বাজারে এলো স্যামসাংয়ের নতুন গ্যালাক্সি এ সিরিজ

বাজারে এলো স্যামসাংয়ের নতুন গ্যালাক্সি এ সিরিজ

[ঢাকা, এপ্রিল ৩, ২০২১] স্যামসাং বাংলাদেশ সম্প্রতি তাদের গ্যালাক্সি ‘এ সিরিজ’-এর গ্যালাক্সি এ৩২,
গ্যালাক্সি এ৫২ এবং গ্যালাক্সি এ৭২ -এই হ্যান্ডসেটগুলো দেশের বাজারে নিয়ে এসেছে। সম্প্রতি একটি
ভার্চুয়াল লঞ্চিং ইভেন্টের মাধ্যমে সেটগুলো বাজারে উন্মুক্ত করা হয়।
স্যামসাং বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হোয়ানসাং উ; হেড অফ মোবাইল মোহাম্মদ মূয়ীদুর রহমান;
প্রোডাক্ট ম্যানেজার, মোবাইল, সৈয়দ মো. বদরুল আরিফিন সহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য উচ্চপদস্থ
কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অতিথি হিসেবে যোগ দেন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর শাহতাজ
মুনিরা এবং সৌভিক আহমেদ।
দূর্দান্ত ক্যামেরা, নজরকাড়া ডিসপ্লে ও আরামদায়ক স্ক্রলিং, এবং পানি-নিরোধী ডিজাইন আর দীর্ঘস্থায়ী
ব্যাটারির মত অসংখ্য চমৎকার ফিচার সমৃদ্ধ গ্যালাক্সি এ সিরিজ সেটগুলো ব্যবহারকারীদের জন্য
নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয়। এছাড়াও স্যামসাংয়ের সুবিস্তৃত গ্যালাক্সি ইকোসিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত সকল
ডিভাইস, যেমনঃ গ্যালাক্সি বাডস প্রো, গ্যালাক্সি স্মার্ট ট্যাগ এবং গ্যালাক্সি ট্যাবও এই গ্যালাক্সি এ
সিরিজ সেটের মাধ্যমে সহজে ব্যবহার্য হয়ে উঠবে।
স্যামসাং তাদের গ্যালাক্সি এ সিরিজের সেটগুলোতে সংযুক্ত করেছে বেশ উন্নতমানের ক্যামেরা। এই সিরিজের
তিনটি সেটে ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন ৬৪ মেগাপিক্সেলের হাই-রেজ্যুলুশন প্রাইমারি ক্যামেরা, যার সাহায্যে
উপভোগ করা যাবে ঝকঝকে ছবি ও ভিডিও ধারণ করার সুবিধা। এর সিন অপ্টিমাইজারের মাধ্যমে এআই
প্রযুক্তির সাহায্যে ৩০টি ভিন্ন ক্যাটাগরি, যেমনঃ ফুড, ল্যান্ডস্কেপ, পেটস ইত্যাদির ছবি হয়ে উঠবে
প্রাণবন্ত।
প্রতিটি ডিভাইসের সাথেই থাকছে কোয়াড রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ। আল্ট্রা ওয়াইড ছবি তোলার জন্য
ব্যবহারকারীরা গ্যালাক্সি এ৩২’তে পাচ্ছে ৮ মেগাপিক্সেল ও এ৫২ এবং এ৭২তে পাচ্ছেন ১২ মেগাপিক্সেল
ক্যামেরা। ৫ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো লেন্সের মাধ্যমে যেকোনো ক্ষুদ্রকৃতি বস্তুর ছবি তোলা যাবে স্পষ্ট ও
নিখুঁত রূপে। গ্যালাক্সি এ৩২ এবং এ৫২ রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেল ডেপ্থ সেন্সর, অন্যদিকে গ্যালাক্সি এ৭২তে
যুক্ত করা হয়েছে ৮ মেগাপিক্সেল টেলিফটো লেন্স। এছাড়াও ছবি ও ভিডিওকে নিখুঁত ও প্রাণবন্ত করে তোলার
জন্য সেটোগুলোতে রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা।
আগের চাইতে আরো বেশি স্মুথ ও আরামদায়ক স্ক্রলিং নিশ্চিত করতে স্যামসাং তাদের গ্যালাক্সি এ সিরিজের
সেটে সংযুক্ত করেছে ৯০ হার্জের রিফ্রেশ রেট। আকর্ষণীয় ডিজাইন ও নজরকাড়া ডিসপ্লের সমন্বয়ে
গ্যালাক্সি এ সিরিজের সেটগুলো যেকোনো ব্যবহারকারীর হাতেই ফুটে উঠবে আধুনিক জীবনযাত্রার প্রতিফলক
রূপে।
গ্যালাক্সি এ৩২ এর রয়েছে ৬.৪ ইঞ্চি এফএইচডি ডিসপ্লে, গ্যালাক্সি এ৫২ এর রয়েছে ৬.৫ ইঞ্চি
এফএইচডি প্লাস অ্যামোলেড স্ক্রিন এবং গ্যালাক্সি এ৭২ এর স্ক্রিন ৬.৭ ইঞ্চি এফএইচডি প্লাস।
গ্যালাক্সি এ সিরিজে রয়েছে প্রয়োজনীয় সকল ফিচার। এই সিরিজটি আইপি৬৭ রেটিংযুক্ত পানি ও ধূলিকণা
রোধক এবং এতে রয়েছে স্যামসাং নক্স ও ওয়ান ইউআই ৩। দুর্দান্ত মানের গ্যালাক্সি এ৩২, গ্যালাক্সি এ৫২
এবং গ্যালাক্সি এ৭২-এ রয়েছে যথাক্রমে ৫,০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার, ৪,৫০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার এবং ৫,০০০
মিলি অ্যাম্পিয়ারের শক্তিশালী ব্যাটারি। ডিভাইসগুলোর শক্তিশালী সফটওয়্যার এবং ব্যাটারির সমন্বয়
গেমিংয়ে দিবে চমকপ্রদ অভিজ্ঞতা।
ডিভাইসগুলো অসাম হোয়াইট, অসাম ব্লু এবং অসাম ব্ল্যাক -এই তিনটি ভিন্ন রঙে পাওয়া যাবে। শুধুমাত্র
গ্যালাক্সি এ৩২ এই রঙগুলো ছাড়াও অসাম ভায়োলেট রঙে পাওয়া যাবে। গ্যালাক্সি এ৩২, গ্যালাক্সি এ৫২ এবং
গ্যালাক্সি এ৭২ এর বাজারদর যথাক্রমে ২৬,৯৯৯ টাকা, ৩৩,৯৯৯ টাকা এবং ৪৫,৯৯৯ টাকা।

Press Release
এ ব্যাপারে স্যামসাং বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোয়ানসাং উ বলেন, ‘স্যামসাং সর্বদা চেষ্টা করে
গ্রাহকদের চাহিদা এবং প্রয়োজন অনুসারে নতুন কিছু আনতে। স্যামসাংয়ের এই দর্শনের প্রতিফলন
গ্যালাক্সি এ৩২, গ্যালাক্সি এ৫২ এবং গ্যালাক্সি ৭২, যাতে রয়েছে অভিনব প্রযুক্তি, সেবা এবং ফিচার।
একইসাথে ডিভাইসগুলো বাজেট-বান্ধব। গ্রাহকদের লাইফস্টাইল বদলে দিতে এই ডিভাইসগুলো বাংলাদেশে
আনতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।’
স্যামসাংয়ের এই হ্যান্ডসেটগুলোর আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য দারাজ, পিকাবু, রবিশপ, সেলএক্সট্রা, এক্সেল
ইস্টোর এবং এফডিএল ইস্টোরে রয়েছে একাধিক ছাড়ে কেনার সুযোগ। গ্রাহকরা গ্যালাক্সি এ৩২-এ ১,৫০০
টাকা পর্যন্ত, গ্যালাক্সি এ৫২-এ ২,০০০ টাকা পর্যন্ত এবং গ্যালাক্সি এ৭২-এ ২,৫০০ টাকা পর্যন্ত
মূল্যছাড় উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া, সকল গ্রাহকরা পাবেন ১২ মাস পর্যন্ত সুদমুক্ত ইএমআই সুবিধা।
অফারগুলো চলতি বছরের ৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনলাইন ডেস্ক: মাদারীপুরের শিবচরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২২ শত পরিবারের মাঝে খাবার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম থেকে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

এ সময় পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবচর পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান বলেন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির পক্ষ চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমন রোধে শিবচর বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে চিফ হুইপ স্যারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

চিফ হুইপের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাবার বিতরণ


ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০১৯ (চ্যানেল ২৬) : ঝুঁকি কমাতে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বীমা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বীমা অংক বাংলাদেশি টাকায় ১৩৪ কোটি ২৮৮ লাখ টাকা। বীমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে বাংলাদেশি টাকায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

ইতিমধ্যে সাধারণ বীমা সরকারের গৃহীত মেগা প্রকল্প সমূহ যেমন- মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু টানেল ও মেট্টো রেল প্রকল্পগুলোর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে করা হচ্ছে এ বীমা পলিসিটি। এর ফলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বীমা সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে দেশের বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে দেশি বীমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি বীমা কোম্পানি গুলো বীমা করতে উৎসাহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন

নিউজ ডেক্স: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নর্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গণমানুষের নেতা জাতীয় পাটির ঢাকা মহানগর-উত্তরের প্রচার সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম হাসেম।

সরোজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে, তারা জানান এস.এম হাসেমকে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুন এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছ যেতে পারেন এবং তিনি ভূক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর আরো জানান, এলাকা আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, চাঁদাবাজী সন্ত্রাস-মাস্তানি বন্ধ এবং দূর্নীতির জঙ্গীবাদ-এর বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান, তাই এই ৩২নং ওয়ার্ডে এস.এম হাসেম জনপ্রিয়তার শীর্ষে বা বিকল্প কোন নেতা এখনও এই ৩২নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয়নি।

তরঙ্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাত্কারে কাউন্সিলর প্রার্থী এস.এম হাসেম বলেন, আমি এলাকাবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচন করবো্ জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যাবো।আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এস.এম হাসেম ৩২নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ের সহযাত্রী ও সব ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। যদি মনে করেন আপনাদের চাওয়া পাওয়ার কথা উচ্চারিত হোক কোন বলিষ্ঠ কন্ঠে তবে আমার বলতে দিন।আপনাদের জন্য আমাকে কিছু করার সুযোগ দিন।আমি আপনাদের ভিড় থেকেই উঠে আসা আপনাদেরই একজন। আপনারা ভালো থাকলে ৩২নং ওয়ার্ডবাসী ভালো থাকবে,আমাদের রাজধানী ঢাকা ভালো থাকবে এবং ভালো থাকবে আমাদের সোনার বাংলাদেশ। তাই সকল দিক বিবেচনা করে আমাকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এর ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে একটি ভোট দিন।

ডিএনসিসিনির্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এস.এম হাসেম

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ধরে পরিকল্পিত যোগসাজশে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) জাফিকুর রহমান অমি (১৫) ও তার মা মোছাঃ আছমা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা অর্থবান ও ক্ষমতাধর হওয়াই আহতরা যেন থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করতে যায় এ জন্য প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে বিষয়টি আহত পরীক্ষার্থী অমি”র চাচা মোঃ আব্দুল হাই মিলন জানতে পেরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে হামলাকারী ৬ জনের বিরুদ্ধে (৫-ফেব্রুয়ারি) ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হামলাকারী আসামীরা হলেন,উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামের মৃতঃ- মোত্তালেব সরদারের ছেলে (১) মেহেদি হাসান,(২) মোস্তাক হোসেন নাহাজ,(৩) মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জগলুল,(৪) আসামী মেহেদির স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা আক্তার নূপুর,(৫) আসামী মোস্তাকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার ও একই গ্রামের মোঃ মাফতুম হোসেনের স্ত্রী (৬) পাখি বেগম। উক্ত মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, (গত ৩ এ-ফেব্রুয়ারি) সোমবার শুরু হয় এসএসসি-সমমান-২০ পরীক্ষা প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে ওই দিন সন্ধায় অমি তার নিজ ঘরে পড়ছিল হঠাৎই সে শুনতে পারে বাহিরে বেজোড়ে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা পূর্ব শত্রুতার জেড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়ির সামনের একটি মুরগির ঘর উল্লেখিত আসামীরা ভাঙচুর করছে এমনি অবস্থায় অমি”র মা তাদের বাঁধা দিতে গেলে আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দ্বারা মাথায় আঘাত করছে পাশাপাশি পড়নের কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করার দৃশ্য দেখে অমি ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে তার মা কে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় লোহার রড দ্বারা আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার মা ছেলেকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী মোঃ মনতাছির মামুন সনি,মোছাঃ শাহানা আক্তার ও লাইজু বেগম সহ আরও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়,ততক্ষণিক ওই স্থানীয়রা অমি ও তার মা কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভ্যানযোগে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী”র চাচা আব্দুল হাই মিলন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দিলে মামলাটি আমলে নিয়ে,আমার থানা পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এতে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

ক্ষেতলালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তার মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম”৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম:০৪/১০/২০১৯ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া আমিরাবাদ হোটেল ও আই সি হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এমএ তাহের (তারেক) জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লোহাগাড়া শাখা সাংবাদিক মুহাম্মদ ঈসা পবিত্র কোরআন তেলােওয়াতের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠান শুরু করে। সঞ্চালনা ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি , জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক , দৈনিক ওলামা কন্ঠ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট মুহাম্মদ মিয়া ফারুক, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, আরো উপস্থিত ছিলেন তুষার আহামেদ কাইছার শিহাব উদ্দিন শিহাব চ্যানেল কর্ণফুলি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বান্দরবান পার্বত্য জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম, জেলা কৃষক লীগ নেতা নূরুল ইসলাম ভান্ডারী, ইসমাইল হোসেন সোহাগ সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লামা উপজেলা শাখা,জিয়া হোসেন, বাবুল চৌধুরী, মোঃ কাউছার আলম, মুহাম্মদ ঈসা দপ্তর সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা , আব্বাছ উদ্দিন দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য , রফিকুর রহমান দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, মুহাম্মদ ফাহিম রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক মুক্তালোক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, আরো উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, রমজান আলী, মুহাম্মদ এমরান সহ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, উক্ত এ বৈঠকে সংগঠনের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার জন্যে স্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ও সাংবাদিকদের কল্যাণে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

themesbazartvsite-01713478536
error: Content is protected !!