ডুমুরিয়ার  নিরাপদ ও বালাই মুক্ত সবজি রপ্তানি কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন।

ডুমুরিয়ার  নিরাপদ ও বালাই মুক্ত সবজি রপ্তানি কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন।

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার সময় খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার টিপনা ভিলেজ সুপার মার্কেট, সবজি প্রথম বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে।
সাসটেইনেবল এগ্রিকালচার, ফুড সিকিউরিটি এন্ড লিংকেজেস (সফল-২)নিরাপদ ও বালাই মুক্ত সবজি রপ্তানি কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন, মোঃ আবদুল ওয়াদুদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ডুমুরিয়া, খুলনা।
প্রধান অতিথি হিসেবে  ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, খুলনা উদ্বোধন করেন।
বিশেষ অতিথি : মোঃ হাফিজুর রহমান,উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খুলনা ।
মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন, উপজেলা কৃষি অফিসার, ডুমুরিয়া, খুলনা।
এস. এম. মাহবুব আলম, সহকারী পরিচালক, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, খুলনা ।  বক্তব্য রাখেন‌‌ এহছান,প্রথম আলো খুলনা প্রতিনিধি,
শেখ হেফজুর রহমান,সভাপতি টিপনা ভিলেস সুপার মার্কেট।
সুরাইয়া খাতুন কডিনেটার কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, বিএফভিএপিইএ, উত্তরণ ওসলিডারিডাড
সবজির ভরা মৌসুমে সঠিক সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের অভাবে কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল ক্ষেতেই নষ্ট হয়। এসব দিক বিবেচনা করে কৃষককে সবজি চাষে লাভজনক করে তুলতে কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক ও ‘সফল’ প্রকল্পের মাধ্যমে বিদেশে সবজি রপ্তানি উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি মৌসুমে ১হাজার কেজি পটল, লাউ, কচুরমুখি, কচুর লতি, চাল কুমড়া, পেঁপে, ঝিঙে, ধুন্দল রপ্তানি করা হচ্ছে।
বেসরকারি সংস্থাবিএফভিএপিইএ, উত্তরণ ও সলিডারিডাড মাধ্যমে এলাকার ১১হাজার ৩শত ৩৮জন কৃষকদের জমিতে ফ্রেমন ট্রাপ, হলুদ ফাঁদসহ বালাইনাশক পদ্ধতি ব্যবহার করে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করা হয়েছে। বিষমুক্ত এসব সবজি পাঠানো হচ্ছে বিদেশে।
নিজেদের কষ্টার্জিত সবজি বিদেশে রপ্তানি হওয়ায় খুশি এ অঞ্চলের কৃষকরাও। তারা বলছেন, এভাবে বিদেশে সবজি রপ্তানি করা গেলে আর্থিকভাবে সাবলম্বী হবেন তারা।
সবজি বিদেশে রপ্তানিকে ইতিবাচক হিসাবে দেখছেন কৃষি বিভাগ। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক  মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন সবজি রপ্তানি করলে একদিকে যেমন সরকারের আয় বাড়বে অন্য দিকে কৃষি হবে সমৃদ্ধ।‌
দেশের মোট চাহিদার ৬৫ ভাগ সবজির যোগান দেয় ডুমুরিয়া । ডুমুরিয়ার প্রথম উৎপাদিত সবজি দেশের সীমানা ছাড়িয়ে রপ্তানি হচ্ছে, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায়।
আয়োজনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, বিএফভিএপিইএ, উত্তরণ ওসলিডারিডাড
অনুষ্ঠান সার্বিক সঞ্চালন করেন মিতা রহমান ও তৈয়বুর রহমান।

শেয়ার করুন

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।পটুয়াখালীর দশমিনায় এবার মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে, কিন্তু ঠিকসময় বাজারজাত
করতে না পারায় লোকসান কাটিয়ে উঠতে কৃষকরা মরিচ শুকানো শুরু করেছে। মাঠ জুড়ে
কাঁচা-পাকা মরিচ দেখে মনে হয় লাল-সবুজ গালিচা বিছানো, কাছে গেলে এমন ভুল
ভাঙ্গবে অনেকের। বর্তমানে মাঠ জুড়ে মরিচের এমন খুশির ঝিলিক চোখে মুখে বেশে
উঠে কৃষকের। বাজারে কাঁচা মরিচের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হতাশ হলেও এখন অনেকেই
মরিচ শুকানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কৃষকরা। ইতোমধ্যে ক্ষেত থেকে তুলে শুকিয়ে মজুদ
করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে অনেকে। চলতি মৌসুমে অনাবৃষ্টিতে মরিচের ফলন যেমন ভালো
হয়েছে, তেমনি মরিচের ঝাল বেশি বলে জানিয়েছেন মরিচ চাষীরা। করোনা মহামারির
কারনে ঠিকভাবে বাজারজাত করতে না পারা এবং পাইকারের উপস্থিতি কম থাকায় এবারের
বাজারে কাঁচা মরিচের দাম ছিল কম। তাই উৎপাদিত মরিচ শুকিয়ে মজুদ করা হচ্ছে বলে
জানিয়েছেন ভূক্তভোগী কৃষকরা। করোনার প্রাদুর্ভাব কমে গেলে মজুদ করা মরিচ উপযুক্ত
দামে বিক্রি হবে- এমনটাই আশা তাদের।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলায় চলতি মৌসুমে মিন্টু সুপার, লঙ্কা,
হাইব্রীড-৬৫৩, বীজ প্লাস, সানী ও বিজলী প্লাসসহ নানা জাতের মরিচের আবাদ
হয়েছে। কৃদের উৎপাদিত মরিচ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন
জেলায় বাজারজাত হয়ে থাকে। ক্ষেত থেকে মরিচ তুলতে নারী-পুরুষ ও শিশুরা এখন ব্যস্ত সময়
পার করছেন। দল বেধে গৃহবধূ ও শিশুরা গ্রামে মরিচ তোলার কাজে এখন ব্যস্ত। স্কুল বন্ধ
থাকায় শিশুরা পরিবারের এ কাজে সহায়তা করছে। এছাড়া কৃষক পরিবারের বাইরেও নারী
শ্রমিকরা মরিচ তোলার কাজে যুক্ত হয়েছেন। কৃষকদের তথ্যমতে, ক্ষেত থেকে যারা মরিচ
তুলে আনেন তাদেরকে ৪ ভাগের ১ভাগ দিতে হয়। পানি সেচ, সার, ঔষধ, পরিচর্যা বাবদ
অনেক টাকাই ব্যয় হয় সংশ্লিষ্ট কৃষকের। বাজারে বর্তমানে মূল্যে মরিচ বিক্রি করতে
গেলে লোকসান গুনতে হবে বলে দাবি মরিচ চাষীদের। এজন্য বেশিরভাগ কৃষকই ন্যায্য
মূল্যের আশায় মরিচ মজুদ করতে শুরু করেছেন। এদিকে, উপযুক্ত দাম না পেলে আগামিতে
মরিচ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন কৃষকরা, এমন ধারণা করছেন অনেকে।
উপজেলার রনগোপালদী গ্রামের মরিচ চাষী মো. শাহ আলম জানান, গত কয়েক বছরের
চেয়ে এবার মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মরিচ চাষ হয়েছে
দ্বিগুন। কৃষকরা কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে মরিচের চাষাবাদ করছেন। বিগত বছর
গুলোতে ভালো ফলন ও কাঙ্খিত দাম পাওয়ায় এবারে মরিচ চাষে ঝুঁকেছেন অনেক কৃষক।
ভাগ্য ফেরানোর আশায় দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছিলেন তারা। মরিচ চাষী হাবিবের মতে,
ধান ও গমের মত সরকার উৎপাদিত মরিচের মূল্য নির্ধারণ করে দিলে কৃষকরা লাভবান হতেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, উপজেলা ৭টি ইউনিয়নের ৫শ’ হেক্টর
জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে গড়ে কাচাঁ অবস্থায় ১০/১২ টন আর পাকা
শুকনো ২/৩ টন উৎপাদন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উৎপাদনের লক্ষমাত্রা
ছাড়িয়েছে এবার। একই ইউনিয়নের মরিচ চাষী সেলিম জানান, গত বছর ভালো দাম
পাওয়ায় এবারে তিনি বেশি জমিতে মরিচ আবাদ করেছেন। এ বছরে ফলন ভালো হলেও দাম
অনেক কম।
বহরমপুর ইউনিয়নের দক্ষিন আদুমপুর গ্রামের কৃষক মো. সুলতান ফকির জানান, তিনি
প্রায় ১একর জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। চলতি মৌসুমের প্রথম দিকে কাঁচা মরিচ
বিক্রি করেছেন কিন্তু দাম কম থাকায় শুকানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবু জাফর আহাম্মেদ বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে
থাকায় উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ছাড়িয়েছে। আর কৃষকদের ন্যায্য দাম পাওয়াটা জরুরী, অন্যথায়
আগামীতে অনেক কৃষক মরিচ চাষাবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবেন।

মরিচে ন্যায্য মূল্য না পেয়ে দশমিনায় মরিচ শুকানোর সিদ্ধান্ত কৃষকরা

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা। ডুমুরিয়া (খুলনা) মুজিব বর্ষের  অঙ্গীকার,  কৃষি হবে দূর্বার। দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে ডুমুরিয়ার কৃষি সেবা, সবুজ মাঠের দিকে তাকালে দেখা যায় বিচিত্রময় কৃষি।  কৃষিতে তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি,  কৃষির বানিজ্যিকীকরণ এবং বেকারত্ব দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে ডুমুরিয়ার ডিজিটাল কৃষি সেবা। ডিজিটাল বাংলাদেশ ছিল বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার। প্রথম দিকে মানুষের মনে কিছুটা সংশয় থাকলে বিগত ১০ বছরে মানুষ ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল ভোগ করছে। স্বাস্থ্য কিংবা শিক্ষা, কৃষি কিংবা যোগাযোগ কোথায় নাই ডিজিটাল বাংলাদেশের ছোঁয়া?  ডুমুরিয়া কৃষি অফিস, “মাঠ কৃষি” ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত দিয়ে যাচ্ছে ডিজিটাল কৃষি সেবা। কৃষির আধুনিককীকরন, বানিজ্যিকীকরন, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি এবং বেকারত্ব দূরীকরণে মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেলের ভুমিকা অনশ্বিকার্য।  বর্তমান চ্যনেলটিতে ৯০০০ সাবসক্রাইবার ৫ লক্ষাধিক ভিউয়ার এবং ১৪২ টি ভিডিও আছে। বিভিন্ন নতুন নতুন জাত, কৃষি প্রযুক্তি দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে চ্যানেলটির মাধ্যমে। এটি বর্তমানে উপকূলীয় লবনাক্ত এলাকার অন্যতম মাইলফলক। মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে কৃষিতে আসা খলসী গ্রামের একাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া তরুণ উদ্যোক্তা তরিকুল ইসলাম তারেক বলেন, আমি মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেলে নিউটনের পানিকচু চাষের একটি ভিডিও দেখে পানি কচু চাষে উদ্বুদ্ধ হয় এবং ১ বিঘা জমিতে পানি কচু চাষ করে, লতি, কচু এবং চারা মিলিয়ে প্রায় ৮০,০০০/- টাকা লাভ করি। বর্তমানে আমার দেখাদেখি পাশে আরও ৪/৫ জন পানি কচু চাষ করেছেন। ঝিনাইদহ, কালিগঞ্জের কৃষক আরজান মোড়ল বলেন, আমি যশোর ক্যন্টমেন্ট কলেজে শিক্ষকতা করি,  আমি প্রথমে মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেল দেখে উদ্বুদ্ধ হয় এবং আমার একবিঘা জমিতে চুইঝালের আবাদ করি।  বর্তমানে আমি প্রায় ৫০০০ চুইঝাল চারা তৈরি করেছি যার বাজার মূল্য ২ লক্ষ টাকা। এই বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি অফিসার, ডুমুরিয়া কৃষিবিদ মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন এই প্রতিবেদককে জানান, মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেলের দেশ বিদেশে অনেক তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। আমি নিয়মিত মাঠ ভ্রমনে যেসমস্ত নতুন ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি দেখতে পাই, তা মোবাইল ক্যামেরার মাধ্যমে ধারন করে এডিট করে মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যনেলের মাধ্যমে প্রচার করি।  এতে দেশ বিদেশে অনেক কৃষক উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে।  তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রয়োজনে আমার সাথে যোগাযোগ করেন। কৃষি কাজ করতে গিয়ে কোন সমস্যায় পড়লে তারা ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে সমাধান পেয়ে যায়। ভবিষ্যতে এটির মাধ্যমে আমি কৃষিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই।

ডুমুরিয়ায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে কৃষি সেবা, কৃষকের মাঝে ব্যাপক সাড়া।

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা :খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষক সিরাজুল ইসলাম খান উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ করে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন।পেয়ার চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি।
কৃষক সিরাজুল ইসলাম জানান, ১লক্ষ২৫ হাজার টাকা ব্যায়ে পেয়ারা চাষ করে ৭ লাখ টাকা বিক্রি করেছেন। এ উন্নত জাতের গাছ থেকে কম খরচে ১২ মাসই পেয়ারা পাওয়া যায়।প্রতিটি পেয়ারা আধা কেজি থেকে প্রায় এক কেজি ওজন হয় । একটি গাছ টানা সাত বছর ফল দেয়। আর এ পেয়ারা প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি করা হয়। প্রায় ৫ বিঘা জমিতে উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ করেছেন। চলতি বছরে তিনি ৭ লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রি করেছেন বলে জানান তিনি ।
তার দেখাদেখি অনেক চাষি পেয়ারা আবাদ করছেন। পঞ্চুর গ্রামের কৃষক আরিফুল ইসলাম ইসলাম বেশ কয়েক বছর ধরেই পেয়ারার চাষ শুরু করেছেন। মাসের পর মাস পেয়ারার বাগান পরিচর্যা করছেন।পেয়ারার চাষ করেছেন সলুয়া গ্রামের পুর্নন্দুবিশ্বাস ।  উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা মাঠের পর মাঠ উন্নত জাতের পেয়ারা বাগান করেছেন। ডুমুরিয়ার অনেক কৃষক ও বেকার যুবকরা এখন উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ শুরু করছেন।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জানান, চলতি বছরে ২৫ হেক্টর জমিতে পেয়ারা আবাদ হয়েছে। সাধারণ ফসলের চেয়ে পেয়ারার আবাদে ৩ গুণ লাভ হয়। খুলনা হকি কালচার থেকে চারা সংগ্রহ করে বৈশাখের শেষ সময় থেকে পেয়ারার চারা লাগানো শুরুহয়। গাছ লাগানোর ৯ মাসের মাথায় ফল ধরতে শুরু করে। প্রতিটি গাছে ১০০ থেকে ১৫০টি ফল ধরে। কিন্তু গাছের সুরক্ষায় ছোট থাকতে তা ফেলে দিয়ে ২০-২৫টি পেয়ারা রাখা হয়। ১২ মাস পেয়ারা ধরলেও শীত মৌসুমের পেয়ারায় দাম বেশি পাওয়া যায়। বর্ষাকালে পেয়ারার পোকা ও পচন রোধে সুষম সার প্রয়োগ করতে হয়। এছাড়া পেয়ারার গায়ে পলিথিন জড়িয়ে দিতে হয়। এ জাতের গাছে কমপক্ষে সাত বছর সুস্বাদু পেয়ারা ধরে। অন্য ফসলের আবাদ ছেড়ে অনেক চাষি এখন উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ শুরু করছেন।

ডুমুরিয়ায় পেয়ারা চাষে অভাবনীয় সাফল্য কৃষক সিরাজুল ইসলামের।

হিলি প্রতিনিধঃসম্প্রতি প্বার্শবতী দেশ ভারতে করোনা ভাইরাসের প্রাদুভার্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় হাকিমপুর পৌরবাসীর ও দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সাময়িক আমদানি-রপ্তানি বন্ধের জন্য দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কাছে প্রস্তাব দিয়েছেন হাকিমপুর পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত।

আজ রবিবার দুপুরে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকির  সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল জেলা সমন্বয় আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে এ প্রস্তাবনা দেন মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত।

হাকিমপুর পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত বলেন,দেশে দ্বিতীয় স্থলবন্দর হিলি। এই বন্দর দিয়ে করোনা মহামারীর মধ্যেও আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক রয়েছে। সম্প্রতি ভারতে করোনা সংক্রমণ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এতে করে আমরা চরম ঝুঁকির মধ্যে আছি। যেহেতু প্রতিদিন এখানে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভার ও হেলপাররা আসে। তাই হিলি বাসীর কথা চিন্তা করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সাময়িক আমদানি-রপ্তানি বন্ধের জন্য প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে হাকিমপুর উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো‏হাম্মদ নুর-এ আলম বলেন,মেয়র মহোদয় আমদানি-রপ্তানি বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যাবার পর সরকারী যেকোন নির্দেশনা আসলে সেটা আমাদের পক্ষ থেকে বাস্তবায়ন করা হবে।

হাকিমপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন উর রশিদ হারুন বলেন,এটা ভালো উদ্যোগ। এতে করে আমাদের উপজেলায় করোনায় মোকাবিলায় কিছুটা কাজে লাগবে।

হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সাময়িক বন্ধের জন্য পৌর মেয়রের আবেদন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনলাইন ডেস্ক: মাদারীপুরের শিবচরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২২ শত পরিবারের মাঝে খাবার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম থেকে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

এ সময় পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবচর পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান বলেন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির পক্ষ চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমন রোধে শিবচর বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে চিফ হুইপ স্যারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

চিফ হুইপের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাবার বিতরণ

নিরেন দাস,জয়পুরহাটঃ- জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দিপুর ইউনিয়নের চকবিলা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান, প্রবীণ আওয়ামী নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মহুরম গোলাম রসুল চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র রুকিন্দিপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান,জেলা যুবলীগ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক,৮০ দশকের সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর ২০১১ সালে আক্কেপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি-জামায়াত কবলিত আক্কেলপুর উপজেলাকে আওয়ামীলীগের ঘটিতে পরিণত করেন। তিনি দলের একটি প্রধান দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আক্কেলপুরে আওয়ামী লীগ পরিবারকে বেগবান করার জন্য তিনি দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করতে শুরু করেন যার সুফলে সুসংগঠিত হয় একটি শক্তিশালী উন্নয়নমুখী আওয়ামীলীগ পরিবার। এদিকে দলের সাধারন সম্পাদক আবার অন্যদিকে রুকিন্দিপুর ইউপি চেয়ারম্যান তাই তিনি তিনবছর চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করে স্বেচ্ছায় চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে দিয়ে আক্কেলপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেন এবং এমন উদারতাকে দলীয় কিছু নেতারা গোপনে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিএনপির প্রার্থী পক্ষ নিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অল্প ভোট পরাজিত করাতে বাধ্য করান। এরপর তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে ২০১৫ সালে আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচন করেন যে নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন একই সাথে আক্কেলপুর পৌরসভায় ইতিহাস রচনা করেন যে ১৯৯৯ সাল স্থাপিত এ পৌরসভায় আওয়ামীলীগের কোন প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারেনি যা তিনিই সর্বপ্রথম আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে মেয়রের চেয়ারে বসে এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। তার এমন (গডগিফট) রাজনৈতিক প্রতিভা আর কঠোর পরিশ্রমে একটি সুসংগঠিত আওয়ামীলীগ পরিবার তৈরি করার পরেও এবং তার দলীয় ও নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমর্থন থাকার শর্তেও তিনি গত ১৪ এ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচনে স্বেচ্ছায় মেয়রের পদ ছেড়ে দিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শহীদুল আলম চৌধুরী তিনি সমর্থন দেন এবং তাকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মেয়র পদে বিপুল ভোটে জয়লাভ করিয়ে আর একটি ইতিহাস গড়েছেন। এদিকে পৌর নির্বাচনের আমেজ শেষ হতে না হতেই কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সিদ্ধান্তে আসছে ১১ এ মার্চ আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলনের ঘোষণা। ইতিমধ্যে সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করতে দিনরাত দেদারে পরিশ্রম করছেন দলের সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার সন্ধায় আক্কেলপুর সরকারি মুজিবর রহমান সরকারি কলেজ মাঠে সম্মেলন কে সফল করার লক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর উপজেলা,পৌর,ইউপি আওয়ামীলীগ সহ সকল সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দদের উপস্থিতিতে তার বক্তব্যে ঘোষনা দিয়ে বলেন মেয়র পদ থেকে যেমন স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছি ঠিক তেমনি ১১ এ মার্চ আসন্ন আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনেও স্বেচ্ছায় সাধারন সম্পাদক পদ ছেড়ে দিচ্ছি এমনকি উক্ত সম্মেলনে আমি কোন প্রার্থীও হবোনা বলেও জানান। তার এমন স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দেওয়ার ঘোষনার পর থেকেই উপজেলা আওয়ামীলীগ পরিবারের তৃনমূল বঞ্চিত নেতাকর্মীরা চরম হতাশ হয়ে পড়েছেন।আবার অনেকেই ভাবছেন তিনি চলে গেলে এমন শক্তিশালী আওয়ামীলীগ আর কোন নেতা কি তৈরি করতে পারবে। এই অবসর চৌধুরী কে নিয়ে ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোচনা ঝড় বইছে আক্কেলপুর পৌর সদর সহ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন গুলোতে কেউ হারাতে চাচ্ছেনা এমন একজন পরিশ্রমী অভিভাবক কে। এমনকি তিনি যেন আক্কেলপুরের রাজনীতি থেকে শড়ে না জান এমন বিষয়টি নিয়েও অসংখ্য নেতাকর্মীরা তাদের ফেইসবুক আইডি থেকে জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ,কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক ও জয়পুরহাট-২ আসনের সাংসদ আক্কেলপুর, কালাই ক্ষেতলাল উপজেলা বাসীর অভিভাবক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন-এমপি”র সুদৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখছেন যে গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর যেন আক্কেলপুরের রাজনীতি থেকে না যেতে না পারেন আপনি অভিভাবক আপনি তাকে যা বলবেন তিনি তাই শুনবেন। গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসরের পক্ষে নেতাকর্মীদের সর্মথক ও দলীয় ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা শর্তেও তিনি কেন-? স্বেচ্ছায় সকল পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন এমন বিষয়টি নিয়ে তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে,আমার প্রাণপ্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতি করি,তাই আমি বিশ্বাস করি একজন ব্যক্তি একই জায়গায় বসে নেতৃত্ব দেয়া ঠিক হবে না। কেননা দলের অসংখ্য ত্যাগী প্রতিভাবান নেতৃত্বদানকারীরা রয়েছেন তাদেরও সুযোগ দেয়া উচিৎ বলেই আমার প্রতি নেতাকর্মী সহ দলীয় ব্যাপক সর্মথক থাকা শর্তেও স্বেচ্ছায় আমি সকল পদ ছেড়ে দিচ্ছি। তিনি আরো বলেন যে আমার এ ঘটনা হয়তো বাংলাদেশে একটি ইতিহাস হবে যে তিনি চেয়ারের লোভ না করে দলের অন্যদের দায়িত্ব দিতে স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দিয়েছেন। আপনি কি-? শুধু পদই ছেড়ে দিচ্ছেন নাকি আক্কেলপুর তথা আওয়ামী রাজনীতিই ছেড়ে দিচ্ছেন এমন জবাবে তিনি বলেন, কখনওই না আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন আমি তারই সন্তান আমার জীবন যতদিন থাকবে আওয়ামীলীগের রাজনীতি থেকে কেউ আমাকে সরাতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। এমনকি অনেকেই মনে করছেন আমি স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দিচ্ছি বলে হয়তো আক্কেলপুর থাকবো না এমন ধারণা টি তাদের ভুল কেননা আমি আক্কেলপুরের সন্তান আমার মৃত্যুর পর দাফনো হবে এই পবিত্র আক্কেলপুরের মাটিতে। তাই আপনাদের মাধ্যমে সকলকে জানাতে আমি বিগত দিনে আক্কেলপুর বাসীর সুখেদুঃখে যেমন পাশে ছিলাম, ঠিক তেমনি আগামীতেও সকলের সুখেদুঃখে পাশে থাকবো। আর এতে আমি প্রমাণ করে দেখাবো যে শুধু চেয়ারে বসেই জনগণের সেবা করা যায় তা তা ভুল, চেয়ার ছাড়াও যে জনগণের সেবা করা যায় তা আমি করে দেখাবো বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

Niren sent Today at 2:06 AM


স্বেচ্ছায় মেয়র ও দলীয় পদ ছেড়ে দেয়াই পরিশ্রমী নেতা অবসর চৌধুরীকে নিয়ে হতাশ আওয়ামী পরিবার


ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০১৯ (চ্যানেল ২৬) : ঝুঁকি কমাতে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বীমা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বীমা অংক বাংলাদেশি টাকায় ১৩৪ কোটি ২৮৮ লাখ টাকা। বীমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে বাংলাদেশি টাকায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

ইতিমধ্যে সাধারণ বীমা সরকারের গৃহীত মেগা প্রকল্প সমূহ যেমন- মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু টানেল ও মেট্টো রেল প্রকল্পগুলোর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে করা হচ্ছে এ বীমা পলিসিটি। এর ফলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বীমা সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে দেশের বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে দেশি বীমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি বীমা কোম্পানি গুলো বীমা করতে উৎসাহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন

নিউজ ডেক্স: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নর্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গণমানুষের নেতা জাতীয় পাটির ঢাকা মহানগর-উত্তরের প্রচার সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম হাসেম।

সরোজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে, তারা জানান এস.এম হাসেমকে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুন এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছ যেতে পারেন এবং তিনি ভূক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর আরো জানান, এলাকা আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, চাঁদাবাজী সন্ত্রাস-মাস্তানি বন্ধ এবং দূর্নীতির জঙ্গীবাদ-এর বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান, তাই এই ৩২নং ওয়ার্ডে এস.এম হাসেম জনপ্রিয়তার শীর্ষে বা বিকল্প কোন নেতা এখনও এই ৩২নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয়নি।

তরঙ্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাত্কারে কাউন্সিলর প্রার্থী এস.এম হাসেম বলেন, আমি এলাকাবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচন করবো্ জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যাবো।আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এস.এম হাসেম ৩২নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ের সহযাত্রী ও সব ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। যদি মনে করেন আপনাদের চাওয়া পাওয়ার কথা উচ্চারিত হোক কোন বলিষ্ঠ কন্ঠে তবে আমার বলতে দিন।আপনাদের জন্য আমাকে কিছু করার সুযোগ দিন।আমি আপনাদের ভিড় থেকেই উঠে আসা আপনাদেরই একজন। আপনারা ভালো থাকলে ৩২নং ওয়ার্ডবাসী ভালো থাকবে,আমাদের রাজধানী ঢাকা ভালো থাকবে এবং ভালো থাকবে আমাদের সোনার বাংলাদেশ। তাই সকল দিক বিবেচনা করে আমাকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এর ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে একটি ভোট দিন।

ডিএনসিসিনির্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এস.এম হাসেম

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম:০৪/১০/২০১৯ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া আমিরাবাদ হোটেল ও আই সি হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এমএ তাহের (তারেক) জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লোহাগাড়া শাখা সাংবাদিক মুহাম্মদ ঈসা পবিত্র কোরআন তেলােওয়াতের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠান শুরু করে। সঞ্চালনা ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি , জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক , দৈনিক ওলামা কন্ঠ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট মুহাম্মদ মিয়া ফারুক, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, আরো উপস্থিত ছিলেন তুষার আহামেদ কাইছার শিহাব উদ্দিন শিহাব চ্যানেল কর্ণফুলি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বান্দরবান পার্বত্য জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম, জেলা কৃষক লীগ নেতা নূরুল ইসলাম ভান্ডারী, ইসমাইল হোসেন সোহাগ সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লামা উপজেলা শাখা,জিয়া হোসেন, বাবুল চৌধুরী, মোঃ কাউছার আলম, মুহাম্মদ ঈসা দপ্তর সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা , আব্বাছ উদ্দিন দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য , রফিকুর রহমান দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, মুহাম্মদ ফাহিম রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক মুক্তালোক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, আরো উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, রমজান আলী, মুহাম্মদ এমরান সহ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, উক্ত এ বৈঠকে সংগঠনের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার জন্যে স্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ও সাংবাদিকদের কল্যাণে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ধরে পরিকল্পিত যোগসাজশে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) জাফিকুর রহমান অমি (১৫) ও তার মা মোছাঃ আছমা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা অর্থবান ও ক্ষমতাধর হওয়াই আহতরা যেন থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করতে যায় এ জন্য প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে বিষয়টি আহত পরীক্ষার্থী অমি”র চাচা মোঃ আব্দুল হাই মিলন জানতে পেরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে হামলাকারী ৬ জনের বিরুদ্ধে (৫-ফেব্রুয়ারি) ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হামলাকারী আসামীরা হলেন,উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামের মৃতঃ- মোত্তালেব সরদারের ছেলে (১) মেহেদি হাসান,(২) মোস্তাক হোসেন নাহাজ,(৩) মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জগলুল,(৪) আসামী মেহেদির স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা আক্তার নূপুর,(৫) আসামী মোস্তাকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার ও একই গ্রামের মোঃ মাফতুম হোসেনের স্ত্রী (৬) পাখি বেগম। উক্ত মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, (গত ৩ এ-ফেব্রুয়ারি) সোমবার শুরু হয় এসএসসি-সমমান-২০ পরীক্ষা প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে ওই দিন সন্ধায় অমি তার নিজ ঘরে পড়ছিল হঠাৎই সে শুনতে পারে বাহিরে বেজোড়ে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা পূর্ব শত্রুতার জেড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়ির সামনের একটি মুরগির ঘর উল্লেখিত আসামীরা ভাঙচুর করছে এমনি অবস্থায় অমি”র মা তাদের বাঁধা দিতে গেলে আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দ্বারা মাথায় আঘাত করছে পাশাপাশি পড়নের কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করার দৃশ্য দেখে অমি ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে তার মা কে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় লোহার রড দ্বারা আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার মা ছেলেকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী মোঃ মনতাছির মামুন সনি,মোছাঃ শাহানা আক্তার ও লাইজু বেগম সহ আরও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়,ততক্ষণিক ওই স্থানীয়রা অমি ও তার মা কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভ্যানযোগে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী”র চাচা আব্দুল হাই মিলন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দিলে মামলাটি আমলে নিয়ে,আমার থানা পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এতে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

ক্ষেতলালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তার মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম”৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

স্টাফ রিপোর্টার : বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীদের চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ৷ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘােষণা করা হয়।

বিভিন্ন ইউনিয়নে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন, ১ নং গৌরম্ভা ইউনিয়নে মোঃ রাজীব সরদার, ২ নং উজলকুড় ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুন্সী বোরহান উদ্দিন জেড, ৩ নং বাইনতলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ ফকির, ৪ নং রামপাল সদরে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন হাওলাদার, ৫নং রাজনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি সরদার আঃ হান্নান ডাবলু, ৬নং হুড়কা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সভাপতি তপন গোলদার, ৭ নং পেড়িখালী ইউনিয়নে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবুল, ৮ নং ভোজপাতিয়া ইউনিয়নে তরফদার মাহফুজুল হক , ৯ নং মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে তালুকদার ছাবির আহাম্মদ , ১০ নং বাঁশতলী ইউনিয়নে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (ভিপি সোহেল)৷

শনিবার দলের সংসদীয় এবং স্থানীয় সরকার
জনপ্রতিনিধি মনােনয়ন বাের্ডের যৌথসভায় এসব প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং সংসদীয় স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনােনয়ন বাের্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রামপালে ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হলেন যারা

themesbazartvsite-01713478536
error: Content is protected !!