দিনাজপুরে এক’শ পরিবারকে পবিত্র কুরআন উপহার

দিনাজপুরে এক’শ পরিবারকে পবিত্র কুরআন উপহার

মোঃ ফরহাদ রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: পবিত্র মাহে রমজানে
দিনাজপুর শহরের এক’শ পরিবারকে পবিত্র কুরআন শরীফ উপহার দিলো
সমাজসেবামুলক সংগঠন আফটার লাইফ ফাউন্ডেশন।
২ মে রবিবার শহরের বালুবাড়ি পাঠশালা স্কুল মিলনায়তনে ১’শ পরিবারের
সদস্যদের প্রত্যেককে একটি করে পবিত্র কুরআন শরীফ তুলে দেন
সমাজসেবামুলক সংগঠন আফটার লাইফ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও
দিনাজপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেহাতুল ইসলাম খোকা।
বিতরণ অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের সভাপতি তাজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে
উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মতিবুর রহমান
বিপ্লব, প্রভাষক মাসুদুর রহমান পলাশ, অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম সাগর ও মিলনসহ
ফাউন্ডেশনের অন্যান্য সদস্যরা।
প্রসঙ্গত, গত বছরের মাঝামাঝিতে আত্মপ্রকাশ করা সমাজসেবামুলক
সংগঠনটি তাদের কর্মকান্ডে ইতোমধ্যে দিনাজপুরে ব্যাপক আলোচিত
হয়েছে। আফটার লাইফ ফাউন্ডেশন বর্তমানে অসহায়দের পাশে দাড়ানো,
মাহে রমজানের প্রত্যেকদিন ইফতার বিতরণ, প্রতি শুক্রবার রেলওয়ে স্টেশনে
ছিন্নমুলসহ অনাহারদের মাঝে খাবার বিতরণসহ বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাপনায়
টিউবওয়েল স্থাপনসহ বিভিন্ন কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন

চ্যানেল টুয়েন্টিসিক্স ডেস্ক : নামাজ হল ইসলাম ধর্মের মৌলিক কর্মের একটি। প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক। নামাজ হল মুনাজাত বা চুপিচুপি কথা বলা। মু`মিন বান্দা আল্লাহর সঙ্গে ভাববিনিময় করে এ নামাজের মাধ্যমে।

এটা প্রায় সব মুসলমানেরই জানা কথা, তারপরও আমরা অনেকেই নামাজ হতে বিমুখ থাকি। এমনকি নামাজের ওয়াক্ত চলে যায়, নামাজ কাজা হয়ে যায় তাতেও অনেকেরই বিন্দুমাত্র আফসোস নেই!! অথচ নামাজের মধ্যেই আল্লাহ তাআলা বান্দাদের জন্য রেখেছেন অগণিত কল্যাণ ও উপকারিতা এবং দান করেন অকল্পনীয় পুরস্কার।

আমরা অনেকেই জানিনা নামাজ স্বাস্থের জন্যও অনেক উপকারী। নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আমাদের শরীরের বেশকিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নাড়াচাড়া হয় যা এক প্রকার ব্যায়াম। এই ব্যায়াম স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।

ফজরের সময়:  ফজরের সময় নামাজ আদায় করলে সারা রাত ঘুমের পর হালকা অনুশীলন হয়ে যায়। এ সময় পাকস্থলী খালি থাকে তাই কঠিন অনুশীলন শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এ সময়ে নামাজ আদায় করলে নামাজির অবসাদগ্রস্ততা ও অচলতা থেকে মুক্তি পায়। মস্তিস্কে রক্ত চলাচল বেড়ে পুনরায় চিন্তা করার জন্য প্রস্তুত হয়। এ সময়ে দেহ পরিষ্কার, দাঁত পরিষ্কার, অঙ্গ ধোয়া ও পেশাব-পায়খানা থেকে পবিত্রতা অর্জন হয়ে যায়। এতে জীবাণুর আক্রমণ থেকে বাঁচা যায়। এ সময়ে যে নামাজিরা হেঁটে মসজিদে যায় তাদের আত্মা পরিচ্ছন্ন ও প্রশান্ত পরিবেশ থেকে যে সূক্ষ্ম তৃপ্তি লাভ করে – তা সবই উপকারী।

** স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, অন্ত্ররোগ ও আলসার থেকেও বাঁচা যায়।

** রোমের পাদরি হিলার বলেন, ভোরের নামাজের জন্য ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যাশ্চর্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। (প্রার্থনা গ্রন্থ)

জোহরের সময়:  মানুষ জীবিকার জন্য দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন কাজ করে। এতে ধুলা, ময়লা, বিষাক্ত কেমিকেল দেহে লেগে শরীরে জীবাণু আক্রমণ করে। সূর্য ঢলে পড়ার সময় গরমের কারণে বিষাক্ত গ্যাস বের হয়ে, মানবদেহে প্রভাব ফেললে বিভিন্ন রোগ হতে পারে। এ সময় ওযু করলে অনেক জীবাণু দূর হয় এবং ক্লান্তি দূর হয়ে দেহ পুনর্জীবন অনুভব করে। নামাজ আদায়ের ফলে এ গ্যাস শরীরে প্রভাব ফেলতে পারে না ফলে দেহ বিভিন্ন রোগ থেকে বেঁচে যায়। এ সময় আল্লাহ নামাজ ফরয করে মানুষের জন্য অনুগ্রহ করেছেন।

আসরের সময়:  পৃথিবী বৃত্তীয় ও লম্ব দুই ধরনের গতিতে চলে। যখন সূর্য ঢলতে থাকে তখন পৃথিবীর ঘূর্ণন কমতে থাকে। এমনকি আসরের সময় একেবারেই কমে যায়। এ সময় রাতের অনুভূতি প্রবল হতে থাকে ও প্রকৃতির মধ্যে স্থবিরতা এবং অবসাদগ্রস্ততা প্রদর্শিত হতে থাকে। আসরের নামাজের সময় অবচেতন অনুভূতির শুরু হয়। এ সময় নামাজ আদায় করলে অতিরিক্ত অবসাদগ্রস্ততা, অবচেতন অনুভূতি, মানসিক চাপ ও অস্থিরতা কমে যায়। সুর্যের  রশ্মি নামাজিকে প্রশান্তি দান করে।

মাগরিবের সময়:  সারাদিন মানুষ জীবিকার জন্য শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম করে কাটায়। মাগরিবের সময় ওযু করে নামাজ আদায়ের ফলে আত্মিক ও দৈহিক প্রশান্তি লাভ হয়। এ সময় নামাজ আদায়ে পরিবারের সকল সদস‌্যের অংশ গ্রহণ দেখে বাচ্চারাও নামাজের প্রতি আগ্রহী হয়।

এশার সময়:  মানুষ কাজ শেষে বাসায় ফিরে রাতে খাবার খায়। এ সময় খেয়ে শুয়ে পড়লে বিভিন্ন রোগ হতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, রাতে বিছানায় যাওয়ার আগে হাল্কা ব্যায়াম করে নিলে তা স্বাস্থের জন‌্য ভাল। এশার নামাজ ব্যায়ামের চেয়েও বেশি উপকারি এ নামাজ আদায়ে শান্তি পাওয়া যায়, খাদ্য হজম হয় এবং অস্থিরতা দূর করে।

তাহাজ্জুদের সময়:  এ সময় নামাজ আদায়ে অস্বস্তি, নিদ্রাহীনতা, হার্ট, স্নায়ুর সংকোচন ও বন্ধন সহ মাথার বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে কাজ করে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, যারা দূরের জিনিস ভালভাবে দেখতে পায়না তারা এ সময়ে নামাজ আদায় করলে সুফল পাবে। এছাড়াও এ সময়ে নামাজ আদায় করলে বুদ্ধি, আনন্দ এবং অসাধারণ শক্তির সৃষ্টি হয় যা নামাজিকে সারাদিন উৎফুল্ল রাখে।

চিকিৎসা বিজ্ঞান:-

০১। নামাজে যখন সিজদা করা হয় তখন আমাদের মস্তিস্কে রক্ত দ্রুত প্রবাহিত হয়। ফলে আমাদের স্মৃতি শক্তি অনেকবৃদ্ধি পায়। নামাজ মানুষের মস্তিস্কে বন্ধ দরজাগুলো খুলে দেয়।

০২। নামাজে যখন আমরা দাড়াই তখন আমাদের চোখ মুসল্লার সামনের ঠিক একটি কেন্দ্রে স্থির অবস্থানে থাকে ফলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।

০৩। নামাজের মাধ্যমের আমাদের শরীরের একটি ব্যায়াম সাধিত হয়। নামাজ মানুষের স্বাস্থ্যের হিফাজত করে, রোগব্যাধি দূর করে, এটি এমন একটি ব্যায়াম যা ছোট বড় সবাই করতে পারে।

০৪। নামাজের মাধ্যমে আমাদের অসাধারন পরিবর্তন এসে মন ও আত্মাকে আলোকিত করে এবং অন্তরকে শীতল ও শক্তিশালী করে।

০৫। নামাজ সকল মানুষের দেহের কাঠামো সঠিক রেখে প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সজীবতা দান করে ফলে মানুষের অলসতা ও শারীরিক বিকলঙ্গতা দূর হয়ে যায়।

০৬। নামাজ মানুষের ত্বক পরিষ্কার রাখে যেমন ওযুর সময় আমাদের দেহের মূল্যবান অংশগুলো পরিষ্কার করা হয় এর ফলে বিভিন্ন প্রকার জীবানু হতে আমরা সুরক্ষিত থাকি।

০৭। নামাজের জন্য ওযুর সময় মুখমন্ডল যেভাবে পরিস্কার করা হয় তাতে আমাদের মুখে এক প্রকার মেসেস তৈরি হয় ফলে আমাদের মুখের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং বলিরেখা কমে গিয়ে মুখের ত্বক স্বতেজ হয়ে চেহারার উজ্জলতা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে ফলে মুখের দাগ কম দেখা যায়।

০৮ কিশোর বয়সে নামাজ আদায় করলে মন পবিত্র থাকে এর ফলে নানা প্রকার অসামাজিক কাজ থেকে সে বিরত থাকে।

০৯ নামাজ আদায় করলে মানুষের জীবনি শক্তি বৃদ্ধি পায়।

১০ কেবল মাত্র নামাজের মাধ্যমেই চোখের নিয়মিত যত্ন নেওয়া হয়। ফলে অধিকাংশ নামাজ আদায় কারী মানুষের দৃষ্টি শক্তি বজায় থাকে।

নামাজ আদায়ের পুরস্কারসমূহ:-

** কুরআনুল কারিমের ঘোষণা অনুযায়ী নামাজি ব্যক্তিকে জান্নাতে এমন লোকদের সঙ্গে রাখা হবে কেয়ামতের দিন যাদের কোনো ভয়ভীতি এবং কোনো চিন্তা থাকবে না।

** আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নামাজি ব্যক্তিদের ভালোবাসেন।

** নামাজ মানুষের রুটি-রুজিতে বরকত দান করে।

** নামাজি ব্যক্তিকে আল্লাহ সুস্থতা দান করেন।

** নামাজ আল্লাহর ভয়াবহ আজাব থেকে হিফাজত করে।

** ফেরেশতাগণ নামাজি ব্যক্তির হিফাজতের দায়িত্বে থাকেন এবং মাগফিরাত কামনা করেন।

** নামাজি ব্যক্তির ঘরে আল্লাহ রহমত ও বরকত নাজিল হতে থাকে।

** নামাজ শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আশ্রয়দান করে।

** বিশেষ নূর দ্বারা নামাজির ব্যক্তির চেহারাকে আলোকিত করে দেন।

** নামাজি ব্যক্তির মধ্যে আল্লাহর দয়ার প্রকাশ পায় অর্থাৎ নামাজি ব্যক্তির অন্তর সর্বদা নরম থাকে।

** নামাজি ব্যক্তিকে জাহান্নামের ভয়াবহ আযাব থেকে নাজাত দেয়া হবে।

** নামাজি ব্যক্তির আখিরাতে সব মাঞ্জিল পার হবে দ্রুততার সঙ্গে এমনকি পুল সিরাতও।

** নামাজ আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের সর্বশ্রেষ্ঠ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

ইসলামের অনুসারী সব মুসলিমের ওপর নামাজ হলো ফরজ ইবাদত। আল্লাহতাআলা এই ফরজ ইবাদত পালনে মুসলিম উম্মাহকে তাওফিক দান করুন। সুতরাং যে ব্যক্তি যথাযথ নিয়মে নামাজ আদয় করবে, আল্লাহ তাআলা দুনিয়া এবং আখিরাতে তার জন্য রেখেছেন অসংখ্য নিয়ামত এবং অসংখ্য পুরস্কার।

নামাজের অতুলনীয় উপকারিতা ও পুরস্কার লাভের সৌভাগ্য লাভ করে সত্যিকারের মাওলার দিদারে আমাদের আত্ম নিয়োগ করার তাওফিক দান করুন।

— আমিন।

৫ ওয়াক্ত নামাজের উপকারিতা ও পুরস্কার

দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের পাঠান পাড়া এলাকার নিকটবর্তী হাজার বছ‌রের ঐ‌তিহা‌সিক প‌রিত্যক্ত মসজিদটিতে গত ১লা ডিসেম্বর মঙ্গলবার হি‌লি মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা শামছুল হুদা খানের ইমাম‌তি‌তে জোহর নামা‌যের মাধ্য‌মে নতুন করে মস‌জিদ‌টিতে আজান ও নামাজ চালু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ মসজিদটি প্রায় ৭০০ শ বছ‌র ধরে প‌রিত্যক্ত ছিল এবং মসজিদটির আশে পাশে এক সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বস‌তি গ‌ড়ে উঠলে মস‌জিদ‌টিও তাদের মা‌লিকানায় চলে আসলেও পরবর্তীতে আবারও মসজিদটি মুস‌লিম মা‌লিকানায় এসে প্রায় ৫০ বছর মসজিদটিতে আজান ও নামাজ হয়নি। আল্লাহু আকবার ধ্বনীতে হাজার বছ‌রের ঐ‌তিহা‌সিক এ মসজিদটি অত্র এলাকার স্থানীয় আ‌লেম এক‌লিমুর রেজা ও দায়ী মুফ‌তি যোবা‌য়েরের উদ্যোগে চালু হওয়ায় এলাকাবাসী”রা অনেক খুশী ও আনন্দের সহিত নামাজ আদায় করছেন।

৭ শত বছরের পরিত্যক্ত মসজিদে নতুন করে আজান ও নামাজ চালু নিরেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্টাফ রিপোর্টার : বিশ্বব্যাপী করোনাকালে প্রায় মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বর্তমান করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে আয়-রোজগার কম যার কারণে দিন মজুর এবং রাস্তার আশে-পাশে থাকে, কোন কিছু করে কোন রকম দুবেলা খাবার খায় এদের অবস্থা আরও ভয়ানক হয়ে পরে। তাই আজ সোমবার বিকেলে বগুড়া রেল স্টেশনে পরে থাকা কিছু অসহায় ও অসচ্ছল মানুষদের খাবার বিতরণ করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বগুড়া জেলা সভাপতি সাংবাদিক নয়ন রায়। তিনি তাঁর নিজ অর্থায়নে ও নিজ উদ্যোগে একবেলার খাবার তুলে দেন এসব অসহায় মানুষদের হাতে। তিনি বলেন, আমি সব সময় আমার নিজ সামর্থ্য মোতাবেক মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করি, এছারাও আমি প্রতিদিন ইফতারের আগ মুহূর্তে কিছু মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করি, ঈশ্বরের কৃপায় যেভাবে আছি সে ভাবেই মানুষের পাশে থাকবো। বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর বগুড়া জেলা সদস্য মোঃ কাউসার হোসেন।

বিশ্বব্যাপী করোনাকালে অসহায় অসচ্ছল মানুষদের খাবার বিতরণ করেন নয়ন রায়

রিপোর্ট করেছেন, নোয়াখালীর সেনবাগ থেকে শাহাদাত হোসাইন স্বপন। নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা ২ নং কেশারপাড় ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে ইফতার পার্টি এবং মতবিনিময় সভার আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন যুবলীগের সম্ভাব্য সভাপতি পদপ্রার্থী মামুন আজাদের উপস্থাপনায়, ইফতার পার্টি ও মতবিনিময় সভার কার্যক্রম শুরু হয়। উক্ত ইফতার পার্টি ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন, আওয়ামী পরিবারের দুঃসময়ের কান্ডারী বর্তমান আওয়ামীগের সঠিক পথের দিশারী আমিনুদ্দিন আমান। উপস্থিত ছিলেন, ২ নং কেশারপাড় ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন ভূঁইয়া। আরও উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী পরিবারের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতা সেলিম স্বপন,সেনবাগ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য শাহাদাত হোসেন স্বপন, অত্র ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোহাম্মদ হোসেন, যুবলীগ নেতা বাপ্পা খন্দকার, মিয়া সোহাগ, মাহবুব-মিলন সহ আওয়ামী যুবলীগের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত নেতৃবৃন্দ।প্রধান অতিথি আমিনুদ্দিন আমিন বলেন, জন্মসূত্রে আমরা আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত তারই ধারাবাহিকতায়, আন্দোলন-সংগ্রাম মাঠে ময়দানে কাজ করেছি এই আওয়ামী লীগ কে প্রতিষ্ঠীত করার লক্ষ্যে।কত প্রকার ঘাত-প্রতিঘাত সহ করতে হয়েছে তা একান্তই আমরা জানি। কিন্তু দুঃখের সহিত বলতে হচ্ছে যে আজ ১৫ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় অথচ এই ইউনিয়নে আওয়ামী পরিবারের পক্ষ থেকে এই রমাদানে একটি ইফতার পার্টির আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদেরও কোন নেতা খোঁজখবর নেয়নি বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। তাই আগামী রাজনৈতিক ভাবমূর্তি উজ্জল হবে যাকে দিয়ে অত্র ইউনিয়নের এবং দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাকে চয়েজ করবেন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে আমরা তার রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও নির্বাচন করার বিষয়ে বদ্ধপরিকর ইনশাআল্লাহ। সময় সংকীর্ণতার কারণে বক্তব্য থেকে সরে দাঁড়ান অত্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন ভূঁইয়া। যুবলীগ নেতা মোশাররফ আলম চিশতীর সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের ইফতার পার্টি ও মতবিনিময় সভার পরিসমাপ্তি ঘটে।

সেনবাগের কানকির হাট বাজারে আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে ইফতার পার্টি

অনলাইন ডেস্ক: মাদারীপুরের শিবচরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২২ শত পরিবারের মাঝে খাবার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম থেকে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

এ সময় পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবচর পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান বলেন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির পক্ষ চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমন রোধে শিবচর বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে চিফ হুইপ স্যারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

চিফ হুইপের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাবার বিতরণ


ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০১৯ (চ্যানেল ২৬) : ঝুঁকি কমাতে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বীমা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বীমা অংক বাংলাদেশি টাকায় ১৩৪ কোটি ২৮৮ লাখ টাকা। বীমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে বাংলাদেশি টাকায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

ইতিমধ্যে সাধারণ বীমা সরকারের গৃহীত মেগা প্রকল্প সমূহ যেমন- মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু টানেল ও মেট্টো রেল প্রকল্পগুলোর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে করা হচ্ছে এ বীমা পলিসিটি। এর ফলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বীমা সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে দেশের বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে দেশি বীমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি বীমা কোম্পানি গুলো বীমা করতে উৎসাহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন

নিউজ ডেক্স: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নর্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গণমানুষের নেতা জাতীয় পাটির ঢাকা মহানগর-উত্তরের প্রচার সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম হাসেম।

সরোজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে, তারা জানান এস.এম হাসেমকে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুন এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছ যেতে পারেন এবং তিনি ভূক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর আরো জানান, এলাকা আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, চাঁদাবাজী সন্ত্রাস-মাস্তানি বন্ধ এবং দূর্নীতির জঙ্গীবাদ-এর বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান, তাই এই ৩২নং ওয়ার্ডে এস.এম হাসেম জনপ্রিয়তার শীর্ষে বা বিকল্প কোন নেতা এখনও এই ৩২নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয়নি।

তরঙ্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাত্কারে কাউন্সিলর প্রার্থী এস.এম হাসেম বলেন, আমি এলাকাবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচন করবো্ জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যাবো।আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এস.এম হাসেম ৩২নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ের সহযাত্রী ও সব ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। যদি মনে করেন আপনাদের চাওয়া পাওয়ার কথা উচ্চারিত হোক কোন বলিষ্ঠ কন্ঠে তবে আমার বলতে দিন।আপনাদের জন্য আমাকে কিছু করার সুযোগ দিন।আমি আপনাদের ভিড় থেকেই উঠে আসা আপনাদেরই একজন। আপনারা ভালো থাকলে ৩২নং ওয়ার্ডবাসী ভালো থাকবে,আমাদের রাজধানী ঢাকা ভালো থাকবে এবং ভালো থাকবে আমাদের সোনার বাংলাদেশ। তাই সকল দিক বিবেচনা করে আমাকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এর ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে একটি ভোট দিন।

ডিএনসিসিনির্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এস.এম হাসেম

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ধরে পরিকল্পিত যোগসাজশে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) জাফিকুর রহমান অমি (১৫) ও তার মা মোছাঃ আছমা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা অর্থবান ও ক্ষমতাধর হওয়াই আহতরা যেন থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করতে যায় এ জন্য প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে বিষয়টি আহত পরীক্ষার্থী অমি”র চাচা মোঃ আব্দুল হাই মিলন জানতে পেরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে হামলাকারী ৬ জনের বিরুদ্ধে (৫-ফেব্রুয়ারি) ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হামলাকারী আসামীরা হলেন,উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামের মৃতঃ- মোত্তালেব সরদারের ছেলে (১) মেহেদি হাসান,(২) মোস্তাক হোসেন নাহাজ,(৩) মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জগলুল,(৪) আসামী মেহেদির স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা আক্তার নূপুর,(৫) আসামী মোস্তাকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার ও একই গ্রামের মোঃ মাফতুম হোসেনের স্ত্রী (৬) পাখি বেগম। উক্ত মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, (গত ৩ এ-ফেব্রুয়ারি) সোমবার শুরু হয় এসএসসি-সমমান-২০ পরীক্ষা প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে ওই দিন সন্ধায় অমি তার নিজ ঘরে পড়ছিল হঠাৎই সে শুনতে পারে বাহিরে বেজোড়ে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা পূর্ব শত্রুতার জেড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়ির সামনের একটি মুরগির ঘর উল্লেখিত আসামীরা ভাঙচুর করছে এমনি অবস্থায় অমি”র মা তাদের বাঁধা দিতে গেলে আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দ্বারা মাথায় আঘাত করছে পাশাপাশি পড়নের কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করার দৃশ্য দেখে অমি ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে তার মা কে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় লোহার রড দ্বারা আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার মা ছেলেকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী মোঃ মনতাছির মামুন সনি,মোছাঃ শাহানা আক্তার ও লাইজু বেগম সহ আরও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়,ততক্ষণিক ওই স্থানীয়রা অমি ও তার মা কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভ্যানযোগে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী”র চাচা আব্দুল হাই মিলন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দিলে মামলাটি আমলে নিয়ে,আমার থানা পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এতে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

ক্ষেতলালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তার মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম”৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম:০৪/১০/২০১৯ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া আমিরাবাদ হোটেল ও আই সি হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এমএ তাহের (তারেক) জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লোহাগাড়া শাখা সাংবাদিক মুহাম্মদ ঈসা পবিত্র কোরআন তেলােওয়াতের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠান শুরু করে। সঞ্চালনা ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি , জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক , দৈনিক ওলামা কন্ঠ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট মুহাম্মদ মিয়া ফারুক, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, আরো উপস্থিত ছিলেন তুষার আহামেদ কাইছার শিহাব উদ্দিন শিহাব চ্যানেল কর্ণফুলি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বান্দরবান পার্বত্য জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম, জেলা কৃষক লীগ নেতা নূরুল ইসলাম ভান্ডারী, ইসমাইল হোসেন সোহাগ সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লামা উপজেলা শাখা,জিয়া হোসেন, বাবুল চৌধুরী, মোঃ কাউছার আলম, মুহাম্মদ ঈসা দপ্তর সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা , আব্বাছ উদ্দিন দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য , রফিকুর রহমান দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, মুহাম্মদ ফাহিম রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক মুক্তালোক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, আরো উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, রমজান আলী, মুহাম্মদ এমরান সহ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, উক্ত এ বৈঠকে সংগঠনের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার জন্যে স্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ও সাংবাদিকদের কল্যাণে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

themesbazartvsite-01713478536
error: Content is protected !!