ব্রাহ্মণবাড়িয়া কাঞ্চনপুর নোয়াপাড়া শ্রী শ্রী পাগল শংকরের ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কাঞ্চনপুর নোয়াপাড়া শ্রী শ্রী পাগল শংকরের ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ।

আল আমিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ।ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ১৩নং মাছিহাতা ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর – নোয়াপাড়া গ্রামবাসীর উদ্যোগে শ্রী শ্রী পাগল সংকরের ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ২৪ প্রহর ব্যাপী নামযজ্ঞ মহোৎসবের পালিত হয়। বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী জবাব মোঃ জসিম উদ্দিন এর সঞ্চালনায় কাঞ্চনপুর গ্রামের বৈষষ্ঠ ব্যক্তি শ্রী সুরেশ চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে উক্ত মহোৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক এম,এ,এইচ মাহবুব আলম।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন ১৩নং মাছিহাতা মডেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আমিনুল হক পাভেল। আলমগীর মেম্বার, মোঃ আব্দুর রহমান প্রমুখ।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কাঞ্চনপুর যুব সংঘের সভাপতি শ্রী রতন চন্দ্র দাস, সহ সভাপতি শ্রী সত্যপদ দাস, সাধারণ সম্পাদক শ্রী জুয়েল দাস সহ যুব সংগঠনের সকল সদস্যরা।এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন এই মহোৎসব সকল নাগরিকের শান্তি,কল্যাণ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি, আমার প্রত্যাশা, বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হব। শ্রী শ্রী পাগল শংকরের ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মহোৎসব এর পরিচালনায় ছিলেন বাবু সুভাষ চন্দ্র দাস (এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ঢাকা )

শেয়ার করুন

দশমিনা-বাউফল প্রতিনিধি।। পটুয়াখালীর দশমিনায় মিথাইল অ্যালকোহল (উড স্পিরিট) ব্যবসায়ী মেসার্স সোহেল এন্ড ব্রাদার্স এর মালিক মো. সোহেল হম্মেদের কাছে ১ লক্ষ টাকা উৎকোচ দাবী করায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেল কলাপাড়ার দুই এস.আই ও এক সিপাহীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন। গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় তার নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ সংবাদ সম্মেলণ করেন। লিখিত বক্তব্যে জানা যায়, উপজেলার সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সড়কে মেসার্স সোহেল এন্ড ব্রাদার্স’র পরিচালক মো. সোহেল আহম্মেদ ২০০৭ সাল থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লাইসেন্স নিয়ে মিথাইল অ্যালকোহল (উড স্পিরিট) ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। বর্তমানে করোনা মাহামারি লগডাউনের কারনে ২০২০-২১ অর্থ বছরের লাইসেন্স গ্রহণের জন্য গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর লাইসেন্স নবায়নের জন্য টাকা জমার রশিদ ও লাইসেন্সের মূলকপিসহ পটুয়াখালী মাদবদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো.মিজানুর রহমানের কাছে আবেদন করে রিসিভ কপি নিয়ে আসে। পরে মিজানুর রহমান অসৎ উদ্দেশ্যে লইসেন্স নবায়নে গড়িমশি ও তালবাহানা শুরু করে। এদিকে, পটুয়াখালীর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেল কলাপাড়া চলতি বছরের ৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টায় অভিযান চালায় মোঃ সোহেল আহম্মেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। এ সময় লাইসেন্স নবায়ন হয়নি কারণ দেখিয়ে অভিযান পরিচালনাকারী এসআই মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, এ এসআই মোঃ রুহুল আমীন ও সিপাহী আবুল হাসান ১ লক্ষ টাকা উৎকোচ দাবী করেন। উৎকোচের টাকা না দেয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দেখিয়ে গ্রেফতার করে দশমিনা থানার মাধ্যমে আদালতে প্রেরণ করেন। পরের দিন উপযুক্ত কাগজ পত্রাদি দেখিয়ে দশমিনা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালত থেকে জামিনে বেড়িয়ে আসে। জামিনে বেড়িয়ে কলাপাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিসে কাগজপত্র আনতে গেলে পুনরায় আবার টাকা দাবি করে মো. সোহেলের কাছে। এ ঘটনায় সংক্ষুদ্ধ ব্যবসায়ী মোঃ সোহেল আহম্মেদ অবৈধভাবে অভিযান পরিচালনা, দাবীকৃত টাকা না দেয়ায় গ্রেফতার করে সম্মানহানির ঘটনায় ওই কর্তকর্তাদের বিরুদ্ধে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। অভিযান পরিচালনাকারী এসআই ও মামলার বাদী মো. মোস্তাফিজুর রহমান উৎকোচ চাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে এ সংবাদদাতাকে জানান, মো. সোহেল আহম্মেদ’র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কোন লাইসেন্স পাওয়া যায়নি বা দেখাতে পারেনি কাগজপত্র ছারা আদালত কি ভাবে জমিন দিছে আমি জানিনা। অভিযোগের বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মিজানুর রহমান স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জানান, মেসার্স সোহেল এন্ড ব্রাদার্স এর লাইসেন্স নবায়ন হয়নি। আদালত থেকে বেড়িয়ে টাকা জমা দেয়া ও নবায়নের আবেদনের বিষয়টি আমাকে ফোনে জানিয়েছে। অভিযান পরিচালনার সময় আমি ছিলাম না টাকা পয়সা দাবীর বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।

দুই এস.আই ও এক সিপাহীর বিরুদ্ধে দশমিনায় সংবাদ সম্মেলন

সুমন ইচ্ছে বাবু, লালমনিরহাট : লালমনিরহাটে দেশীয় অস্ত্রসহ ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মাঝে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কোন হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও শহরজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।আজ শনিবার ১০ এপ্রিল বেলা ১২টায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিপুল আহমেদ অয়ন ও সাবেক সহ সভাপতি ফরিদ হাসান সবুজের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একাংশ বর্তমান ছাত্রলীগের সভাপতি জাবেদ হোসেন বক্করকে গ্রেফতারের দাবীতে একটি মিছিল বের করে শহরের বাটামোড়ে পৌছায়। অপরদিকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাবেদ হোসেন বক্করের নেতৃত্বে জেলা ছাত্রলীগ অফিস থেকে একটি মিছিল বের হয়ে ওই বাটামোড়ে পৌছালে দুই মিছিলের মুখোমুখি হয়। এরপরেই শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহরা দিতে থাকে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ। আতংক শুরু হয় শহরজুড়ে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।জানাগেছে, গত ৮এপ্রিল সন্ধ্যায় শহরের আলোরুপা মোড়ে ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি ফরিদ হাসান সবুজের বাড়িতে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে হামলা করে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাবেদ হোসেন বক্কর গ্রুপের ৫০থেকে ৬০জনের একটি দল। হামলায় ছাত্রলীগ নেতা সবুজের মা আহত হন। এ ঘটনায় রাতে আহত ফাতেমা বেগম বাদি হয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান জাবেদ হোসেন বক্করসহ ২০জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০থেকে ৬০জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরদিন ৮এপ্রিল রাতে ওই অভিযোগ প্রত্যাহারের দাবীতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাবেদ হোসেন বক্কর গ্রুপ ও পৌর ছাত্রলীগ গ্রুপ জেলা ছাত্রলীগ অফিস থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে।এ ব্যাপারে ছাত্রলীগের সভাপতি জাবেদ হোসেন জানান, আমরা কাউকে ধাওয়া দেইনি। রাজনীতির প্রতিহিংসার কারনেই তাদের এই ভিত্তিহীন অভিযোগ। জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিপুল আহমেদ অয়ন জানান, আমাদের শান্তিপুর্ন মিছিলে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাবেদ হোসেন বক্কর গ্রুপ ধাওয়া করে এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে আতংক সৃষ্টি করে।এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি শাহ আলম জানান, ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটলেও কেউ হতাহত হয়নি। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।

লালমনিরহাটে দেশীয় অস্ত্রসহ ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

সুমন ইচ্ছে বাবু, লালমনিরহাট:লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের দরিদ্র পরিবারের সন্তান মিজানুর মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েও তিনি খুশি হতে পারেনি। তার মূল প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে অস্বচ্ছলতা পরিবারের সন্তান মিজানুর রহমান। মেধাবী শিক্ষার্থী মিজানুর যে কোন মূল্যে তিনি মেডিকেলে পড়তে চান, মেডিকেলে পড়ার জন্য মিজানুর যে কোন ত্যাগ স্বীকারও করতে রাজি, যে কোন মূল্যই তিনি মেডিকেলে পড়বেন এখন তার বড় চাওয়া পাওয়া একটাই হচ্ছে মেডিকেলে পড়া। অর্থের অভাবে এই মেধাবী শিক্ষার্থী মিজানুর কোন কিছুই তার সামনেই বাঁধা হয়ে দাড়াতে পারবে না, প্রয়োজনে তিনি নিজেই কিছু একটা করে হলেও মেডিকেলে পড়বে। পরিবারের যতই অস্বচ্ছতা থাকে না কেন, মেধাবী ছাত্র মিজানুরের দৃঢ মনোবল তিনি মেডিকেলে পড়বে। প্রয়োজন হলে তিনি যে, কোন কাজ কর্ম করে হলেও মেডিকেলে পড়তে যা করার দরকার মিজানুর সেটাই করবে। প্রাইভেট কোম্পানি ও টিউশনির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে লেখাপড়া চালিয়ে যাবেন। পরিবারের পক্ষে মেডিকেলে পড়ানোর সামর্থ নেই মিজানুরের পরিবারের। এই মেধাবী ছাত্র মিজানুর রহমান এখন এক অনিশ্চিতায় ভূগছেন। কি ভাবে মেডিকেল পড়াশোনা করবেন এ চিন্তায় রয়েছেন এখন তিনি। মেধাবী ছাত্র মিজানুর রহমানের পরিবারের পক্ষে মেডিকেলে পড়ার মতো কোন সামর্থ নেই, তাহলে মিজানুর রহমানের ভবিষ্যৎ কি থেমে যাবে? কি হবে তাহলে মিজানুর রহমানের ভবিষ্যৎ।লালমনিরহাটের কুলাঘাট ইউনিয়নের ধরলা নদী বেষ্ঠিত দূর্ঘম চরের মেধাবী শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছেন কিন্তু পাশ করেও আর্থিক সংকটের কারনে খুশি হতে পারেননি মিজানুর ও তার পরিবার ।সমাজের বিত্তবানরা একটু এগিয়ে গেলে মেধাবী ছাত্র মিজানুরের মেডিকেলে পড়া সম্ভব হবে।

অভাবের কারণেই কি মিজানুরের মেডিকেলে পড়ার সুযোগ হবে না

স্টাফ রিপোর্টার: হাবিবুর রহমান । তরুণ সমাজ সেবক ও জাগ্রত তরুণ সামাজিক সংগঠনের নেতা:ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রুবেল পারভেজ । কার্যকরী সদস্য: নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন (নোঙর) ।মোঃ মঈন খান, বন্দরনগরী আশুগঞ্জ উপজেলার একজন সমাজ ও দেশ সচেতন তরুণ ছাত্রনেতা। বন্দরনগরী আশুগঞ্জের বিভিন্ন উন্নয়ন নিয়ে “জাগ্রত তরুণ” নামক একটি সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে মঈন খান এবং ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রুবেল পারভেজ সহ অনেক তরুণ নেতৃবৃন্দ অত্র জনপদের সার্বিক উন্নয়নে ৮টি প্রস্তাব রেখে কাজ করছেন সমাজের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে। এলাকার সার্বিক উন্নয়নমূলক এই সমস্ত দাবিদাওয়ার মধ্যে অন্যতম হল; আশুগঞ্জ গয়না ঘাট এবং ধানের গাল্লা সংলগ্ন সোনারামপুর খালের উপর নির্মিত পানির পাইপ লাইনের নকশা পরিবর্তন করে ৫ থেকে ৭ ফুট উচ্চতা বাড়ানো এবং বি টাইপ কলোনীর দেওয়াল প্রাচীরের বাহিরে এলাকাবাসীর স্বার্থে একটি রাস্তা নির্মাণ করে দেওয়া। এটি হোক নদীর পাড় দিয়ে কিংবা গ্রামের পাশ দিয়ে। যার সুফল পাবে অত্র জনপদের ৬০ হাজার থেকে ৭০ হাজার মানুষ। আশুগঞ্জ পূর্ব বাজার (বিওসিঘাট) সংলগ্ন ধানের গাল্লা ও বাশঁ বাজারে দুইটি চ্যানেলে প্রশস্ত ব্রীজ নির্মাণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাণিজ্যিক রাজধানী “বন্দর নগরী আশুগঞ্জ” এর ব্যবসা বাণিজ্য প্রসারে বিশেষ অবদান রাখার ব্যাবপারে সরাসরি চ্যানেল-26 এর সাথে দেওয়া স্বাক্ষাৎকারে জাগ্রত তরুণ প্রজন্মের নেতা মোঃ মঈন খান বলেন, “আমরা চাই সমাজ ও দেশের বৃহত্তর স্বার্থে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেডের সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। যার মাধ্যমে বন্দর নগরী আশুগঞ্জের ব্যবসা জাণিজ্যের প্রসার বৃদ্ধি পেয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে আরো বলিষ্ট ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সহায়ক হবে। এই পদক্ষেপটি বাণিজ্যিক দিক দিয়ে সারা দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যিকভাবে আশুগঞ্জকে আরো প্রসারিত করা যায় এই কাজগুলোর সুপরিকল্পিতভাবে সম্পন্ন করে। তাই পিডিবি’র কাছে আমাদের এই দাবি। আশুগঞ্জের ব্যবসা বাণিজ্য প্রসারে পিডিবি সহ সমাজের নেতৃস্থানীয়দের কাছে আমাদের তরুণ প্রজন্মের এই জুরালো দাবি রইল। তারা যেন নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধে জাগ্রত হয়ে আশুগঞ্জের ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখেন।” উক্ত উন্নয় কার্যক্রমের উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রুবেল পারভেজ বলেন, “ আশুগঞ্জ মার্চেন্ট এসোসিয়েশন এবং আশুগঞ্জ অটো বয়লার রাইস এন্ড হাসকিং মিল মালিক সমিতির উদ্যোগে তরুণ প্রজন্ম হতে আমরা কাজ করছি। আমরা চাই বন্দার নগরি আশুগঞ্জের

আশুগঞ্জের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারনে ধানের গাল্লা ও বাশঁ বাজারে পিডিবির চ্যানেলে প্রশস্ত ব্রীজ নির্মাণের দাবি মোঃ মঈন খান ।

আল আমিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ।কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত আলমগীর হোসেন সরকারের ছেলে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের নিরাপত্তা প্রহরী মোজাম্মেল হক সরকার। আজ সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের হল রুমে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে বলেন, আমি একজন অসহায় ও নিরীহ আমার স্ত্রী সুলতানা রাজিয়া একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। তার নামে তিন শতাংশ জমি রয়েছে নোয়াপাড়া গ্রামে। গ্রামের ভূমি দস্যুরা উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের যোগসাজশে আমার পরিবারের জায়গাটি জোর পূর্বক দখল করে নেওয়ার পায়তারায় লিপ্ত রয়েছে। 
উপজেলার হাসিমপুর মৌজার বিএস ৩৯৫ জমিনে জোর পূর্বক ভাবে ড্রেজার মেশিন লাগিয়ে আমার গ্রামের ভূমি দস্যু আব্দুল হাসিম সরকারের তিন ছেলে রেজাউল করিম, নাসির সরকার, জসিম সরকার ও নুরু সরকারের ছেলে আনোয়ার হোসেন সরকার, আনোয়ার হোসেন সরকারের ছেলে আমীর হোসেন সরকার এবং খারঘর গ্রামের কুদ্দুসের ছেলে কবির সরকার মাটি উত্তোলন করে আসছে। 
এব্যাপারে আমি কসবার ইউএনও, এসিল্যান্ড বরাবর অভিযোগ করেও কোনো সদোত্তর পাইনি।  পাশাপাশি কসবা থানায় সাধারণ ডায়েরি করলেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি থানা পুলিশ। 
বরংচ এসব অভিযোগ করার পর ভূমি দস্যুরা আমার উপর অমানুষিক নির্যাতন ও মারপিট শুরু করে। পরবর্তীতে আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে একটি মোকদ্দমা দায়ের করি। বিজ্ঞ আদালত আমার মোকদ্দমাটি আমলে নিয়ে কসবা থানার ওসিকে এফ আই আর নির্দেশ দেন৷ ওসি মামলাটি এফ আই আর করে তদন্ত ভারের দায়িত্ব দেয় সাব ইন্সপেক্টর রওশন জামানকে।  
সাংবাদিকদের কে মোজাম্মেল হক সরকার জানান,রওশন জামান তদন্তকালে আসামীদের সাথে মিলে যায় এবং তাদের ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার সুযোগ করে দেয়। এবং মাটি কাটা বন্ধ করতে আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘোষ দাবী করেন। আমি টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মাটি কাটা বন্ধ হবে না বলে আমাকে হুমকি দেই। তিনি থানায় মামলা রজু হওয়ার পরেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামীকে ই গ্রেপ্তার করছে না। আমি উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কোনো ধরনের বিচার না পেয়ে আপনারা সাংবাদিকদের দারস্থ হয়েছি। আমি কসবা-আখাউড়ার সংসদ সদস্য আইন মন্ত্রী আনিসুল হকের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে ও জামাতার সংবাদ সম্মেলন।

রাজধানীর মতিঝিল এজিবি কলোনীতে ফ্রি ডেন্টাল ক্যাম্প। রাজধানীর মতিঝিল এজিবি কলোনীতে ফ্রি ডেন্টাল ক্যাম্প। ডাক্তার ফয়সাল হোসেন সোহাগ আয়োজনে ফ্রি ডেন্টাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০ হইতে বিকাল ৪টায় রাজধানীর এজিবি কলোনীতে ডেন্টাল ক্যাম্প হয়েছে । প্রায় ২ অর্ধশতাধিক ব্যক্তিকে দাঁতের জেনারেল চেকআপ, ওরাল হাইজেনিক বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হয়। ডাক্তার ফয়সাল হোসেন সোহাগ নেতৃত্বে এই চিকিৎসা আয়োজন করেন । সাথে আছেন ৭ জন বি.ডি.এস. ডাক্তার ১। ডাঃ মোঃ ফয়সাল হোসেন ২। ডাঃ নিশাত সাঈদা ৩ । ডাঃ আরফানুল ইসলাম ৪। ডাঃ আবদুর রহিম ৫। ডাঃ আতিয়া রহমান সহ মোট ৭ জন । এসময় সকল শ্রেণীর মানুষের পাশে দাঁড়ান । ডাঃ ফয়সাল হোসেন সোহাগ জানান অনেক অসহায়-দুস্থ মানুষ আছেন যারা ভিজিট দিয়ে ডাক্তার দেখাতে পারেন না তাই আজ এই ক্যাম্প। সকল মানুষের পাশে দাঁড়াতেই এবং সুচিকিৎসা দেওয়াই আমার মূল উদ্দেশ্য ফয়সাল বলেন আমি সবার দোয়া চাই । আরও বলেন আমাদের চেম্বারে আসলে অসহায় মানুষদের ফ্রি চিকিৎসা করব।

রাজধানীর মতিঝিল এজিবি কলোনীতে ফ্রি ডেন্টাল ক্যাম্প।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনলাইন ডেস্ক: মাদারীপুরের শিবচরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২২ শত পরিবারের মাঝে খাবার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম থেকে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

এ সময় পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবচর পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান বলেন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির পক্ষ চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমন রোধে শিবচর বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে চিফ হুইপ স্যারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

চিফ হুইপের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাবার বিতরণ


ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০১৯ (চ্যানেল ২৬) : ঝুঁকি কমাতে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বীমা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বীমা অংক বাংলাদেশি টাকায় ১৩৪ কোটি ২৮৮ লাখ টাকা। বীমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে বাংলাদেশি টাকায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

ইতিমধ্যে সাধারণ বীমা সরকারের গৃহীত মেগা প্রকল্প সমূহ যেমন- মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু টানেল ও মেট্টো রেল প্রকল্পগুলোর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে করা হচ্ছে এ বীমা পলিসিটি। এর ফলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বীমা সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে দেশের বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে দেশি বীমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি বীমা কোম্পানি গুলো বীমা করতে উৎসাহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন

নিউজ ডেক্স: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নর্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গণমানুষের নেতা জাতীয় পাটির ঢাকা মহানগর-উত্তরের প্রচার সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম হাসেম।

সরোজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে, তারা জানান এস.এম হাসেমকে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুন এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছ যেতে পারেন এবং তিনি ভূক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর আরো জানান, এলাকা আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, চাঁদাবাজী সন্ত্রাস-মাস্তানি বন্ধ এবং দূর্নীতির জঙ্গীবাদ-এর বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান, তাই এই ৩২নং ওয়ার্ডে এস.এম হাসেম জনপ্রিয়তার শীর্ষে বা বিকল্প কোন নেতা এখনও এই ৩২নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয়নি।

তরঙ্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাত্কারে কাউন্সিলর প্রার্থী এস.এম হাসেম বলেন, আমি এলাকাবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচন করবো্ জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যাবো।আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এস.এম হাসেম ৩২নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ের সহযাত্রী ও সব ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। যদি মনে করেন আপনাদের চাওয়া পাওয়ার কথা উচ্চারিত হোক কোন বলিষ্ঠ কন্ঠে তবে আমার বলতে দিন।আপনাদের জন্য আমাকে কিছু করার সুযোগ দিন।আমি আপনাদের ভিড় থেকেই উঠে আসা আপনাদেরই একজন। আপনারা ভালো থাকলে ৩২নং ওয়ার্ডবাসী ভালো থাকবে,আমাদের রাজধানী ঢাকা ভালো থাকবে এবং ভালো থাকবে আমাদের সোনার বাংলাদেশ। তাই সকল দিক বিবেচনা করে আমাকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এর ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে একটি ভোট দিন।

ডিএনসিসিনির্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এস.এম হাসেম

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ধরে পরিকল্পিত যোগসাজশে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) জাফিকুর রহমান অমি (১৫) ও তার মা মোছাঃ আছমা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা অর্থবান ও ক্ষমতাধর হওয়াই আহতরা যেন থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করতে যায় এ জন্য প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে বিষয়টি আহত পরীক্ষার্থী অমি”র চাচা মোঃ আব্দুল হাই মিলন জানতে পেরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে হামলাকারী ৬ জনের বিরুদ্ধে (৫-ফেব্রুয়ারি) ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হামলাকারী আসামীরা হলেন,উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামের মৃতঃ- মোত্তালেব সরদারের ছেলে (১) মেহেদি হাসান,(২) মোস্তাক হোসেন নাহাজ,(৩) মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জগলুল,(৪) আসামী মেহেদির স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা আক্তার নূপুর,(৫) আসামী মোস্তাকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার ও একই গ্রামের মোঃ মাফতুম হোসেনের স্ত্রী (৬) পাখি বেগম। উক্ত মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, (গত ৩ এ-ফেব্রুয়ারি) সোমবার শুরু হয় এসএসসি-সমমান-২০ পরীক্ষা প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে ওই দিন সন্ধায় অমি তার নিজ ঘরে পড়ছিল হঠাৎই সে শুনতে পারে বাহিরে বেজোড়ে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা পূর্ব শত্রুতার জেড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়ির সামনের একটি মুরগির ঘর উল্লেখিত আসামীরা ভাঙচুর করছে এমনি অবস্থায় অমি”র মা তাদের বাঁধা দিতে গেলে আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দ্বারা মাথায় আঘাত করছে পাশাপাশি পড়নের কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করার দৃশ্য দেখে অমি ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে তার মা কে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় লোহার রড দ্বারা আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার মা ছেলেকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী মোঃ মনতাছির মামুন সনি,মোছাঃ শাহানা আক্তার ও লাইজু বেগম সহ আরও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়,ততক্ষণিক ওই স্থানীয়রা অমি ও তার মা কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভ্যানযোগে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী”র চাচা আব্দুল হাই মিলন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দিলে মামলাটি আমলে নিয়ে,আমার থানা পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এতে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

ক্ষেতলালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তার মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম”৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম:০৪/১০/২০১৯ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া আমিরাবাদ হোটেল ও আই সি হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এমএ তাহের (তারেক) জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লোহাগাড়া শাখা সাংবাদিক মুহাম্মদ ঈসা পবিত্র কোরআন তেলােওয়াতের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠান শুরু করে। সঞ্চালনা ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি , জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক , দৈনিক ওলামা কন্ঠ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট মুহাম্মদ মিয়া ফারুক, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, আরো উপস্থিত ছিলেন তুষার আহামেদ কাইছার শিহাব উদ্দিন শিহাব চ্যানেল কর্ণফুলি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বান্দরবান পার্বত্য জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম, জেলা কৃষক লীগ নেতা নূরুল ইসলাম ভান্ডারী, ইসমাইল হোসেন সোহাগ সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লামা উপজেলা শাখা,জিয়া হোসেন, বাবুল চৌধুরী, মোঃ কাউছার আলম, মুহাম্মদ ঈসা দপ্তর সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা , আব্বাছ উদ্দিন দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য , রফিকুর রহমান দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, মুহাম্মদ ফাহিম রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক মুক্তালোক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, আরো উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, রমজান আলী, মুহাম্মদ এমরান সহ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, উক্ত এ বৈঠকে সংগঠনের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার জন্যে স্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ও সাংবাদিকদের কল্যাণে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

themesbazartvsite-01713478536
error: Content is protected !!