মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ভাসানী অনুসারী পরিষদ দেশব্যাপি আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের কর্মসূচি গ্রহণ করে। তারই অংশ হিসেবে ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় টাঙ্গাইল জেলা কমিটি টাঙ্গাইলস্থ প্যারাডাইস পাড়া হলে আলোচনা সভা, খতমে কোরান, দোয়া, মিলাদ ও দরিদ্রদের মাঝে খাবার বিতরণ করে। কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিকেল ৩টায় আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ভাসানী অনুসারী পরিষদের প্রেসিডিয়াম মেম্বার, এডভোকেট সুলতান আলম মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় কাজি জাফর আহমদ সম্পর্কে উক্তরূপ মন্তব্য করা হয়। সভায় তার ঘটনা বহুল জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার, আহসান হাবিব লিংকন, গণ দলের চেয়ারম্যান এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার, মাওলানা রুহুল আমিন, ভাসানী অনুসারী পরিষদের প্রেসিডিয়াম মেম্বার মোঃ আখতার হোসেন, জাতীয় পার্রি যুগ্ম মহাসচিব এ এস এম শামীম, প্রগশ এর সভাপতি মেহেদী হাসান তালুকদার তপন। সভায় মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ ক্বারী মোঃ রফিকুল ইসলাম।

বক্তারা বলেন, কাজী জাফর আহমদ ছিলেন ক্ষনজন্মা পুরুষ। দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা তার সুযোগ্য নেতৃত্ব পেয়েছি তার কাছ থেকে যে শিক্ষা পেয়েছি তা সারা জীবন চলার পথের পাথেয় হয়ে থাকবে। আমরা আজ এক চরমক্রান্তিকাল অতিক্রম করছি। বর্তমান সরকারের স্বৈরাচারী কার্যকলাপ দেশ এবং দেশের মানুষকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। শাসকগোষ্ঠি দেশে পুনরায় বাকশালী শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করার চক্রান্তে লিপ্ত। এমনি অবস্থায় দেশকে বাঁচানোর জন্য জাতীয় ঐক্যের বড় প্রয়োজন। এই জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য যিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারতেন তিনি হলেন কাজি জাফর আহমদ। দেশের ক্রান্তিকালে আমরা তার অভাব খুব বেশী অনুভব করছি। তিনি ছিলেন এক অনন্য সাধারণ রাজনৈতিক। আমাদের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে কাজী জাফর আহমেদের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। কাজী জাফর আহমদ ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পল্টন ময়দানে স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলা প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। এই অপরাধে তৎকালীন সামরিক সরকার তাকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছিলেন। তারা আরও বলেন কাজী জাফর আহমদ ছিলেন একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান তার হাত ধরেই আমাদের অনেকের রাজনীতিতে উত্থান হয়েছে।

সভাপতির বক্তৃতায় এডভোকেট সুলতান আলম মল্লিক বলেন, কাজী জাফর আহমদ ছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর একনিষ্ঠ অনুসারী। তার অনুপ্রেরণাতেই ভাসানী অনুসারী পরিষদের জন্ম। তিনি কাজী জাফর আহমদের রাজনৈতিক জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

বার্তা প্রেরক

কাজী জাফর আহমদ আমৃত্যু একটি শোষনহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছেন

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ভাসানী অনুসারী পরিষদ দেশব্যাপি আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের কর্মসূচি গ্রহণ করে। তারই অংশ হিসেবে ২৭ আগস্ট বিস্তারিত

মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক), গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি ঃ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২৯ নং ওয়ার্ডের হাজীবাগ এলাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ও বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারনে লকডাউন থাকা অবস্থায় অসহায় হতদরিদ্র ২০০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে স্থানীয় সামাজিক দুঃস্থ কল্যাণ সংস্থা (রেজিঃ নং-গা-০৮১৪)।
২১ মে শুক্রবার রাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করে ওই সংস্থা’র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সোহেল রানা।
বিতরণকৃত ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিল সেমাই ২ প্যাকেট, চিনি ৫০০ গ্রাম, গুঁড়াদুধ মিনিপ্যাক ১টি।
উল্লেখ্য, প্রতিবছর সামাজিক দুঃস্থ কল্যাণ সংস্থা’র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সোহেল রানা ঈদ সামগ্রী বিতরণ করে থাকে।

গাজীপুরের হাজীবাগে দুঃস্থ কল্যাণ সংস্থা’র ঈদ সামগ্রী বিতরণ

মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক), গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি ঃ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২৯ নং ওয়ার্ডের হাজীবাগ এলাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ও বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারনে লকডাউন থাকা অবস্থায় বিস্তারিত

কোয়ারেন্টাইন বিষয়ে অসচেতনতা ডেকে আনাতে পারে ভয়াবহ বিপদ। হোম কোয়ারিন্টাইন বিষয়ে সচেতন হোন সাবধান থাকুন। সুফল আসবেই। বিশ্বজুড়ে একটি অচেনা ভাইরাস দ্রæত ছড়িয়ে পড়ায় দু‘শোর কাছাকাছি দেশ এই মরনব্যাধি মোকাবেলায় হিমশিক খাচ্ছে। বাংলাদেশেও বিদেশ ফেরতদের মাধ্যমে ইতমধ্যে বেশ কয়েকজন আক্রান্ত হয়েছে, মারা গেছেন তিনজন। বিপুল জনসংখ্যার দেশ আমার মাতৃভুমি আজ মহামারি করোনায় উদ্বেগ উৎকন্ঠায়। সহজ সরল মানুষগুলো তেমন সচেতনতার ধার ধারেনা, কিন্তু গাফিলতি বাদ দিয়ে জানতে হবে মানতে হবে। রাষ্ট্র এবং সরকার বিশেষ ব্যাবস্থা গ্রহন করতে পিছপা হচ্ছেনা। কিন্তু অসচেতনতার কারনে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বিদেশ থেকে সদ্য দেশে আসা ব্যক্তিরা কোয়রেন্টাইনে না থাকা বা সঠিক নিয়নে নির্দেশনা না মানায় ভয়ের কারন হয়ে দাড়াচ্ছে। হোম কোয়ারেন্টাইন না করলে কতোটা ভয়াবহ পরিবেশ তৈরী হতে পারে তা বলার আপেক্ষা রাখেনা। কষ্ট হলেও হোম কোয়ারেন্টাইন অতিব জরুরী।
পৃথিবিতে করোনা আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন দেশগুলোতে এই ভাইরাস রোধে কোয়ারেন্টাইন ও হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে জোড় দিয়ে বলা হচ্ছে এবং বাধ্য করা হচ্ছে। দেশেও স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় বিদেশ ফেরত ও তাদের সংস্পর্সে আসা ব্যক্তিদের হোম কোয়ারেন্টাইনের বিষয়ে দিক নির্দেশনা দিয়েছে। যা দেশ জুড়েই কার্যকরি, কিন্ত গাফিলতি আর অজ্ঞতার বশে মানছে ক‘জন? ইতমধ্যে বেশ কয়েকজনকে জরিমানা গুনতে হয়েছে। মানবতার চরম আতংক আর দুর্দিন নিজের একটু কষ্ট হলেও নিজের পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র তথা বিশাল জনগোষ্টির সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে নিজের বিবেকে জাগ্রত করে হোম কোয়ারেন্টাইন থাকাটা জরুরী।
হোম কোয়ারেন্টাইন একটু সদিচ্ছাটা যথেষ্ট- মাত্র ১৪ দিনের জন্য পরিবারের অন্যদের থেকে আলাদা থাকা, আলাদা গোসল, বিনোদন, দুগ্ধপানের জন্য মায়েরা মাস্ক পরিধান, পশুপাখি থেকে দুরত্ব, কাশি-হাঁচির সময় মুখ ঢেকে রাখা, হাল্কা ব্যায়াম, বাইরের কাউকে বাড়িতে ডেকে না আনা, জ্বর-কাশি বাড়লে আইইডিসিআরে যোগাযোগ করা। নিজের ভালোর জন্য অন্যদের সরক্ষা দিতে এইটুকু কষ্ট করতেই হবে।
প্রতিষেধক বা ঔষধে সরাসরি চিকিৎসা না থাকলেও সচেতনতা, সাবধানতা, সন্দেহভাজনদের হোম কোয়ারেন্টাইন করোনার বিস্তার রোধে সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারে। জনসচেতনতায় ও প্রাথমিক চিকিৎসায় চিনসহ অনেক দেশ ও এলাকা ভাইরাসমুক্ত রাখা যাচ্ছে, নয়তো আরও ব্যাপকতা দেখা দিত। তাই সকল দেশ তাদের নাগরিকদের করোনার হাত থেকে বাঁচাতে আপাতত কিছু নিয়ম, বিদেশ ফেরতরা হোম কোয়ারেন্টাইন ( স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরাও নিজেদেরকে বাড়িতে অবস্থান রাখতে পারেন, যার সুফল পাওয়া যাবে) ও বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনে চলছে এবং জনগনকে মানতে বলছে। স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা দিনরাত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন করোনা প্রতিরোধ ও প্রতিকারের প্রতিষেধক-ঔষধ আবিষ্কার করতে। প্রতিষেধক ও ঔষধ আবিষ্কারের আগে সেই অবধি আমাদের সুরক্ষায়, নিজেদের বাঁচাতে স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা অবশ্যই মানতে হবে।
সচেতন হোন, সাবধান থাকুন বিশেষ করে বিদেশ ফেরত ও তাদের সহচর্যে আসা ব্যক্তিরা। দেশে এর আক্রমন আমাদের মতো অসচেতন-গাফিলতিতে অভ্যস্ত জনগনের জন্য চরম আতংক আর মৃত্যুর ঝুঁকির কারন করোনা মোকাবিলায়, আসুন নিজে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকি সন্দেহভাজনদের বুঝিয়ে-শুনিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখি প্রয়োজনে প্রশাসনের সহযোগীতায় থাকতে বাধ্য করি। আতংকিত ও অবাধ্য না হয়ে, গুজবে কান না দিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের দিক নির্দেশনা মোতাবেক সচেতন হয়ে সাবধানতা অবলম্ভন করি।
অন্যান্য দেশের মতো নেয়া সময়োপযোগী ব্যবস্থাগুলোর বাস্তবায়ন করা, প্রশাসনের আরো কঠোর হওয়া, করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে লোক গমনে অনুৎসাহিত করা, এলেও স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি থাকার বিষয়ে উৎসাহি করা। মানুষের সাময়িক সমস্যা হলেও হোম কোয়ারেন্টাইন মানা বাধ্যতামুলক করতে সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন অতিব জরুরী। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে রাষ্ট্র আর প্রশাসনের চেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে তার পরিবার। পরিবারের সদস্যরা কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যাক্তির ঘরে থাকা নিশ্চত করতে সবচেয়ে বড় ভুমিকা রাখতে পারেন। কারন করোনা এখন বলা যায় অপ্রতিরোধ্য বৈশ্বিক সমস্যা, নিদিষ্ট কোন দেশ বা অঞ্চলের নয়। প্রয়োজনে হোম কোয়ারেন্টাইন ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করতে হবে।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন আর ‘আতংকিত না হয়ে আরও বেশী সচেতন হোন, সাবধান হোন’ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা ব্যাপকভাবে কাযকরি ভুমিকা পালন করতে পারেন। করোনা মোকাবিলার এই কঠিন যুদ্ধে নিজেকে সম্পৃক্ত করুন, পাশের জনকে উৎসাহিত করতে শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার এখনই সময়।
বিশেষ করে এনজিওগুলোকে করোনা মোকাবিলায় সরকারি নির্দেশ দিয়ে তাদের কর্মীদের প্রয়োজনীয় সচেতনতামুলক প্রশিক্ষন, স্যানিটাইজার, মাস্কসহ পাড়া-মহল্লায় সেবাদানে নিয়োগ করা দরকার। কারন দেশের প্রায় সব এলাকাতেই দেশী-বিদেশী এনজিও সমাজসেবামুলক কাজ আগে থেকেই করছে। তাদের কর্মীদের পুর্ব ধারনা রয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকাতে কোন কোন বাড়ির লোকজন বিদেশে থাকেন, বিদেশ ফেরত এসেছেন, কোন পরিবার কতোটা স্বচ্ছল বা অস্বচ্ছল। সে অনুযার্য়ি তারা দ্রুুত ব্যাবস্থা নিতে এবং প্রশাসনকে সহায়তা করতে পারবে। কোয়ারেন্টাইনের বিষয়েও এনজিও কর্মীরা সচেতন করে তুলতে ব্যাপক সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারেন।
বিদেশ ফেরত নাগরিকদের বুঝাতে হতে তারা যেমন করে বিদেশ থেকে টাকা আয় করে রেমিটেন্স বাড়াতে সাহায্য করছে তেমনি আমাদের ছোট্ট এই দেশটি, দেশের মানুষগুলো সুস্থ থাকার জন্য ভালো থাকার জন্য করোনার মতো মহামারি থেকে রক্ষা পেতে তাদের আরও একটু কষ্ট করতে হবে। হোম কোয়ারেন্টাইনে জীবন বাঁচাতে প্রবাসীদের সচেতনামুলক প্রচারনা কাজে আসবে বলে আশাবাদী। কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বা তার প্রয়োজন মেটানোর ব্যবস্থাও রাখা দরকার। সরকারের নির্দেশ, স্বাস্থ্য বিভাগের দিক নির্দেশনা, আমার আপনার সচেতনতা-সাবধানতাই করোনা বিস্তার রোধে সবচেয়ে কার্যকরি ভুমিকা রাখতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপুর্ণ কথা হচ্ছে- হোম কোয়ারেন্টাইনের ১৪দিন পর যেনো কেউ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বাড়ি থেকে বের না হন, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। ইতিমধ্যে সরকার, স্কুল-কলেজ-মাদরাসা, সরকারি-আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করেছে। বিভিন্ন মহাসড়কে বাস চলাচলে বিধি নিষেধ আরোপসহ নানান পদক্ষেপ নিয়েছে। মাইকিং করে আরও বেশী জনগনের কানে করোনা সচেতনতানা পৌছে দিতে ইউনিয়ন পরিষদ গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখবে। পাশাপাশি হোম কোয়ানেন্টাইনে থাকতে মাইকে, মসজিদের বয়ানে, মসজিদের আজানের পূর্বে ঘোষনা বেশ কাজে আসবে। সরকার মসজিদের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিলে আরও আক্রান্ত হওয়ার আশংকা কমে আসবে। মসজিদগুলোতে ওজুর পর একই গামছা বহুজনে ব্যবহার জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে নিষেদ করা দরকার। কারখানা সমৃদ্ধ এলাকাগুলো কর্মরত শ্রমিক ছাড়া বহিরাগতদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ, প্রয়োজনে অতিরিক্ত পুলিশ টহলে থাকলে মঙ্গলজনক হবে। কারখানা বন্ধেও দ্রæত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন, সাথে সাথে শ্রমিকদের বেতন বন্ধের সময়ও যেনো অব্যহত থাকে তার নির্দেশনা আশাটাও জরুরী। শহর ও গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষদেরকে আর্থিকভবে সহায়তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে সরকার বিবেচনা করবে বলে আমরা আশাবাদি। সর্বোপরি বিদেশ ফেরতসহ দেশের সকল পর্যায়ের জনগনকে ঘরে অবস্থান করতে সরকারি নির্দেশনা শীঘ্রই দরকার। যেহেতু প্রায় সকল অফিস-আাদালত বন্ধ তাই হোম কোয়ারেন্টাইন/ঘর-বাড়ি-বাসাতে অবস্থান সহজ। সচেতন নাগরিক মাত্রই করোনা মোকাবিলায় এগিয়ে আসা জরুরী।
করোনা মোকাবিলায় আসুন একটু কষ্ট-ত্যাগ স্বীকার করি, যার যার অবস্থান থেকে কাজ করি। সন্দেহভাজনদের হোম কোয়ারেন্টাই ও সাধারন জনগনের বাসা-বাড়িতে অবস্থান ব্যবস্থার দুর্বলতায় যেনো বিপদ ডেকে না আনে, সেদিকে কঠোরভাবে খেয়াল রাখতে হবে, এটা নিজের জন্য, নিজের স্বজনদের জন্য, মানবতার জন্য।

সফিউল্লাহ আনসারী
সাংবাদিক-কলাম লেখক
Shofiullahansari@gmail.com

এখনই সাবধান হোন- কোয়ারেন্টাইন বিষয়ে অসচেতনতা ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ বিপদ — সফিউল্লাহ আনসারী

কোয়ারেন্টাইন বিষয়ে অসচেতনতা ডেকে আনাতে পারে ভয়াবহ বিপদ। হোম কোয়ারিন্টাইন বিষয়ে সচেতন হোন সাবধান থাকুন। সুফল আসবেই। বিশ্বজুড়ে একটি অচেনা ভাইরাস দ্রæত ছড়িয়ে পড়ায় দু‘শোর কাছাকাছি দেশ এই মরনব্যাধি মোকাবেলায় বিস্তারিত

অনলাইন ডেস্ক : চীনের উহান থেকে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গ্রাহকদের গ্যাস ও বিদ্যুতের বিল ৩-৪ মাস দেরিতে দেয়ার সুযোগ দিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এ জন্য কোনো বিলম্ব মাশুল বা সার চার্জ দিতে হবে না গ্রাহককে।

রোববার মন্ত্রণালয় থেকে এ–সংক্রান্ত একটি চিঠি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কাছে পাঠানো হয়।

জ্বালানি বিভাগের উপসচিব আকরামুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, আবাসিক গ্যাস বিল নির্ধারিত সময় জমা দিতে বিপুল পরিমাণ গ্রাহক ব্যাংকে একসঙ্গে গিয়ে জমা হয়। এভাবে অনেক মানুষ একসঙ্গে ব্যাংকে গিয়ে বিল দিতে গেলে করোনাভাইরাস বা ‘কোভিড–১৯’ সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার ‘গ্যাস বিপনন নিয়মাবলি (গৃহস্থালি) ২০১৪’ শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আবাসিক গ্রাহকেরা কোনো রকম বিলম্ব মাশুল বা সার চার্জ ছাড়াই ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসের গ্যাস বিল আগামী জুন মাসের সুবিধাজনক সময় জমা দিতে পারবেন।

অন্যদিকে বিদ্যুৎ বিভাগের চিঠিটি দেন উপসচিব আইরিন পারভিন। চিঠিতে বলা হয়, বিদ্যুতের আবাসিক গ্রাহকেরা বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে থাকেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ভয়ে গ্রাহকদের পক্ষে বিল পরিশোধ করা সম্ভব হবে না। ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসের বিল কোনো রকম বিলম্ব মাশুল ছাড়া মে মাসে জমা নেওয়ার জন্য বিইআরসিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বাংলাদেশে ২ জনের মৃত্যু হয় এবং ২৭ জন আক্রান্ত হওয়ার পর জনসমাগম এড়াতে বারণ করা হচ্ছে।

এ ছাড়া সারা বিশ্বে ৩ লাখ ৭ হাজার ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে ১৩ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

গ্যাস ও বিদ্যুতের বিল এখনই দেয়া লাগবে না

অনলাইন ডেস্ক : চীনের উহান থেকে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গ্রাহকদের গ্যাস ও বিদ্যুতের বিল ৩-৪ মাস দেরিতে দেয়ার সুযোগ দিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। বিস্তারিত

স্টাফ রিপোর্টার: বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ ঢাকা মহানগর তেজগাঁও থানা শাখার সভাপতি, সমাজ সেবিকা, মানবাধিকার কর্মী ও নারীনেত্রী ফাতেমা ইসলাম (রাহা কাজী) বলেছেন, দেশের বৃহৎ ও ঐহিত্যবাহী রাজনৈতিক দল হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। আওয়ামীলীগকে ধরে রেখেছেন এর তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। তাই তৃণমূল নেতাকর্মীরা আওয়ামীলীগের প্রাণ। আর আওয়ামীলীগ তথা বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আছেন বলেই দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে ও দেশের মানুষ ভালো আছে এবং সুখে-শান্তিতে আছে। তার নেতৃত্বে দেশের আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছে। সম্প্রতি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিকুলতা উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন। তার সময়ে বিদ্যুৎ, কৃষি, শিল্প, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তিসহ সকল ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তাই স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে এই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে হবে আওয়ামীলীগকেই। তাই আওয়ামীলীগ এবং সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।
এছাড়াও তিনি বলেন, আমি (ফাতেমা ইসলাম) সারা জীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। এজন্য দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীদের সার্বিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

তৃণমূল নেতাকর্মীরা আওয়ামীলীগের প্রাণ: ফাতেমা ইসলাম (রাহা কাজী)

স্টাফ রিপোর্টার: বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ ঢাকা মহানগর তেজগাঁও থানা শাখার সভাপতি, সমাজ সেবিকা, মানবাধিকার কর্মী ও নারীনেত্রী ফাতেমা ইসলাম (রাহা কাজী) বলেছেন, দেশের বৃহৎ ও ঐহিত্যবাহী রাজনৈতিক দল হচ্ছে বাংলাদেশ বিস্তারিত

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ পলাশবাড়ী পৌরসভার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বর্তমানে পৌর নির্বাচন ঘিরে পলাশবাড়ীতে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন সম্ভব্য প্রার্থীগণ। তারা পাড়ায় পাড়ায় নিজের সমর্থকগণকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় অব্যহত রেখেছেন। ক্ষমতাসীন দলের সম্ভব্য প্রার্থীদের পাশাপাশি বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির একক প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ পৌর এলাকার সবকয়টি পাড়া মহল্লায় নিজ দলের নির্যাতিত নেতাকর্মীরাসহ সাধারণ মানুষের নিকট দোয়া ও সমর্থন কামনা করে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল পলাশবাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতি ও পৌর বিএনপি আহবায়ক, জেলা বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক, পলাশবাড়ী এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির একাধিকবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীরের আস্থাভাজন ব্যক্তিত্ব আবুল কালাম আজাদ তিনি পৌর নির্বাচনে জেলা বিএনপি ও উপজেলা বিএনপি তাকে বিএনপি একক মনোনয়ন দিয়েছে মেয়র প্রার্থী হিসাবে ।সে কাক ডাকা ভোর থেকে নিশি রাত পর্যন্ত প্রতিটি সাধারন ভোটারের কাছে ও জনগণের দৌড় গোড়ায় গিয়ে ভোটারদের নিকট দেয়া ও সমর্থন কামনা করছেন।

তিনি পৌর এলাকার গ্রাম গঞ্জে পাড়া মহল্লায় গিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। গণসংযোগ কালে তিনি নব গঠিত পৌরসভা কে পরিকল্পিত ভাবে স্থায়ী উন্নয়নের মাধ্যমে সাজানোর জন্য সকলের সার্বিক সহযোগীতা কামনায় সমর্থন কামনা করছেন।

দেশনেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ায় কারা মুক্তি কামনা করে আবুল কালাম আজাদ জানান, দলীয় সিদ্ধান্তে আমিই মেয়র প্রার্থী হিসাবে বিএনপির একমাত্র প্রার্থী। আপনারা জানেন পলাশবাড়ী পৌর ও উপজেলা বিএনপির ঘাটি হিসাবে পরিচিত এখানে ধানের শীষের একজন যোগ্য প্রার্থী হিসাবে আমি বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ও স্থানীয় বিএনপি আমাকে একক প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা দিয়েছেন। আশা করি দল এ নির্বাচনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিবে যোগ্য প্রার্থী হিসাবে কেন্দ্র আামাকেই মনোনীত করবে। তিনি আরো বলেন পৌরসভার সেবার সুফল জনগণের দৌড় গোড়ায় পৌছে দিতে ভুমিকা রাখতে চাই। সে কারণে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে যে কোন প্রতিকুলতায় আমরা আমাদের জয় নিশ্চিত করতে পারবো। আমার ভোটের লক্ষ হল বিজয় না ম্যাডাম জিয়ার মুক্তির সংগ্রামের একটি অংশ। ভোট বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভাব খালেদা জিয়ার মুক্তি। গণতন্ত্র পূর্ণ উদ্ধারের অংশ হিসাবে এই নির্বাচনে আমি অংশো গ্রহণ করছি। নিরপেক্ষ অবাধ সুষ্ট নির্বাচন হলে ও রাতে না দিনে জনগন প্রত্যাক্ষ ভোট দিতে পারলে আমি বিজয়ী হবই।

পলাশবাড়ী পৌর নির্বাচনেকে বিএনপি মনোনীত একক মেয়র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ এর নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায়

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ পলাশবাড়ী পৌরসভার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বর্তমানে পৌর নির্বাচন ঘিরে পলাশবাড়ীতে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন সম্ভব্য প্রার্থীগণ। তারা পাড়ায় পাড়ায় নিজের সমর্থকগণকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় বিস্তারিত

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মদিনে তার প্রতিকৃতিকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

আজ সকালে ধানমন্ডি ৩২ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে আবারও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মদিনে তার প্রতিকৃতিকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। আজ সকালে ধানমন্ডি ৩২ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে প্রতিকৃতিতে বিস্তারিত

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ট্রাফিক আইন ভেঙে, কেউ যদি জনগণের দুর্ভোগের সৃষ্টি করে। সে যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রোববার (১৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা মোড়ে (১৭-২৩) ট্রাফিক সপ্তাহ উদ্বোধনকালে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ট্রাফিক পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মীর রেজাউলসহ ট্রাফিক পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমি রাজনীতিবিদ, বড় ব্যবসায়ী, আমলা, আইনজীবীসহ সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অনুরোধ করবো। আপনারা ট্রাফিক আইন মেনে চলুন। তাহলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

তিনি বলেন, রাজধানীতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ চলছে। যার ফলে রাস্তা-ঘাট কাটাছেঁড়া হয়েছে। আমরা এ কাটাছেঁড়ার দুর্ভোগের কবল থেকে, মানুষদের বাঁচাতে পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আমি সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বলবো, আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন, ট্রাফিক আইন মেনে চলুন।

গাড়ির চালকদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আমি চালক ভাইদের অনুরোধ করবো। আপনারা বেশি গতিতে গাড়ি চালাবেন না।একে অন্যের সঙ্গে পাল্লাপাল্লি করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়বেন না। তাছাড়া কোনো ক্রমেই মোবাইল ফোন কানে নিয়ে গাড়ি চালাবেন না। আমরা যদি কাউকে এই অবস্থা দেখতে পাই, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

গাড়ির মালিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পরিবহনের মালিক যারা আছেন। তাদের বলবো, আপনারা সর্বপ্রথম গাড়ির কাগজপত্র ঠিক করুন। তারপর ফিটনেস যাচাই করে গাড়ি রাস্তায় নামান। আর চালকদের চুক্তি ভিত্তিতে না, মাসিক বেতন দিন। তাহলে দেখবেন ঝুঁকির পরিমাণ কমে আসবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে।

ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া জানান, রাজধানীর গুলশান এলাকার চক্রাকার (সার্কুলার) বাসের মতো ধানমন্ডি, মতিঝিল ও উত্তরা এলাকায়ও চক্রাকার বাস চালু করা হবে। আগামী এপ্রিল মাস থেকে এই কার্যক্রম চালু হবে বলে

তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন ও বিআরটিএ’র সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। বিআরটিএ বাসগুলো চালু করবে। এই চক্রাকার বাস চালু হলে যানজট কিছুটা কমে আসবে। কারণ, তখন মতিঝিলের বাস উত্তরা বা ধানমন্ডি যাবে না।

আইন ভঙ্গ করে জনদুর্ভোগ বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ট্রাফিক আইন ভেঙে, কেউ যদি জনগণের দুর্ভোগের সৃষ্টি করে। সে যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রোববার (১৭ মার্চ) বিস্তারিত

দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির অংশগ্রহণ ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়ে গেল পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোট। ৭ দিনের ব্যবধানে আগামীকাল সোমবার (১৭ মার্চ) দ্বিতীয় ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। 

ওইদিন দেশের ১৬টি জেলার ১১৬ উপজেলায় একযোগে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ। 

দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে এরইমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন উপলক্ষে আগামীকাল সংশ্লিষ্ট উপজেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। 

ভোটের আগের দিন রবিবার (১৭ মার্চ) ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা নির্বাচনে কোনও ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। এ ব্যাপারে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

ইসি সূত্র জানিয়েছে, এই ১১৬টি উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ৭ হাজার ৩৯টি, ভোটার ১ কোটি ৭৯ লাখ ৯ হাজার ৬ জন।

এদিকে সোমবারের ভোটকে সামনে রেখে গতকাল শনিবার মধ্যরাত থেকেই উল্লিখিত ১১৬ উপজেলায় সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ করা হয়েছে। 

দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। যদিও বিএনপি এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না।

নির্বাচন কমিশনের দেয়া তথ্য মোতাবেক, দ্বিতীয় ধাপে ১ হাজার ৩১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যেখানে চেয়ারম্যান পদে ৩৭৭ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫৩৯ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩৯৪ জন ভোটে লড়বেন। 

এর আগে গত ১০ মার্চ প্রথম ধাপে দেশের ৭৮ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হয়। যেখানে ভোট পড়ে ৪৩ শতাংশ। 

উল্লেখ্য, গত ৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। আগামী ২৪ মার্চ তৃতীয় ধাপের, ৩১ মার্চ চতুর্থ ধাপের ভোট হবে এবং পঞ্চম ও ১৮ জুন শেষ ধাপের ভোট হবে।

রাত পোহালেই ১১৬ উপজেলায় ভোট

দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির অংশগ্রহণ ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়ে গেল পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোট। ৭ দিনের ব্যবধানে আগামীকাল সোমবার (১৭ মার্চ) দ্বিতীয় ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।  ওইদিন বিস্তারিত

অনলাইন ডেস্ক: মাদারীপুরের শিবচরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২২ শত পরিবারের মাঝে খাবার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম থেকে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

এ সময় পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবচর পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান বলেন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির পক্ষ চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমন রোধে শিবচর বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে চিফ হুইপ স্যারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

চিফ হুইপের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাবার বিতরণ

নিরেন দাস,জয়পুরহাটঃ- জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দিপুর ইউনিয়নের চকবিলা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান, প্রবীণ আওয়ামী নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মহুরম গোলাম রসুল চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র রুকিন্দিপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান,জেলা যুবলীগ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক,৮০ দশকের সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর ২০১১ সালে আক্কেপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি-জামায়াত কবলিত আক্কেলপুর উপজেলাকে আওয়ামীলীগের ঘটিতে পরিণত করেন। তিনি দলের একটি প্রধান দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আক্কেলপুরে আওয়ামী লীগ পরিবারকে বেগবান করার জন্য তিনি দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করতে শুরু করেন যার সুফলে সুসংগঠিত হয় একটি শক্তিশালী উন্নয়নমুখী আওয়ামীলীগ পরিবার। এদিকে দলের সাধারন সম্পাদক আবার অন্যদিকে রুকিন্দিপুর ইউপি চেয়ারম্যান তাই তিনি তিনবছর চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করে স্বেচ্ছায় চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে দিয়ে আক্কেলপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেন এবং এমন উদারতাকে দলীয় কিছু নেতারা গোপনে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিএনপির প্রার্থী পক্ষ নিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অল্প ভোট পরাজিত করাতে বাধ্য করান। এরপর তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে ২০১৫ সালে আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচন করেন যে নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন একই সাথে আক্কেলপুর পৌরসভায় ইতিহাস রচনা করেন যে ১৯৯৯ সাল স্থাপিত এ পৌরসভায় আওয়ামীলীগের কোন প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারেনি যা তিনিই সর্বপ্রথম আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে মেয়রের চেয়ারে বসে এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। তার এমন (গডগিফট) রাজনৈতিক প্রতিভা আর কঠোর পরিশ্রমে একটি সুসংগঠিত আওয়ামীলীগ পরিবার তৈরি করার পরেও এবং তার দলীয় ও নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমর্থন থাকার শর্তেও তিনি গত ১৪ এ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচনে স্বেচ্ছায় মেয়রের পদ ছেড়ে দিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শহীদুল আলম চৌধুরী তিনি সমর্থন দেন এবং তাকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মেয়র পদে বিপুল ভোটে জয়লাভ করিয়ে আর একটি ইতিহাস গড়েছেন। এদিকে পৌর নির্বাচনের আমেজ শেষ হতে না হতেই কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সিদ্ধান্তে আসছে ১১ এ মার্চ আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলনের ঘোষণা। ইতিমধ্যে সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করতে দিনরাত দেদারে পরিশ্রম করছেন দলের সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার সন্ধায় আক্কেলপুর সরকারি মুজিবর রহমান সরকারি কলেজ মাঠে সম্মেলন কে সফল করার লক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর উপজেলা,পৌর,ইউপি আওয়ামীলীগ সহ সকল সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দদের উপস্থিতিতে তার বক্তব্যে ঘোষনা দিয়ে বলেন মেয়র পদ থেকে যেমন স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছি ঠিক তেমনি ১১ এ মার্চ আসন্ন আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনেও স্বেচ্ছায় সাধারন সম্পাদক পদ ছেড়ে দিচ্ছি এমনকি উক্ত সম্মেলনে আমি কোন প্রার্থীও হবোনা বলেও জানান। তার এমন স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দেওয়ার ঘোষনার পর থেকেই উপজেলা আওয়ামীলীগ পরিবারের তৃনমূল বঞ্চিত নেতাকর্মীরা চরম হতাশ হয়ে পড়েছেন।আবার অনেকেই ভাবছেন তিনি চলে গেলে এমন শক্তিশালী আওয়ামীলীগ আর কোন নেতা কি তৈরি করতে পারবে। এই অবসর চৌধুরী কে নিয়ে ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোচনা ঝড় বইছে আক্কেলপুর পৌর সদর সহ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন গুলোতে কেউ হারাতে চাচ্ছেনা এমন একজন পরিশ্রমী অভিভাবক কে। এমনকি তিনি যেন আক্কেলপুরের রাজনীতি থেকে শড়ে না জান এমন বিষয়টি নিয়েও অসংখ্য নেতাকর্মীরা তাদের ফেইসবুক আইডি থেকে জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ,কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক ও জয়পুরহাট-২ আসনের সাংসদ আক্কেলপুর, কালাই ক্ষেতলাল উপজেলা বাসীর অভিভাবক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন-এমপি”র সুদৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখছেন যে গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর যেন আক্কেলপুরের রাজনীতি থেকে না যেতে না পারেন আপনি অভিভাবক আপনি তাকে যা বলবেন তিনি তাই শুনবেন। গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসরের পক্ষে নেতাকর্মীদের সর্মথক ও দলীয় ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা শর্তেও তিনি কেন-? স্বেচ্ছায় সকল পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন এমন বিষয়টি নিয়ে তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে,আমার প্রাণপ্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতি করি,তাই আমি বিশ্বাস করি একজন ব্যক্তি একই জায়গায় বসে নেতৃত্ব দেয়া ঠিক হবে না। কেননা দলের অসংখ্য ত্যাগী প্রতিভাবান নেতৃত্বদানকারীরা রয়েছেন তাদেরও সুযোগ দেয়া উচিৎ বলেই আমার প্রতি নেতাকর্মী সহ দলীয় ব্যাপক সর্মথক থাকা শর্তেও স্বেচ্ছায় আমি সকল পদ ছেড়ে দিচ্ছি। তিনি আরো বলেন যে আমার এ ঘটনা হয়তো বাংলাদেশে একটি ইতিহাস হবে যে তিনি চেয়ারের লোভ না করে দলের অন্যদের দায়িত্ব দিতে স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দিয়েছেন। আপনি কি-? শুধু পদই ছেড়ে দিচ্ছেন নাকি আক্কেলপুর তথা আওয়ামী রাজনীতিই ছেড়ে দিচ্ছেন এমন জবাবে তিনি বলেন, কখনওই না আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন আমি তারই সন্তান আমার জীবন যতদিন থাকবে আওয়ামীলীগের রাজনীতি থেকে কেউ আমাকে সরাতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। এমনকি অনেকেই মনে করছেন আমি স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দিচ্ছি বলে হয়তো আক্কেলপুর থাকবো না এমন ধারণা টি তাদের ভুল কেননা আমি আক্কেলপুরের সন্তান আমার মৃত্যুর পর দাফনো হবে এই পবিত্র আক্কেলপুরের মাটিতে। তাই আপনাদের মাধ্যমে সকলকে জানাতে আমি বিগত দিনে আক্কেলপুর বাসীর সুখেদুঃখে যেমন পাশে ছিলাম, ঠিক তেমনি আগামীতেও সকলের সুখেদুঃখে পাশে থাকবো। আর এতে আমি প্রমাণ করে দেখাবো যে শুধু চেয়ারে বসেই জনগণের সেবা করা যায় তা তা ভুল, চেয়ার ছাড়াও যে জনগণের সেবা করা যায় তা আমি করে দেখাবো বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

Niren sent Today at 2:06 AM


স্বেচ্ছায় মেয়র ও দলীয় পদ ছেড়ে দেয়াই পরিশ্রমী নেতা অবসর চৌধুরীকে নিয়ে হতাশ আওয়ামী পরিবার


ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০১৯ (চ্যানেল ২৬) : ঝুঁকি কমাতে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বীমা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বীমা অংক বাংলাদেশি টাকায় ১৩৪ কোটি ২৮৮ লাখ টাকা। বীমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে বাংলাদেশি টাকায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

ইতিমধ্যে সাধারণ বীমা সরকারের গৃহীত মেগা প্রকল্প সমূহ যেমন- মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু টানেল ও মেট্টো রেল প্রকল্পগুলোর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে করা হচ্ছে এ বীমা পলিসিটি। এর ফলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বীমা সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে দেশের বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে দেশি বীমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি বীমা কোম্পানি গুলো বীমা করতে উৎসাহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন

নিউজ ডেক্স: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নর্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গণমানুষের নেতা জাতীয় পাটির ঢাকা মহানগর-উত্তরের প্রচার সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম হাসেম।

সরোজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে, তারা জানান এস.এম হাসেমকে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুন এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছ যেতে পারেন এবং তিনি ভূক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর আরো জানান, এলাকা আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, চাঁদাবাজী সন্ত্রাস-মাস্তানি বন্ধ এবং দূর্নীতির জঙ্গীবাদ-এর বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান, তাই এই ৩২নং ওয়ার্ডে এস.এম হাসেম জনপ্রিয়তার শীর্ষে বা বিকল্প কোন নেতা এখনও এই ৩২নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয়নি।

তরঙ্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাত্কারে কাউন্সিলর প্রার্থী এস.এম হাসেম বলেন, আমি এলাকাবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচন করবো্ জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যাবো।আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এস.এম হাসেম ৩২নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ের সহযাত্রী ও সব ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। যদি মনে করেন আপনাদের চাওয়া পাওয়ার কথা উচ্চারিত হোক কোন বলিষ্ঠ কন্ঠে তবে আমার বলতে দিন।আপনাদের জন্য আমাকে কিছু করার সুযোগ দিন।আমি আপনাদের ভিড় থেকেই উঠে আসা আপনাদেরই একজন। আপনারা ভালো থাকলে ৩২নং ওয়ার্ডবাসী ভালো থাকবে,আমাদের রাজধানী ঢাকা ভালো থাকবে এবং ভালো থাকবে আমাদের সোনার বাংলাদেশ। তাই সকল দিক বিবেচনা করে আমাকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এর ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে একটি ভোট দিন।

ডিএনসিসিনির্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এস.এম হাসেম

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম:০৪/১০/২০১৯ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া আমিরাবাদ হোটেল ও আই সি হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এমএ তাহের (তারেক) জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লোহাগাড়া শাখা সাংবাদিক মুহাম্মদ ঈসা পবিত্র কোরআন তেলােওয়াতের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠান শুরু করে। সঞ্চালনা ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি , জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক , দৈনিক ওলামা কন্ঠ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট মুহাম্মদ মিয়া ফারুক, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, আরো উপস্থিত ছিলেন তুষার আহামেদ কাইছার শিহাব উদ্দিন শিহাব চ্যানেল কর্ণফুলি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বান্দরবান পার্বত্য জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম, জেলা কৃষক লীগ নেতা নূরুল ইসলাম ভান্ডারী, ইসমাইল হোসেন সোহাগ সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লামা উপজেলা শাখা,জিয়া হোসেন, বাবুল চৌধুরী, মোঃ কাউছার আলম, মুহাম্মদ ঈসা দপ্তর সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা , আব্বাছ উদ্দিন দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য , রফিকুর রহমান দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, মুহাম্মদ ফাহিম রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক মুক্তালোক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, আরো উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, রমজান আলী, মুহাম্মদ এমরান সহ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, উক্ত এ বৈঠকে সংগঠনের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার জন্যে স্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ও সাংবাদিকদের কল্যাণে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ধরে পরিকল্পিত যোগসাজশে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) জাফিকুর রহমান অমি (১৫) ও তার মা মোছাঃ আছমা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা অর্থবান ও ক্ষমতাধর হওয়াই আহতরা যেন থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করতে যায় এ জন্য প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে বিষয়টি আহত পরীক্ষার্থী অমি”র চাচা মোঃ আব্দুল হাই মিলন জানতে পেরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে হামলাকারী ৬ জনের বিরুদ্ধে (৫-ফেব্রুয়ারি) ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হামলাকারী আসামীরা হলেন,উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামের মৃতঃ- মোত্তালেব সরদারের ছেলে (১) মেহেদি হাসান,(২) মোস্তাক হোসেন নাহাজ,(৩) মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জগলুল,(৪) আসামী মেহেদির স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা আক্তার নূপুর,(৫) আসামী মোস্তাকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার ও একই গ্রামের মোঃ মাফতুম হোসেনের স্ত্রী (৬) পাখি বেগম। উক্ত মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, (গত ৩ এ-ফেব্রুয়ারি) সোমবার শুরু হয় এসএসসি-সমমান-২০ পরীক্ষা প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে ওই দিন সন্ধায় অমি তার নিজ ঘরে পড়ছিল হঠাৎই সে শুনতে পারে বাহিরে বেজোড়ে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা পূর্ব শত্রুতার জেড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়ির সামনের একটি মুরগির ঘর উল্লেখিত আসামীরা ভাঙচুর করছে এমনি অবস্থায় অমি”র মা তাদের বাঁধা দিতে গেলে আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দ্বারা মাথায় আঘাত করছে পাশাপাশি পড়নের কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করার দৃশ্য দেখে অমি ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে তার মা কে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় লোহার রড দ্বারা আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার মা ছেলেকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী মোঃ মনতাছির মামুন সনি,মোছাঃ শাহানা আক্তার ও লাইজু বেগম সহ আরও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়,ততক্ষণিক ওই স্থানীয়রা অমি ও তার মা কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভ্যানযোগে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী”র চাচা আব্দুল হাই মিলন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দিলে মামলাটি আমলে নিয়ে,আমার থানা পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এতে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

ক্ষেতলালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তার মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম”৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

স্টাফ রিপোর্টার : বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীদের চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ৷ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘােষণা করা হয়।

বিভিন্ন ইউনিয়নে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন, ১ নং গৌরম্ভা ইউনিয়নে মোঃ রাজীব সরদার, ২ নং উজলকুড় ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুন্সী বোরহান উদ্দিন জেড, ৩ নং বাইনতলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ ফকির, ৪ নং রামপাল সদরে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন হাওলাদার, ৫নং রাজনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি সরদার আঃ হান্নান ডাবলু, ৬নং হুড়কা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সভাপতি তপন গোলদার, ৭ নং পেড়িখালী ইউনিয়নে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবুল, ৮ নং ভোজপাতিয়া ইউনিয়নে তরফদার মাহফুজুল হক , ৯ নং মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে তালুকদার ছাবির আহাম্মদ , ১০ নং বাঁশতলী ইউনিয়নে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (ভিপি সোহেল)৷

শনিবার দলের সংসদীয় এবং স্থানীয় সরকার
জনপ্রতিনিধি মনােনয়ন বাের্ডের যৌথসভায় এসব প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং সংসদীয় স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনােনয়ন বাের্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রামপালে ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হলেন যারা

themesbazartvsite-01713478536
error: Content is protected !!