সে আবার আসছে। নিহতদের শরীরে বৃষ্টির মতো গুলি বর্ষণ করেছে হত্যাকারী।’

যারা মসজিদ থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিলেন তাদের অনেকেই পার্ক করে রাখা গাড়ির নিচে লুকিয়ে ছিলেন। অনেকেই লাফিয়ে প্রাচীর পার হয়ে চলে যান। একজন মুসল্লি জরুরি নাম্বার ১১১-এ ফোন করার চেষ্টা করেছিলেন। হামলাকারী তাকে দেখে গুলি চালিয়ে হত্যা করে। মসজিদের প্রধান কক্ষে অন্যান্যদের সঙ্গে লুকিয়ে ছিলেন ফাওদা। এখানেই ৪৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

ইমাম বলেন, বন্দুকধারী জানতো না যে নারীরা আলাদা একটি কক্ষে লুকিয়ে আছেন। তারা বেঁচে গেছেন। তবে কয়েকজন নারী পালানোর চেষ্টা করেছেন। বন্দুকধারী দেখে ফেলায় তাদের গুলি করে হত্যা করে। ফাওদা বলেন, ‘এখনো আমার বিশ্বাস হচ্ছে না যে, আমি বেঁচে আছি।’

অবশেষে বন্দুকধারী নিজের গাড়িতে চড়ে শহরের অন্যপ্রান্তের লিনউড মসজিদের দিকে যায়। ওই মসজিদে গিয়ে এই বন্দুকধারী আরো কয়েকজনকে হত্যা করে।

লিনউড মসজিদের ইমাম আলাবি লতিফ জিরুল্লাহ। তিনি বলেন, মসজিদে সেই সময় প্রায় ৮০ জন মুসল্লি ছিলেন। ঘাতক বন্দুকধারী মসজিদের বাইরে গুলিবর্ষণ শুরু করে দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে। মসজিদের বাইরে দম্পতিকে হত্যা করে সে। গুলিবর্ষণের সময় ইমাম জিরুল্লাহ মসজিদের ভেতরে ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘যখন আমি দেখলাম যে মুসল্লিদের গুলি চালিয়ে হত্যা করা হচ্ছে, তখন আমি মুসলিম ভাইদের বললাম, শুয়ে পড়ুন, শুয়ে পড়ুন। কেউ একজন মসজিদের বাইরে আমাদের ভাইদের হত্যা করছে।’

‘কেউই আমার কথা শুনল না। দুর্ভাগ্যবশত হামলাকারী পেছন দিক থেকে এসে জানালা দিয়ে আমাদের এক ভাইয়ের মাথায় গুলি করল। জানালার পাশে দাঁড়িয়ে গুলি চালাতে থাকল। যখন জানালার গ্লাস ভেঙে গেল তখন সবাই শুয়ে পড়ল। সবাই বুঝতে পারল মেঝেতে শুয়ে পড়তে হবে।’

আব্দুল আজিজ নামের এক মুসল্লির সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে আসেন জিরুল্লাহ। তিনি বাইরে এসে একটি ক্রেডিট কার্ড মেশিন হাতে তুলে নিয়ে হামলাকারীকে লক্ষ্য করে চিৎকার করে বলতে থাকেন, এদিকে আসো। তখন হামলাকারী তার গাড়ির দিকে দৌড়ে যায়। এ সময় আব্দুল আজিজ তার ক্রেডিট কার্ড মেশিন হামলাকারীর দিকে তাক করে পেছন পেছন দৌড় শুরু করেন।

বন্দুকধারী আবারো গুলি চালাতে শুরু করে। এসময় জিরুল্লাহ মসজিদের প্রধান দরজা বন্ধ করে দিয়ে মসুল্লিদের নিরাপদে রাখার চেষ্টা করেন। এমন শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি যখন চলছে, তখন মসজিদের ভেতরে আজিজের ১১ ও ৫ বছর বয়সী দুই সন্তান ভয়ে কুঁকড়ে গেছে। আজিজকে লক্ষ্য করে বন্দুকধারী গুলি চালায়; তিনি গাড়ির আড়ালে লুকিয়ে পড়েন।

পরে বন্দুকধারীর একটি বন্দুক পান আজিজ। হাতে তুলে নিয়ে বন্দুকধারীকে লক্ষ্য করে ট্রিগার চাপেন, কিন্তু বন্দুক ছিল ম্যাগজিন শূন্য। বন্দুকধারী আবারো গাড়ির দিকে ছুটে আসে, দ্বিতীয় বন্দুক হাতে তুলে নেয়। আজিজ বলেন, হামলাকারী গাড়িতে ঢুকে পড়ে। আমি বন্দুকটি হাতে নিয়ে গাড়ির জানালা লক্ষ্য করে তীর ছুড়ে মারার ন্যায় নিক্ষেপ করি। সেটি গিয়ে বন্দুকধারীর জানালায় আঘাত হানে এবং জানালার গ্লাস ভেঙে যায়।

জানালার গ্লাস ভেঙে যাওয়ায় বন্দুকধারী কিছুটা ভয় পায় এবং গাড়ি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় বন্দুকধারী গালিগালাজ করে। সবাইকে মেরে ফেলবে বলে চিৎকার করে। পরে গাড়ির পেছন পেছন দৌড়াতে থাকেন আজিজ। কিছুদূর যাওয়ার পর আজিজ ফিরে এলেও ট্রাফিক সিগন্যালে আটকা পড়ায় গাড়ি থেকে বন্দুকধারী ধরে ফেলেন দেশটির নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা।

দুই ইমামের কণ্ঠে মসজিদে হামলার শ্বাসরুদ্ধকর বর্ণনা

মসজিদে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ২০০ জন মুসল্লি। জুমআর নামাজের জন্য ইমাম জামাল ফাওদা বয়ান শুরু করেছিলেন মাত্র পাঁচ মিনিট আগে। মসজিদে হঠাৎ তিনটি গুলির শব্দ। এরপর সামনে বসে থাকা মুসল্লিরা বিস্তারিত

অনলাইন ডেস্ক: মাদারীপুরের শিবচরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২২ শত পরিবারের মাঝে খাবার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম থেকে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

এ সময় পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবচর পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান বলেন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির পক্ষ চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমন রোধে শিবচর বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে চিফ হুইপ স্যারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

চিফ হুইপের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাবার বিতরণ


ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০১৯ (চ্যানেল ২৬) : ঝুঁকি কমাতে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বীমা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বীমা অংক বাংলাদেশি টাকায় ১৩৪ কোটি ২৮৮ লাখ টাকা। বীমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে বাংলাদেশি টাকায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

ইতিমধ্যে সাধারণ বীমা সরকারের গৃহীত মেগা প্রকল্প সমূহ যেমন- মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু টানেল ও মেট্টো রেল প্রকল্পগুলোর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে করা হচ্ছে এ বীমা পলিসিটি। এর ফলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বীমা সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে দেশের বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে দেশি বীমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি বীমা কোম্পানি গুলো বীমা করতে উৎসাহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন

নিউজ ডেক্স: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নর্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গণমানুষের নেতা জাতীয় পাটির ঢাকা মহানগর-উত্তরের প্রচার সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম হাসেম।

সরোজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে, তারা জানান এস.এম হাসেমকে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুন এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছ যেতে পারেন এবং তিনি ভূক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর আরো জানান, এলাকা আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, চাঁদাবাজী সন্ত্রাস-মাস্তানি বন্ধ এবং দূর্নীতির জঙ্গীবাদ-এর বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান, তাই এই ৩২নং ওয়ার্ডে এস.এম হাসেম জনপ্রিয়তার শীর্ষে বা বিকল্প কোন নেতা এখনও এই ৩২নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয়নি।

তরঙ্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাত্কারে কাউন্সিলর প্রার্থী এস.এম হাসেম বলেন, আমি এলাকাবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচন করবো্ জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যাবো।আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এস.এম হাসেম ৩২নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ের সহযাত্রী ও সব ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। যদি মনে করেন আপনাদের চাওয়া পাওয়ার কথা উচ্চারিত হোক কোন বলিষ্ঠ কন্ঠে তবে আমার বলতে দিন।আপনাদের জন্য আমাকে কিছু করার সুযোগ দিন।আমি আপনাদের ভিড় থেকেই উঠে আসা আপনাদেরই একজন। আপনারা ভালো থাকলে ৩২নং ওয়ার্ডবাসী ভালো থাকবে,আমাদের রাজধানী ঢাকা ভালো থাকবে এবং ভালো থাকবে আমাদের সোনার বাংলাদেশ। তাই সকল দিক বিবেচনা করে আমাকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এর ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে একটি ভোট দিন।

ডিএনসিসিনির্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এস.এম হাসেম

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ধরে পরিকল্পিত যোগসাজশে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) জাফিকুর রহমান অমি (১৫) ও তার মা মোছাঃ আছমা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা অর্থবান ও ক্ষমতাধর হওয়াই আহতরা যেন থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করতে যায় এ জন্য প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে বিষয়টি আহত পরীক্ষার্থী অমি”র চাচা মোঃ আব্দুল হাই মিলন জানতে পেরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে হামলাকারী ৬ জনের বিরুদ্ধে (৫-ফেব্রুয়ারি) ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হামলাকারী আসামীরা হলেন,উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামের মৃতঃ- মোত্তালেব সরদারের ছেলে (১) মেহেদি হাসান,(২) মোস্তাক হোসেন নাহাজ,(৩) মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জগলুল,(৪) আসামী মেহেদির স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা আক্তার নূপুর,(৫) আসামী মোস্তাকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার ও একই গ্রামের মোঃ মাফতুম হোসেনের স্ত্রী (৬) পাখি বেগম। উক্ত মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, (গত ৩ এ-ফেব্রুয়ারি) সোমবার শুরু হয় এসএসসি-সমমান-২০ পরীক্ষা প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে ওই দিন সন্ধায় অমি তার নিজ ঘরে পড়ছিল হঠাৎই সে শুনতে পারে বাহিরে বেজোড়ে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা পূর্ব শত্রুতার জেড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়ির সামনের একটি মুরগির ঘর উল্লেখিত আসামীরা ভাঙচুর করছে এমনি অবস্থায় অমি”র মা তাদের বাঁধা দিতে গেলে আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দ্বারা মাথায় আঘাত করছে পাশাপাশি পড়নের কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করার দৃশ্য দেখে অমি ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে তার মা কে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় লোহার রড দ্বারা আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার মা ছেলেকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী মোঃ মনতাছির মামুন সনি,মোছাঃ শাহানা আক্তার ও লাইজু বেগম সহ আরও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়,ততক্ষণিক ওই স্থানীয়রা অমি ও তার মা কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভ্যানযোগে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী”র চাচা আব্দুল হাই মিলন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দিলে মামলাটি আমলে নিয়ে,আমার থানা পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এতে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

ক্ষেতলালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তার মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম”৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম:০৪/১০/২০১৯ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া আমিরাবাদ হোটেল ও আই সি হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এমএ তাহের (তারেক) জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লোহাগাড়া শাখা সাংবাদিক মুহাম্মদ ঈসা পবিত্র কোরআন তেলােওয়াতের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠান শুরু করে। সঞ্চালনা ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি , জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক , দৈনিক ওলামা কন্ঠ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট মুহাম্মদ মিয়া ফারুক, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, আরো উপস্থিত ছিলেন তুষার আহামেদ কাইছার শিহাব উদ্দিন শিহাব চ্যানেল কর্ণফুলি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বান্দরবান পার্বত্য জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম, জেলা কৃষক লীগ নেতা নূরুল ইসলাম ভান্ডারী, ইসমাইল হোসেন সোহাগ সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লামা উপজেলা শাখা,জিয়া হোসেন, বাবুল চৌধুরী, মোঃ কাউছার আলম, মুহাম্মদ ঈসা দপ্তর সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা , আব্বাছ উদ্দিন দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য , রফিকুর রহমান দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, মুহাম্মদ ফাহিম রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক মুক্তালোক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, আরো উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, রমজান আলী, মুহাম্মদ এমরান সহ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, উক্ত এ বৈঠকে সংগঠনের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার জন্যে স্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ও সাংবাদিকদের কল্যাণে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

themesbazartvsite-01713478536
error: Content is protected !!