সৈয়দপুরে কামারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে নৌকা চায় মতি জোতদার

সৈয়দপুরে কামারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে নৌকা চায় মতি জোতদার

মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা \ নীলফামারীর সৈয়দপুর
উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন
প্রত্যাশা করছেন সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রইচ উদ্দিন
জোতদার মতি। নির্বাচন ও নেতা কেন্দ্রীক ত্রিধা বিভক্ত ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভাঙ্গণ
প্রতিরোধ এবং দলের জন্য শক্তিশালী দূর্গ হিসেবে কামারপুকুরকে গড়তেই তিনি
চেয়ারম্যান পদে নৌকা চান। তা না হলে এখানে বিগত নির্বাচনের মত আবারও
বিএনপি প্রার্থী চেয়ারম্যান হবেন। যা ঠেকানোর আর কোন উপায় থাকবেনা কারওই।
একান্ত সাক্ষাতকারে বাগডোকরা ইসলামী সমাজ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা
পরিচালক মতি জোতদার বলেন, ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। দীর্ঘ
১৪ বছর কামারপুকুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদে দায়িত্ব পালন
করেছি। আমার সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম সোনারের সাথে কোন কারণে মত পার্থক্য
বা মনোমালিন্য থাকলেও দলের স্বার্থে সবকিছুকে উপেক্ষা করে দলীয় ভাবগাম্ভির্য বজায়
রাখতে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করেছি। কোন দিন দলীয় কোন কোন্দল এ ইউনিয়নে হতে
দেয়নি। কিন্তু এখন এর উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। এখানে এখন দলের নয় নেতার নেতৃত্বে
পৃথক পৃথক বাহিনীর সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে বিগত নির্বাচনে রানিং চেয়ারম্যান
জিকো আহমেদ নৌকার প্রার্থী হলেও বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করেন
আনোয়ার হোসেন সরকার। তার সাথে ফয়েজ আহমেদও প্রার্থী হওয়ায় ত্রিধা বিভক্ত হয়ে
পড়ে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ। যার খেসারত দিতে হয় আওয়ামীলীগকেই। বিএনপি’র
প্রার্থী নতুন মুখ হয়েও বিজয়ী হয়।
তাদের মধ্যে এই বিরোধ এতটাই প্রকট আকার ধারণ করে যে ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে উভয়
নেতাকে সন্তুষ্ট রাখতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ দিতে হয়। নতুনদের জন্য নেতৃত্বের
পথ খুলে দিতে দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জিকো আহমেদকে
সভাপতি ও আনোয়ার হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করা হলেও তারা ২ বছর যাবত দলের
একটি সাধারণ সভাও করেনি। এমনকি তারা দু’জনে নিজস্ব সমর্থক বাহিনী তৈরী
করেছে। যারা একে অপরকে দেখতে পারেনা। এমতাবস্থায় তাদের কোন একজনকে
আওয়ামীলীগের মনোনয়ন দেয়া হলে অপরজন বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন। এতে বিভক্তি আরও
বেড়ে যাবে।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য দুই জনকেই নৌকা দেয়া হবে আত্মঘাতি। এতে
বিরোধী রাজনৈতিক প্রার্থীর জন্য পোয়াবারো হয়ে দাঁড়াবে। একারণে আবারও
আমাকেই দলের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের কথায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ
করতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে দলের কেন্দ্রীয় কমান্ড ও স্থানীয় উপজেলা নেতৃবৃন্দ আমার বিগত
রাজনৈতিক জীবনের সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে নৌকা প্রতীক প্রদান করেন
তাহলে বিরোধ নিষ্পত্তি পূর্বক চেয়ারম্যান পদটি পূণঃ উদ্ধার করা সম্ভব হবে। নতুবা
জিকো আহমেদ ও আনোয়ার হোসেন গ্র“পের বিরোধ মিটানো যাবেনা। আর এ
সুযোগে বর্তমান বিএনপি’র চেয়ারম্যানই আবার বিজয়ী হবে। এতে বিন্দুমাত্র
সন্দেহের অবকাশ নেই। কারণ দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা চরম বিপাকে পড়বে
ভোট দেয়া নিয়ে। তারা দলীয় প্রার্থী হিসেবে কাকে ভোট দিবেন তা নিয়ে
দ্বিধান্বিত হয়ে যাবেন এবং আমরাও কাকে ছেড়ে কার পক্ষে কাজ করবো তা নিয়ে
বিড়ম্বনায় পড়বো। যদিও আওয়ামীলীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীর পক্ষেই কাজ করতে হবে।
তবুও তা নিয়ে দ্ব›েদ্বর সৃষ্টি হবে। যা সামাল দিয়ে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করা কঠিন
হয়ে পড়বে।
একারণে ভোটের আগেই দ্ব›েদ্ব জড়ানো থেকে বিরত থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
তাই এ দ্ব›দ্ব নিরসনে প্রার্থী মনোনয়নে দলের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দের প্রতি

সুচিন্তিত মতামত প্রদানের জন্য আহŸান জানাই। আমাকে মনোনয়ন দেয়া হলে
বিরোধপূর্ণ উভয়পক্ষকে নিয়ে সম্মিলিত উদ্যোগে কাজ করার মাধ্যমে বিজয় ছিনিয়ে
আনা সময়ের ব্যাপার মাত্র। কারণ আমার প্রতি ইউনিয়নের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও
সাধারণ জনগণের যে আস্থা আছে তা নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে। তাছাড়া বিগত
দিনে ক্ষমতায় না থেকেও ইউনিয়নবাসীর পাশে থেকে যেভাবে তাদের সহযোগিতা করেছি
তা মূল্যায়ন করবে বলেই আমার বিশ্বাস। আর সে বিশ্বাসের ভিত্তিতেই দলের স্বার্থে
আমাকে নৌকা দেয়া হলে তার যথাযথ সম্মান রক্ষা করতে পারবো বলেই আমি মনোনয়ন
প্রত্যাশা করছি।

শেয়ার করুন

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার 2 নং কেশারপাড় ইউনিয়ন কানকিরহাট বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গণ নাটক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। “টিকা দেবো সুস্থ থাকব” নাটকে জনসাধারণকে সচেতন মূলক শিক্ষনীয় বিষয়বস্তু বোঝানোর তাগিদে ভূমিকা রাখেন নাটকের চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেতা এবং অভিনেত্রী রা। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকা দেবো সুস্থ থাকব আয়োজনে ছিলেন: সেনবাগ, উপজেলা প্রশাসন। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন: বেলাল ভূঁইয়া চেয়ারম্যান ২নং কেশারপাড় ইউনিয়ন। উপস্থাপনায় ছিলেন: ব্রাক সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচি সেনবাগ, নোয়াখালী উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সেনবাগ উপজেলা এসিল্যান্ড খেমালিকা চাকমা, কেশারপাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলাল ভূঁইয়া, কেশারপাড় ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হক, সেনবাগ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক আলমগীর হোসেন, সেনবাগ থানা এসআই কাওছার আহমেদ, কানকিরহাট বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল ভৌমিক, আওয়ামী যুবলীগের মো: হোসেন, শাহাদাত হোসাইন স্বপন, বাপ্পা খন্দকার, মামুন আজাদ, মোশারফ চিশতী, মিয়া সোহাগ, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি স্বপন ভূঁইয়াসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্র লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

রোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গণ নাটক প্রদর্শনী নাটকের নাম: টিকা দেবো সুস্থ থাকব

মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী): নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও পৌর বিএনপির আহবায়ক শেখ বাবলুকে সাদা পোষাকে পুলিশ পরিচয়ে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করছে স্থানীয় বিএনপি। শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলণে এ অভিযোগ করা হয়।
এতে বক্তব্য বলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার, বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড. এস এম ওবায়দুর রহমান ও মেয়র প্রার্থী বিএনপি নেতা আলহাজ্ব রশিদুল হক সরকার।
বক্তারা বলেন, ভোর রাতে শহরের নয়াটোলা শ্বশুড়বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে বিএনপি ওই নেতাকে । কিন্তু তার নামে স্থানীয় থানায় বা আদালতে কোন মামলা নেই। আসন্ন ২৮ তারিখের নির্বাচনের সুষ্ঠ পরিবেশকে নষ্ট ও ভোটারদের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যেই প্রশাসনকে ব্যবহার করছে আওয়ামী লীগ নেতারা। শহরের নৌকা মার্কার পথসভায় স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের বক্তব্যেই তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
বক্তারা আরো বলেন, আমরা নির্বাচনের শুর“ থেকে আচরণবিধি মেনে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছি। কিন্তু নৌকা মার্কার প্রচার-প্রচারণা মানা হচ্ছে না কোন আচরন বিধি। মধ্যরাত পর্যন্ত ৮-১০টি মাইক এক সাথে ব্যবহার করে পথসভা করছে। পথসভা থেকে বিভিন্ন ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বহিরাগতদের নিয়ে প্রতিদিন শতাধিক মোটরসাইকেল ও ৮-১০টি পিক-আপে পাড়া-মহল­ায় শোডাউন করছে।
এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করলেও কোন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসনাত খানের জানান, শহরের গোলাহাটে নির্বাচন প্রচারে আ’লীগ-জাপার মধ্যে সংঘষের্র মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে। 

সৈয়দপুরে রাতের আঁধারে বিএনপি নেতা আটকের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা: নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার নির্বাচনে সকাল থেকেই পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়ে কেন্দ্র দখল ও ইভিএমে কারচুপির অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক। সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের ক্যান্টনমেন্ট রোডস্থ লাঙ্গল প্রতিকের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন।

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রতিটি কেন্দ্রেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা লাঙ্গলের পোলিং এজেন্টদের জোর করে বের করে দিয়ে কেন্দ্র দখলে নিয়েছে। প্রতিবাদ করায় এজেন্টদের মারপিটও করা হয়েছে। এমনকি নারীদের গায়েও হাত দেয়া হয়েছে এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকিও দেয়া হয়েছে। আমাদের কোনো কর্মী সমর্থক ভোটারদের কেন্দ্রে ঢুকতে দিচ্ছে না। সাধারণ ভোটাররা বুথে প্রবেশ করলে তাদেরকে ভোট দিতে বাধা দিয়ে নৌকার লোকজন নিজেদের প্রতীকে ভোট দিয়ে দিচ্ছে। এর প্রতিবাদ করলেও ভোটারদের হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে।

তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, আমার বৃদ্ধা মাও কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেননি। তাকেও আওয়ামী লীগ বের করে দিয়েছে। আমার স্ত্রীও কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে হেনস্তার শিকার হন এবং তাকেও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে নৌকার কর্মকর্তারা। এভাবে প্রায় প্রতিটি ভোট কেন্দ্র থেকেই জাতীয় পার্টির লোকজনকে বের করে দিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমত নৌকায় ভোট দেয়া হচ্ছে।

এমনকি অনেকের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি যে, ইভিএমে শুধুমাত্র নৌকা প্রতীক রয়েছে। সেখানে অন্য কোনো মার্কা নেই। তাই বাধ্য ভোটাররা নৌকায়ই ভোট দিচ্ছেন বা না দিয়েই ফিরে আসছেন। আর সে সুযোগে ওই ভোটটা আওয়ামী লীগের লোকজন নৌকায় দিচ্ছে।

সিদ্দিকুল আলম বলেন, এমতাবস্থায় ভোট করার মতো কোনো পরিবেশ বিদ্যমান নেই। জাতীয় পার্টি সরকারেরই অংশ। তাই আমরা সরকারকে সহযোগিতা করতেই নির্বাচনে এসেছি। কিন্তু আমাদেরকেও সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদানে বাধা দেয়া হচ্ছে। এটা কোনোভাবে মেনে নেয়া যায় না। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং চলতি ভোট স্থগিত করে পুনরায় নির্বাচন দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে এই মুহূর্তেই আমরা নির্বাচন কমিশনারকে ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত জানাচ্ছি।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, সিদ্দিকুল আলমের স্ত্রী ইয়াসমিন আলম, জাপার কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল দিদার দিপু, সৈয়দপুর জাপা নেতা ডা: সুরত আলী, সৈয়দপুর সরকারি হিন্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পোলিং এজেন্ট সুমনা আলম, শহীদ জিয়া শিশু নিকেতন কেন্দ্রের পোলিং এজেন্ট ইতি।

ইয়াসমিন আলম বলেন, সরকারের অংশ হওয়ার পরও আওয়ামী লীগ যদি জাতীয় পার্টির সাথে এমন আচরণ করে, এভাবে শুধু নৌকাতেই ভোট নিবে তাহলে কি দরকার ছিল নির্বাচন দেয়ার। অটোভাবেই নৌকাকে পৌর পরিষদে বসিয়ে দিলেই তো হতো। তাহলে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার শিকার হতে হতো না সৈয়দপুরবাসীকে। এভাবে জনগণের টাকার খেয়ানত না করে প্রহসনের নির্বাচনের কোনো প্রয়োজন ছিল না। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করে ভোট স্থগিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।

সৈয়দপুরে কেন্দ্র দখল ও ইভিএমে কারচুপির অভিযোগে জাপা প্রার্থীর ভোট বর্জন

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা: সৈয়দপুর পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় একজন নিহত হয়েছে। এ সময় অন্তত পক্ষে আরো দু’জন আহত হয়েছেন।

নিহত ব্যক্তির নাম ছোটন অধিকারী (৫১)। তিনি শহরের মুন্সিপাড়া এলাকার মৃত নিতাই অধিকারীর ছেলে। নিহত ছোটন কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম রয়েলের সমর্থক ছিলেন।

হাসপাতালে ভর্তি আহত আজম আলী সরকার জানান, ‘সৈয়দপুর মহিলা কলেজের সামনে আমার পরিচিত ছোটন অধিকারীকে কাউন্সিলর প্রার্থী আক্তার হোসেন ফেকুর সমর্থকরা মারধর করছিল। এ সময় আমি প্রতিবাদ করায় তারা আমার ওপর চড়াও হয়। আমাকে মারধর করলে আমি মাটিতে পড়ে যাই। এ সময় এলাকাবাসী আমিসহ তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে জানতে পারি ছোটন অধিকারী মারা গেছে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ চলছিল। সকাল ১১টার দিকে পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের দুই কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম রয়েল ও আখতার হোসেন ফেকুর সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতি থেকে তা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়। বর্তমানে ভোটগ্রহণ চললেও এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে সৈয়দপুর পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সামান্য ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। বড় কোনো ঘটনা নয়। তবে একজন নিরিহ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এটা খুবই মর্মান্তিক।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা: ওমিদুল হাসান জানান, দুপুর ১টার দিকে ছোটন অধিকারীকে তার স্ত্রী ও লোকজন হাসপাতালে নিয়ে আসে। আমরা তাকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। আহত দু’জনকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) আবুল হাসনাত খান জানান, ‘আমি খবর পেয়েছি। একজনকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়েছিল, তিনি মারা গেছেন। আমাদের কোনো কেন্দ্রে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা হয়নি। তার মৃত্যুর কারণ জানতে চেষ্টা করছি।’

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

সৈয়দপুর পৌর নির্বাচন : দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, নিহত ১

মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতাঃ
সৈয়দপুরের প্রকৃত উন্নয়ন চাইলে মেয়র পদে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশব্যাপী যে উন্নয়নের জোয়ার চলছে তা থেকে সৈয়দপুর বাদ নেই। কিন্তু একটি পৌরসভায় উন্নয়ন করতে হলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমেই করতে হয়। সেটা করতে হলে নৌকা মার্কার প্রার্থীকে মেয়র হিসেবে নির্বাচিত করতে হবে। উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি শুক্রবার (২৬ ফেব্রæয়ারী) দুপুর সাড়ে ১২ টায় শহরের অফিসার্স ক্লাব প্রাঙ্গনে নৌকা মার্কার সমর্থনে উর্দূভাষী ক্যাম্পবাসীদের নিয়ে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির ভাষনে এসব কথা বলেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম কৃক, নীলফামারী জেলা সভাপতি ও পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আইনজীবি সভাপতি মমতাজুল হক, সৈয়দপুর উপজেলা সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোগখছেদুল মোমিন, উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সানজিদা বেগম লাকী, যুবলীগের আহবায়ক দিল নেওয়াজ খান, যুগ্ম আহŸায়ক আসাদুল ইসলাম আসাদ সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এসময় ক্যাম্পবাসীদের পক্ষ্যে বক্তব্য রাখেন, উর্দূভাষী নেতা আশরাফুল হক বাবু, বাঁশবাড়ী ক্যাম্পের সভাপতি আকবরই আজম ও খুলনা থেকে আগত শাহিন আলম।
জাহাঙ্গীর কবির নানক আরও বলেন, সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হচ্ছে। আর্মি ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষানগরী সৈয়দপুরের মান আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। সৈয়দপুর কারিগরী মহাবিদ্যালয়কে বিজ্ঞান কলেজে রুপান্তর করাসহ পৃথক একটি টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ইতোপূর্বে শেখ হাসিনাই উত্তরা ইপিজেড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মঙ্গাপীড়িত নীলফামারীকে আমুল বদলে দিয়েছে। একইভাবে অর্থনৈতিক জোন তৈরীর মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান ও আর্থিক বিপ্লব ঘটনানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। রেলওয়ে কারখানাতে আরও একটি ওয়াগন সপ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উন্নয়নের মাত্রা ত্বরান্বিত করা হচ্ছে।
এই ধারাবাহিকতায় নীলফামারী ও সৈয়দপুরে আরও নানা ধরণের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। কিন্তু পৌর এলাকায় কোন কাজ করতে গেলে তা পৌর পরিষদের মাধ্যমেই করতে হবে। তাই এখানে মেয়র পদে আওয়ামীলীগের নেতা থাকলে তা অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে করা সম্ভব হবে। দীর্ঘ ৩০ বছর বিএনপি’র লোক মেয়র থাকায় উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে সৈয়দপুর। তা থেকে উত্তরণ ঘটাতে আপনারা যদি উদ্যোগী হন এবং নৌকা মার্কায় ভোট দেন তাহলে সার্বিক উনন্নয়নের চিত্র পাল্টে ফেলা হবে। তাই আমাদের নেতা মরহুম আখতার হোসেন বাদলের স্ত্রী রাফিকা জাহান আকতার বেবীকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আগামী প্রজন্মের জন্য সমৃদ্ধ সৈয়দপুর গড়তে সকলের প্রতি আহŸান জানাচ্ছি।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে সাবেক মন্ত্রী নানক বলেন, বিএনপি’র চরিত্রই হলো মিথ্যেচার করা। তাই সৈয়দপুর বিএনপি মিথ্যে অভিযোগে তাদের নেতাকে আটক ও নির্বাচনী কাজে বাধার দেওয়ার অভিযোগ এনেছে। মূলতঃ তারা পরাজয় নিশ্চিত হয়ে নিজেদের লজ্জা ঢাকাতে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে।
উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন বলেন, সৈয়দপুরের নির্বাচনী পরিবেশ অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রয়েছে। এতে ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করায় গোলাহাট এলাকার সংঘর্ষে জড়িত থাকায় পৌর বিএনপির আহŸায়ক শেখ বাবলুকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এতে আওয়ামীলীগের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।

সৈয়দপুরের প্রকৃত উনন্নয়ন চাইলে নৌকায় ভোট দেয়ার বিকল্প নেই- জাহাঙ্গীর কবির নানক

নিরেন দাস,জয়পুরহাটঃ- জয়পুরহাটের ১৪ এ ফেব্রুয়ারি আসন্ন আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন পর্যবেক্ষক এবং সাধারণ মানুষ এত সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এর আগে কোন দিন দেখেনি তবুও অর্থের বিনিময়ে ভোট কারচুপি করা হয়েছে বলে পরাজিত ১২ জন সাধারন কাউন্সিলর প্রার্থীরা পুনঃ নির্বাচনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করাই পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছে আক্কেলপুর নাগরিক কমিটি। বৃহস্পতিবার (১৮ ই ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টায় আক্কেলপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবনে আক্কেলপুর নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক, সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক বাবলুর উপস্থাপনায়, কমিটির যুগ্ম- আহবায়ক মো.সাইদুর রহমান কবিরাজ অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দাবী করে বলেন, অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর হঠাৎ করে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আওয়ামীলীগের ১২ জন পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী দলীয় কোন্দল এবং ব্যক্তিগত আক্রোশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর ‘অর্থের বিনিময়ে নির্বাচন কর্মকর্তাদের যোগসাজসে তার মনপুত্ত প্রার্থীদেরকে বিজয়ী করিয়েছেন’ বলে আক্কেলপুর প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে শুধুমাত্র কাউন্সিলর পদে পুনঃনির্বাচন দাবী করে এক সংবাদ সম্মেলন করেন এবং পরদিন সংবাদটি প্রতিটি প্রকাশিত হয় তাদের ওই অভিযোগ ও প্রকাশিত সংবাদটি আদেও সত্য নয়। অনুষ্ঠিত আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচন সম্পর্কে পরাজিত ১২ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীরা যে মিথ্যা অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে এবং যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে তা মিথ্যা ভিত্তিহীন। নির্বাচন পদ্ধতি,নির্বাচন কমিশন, ইভিএম মেশিন এবং সরকারের ভাবমূর্তি খর্ব করার অপপ্রয়াসের বিরুদ্ধে সংবাদটি প্রকাশিত হওয়াই বর্তমান আওয়ামী সরকারের পাশাপাশি আক্কেলপুর বাসীর মানক্ষুণ্ন হয়েছে আমরা আক্কেলপুর নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে ঘৃণা পোষন করে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি । উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, আক্কেলপুর নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক, আক্কেলপুর মজিবুর রহমান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোকছেদ আলী,উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রশিদ কবিরাজ মন্টু, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নবীবুর রহমান,বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম,পুরাতন বাজার বনিক সমিতির সাধারন সম্পাদক জহুরুল ইসলাম সহ সুশীল সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে দাবী আক্কেলপুর পৌর নির্বাচন সুষ্ঠ হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনলাইন ডেস্ক: মাদারীপুরের শিবচরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২২ শত পরিবারের মাঝে খাবার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম থেকে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

এ সময় পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবচর পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান বলেন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির পক্ষ চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমন রোধে শিবচর বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে চিফ হুইপ স্যারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

চিফ হুইপের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাবার বিতরণ

নিরেন দাস,জয়পুরহাটঃ- জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দিপুর ইউনিয়নের চকবিলা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান, প্রবীণ আওয়ামী নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মহুরম গোলাম রসুল চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র রুকিন্দিপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান,জেলা যুবলীগ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক,৮০ দশকের সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর ২০১১ সালে আক্কেপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি-জামায়াত কবলিত আক্কেলপুর উপজেলাকে আওয়ামীলীগের ঘটিতে পরিণত করেন। তিনি দলের একটি প্রধান দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আক্কেলপুরে আওয়ামী লীগ পরিবারকে বেগবান করার জন্য তিনি দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করতে শুরু করেন যার সুফলে সুসংগঠিত হয় একটি শক্তিশালী উন্নয়নমুখী আওয়ামীলীগ পরিবার। এদিকে দলের সাধারন সম্পাদক আবার অন্যদিকে রুকিন্দিপুর ইউপি চেয়ারম্যান তাই তিনি তিনবছর চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করে স্বেচ্ছায় চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে দিয়ে আক্কেলপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেন এবং এমন উদারতাকে দলীয় কিছু নেতারা গোপনে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিএনপির প্রার্থী পক্ষ নিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অল্প ভোট পরাজিত করাতে বাধ্য করান। এরপর তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে ২০১৫ সালে আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচন করেন যে নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন একই সাথে আক্কেলপুর পৌরসভায় ইতিহাস রচনা করেন যে ১৯৯৯ সাল স্থাপিত এ পৌরসভায় আওয়ামীলীগের কোন প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারেনি যা তিনিই সর্বপ্রথম আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে মেয়রের চেয়ারে বসে এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। তার এমন (গডগিফট) রাজনৈতিক প্রতিভা আর কঠোর পরিশ্রমে একটি সুসংগঠিত আওয়ামীলীগ পরিবার তৈরি করার পরেও এবং তার দলীয় ও নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমর্থন থাকার শর্তেও তিনি গত ১৪ এ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচনে স্বেচ্ছায় মেয়রের পদ ছেড়ে দিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শহীদুল আলম চৌধুরী তিনি সমর্থন দেন এবং তাকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মেয়র পদে বিপুল ভোটে জয়লাভ করিয়ে আর একটি ইতিহাস গড়েছেন। এদিকে পৌর নির্বাচনের আমেজ শেষ হতে না হতেই কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সিদ্ধান্তে আসছে ১১ এ মার্চ আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলনের ঘোষণা। ইতিমধ্যে সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করতে দিনরাত দেদারে পরিশ্রম করছেন দলের সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার সন্ধায় আক্কেলপুর সরকারি মুজিবর রহমান সরকারি কলেজ মাঠে সম্মেলন কে সফল করার লক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর উপজেলা,পৌর,ইউপি আওয়ামীলীগ সহ সকল সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দদের উপস্থিতিতে তার বক্তব্যে ঘোষনা দিয়ে বলেন মেয়র পদ থেকে যেমন স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছি ঠিক তেমনি ১১ এ মার্চ আসন্ন আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনেও স্বেচ্ছায় সাধারন সম্পাদক পদ ছেড়ে দিচ্ছি এমনকি উক্ত সম্মেলনে আমি কোন প্রার্থীও হবোনা বলেও জানান। তার এমন স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দেওয়ার ঘোষনার পর থেকেই উপজেলা আওয়ামীলীগ পরিবারের তৃনমূল বঞ্চিত নেতাকর্মীরা চরম হতাশ হয়ে পড়েছেন।আবার অনেকেই ভাবছেন তিনি চলে গেলে এমন শক্তিশালী আওয়ামীলীগ আর কোন নেতা কি তৈরি করতে পারবে। এই অবসর চৌধুরী কে নিয়ে ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোচনা ঝড় বইছে আক্কেলপুর পৌর সদর সহ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন গুলোতে কেউ হারাতে চাচ্ছেনা এমন একজন পরিশ্রমী অভিভাবক কে। এমনকি তিনি যেন আক্কেলপুরের রাজনীতি থেকে শড়ে না জান এমন বিষয়টি নিয়েও অসংখ্য নেতাকর্মীরা তাদের ফেইসবুক আইডি থেকে জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ,কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক ও জয়পুরহাট-২ আসনের সাংসদ আক্কেলপুর, কালাই ক্ষেতলাল উপজেলা বাসীর অভিভাবক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন-এমপি”র সুদৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখছেন যে গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর যেন আক্কেলপুরের রাজনীতি থেকে না যেতে না পারেন আপনি অভিভাবক আপনি তাকে যা বলবেন তিনি তাই শুনবেন। গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসরের পক্ষে নেতাকর্মীদের সর্মথক ও দলীয় ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা শর্তেও তিনি কেন-? স্বেচ্ছায় সকল পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন এমন বিষয়টি নিয়ে তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে,আমার প্রাণপ্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতি করি,তাই আমি বিশ্বাস করি একজন ব্যক্তি একই জায়গায় বসে নেতৃত্ব দেয়া ঠিক হবে না। কেননা দলের অসংখ্য ত্যাগী প্রতিভাবান নেতৃত্বদানকারীরা রয়েছেন তাদেরও সুযোগ দেয়া উচিৎ বলেই আমার প্রতি নেতাকর্মী সহ দলীয় ব্যাপক সর্মথক থাকা শর্তেও স্বেচ্ছায় আমি সকল পদ ছেড়ে দিচ্ছি। তিনি আরো বলেন যে আমার এ ঘটনা হয়তো বাংলাদেশে একটি ইতিহাস হবে যে তিনি চেয়ারের লোভ না করে দলের অন্যদের দায়িত্ব দিতে স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দিয়েছেন। আপনি কি-? শুধু পদই ছেড়ে দিচ্ছেন নাকি আক্কেলপুর তথা আওয়ামী রাজনীতিই ছেড়ে দিচ্ছেন এমন জবাবে তিনি বলেন, কখনওই না আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন আমি তারই সন্তান আমার জীবন যতদিন থাকবে আওয়ামীলীগের রাজনীতি থেকে কেউ আমাকে সরাতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। এমনকি অনেকেই মনে করছেন আমি স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দিচ্ছি বলে হয়তো আক্কেলপুর থাকবো না এমন ধারণা টি তাদের ভুল কেননা আমি আক্কেলপুরের সন্তান আমার মৃত্যুর পর দাফনো হবে এই পবিত্র আক্কেলপুরের মাটিতে। তাই আপনাদের মাধ্যমে সকলকে জানাতে আমি বিগত দিনে আক্কেলপুর বাসীর সুখেদুঃখে যেমন পাশে ছিলাম, ঠিক তেমনি আগামীতেও সকলের সুখেদুঃখে পাশে থাকবো। আর এতে আমি প্রমাণ করে দেখাবো যে শুধু চেয়ারে বসেই জনগণের সেবা করা যায় তা তা ভুল, চেয়ার ছাড়াও যে জনগণের সেবা করা যায় তা আমি করে দেখাবো বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

Niren sent Today at 2:06 AM


স্বেচ্ছায় মেয়র ও দলীয় পদ ছেড়ে দেয়াই পরিশ্রমী নেতা অবসর চৌধুরীকে নিয়ে হতাশ আওয়ামী পরিবার


ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০১৯ (চ্যানেল ২৬) : ঝুঁকি কমাতে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বীমা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বীমা অংক বাংলাদেশি টাকায় ১৩৪ কোটি ২৮৮ লাখ টাকা। বীমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে বাংলাদেশি টাকায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

ইতিমধ্যে সাধারণ বীমা সরকারের গৃহীত মেগা প্রকল্প সমূহ যেমন- মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু টানেল ও মেট্টো রেল প্রকল্পগুলোর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে করা হচ্ছে এ বীমা পলিসিটি। এর ফলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বীমা সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে দেশের বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে দেশি বীমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি বীমা কোম্পানি গুলো বীমা করতে উৎসাহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন

নিউজ ডেক্স: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নর্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গণমানুষের নেতা জাতীয় পাটির ঢাকা মহানগর-উত্তরের প্রচার সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম হাসেম।

সরোজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে, তারা জানান এস.এম হাসেমকে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুন এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছ যেতে পারেন এবং তিনি ভূক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর আরো জানান, এলাকা আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, চাঁদাবাজী সন্ত্রাস-মাস্তানি বন্ধ এবং দূর্নীতির জঙ্গীবাদ-এর বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান, তাই এই ৩২নং ওয়ার্ডে এস.এম হাসেম জনপ্রিয়তার শীর্ষে বা বিকল্প কোন নেতা এখনও এই ৩২নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয়নি।

তরঙ্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাত্কারে কাউন্সিলর প্রার্থী এস.এম হাসেম বলেন, আমি এলাকাবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচন করবো্ জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যাবো।আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এস.এম হাসেম ৩২নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ের সহযাত্রী ও সব ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। যদি মনে করেন আপনাদের চাওয়া পাওয়ার কথা উচ্চারিত হোক কোন বলিষ্ঠ কন্ঠে তবে আমার বলতে দিন।আপনাদের জন্য আমাকে কিছু করার সুযোগ দিন।আমি আপনাদের ভিড় থেকেই উঠে আসা আপনাদেরই একজন। আপনারা ভালো থাকলে ৩২নং ওয়ার্ডবাসী ভালো থাকবে,আমাদের রাজধানী ঢাকা ভালো থাকবে এবং ভালো থাকবে আমাদের সোনার বাংলাদেশ। তাই সকল দিক বিবেচনা করে আমাকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এর ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে একটি ভোট দিন।

ডিএনসিসিনির্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এস.এম হাসেম

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম:০৪/১০/২০১৯ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া আমিরাবাদ হোটেল ও আই সি হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এমএ তাহের (তারেক) জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লোহাগাড়া শাখা সাংবাদিক মুহাম্মদ ঈসা পবিত্র কোরআন তেলােওয়াতের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠান শুরু করে। সঞ্চালনা ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি , জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক , দৈনিক ওলামা কন্ঠ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট মুহাম্মদ মিয়া ফারুক, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, আরো উপস্থিত ছিলেন তুষার আহামেদ কাইছার শিহাব উদ্দিন শিহাব চ্যানেল কর্ণফুলি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বান্দরবান পার্বত্য জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম, জেলা কৃষক লীগ নেতা নূরুল ইসলাম ভান্ডারী, ইসমাইল হোসেন সোহাগ সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লামা উপজেলা শাখা,জিয়া হোসেন, বাবুল চৌধুরী, মোঃ কাউছার আলম, মুহাম্মদ ঈসা দপ্তর সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা , আব্বাছ উদ্দিন দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য , রফিকুর রহমান দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, মুহাম্মদ ফাহিম রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক মুক্তালোক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, আরো উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, রমজান আলী, মুহাম্মদ এমরান সহ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, উক্ত এ বৈঠকে সংগঠনের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার জন্যে স্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ও সাংবাদিকদের কল্যাণে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ধরে পরিকল্পিত যোগসাজশে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) জাফিকুর রহমান অমি (১৫) ও তার মা মোছাঃ আছমা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা অর্থবান ও ক্ষমতাধর হওয়াই আহতরা যেন থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করতে যায় এ জন্য প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে বিষয়টি আহত পরীক্ষার্থী অমি”র চাচা মোঃ আব্দুল হাই মিলন জানতে পেরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে হামলাকারী ৬ জনের বিরুদ্ধে (৫-ফেব্রুয়ারি) ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হামলাকারী আসামীরা হলেন,উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামের মৃতঃ- মোত্তালেব সরদারের ছেলে (১) মেহেদি হাসান,(২) মোস্তাক হোসেন নাহাজ,(৩) মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জগলুল,(৪) আসামী মেহেদির স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা আক্তার নূপুর,(৫) আসামী মোস্তাকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার ও একই গ্রামের মোঃ মাফতুম হোসেনের স্ত্রী (৬) পাখি বেগম। উক্ত মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, (গত ৩ এ-ফেব্রুয়ারি) সোমবার শুরু হয় এসএসসি-সমমান-২০ পরীক্ষা প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে ওই দিন সন্ধায় অমি তার নিজ ঘরে পড়ছিল হঠাৎই সে শুনতে পারে বাহিরে বেজোড়ে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা পূর্ব শত্রুতার জেড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়ির সামনের একটি মুরগির ঘর উল্লেখিত আসামীরা ভাঙচুর করছে এমনি অবস্থায় অমি”র মা তাদের বাঁধা দিতে গেলে আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দ্বারা মাথায় আঘাত করছে পাশাপাশি পড়নের কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করার দৃশ্য দেখে অমি ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে তার মা কে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় লোহার রড দ্বারা আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার মা ছেলেকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী মোঃ মনতাছির মামুন সনি,মোছাঃ শাহানা আক্তার ও লাইজু বেগম সহ আরও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়,ততক্ষণিক ওই স্থানীয়রা অমি ও তার মা কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভ্যানযোগে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী”র চাচা আব্দুল হাই মিলন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দিলে মামলাটি আমলে নিয়ে,আমার থানা পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এতে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

ক্ষেতলালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তার মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম”৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

স্টাফ রিপোর্টার : বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীদের চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ৷ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘােষণা করা হয়।

বিভিন্ন ইউনিয়নে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন, ১ নং গৌরম্ভা ইউনিয়নে মোঃ রাজীব সরদার, ২ নং উজলকুড় ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুন্সী বোরহান উদ্দিন জেড, ৩ নং বাইনতলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ ফকির, ৪ নং রামপাল সদরে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন হাওলাদার, ৫নং রাজনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি সরদার আঃ হান্নান ডাবলু, ৬নং হুড়কা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সভাপতি তপন গোলদার, ৭ নং পেড়িখালী ইউনিয়নে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবুল, ৮ নং ভোজপাতিয়া ইউনিয়নে তরফদার মাহফুজুল হক , ৯ নং মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে তালুকদার ছাবির আহাম্মদ , ১০ নং বাঁশতলী ইউনিয়নে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (ভিপি সোহেল)৷

শনিবার দলের সংসদীয় এবং স্থানীয় সরকার
জনপ্রতিনিধি মনােনয়ন বাের্ডের যৌথসভায় এসব প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং সংসদীয় স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনােনয়ন বাের্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রামপালে ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হলেন যারা

themesbazartvsite-01713478536
error: Content is protected !!