দেশের অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের অভিনয়কে পুঁজি করে কি ধরণের বিনোদন প্রদর্শন করছে ইউটিউব চ্যানেল মিউজিক বাংলা টিভি

দেশের অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের অভিনয়কে পুঁজি করে কি ধরণের বিনোদন প্রদর্শন করছে ইউটিউব চ্যানেল মিউজিক বাংলা টিভি

ভাষার জন্য যারা দিয়ে গেছে প্রাণ, তাদের প্রতি লাখো সালাম। সেই ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে একটি স্বাধীন দেশে শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটবে, এটাইতো স্বাভাবিক। বিশে^র সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে বাঁধা নেই। অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এই সভ্য সমাজ ব্যবস্থায় কিছুলোক কেবলমাত্র নিজের স্বার্থে দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে বিনোদনের নামে নানাভাবে বিনোদন প্রেমিকদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে। অনলাইন জগতে বিনোদনের নামে তেমনি এক ব্যতিক্রমধর্মী ইউটিউব চ্যানেল মিউজিক বাংলা টিভি। এর প্রযোজনা, পরিচালনা ও প্রকাশনায় জনৈক রুবেল হাওলাদার। বিশ^স্ত সূত্রে জানা গেছে এই রুবেল, হাওয়ালাদার কেবলমাত্র আর্থিক উপার্জনের লক্ষ্যে ইউটিউবে কথিত চ্যানেল মিউজিক বাংলা টিভি, (গইঞ)তে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের দিয়ে বিভিন্ন ধরণের ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। এ ইউটিউব চ্যানেলে প্রত্যক্ষ করলে দেখা যাবে রুবেল হাউলাদারের প্রযোজনা ও পরিচালনায় বেশ কয়েকটি নাটকও টেলিফিল্ম, শর্ট ফিল্ম প্রচার করছে। এখানে বলতে বাধা নেই যে এসব ভিডিওগুলি তিনি কোন অশুভ উদ্দেশ্যে তৈয়ার করেছেন। এ ক্ষেত্রে আরও বলা প্রয়োজন যে, দেশের প্রচলিত আইনে কোথাও এবং কোন ক্ষেত্রেই অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশুদের কর্মকে স্বীকৃতি দেয় না। তিনি কিভাবে দেশের ২ থেকে ১০/১২ বছরের শিশুদের অভিনয়কে কাজে লাগিয়ে এমন আপত্তিকর বিনোদনে লিপ্ত তা কারও বোধগম্য নহে। বিশেষ করে একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি। বর্তমান সরকার জনস্বার্থে দেশকে একটি ডিজিটাল প্রক্রিয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঠিকাশ ঘটানো অপরিহার্য্য মনে করছে। ইতোমধ্যে সরকার এ লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি জেলা উপজেলা পর্যায়ে সুষ্ঠু ধারার সংস্কৃতিসহ সকল জন কল্যাণমূলক কর্মকাÐের পাশাপাশি সার্বিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। অথচ লক্ষ করলে দেখা যাবে কথিত এই ইউটিউব চ্যানেল “মিউজিক বাংলা টিভি” (গইঞ)’র মালিক জনৈক রুবেল হাওলাদার ইউটিউব থেকে প্রচুর অর্থ উপার্জনের জন্য ১ বছরের শিশু থেকে বেশির ভাগ ৭/৮ বছরের শিশুদের দিয়ে কথিত ঘটনা সাজিয়ে নাটক, শট ফিল্ম, টেলিফিল্মসহ নানা ভিডিও বানিয়ে ইউটিউব চ্যানেল, মিউজিক বাংলা টিভি-তে চালিয়ে যাচ্ছেন। যা অপসংস্কৃতির পাশাপাশি অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশুদেরকে ব্যবহার করা হচ্ছে। ইউটিউব চ্যানেল “মিউজিক বাংলা টিভি” (গইঞ) বিদ্যমান ভিডিওগুলো প্রত্যক্ষ করলে এমনটিই মনে করবেন দেশের সচেতন মহল। তাই এই অপসংস্কৃতি রোধ হওয়া অত্যাবশ্যক। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং সংস্থাগুলো শিশুশ্রম রোধে অভিযোগটি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন এমনটাই প্রত্যাশা সকল মহলের।

শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক: ভাইরাল হয়ে যাওয়া এক ছবিতে দেখা যায়, এক নারীর সঙ্গে বিছানায় বসে আছেন ভারতের যোগগুরু বাবা রামদেব। ছবিতে ওই নারীর কাঁধে হাত রেখে হাসিমুখে আছেন তিনি। ওই ছবি সম্প্রতি ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।

টুইটারে ছবিটি পোস্ট করে রামদেবকে ব্যাপকহারে গালিগালাজ করছেন অনেকেই। একইভাবে ফেসবুকেও ছবি-পোস্টে রামদেবকে ‘চরিত্রহীন’ বলা হচ্ছে।

ছবিটি আগেও ভাইরাল হয়েছিল। ২০১৮ সালেও ভাইরাল হয়েছিল ওই ছবি। পাঁচ বছর ধরেই নেটদুনিয়ায় ঘুরে-ফিরে দেখা গেছে রামদেবের ছবিটি। দুই বছর আগে একই ছবি পোস্ট করে রামদেব ‘যৌন কলঙ্কে’ ফাঁসবেন বলে দাবি করা হয়েছিল।

তবে ছবিটি পাঁচ বছর আগের। ছবিতে রামদেবের সঙ্গে থাকা নারী আসলে ক্যান্সার আক্রান্ত (তখন বয়স ২৭)। বেদান্ত হাসপাতালে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল রামদেবের।

গুগলের রিভার্স ইমেজ সার্চ ব্যবহার করে ওই ছবি সম্পর্কে জানা যায়, ছবিটি ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বরের। রামদেবের অফিসিয়াল ফেসবুকেও ওই ছবি একই সময়ে পোস্ট করা হয়েছিল।

ওই পোস্টে রামদেব বলেন, আমার এই বোন প্রীতি ক্যান্সারে ভুগছেন এবং মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। পতঞ্জলী যোগপীঠের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে একজনের পরিবারের সদস্য প্রীতি। বেদান্ত হাসপাতালে আমি এই বোনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি এবং তাকে আশীর্বাদ দিয়েছি। এছাড়াও তাকে প্রাণায়ম শেখানোর সঙ্গে আয়ুর্বেদ ওষুধও দিয়েছি।

নারীর সঙ্গে বিছানায় রামদেব, ভাইরাল ছবির পেছনের গল্প জেনে নিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মোঃজাকির হোসেন নীলফামারী প্রতিনিধিঃসংবাদপত্রের নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সম্পূর্ণ মনগড়া তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে নগ্ন অপপ্রচার চালিয়ে ইমেজ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার কারনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সৈয়দপুর শহরের বিশিষ্ট জনেরা। একটি সংবাদপত্রে আজগুবি, অসত্য ও তথ্যসূত্রহীন বালখেল্যপনা ধরনের খবরের নিয়মিত পরিবেশনায় সচেতন সৈয়দপুরবাসীর মাঝেও দেখা দিয়েছে বিড়ম্বনা। বিচলিত হয়ে উঠেছেন বোদ্ধা মহল। সৈয়দপুর উপজেলার শতাধিক সংবাদকর্মীর মাঝে মাত্র একজনই রোহিঙ্গার মত নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়ে এসে এই অপকর্মে লিপ্ত। নামের শেষে হক লকবধারী লকব নামেই সমধিক পরিচিত ওই ব্যক্তি নিজেকে সংবাদকর্মী পরিচয় দিলেও সংবাদের সাথে তার ন্যুনতম সম্পর্ক নেই। সংবাদের অর্থও হয়তো জানেনা।তাইতো থেকে থেকে আবোল তাবোল প্যাঁচাল এর মত যেসব লেখা তার নামে পত্রিকায় ছাপা হয় তাতে যেমন ব্যাকরণগত ত্রুটির বহুল উপস্থিতি দেখা যায় তেমনি ভাষাজ্ঞানের চাড়ালিপনাও থাকে প্রকটভাবে। সংবাদপত্রের নীতিমালাকে চরমভাবে অবজ্ঞা করে ন্যুনতম মানবিক ও সামাজিক বোধ এবং নৈতিকতা বিবর্জিত ওইসব লেখা দেখেই বোঝা যায় তার শিক্ষা, জ্ঞান ও রুচিবোধের পরিসীমা। একজন মানুষ কতটা জঘন্য হলে এভাবে প্রচলিত ধারার বিপরীতে গিয়ে খামখেয়ালিতে নিয়োজিত হতে পারে তা যে কোন মানুষের স্বাভাবিক ভাবনাতেও আসবেনা। কারণ সাধারণ কোন ব্যক্তিও যে ভাষাতে কথা বলতে দ্বিধাবোধ করেন। এমনকি ঝগড়া বিবাদের সময়ও রাগান্বিত হয়ে আক্রোশবশতঃ যে কথাগুলো উচ্চারণ করেনা। সেখানে তিনি অবলীলায় ওই ধরনের নোংরা ও শ্রুতিকটু ভাষায় সংবাদ লেখেন। তিনি নিজেকে দূর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবী সৈনিক বলে নিজস্ব মহলে বাগাড়ম্বর করলেও তার উদ্দেশ্য অনৈতিক ও স্বার্থপরতাযুক্ত। তাইতো তিনি বেছে বেছে টার্গেটকৃত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ তুললেও তার নিকটাত্মীয় সরকারী সম্পত্তি দখলবাজ, চোরাই ও অসুস্থ পশুর মাংস বিক্রেতা হাট ইজারাদার এর চাক্ষুস ও প্রমাণিত অপকর্ম নিয়ে একেবারেই নিশ্চুপ। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে
নানা অপকর্মের সাথে বিশিষ্ট জনদের নাম জড়িয়ে অসত্য, তথ্যসূত্রহীন উড়ো খবর প্রকাশ করছেন। যেগুলোকে খবর বলাও ঠিক নয়। বরং ‘ফেইক এন্ড পেইড’ সর্বস্ব বিজ্ঞাপন। যা একটি চক্রের মদদপুষ্ট হয়ে মিথ্যে অপপ্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করছে উচ্ছিষ্টভোগী ওই ব্যক্তি। সৈয়দপুরের সচেতন মানুষ এই মিথ্যেচার সম্পর্কে অবগত হলেও গোয়েবলেসীয় কায়দায় একই মিথ্যে সংবাদ বার বার প্রকাশ করে ব্যক্তি বিশেষের বিপক্ষে একটা প্রোপাগান্ডার বলয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্মানী ব্যক্তিদের ইমেজ নিয়ে ছিনিমিনি খেলায় মত্ত হয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ফায়দা হাসিলের এই ভণ্ডামিতে কেউ কেউ বিভ্রান্তও হচ্ছেন। এতে সমাজে একটা অস্থিরতা তৈরী হচ্ছে। কখনও কখনও ব্যক্তির সাথে সাথে জনগোষ্ঠী বা জাতির প্রতি উস্কানিমুলক দোষারোপ করায় জাতিগত উত্তেজনাও দেখা দিচ্ছে। হক’র এহেন নাহক কর্মকাণ্ডতে সৈয়দপুরের বিশিষ্টজনেরা চরমভাবে অতিষ্ঠ হয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছে। ইতোপূর্বেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। এখন সম্মিলিতভাবে অভিযোগ করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পত্রিকার বিরুদ্ধেও নিয়মতান্ত্রিক পদক্ষেপ নেয়া হবে।কারণ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে পত্রিকাটির সম্পাদনা ও প্রকাশনার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রুচিবোধ ও অবিবেচক ভুমিকা নিয়ে। কি করে তারা এহেন ভাষাজ্ঞানহীন একজনের একগুঁয়ে বাচালতা ও নীতি বিবর্জিত জগাখিচুড়ি লেখা প্রকাশ করছেন অবলীলায়? তবে কি খবরগুলো ‘ফেইক’ হলেও শুধু ‘পেইড’ হওয়ায় ছাপা হচ্ছে বিবেক বেচে?তাই যদি না হবে তাহলে এমন একজনকে কেনইবা প্রতিনিধি হিসেবে রাখা হয়েছে। যে কিনা সংবাদ দূরে থাক ন্যুনতম গরুর রচনা লিখতেও অপারগ। তাইতো সৈয়দপুরে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনা, জনদূর্ভোগ, সমস্যা সম্ভাবনা, কৃষি-শিল্প-বানিজ্য ক্ষেত্রের উন্নয়ন-সমৃদ্ধি, মানুষের প্রত্যাশা-সাফল্য, শিক্ষার প্রসার ও প্রতিভার বিকাশ সংক্রান্ত কোন খবরই কখনও তার পত্রিকায় আনতে পারেননি।অনুসন্ধানী সংবাদ, ফিচার বা প্রতিবেদন লেখার কথাতো স্বপ্নেও ভাবেননা। কারণ এগুলোতো অনেক পরের কথা, সামান্য দৈনন্দিন ঘটে যাওয়া ঘটনার তাৎক্ষণিক খবর (কারেন্ট নিউজ) লিখতে গিয়ে ঘেমে একাকার হয়ে যান। আর এইজন্যই তিনি মাঝে মাঝে মনে যা আসে তাই লিখে সাথে ফ্লাক্সি বা বিকাশ মানি দিয়ে কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে পত্রিকায় জায়গা (স্পেস) বরাদ্দ নেন সেগুলো ছাপানোর জন্য।
এধরনের উদাহরণ সংবাদপত্র বা মিডিয়া জগতের জন্য খুবই উদ্বেগজনক। মিডিয়ার প্রতি জনমানুষের যে বিশ্বাস বা বোধ তা নষ্ট করছে এইসব দুষ্টু চক্র। এদের এখনই প্রতিরোধ করতে হবে। নয়তো এর খেসারত সব মহলকেই দিতে হবে বলে মনে করেন বিজ্ঞ জনেরা।

বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে অপপ্রচার, অতিষ্ঠ সৈয়দপুরের বিশিষ্ট জনেরা

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার গাবতলীতে আব্দুল লতিফ নামে অপহৃত এক ব্যক্তিকে উদ্ধারসহ এ ঘটনায় জড়িত চার অপহরণকারীকে আটক করেছে র্যাব। আটককৃতরা হলেন- বগুড়া গাবতলী উপজেলার হাসনাপাড়া এলাকার মৃত- আনিছার রহমানের ছেলে নাহিদ রাসেল(৩৮), আব্দুল গফুরের ছেলে সোহান মোল্লা(১৯) ও জয়নাল আবেদীনের ছেলে মিঠু মিয়া(৪০) এবং জয়ভোগা উত্তরপাড়া এলাকার ফজলুল রহমানের ছেলে সজিব (২৪)। মঙ্গলবার ভোররাত ৫টার দিকে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার জোড়গাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বগুড়া র্যাব-১২ এর কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার মোঃ সোহরাব হোসেন জানান, গত ২৩ আগস্ট রাত ১০টার দিকে আব্দুল লতিফ গাবতলী ডাক বাংলো হতে ভূমি অফিস গাবতলীর উদ্দেশ্যে বের হয়ে যান। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রীর মোবাইল ফোনে তার স্বামীর মুক্তিপন হিসেবে ৫০ হাজার টাকা দাবী করে অপহরণকারীরা। ভিকটিমের স্ত্রী নিজের স্বামীকে উদ্ধারের জন্য গাবতলী থানায় ও র‌্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পে তার স্বামী অপহরণের অভিযোগ জানায়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‌্যাবের গোয়েন্দা টীম অপহরণকারীকে গ্রেফতার ও ভিকটিম উদ্ধারে গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোররাত ৫টার দিকে সারিয়াকান্দি উপজেলার জোড়গাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত আব্দুল লতিফকে উদ্ধারসহ চার অপহরণকারীদের গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরও জানান, অপহরণকারী চক্র ভিকটিম আব্দুল লতিফকে জোরপূর্বক গাবতলী থেকে সারিয়াকান্দিতে নিয়ে এসে একটি বাসায় আটকিয়ে রাখে। গ্রেফতারকৃত অফরণকারীদের গাবতলী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে গাবতলী থানায় (মামলা নং-১৭ তারিখ ২৪/০৮/২১ ইং ধারা- ৩২৩/ ৩৬৫/ /৩৮৫/ ৩৮৭/৩৪ পেনাল কোড আইনে) মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বগুড়ায় র‍্যাবের অভিযানে অপহৃত ব্যক্তি উদ্ধার ; আটক-৪

মোঃজাকির হোসেন নীলফামারী প্রতিনিধিঃসংবাদপত্রের নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সম্পূর্ণ মনগড়া তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে নগ্ন অপপ্রচার চালিয়ে ইমেজ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার কারনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সৈয়দপুর শহরের বিশিষ্ট জনেরা। একটি সংবাদপত্রে আজগুবি, অসত্য ও তথ্যসূত্রহীন বালখেল্যপনা ধরনের খবরের নিয়মিত পরিবেশনায় সচেতন সৈয়দপুরবাসীর মাঝেও দেখা দিয়েছে বিড়ম্বনা। বিচলিত হয়ে উঠেছেন বোদ্ধা মহল। সৈয়দপুর উপজেলার শতাধিক সংবাদকর্মীর মাঝে মাত্র একজনই রোহিঙ্গার মত নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়ে এসে এই অপকর্মে লিপ্ত। নামের শেষে হক লকবধারী লকব নামেই সমধিক পরিচিত ওই ব্যক্তি নিজেকে সংবাদকর্মী পরিচয় দিলেও সংবাদের সাথে তার ন্যুনতম সম্পর্ক নেই। সংবাদের অর্থও হয়তো জানেনা।তাইতো থেকে থেকে আবোল তাবোল প্যাঁচাল এর মত যেসব লেখা তার নামে পত্রিকায় ছাপা হয় তাতে যেমন ব্যাকরণগত ত্রুটির বহুল উপস্থিতি দেখা যায় তেমনি ভাষাজ্ঞানের চাড়ালিপনাও থাকে প্রকটভাবে। সংবাদপত্রের নীতিমালাকে চরমভাবে অবজ্ঞা করে ন্যুনতম মানবিক ও সামাজিক বোধ এবং নৈতিকতা বিবর্জিত ওইসব লেখা দেখেই বোঝা যায় তার শিক্ষা, জ্ঞান ও রুচিবোধের পরিসীমা। একজন মানুষ কতটা জঘন্য হলে এভাবে প্রচলিত ধারার বিপরীতে গিয়ে খামখেয়ালিতে নিয়োজিত হতে পারে তা যে কোন মানুষের স্বাভাবিক ভাবনাতেও আসবেনা। কারণ সাধারণ কোন ব্যক্তিও যে ভাষাতে কথা বলতে দ্বিধাবোধ করেন। এমনকি ঝগড়া বিবাদের সময়ও রাগান্বিত হয়ে আক্রোশবশতঃ যে কথাগুলো উচ্চারণ করেনা। সেখানে তিনি অবলীলায় ওই ধরনের নোংরা ও শ্রুতিকটু ভাষায় সংবাদ লেখেন। তিনি নিজেকে দূর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবী সৈনিক বলে নিজস্ব মহলে বাগাড়ম্বর করলেও তার উদ্দেশ্য অনৈতিক ও স্বার্থপরতাযুক্ত। তাইতো তিনি বেছে বেছে টার্গেটকৃত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ তুললেও তার নিকটাত্মীয় সরকারী সম্পত্তি দখলবাজ, চোরাই ও অসুস্থ পশুর মাংস বিক্রেতা হাট ইজারাদার এর চাক্ষুস ও প্রমাণিত অপকর্ম নিয়ে একেবারেই নিশ্চুপ। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে
নানা অপকর্মের সাথে বিশিষ্ট জনদের নাম জড়িয়ে অসত্য, তথ্যসূত্রহীন উড়ো খবর প্রকাশ করছেন। যেগুলোকে খবর বলাও ঠিক নয়। বরং ‘ফেইক এন্ড পেইড’ সর্বস্ব বিজ্ঞাপন। যা একটি চক্রের মদদপুষ্ট হয়ে মিথ্যে অপপ্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করছে উচ্ছিষ্টভোগী ওই ব্যক্তি। সৈয়দপুরের সচেতন মানুষ এই মিথ্যেচার সম্পর্কে অবগত হলেও গোয়েবলেসীয় কায়দায় একই মিথ্যে সংবাদ বার বার প্রকাশ করে ব্যক্তি বিশেষের বিপক্ষে একটা প্রোপাগান্ডার বলয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্মানী ব্যক্তিদের ইমেজ নিয়ে ছিনিমিনি খেলায় মত্ত হয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ফায়দা হাসিলের এই ভণ্ডামিতে কেউ কেউ বিভ্রান্তও হচ্ছেন। এতে সমাজে একটা অস্থিরতা তৈরী হচ্ছে। কখনও কখনও ব্যক্তির সাথে সাথে জনগোষ্ঠী বা জাতির প্রতি উস্কানিমুলক দোষারোপ করায় জাতিগত উত্তেজনাও দেখা দিচ্ছে। হক’র এহেন নাহক কর্মকাণ্ডতে সৈয়দপুরের বিশিষ্টজনেরা চরমভাবে অতিষ্ঠ হয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছে। ইতোপূর্বেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। এখন সম্মিলিতভাবে অভিযোগ করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পত্রিকার বিরুদ্ধেও নিয়মতান্ত্রিক পদক্ষেপ নেয়া হবে।কারণ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে পত্রিকাটির সম্পাদনা ও প্রকাশনার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রুচিবোধ ও অবিবেচক ভুমিকা নিয়ে। কি করে তারা এহেন ভাষাজ্ঞানহীন একজনের একগুঁয়ে বাচালতা ও নীতি বিবর্জিত জগাখিচুড়ি লেখা প্রকাশ করছেন অবলীলায়? তবে কি খবরগুলো ‘ফেইক’ হলেও শুধু ‘পেইড’ হওয়ায় ছাপা হচ্ছে বিবেক বেচে?তাই যদি না হবে তাহলে এমন একজনকে কেনইবা প্রতিনিধি হিসেবে রাখা হয়েছে। যে কিনা সংবাদ দূরে থাক ন্যুনতম গরুর রচনা লিখতেও অপারগ। তাইতো সৈয়দপুরে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনা, জনদূর্ভোগ, সমস্যা সম্ভাবনা, কৃষি-শিল্প-বানিজ্য ক্ষেত্রের উন্নয়ন-সমৃদ্ধি, মানুষের প্রত্যাশা-সাফল্য, শিক্ষার প্রসার ও প্রতিভার বিকাশ সংক্রান্ত কোন খবরই কখনও তার পত্রিকায় আনতে পারেননি।অনুসন্ধানী সংবাদ, ফিচার বা প্রতিবেদন লেখার কথাতো স্বপ্নেও ভাবেননা। কারণ এগুলোতো অনেক পরের কথা, সামান্য দৈনন্দিন ঘটে যাওয়া ঘটনার তাৎক্ষণিক খবর (কারেন্ট নিউজ) লিখতে গিয়ে ঘেমে একাকার হয়ে যান। আর এইজন্যই তিনি মাঝে মাঝে মনে যা আসে তাই লিখে সাথে ফ্লাক্সি বা বিকাশ মানি দিয়ে কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে পত্রিকায় জায়গা (স্পেস) বরাদ্দ নেন সেগুলো ছাপানোর জন্য।
এধরনের উদাহরণ সংবাদপত্র বা মিডিয়া জগতের জন্য খুবই উদ্বেগজনক। মিডিয়ার প্রতি জনমানুষের যে বিশ্বাস বা বোধ তা নষ্ট করছে এইসব দুষ্টু চক্র। এদের এখনই প্রতিরোধ করতে হবে। নয়তো এর খেসারত সব মহলকেই দিতে হবে বলে মনে করেন বিজ্ঞ জনেরা।

বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে অপপ্রচার, অতিষ্ঠ সৈয়দপুরের বিশিষ্ট জনেরা

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ-আসন্ন ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব মোঃ সখিমুদ্দিন প্রামানিককে প্রার্থী হিসেবে পেতে চায় ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয়নের সর্ব স্তরের জনগন। বিশ্ব ব্যাপী

মহামারীর শেষ কবে? পৃথিবী জুড়ে এ প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা হলেও এরই মধ্যেই দেশে ঘনিয়ে আসছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের।আইন অনুযায়ী আগামী বছরের মার্চে ইউপি নির্বাচন শুরু। আর এ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের মাঝে চলছে জল্পনা আর কল্পনা। তারই ধারাবাহিকতায় ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রাথী হওয়ার ঘোষনা দেন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রেী শেখ হাসিনা ও আত্রাই- রানীনগর এলাকার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন হেলাল
আস্থা ,আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ,ন্যায় পরায়ন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, বিশিষ্ট ক্রিড়া সংগঠক, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগের কান্ডারী উন্নয়নের রুপকার ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয় আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সখিমুদ্দিন প্রামানিক।সখিমুদ্দিন ছাত্র জীবণ থেকেই আওয়ামী লীগের আদর্শ লালন করেন।তিনি বাল্যকালে অনেকদিন যাবৎআত্রাই উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূন্য রাজনীতির সাথে একই ক্যাটাগরী
রাজনৈতিকের আর্দশ্য বুকে ধারণ করেন। সখিমুদ্দীন ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।এ বিষয়ে বিস্তারিতআত্রাই উপজেলার কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রি মিডিয়ার প্রতিনিধিগনকে তিনি বলেন ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয়ন বাসীর দোয়া ও আর্শীবাদ নিয়ে আসন œইউপি নির্বাচনের প্রচরনা শুরু করবো ইনশাল্লাহ। এলাকাবাসী জানান, সখিমুদ্দিন প্রামানিক ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ।সখিমুদ্দিন প্রতিনিয়ত উপজেলার ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয়নেরবিভিন্নহাট বাজার,গ্রাম-পাড়া মহল্লায় সহ বিভিন্ন স্থানে গণ সংযোগ করছেন এবং নানা শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশলও শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন।এলাকাবাসী জানান—সখিমুদ্দিনপ্রামানিককে দলীয় সমর্থন দেয়া হলে নেতাকমীদের পাশাপাশি বিভিন্ন-শ্রেণীর লোকজন সমর্থন করবেন এবং বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সখিমুদ্দিন প্রামানিক সব সময় গরীব দুঃখী খেটে খাওয়া মানুষের পাশে থাকেন এবং সরকারের উন্নয়ন মূলক কাজগুলো করতে সর্বদা সচেষ্ট থাকেন। সখিমুদ্দিন প্রামানিক উপজেলা সাহেব গঞ্জ গ্রামের আওয়ামী লীগের প্রবীন নেতা মরহুম আলম প্রামানিক সুযোগ্য সন্তান।তিনি বলেন—এদেশ স্বাধীন হওয়ার পেছনে আমার বাপ দাদাদের ভ’মিকা ছিল প্রসংসনীয়। বাল্যকাল থেকেই আমরা আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত।আমাকে আমার দল তথা
আত্রাই-রাণীনগর অবিভাবক জনাব আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন হেলাল এমপি যোগ্য মনে করলে এবং এলাকাবাসী সহযোগীতা করলে আগামী ইউপি নির্বাচনে নুহ নবীর কিস্তী সেই নৌকা মার্কার প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে ইনশাল্লাহ।

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সখিমুদ্দিন প্রামানিক সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী

অনলাইন ডেস্ক: নেত্রকোনার কলমাকান্দায় একাধিকবার ভোটার আইডি কার্ড করায় প্রতারণার অভিযোগ এনে সুজন চন্দ্র শীল নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা একেএম মোছা বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে কলমাকান্দা থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।
অভিযুক্ত সুজন চন্দ্র শীল উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নের লেংগুরা গ্রামের বীরেন্দ্র চন্দ্র শীলের ছেলে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কর্মকর্তা মো. একেএম মোছা বলেন, ওই ব্যক্তি তথ্য গোপন করে একই নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে একাধিকবার ভোটার আইডি কার্ড বানিয়েছেন। তাই ভোটার তালিকা আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

কলমাকান্দা থানার ওসি এটিএম মাহমুদুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

কাধিক এনআইডি কার্ড করায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক: পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীনে ৩৬ ক্যাটাগরিতে ১৫৬২টি পদে (রাজস্ব খাতভুক্ত) জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। সবচেয়ে বেশিসংখ্যক নিয়োগ হবে ফার্মাসিস্ট (২৭৫), মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট-ল্যাব (১৪৮), অফিস সহায়ক (৪০৪) ও এমএলএসএস/নিরাপত্তা প্রহরী (৩৭৪) পদে। ৩০ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রতিদিনের ৮ নম্বর পৃষ্ঠায় এসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আবেদনের খুঁটিনাটি ও নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন

নিয়োগ পরীক্ষা যেভাবে

নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সমন্বয়) মতিউর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হলে নিয়োগ পরীক্ষা কবে, কিভাবে নেওয়া যায়—এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরীক্ষা কবে হতে পারে, এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সব পদের নিয়োগ পরীক্ষায় সর্বমোট ১০০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। প্রথমে ৭০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা হবে। তারপর ৩০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা।

তবে কম্পিউটার অপারেটর, সাঁটলিপি-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর—এসব পদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রার্থীকে কম্পিউটারের ব্যাবহারিক দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। অর্থাৎ উল্লিখিত এসব পদে ব্যাবহারিক পরীক্ষা হবে, অন্যান্য পদে ব্যাবহারিক পরীক্ষা হবে না। ব্যাবহারিক দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর হবে মৌখিক পরীক্ষা। এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষায় সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরির পদসংখ্যার তিন থেকে পাঁচ গুণ প্রার্থীকে উত্তীর্ণ করা হবে। এমসিকিউ পদ্ধতিতে ৭০ নম্বরের পরীক্ষায় প্রশ্ন থাকবে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান বিষয় থেকে। একজন প্রার্থী একাধিক ক্যাটাগরির পদে আবেদন করতে পারবেন, তবে সমস্যা হলো—একাধিক ক্যাটাগরির পরীক্ষা একই দিন অনুষ্ঠিত হতে পারে। এমনটি হলে যেকোনো একটি ক্যাটাগরির পদের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

কোন পদে কতজন নেবে

ফার্মাসিস্ট ২৭৫ জন, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) ১৪৮ জন, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (রেডিও) ২ জন, হেলথ এডুকেটর ১ জন, সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর ৩ জন, কম্পিউটার অপারেটর ১ জন, ফিল্ড ট্রেইনার ১ জন, প্রধান সহকারী ১ জন, হিসাবরক্ষক ৩ জন, উচ্চমান সহকারী ১ জন, গবেষণা সহকারী ২ জন, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর ৪০ জন, পরিসংখ্যান সহকারী ৫ জন, গুদামরক্ষক ৫ জন, কোষাধ্যক্ষ ৬ জন, সহকারী লাইব্রেরিয়ান ২ জন, ইপিআই টেকনিশিয়ান ১ জন, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ১৫৯ জন, টেলিফোন অপারেটর ২ জন, ডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর ১ জন, ওয়ার্ড মাস্টার ২ জন, লিনেনকিপার ২ জন, ইনস্ট্রুমেন্ট কেয়ারটেকার ২ জন, টিকিট ক্লার্ক ৪ জন, স্টেরিলাইজার-কাম-মেকানিক ২ জন, কিচেন সুপারভাইজার ১ জন, রেকর্ডকিপার ১ জন, কার্ডিওগ্রাফার ১ জন, গাড়িচালক ৩৪ জন, ইলেকট্রিশিয়ান ১ জন, অফিস সহায়ক ৪০৪ জন, এমএলএসএস/নিরাপত্তা প্রহরী ৩৭৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ৯ জন, ওয়াচম্যান ১ জন, কুক হেলপার ১ জন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ৬৪ জন।

আবেদনের যোগ্যতা

প্রতিটি পদে আবেদনের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার শর্ত ভিন্ন ভিন্ন। পদভেদে শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি/সমমান থেকে শুরু করে স্নাতক (সম্মান) পর্যন্ত। কিছু জেলার সাধারণ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। তবে এতিম ও প্রতিবন্ধী কোটায় সব জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে বিজ্ঞপ্তি দেখুন এই লিংক থেকে— dgfp.teletalk.com.bd/dgfp1

আবেদনের সময় ও বয়সসীমা

অনলাইনে (dgfp.teletalk.com.bd) আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৩০ নভেম্বর ২০২০, বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সাধারণ প্রার্থীর বয়সসীমা হতে হবে ১৮ থেকে ৩০ বছর (২৫ মার্চ ২০২০ তারিখে)। তবে মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যা ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩২ বছর।

নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি  পরামর্শ

► বাংলা

বাংলায় সাধারণত দুই ধরনের প্রশ্ন আসে—প্রথমত সাহিত্য, দ্বিতীয়ত ব্যাকরণ। বাংলা সাহিত্যের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, জসীমউদ্দীন, মীর মশাররফ হোসেন, দীনবন্ধু মিত্র, ফররুখ আহমদ, কায়কোবাদ, বেগম রোকেয়া, শামসুর রাহমান গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ, বিখ্যাত পত্রিকার সম্পাদকের নামও পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আর ব্যাকরণ অংশের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে—পরিভাষা, এককথায় প্রকাশ, বাগধারা, বানান, শুদ্ধ-অশুদ্ধ, সমার্থক শব্দ, শব্দ, উপসর্গ, সমাস, সন্ধি ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ। এ অংশের প্রস্তুতির জন্য নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা ব্যাকরণ’ বই সবচেয়ে কাজের।

► ইংরেজি

ইংরেজি বিষয়ের প্রস্তুতির জন্য সবার আগে নিজের ইংরেজি জ্ঞানের ভিত্তি মজবুত করতে হবে। তারপর বাজারের ভালো মানের কোনো নিয়োগ পরীক্ষার বই থেকে Parts of speech, Subject verb agreement, Conditional sentence, Affirmative Negative agreement, Tag Question, Correct spelling, Synonyms and Antonyms, Idioms and Phrases, Substitution Word, Appropriate preposition, Translation প্রভৃতি বিষয় খুব ভালো করে অনুশীলন করতে হবে। এসব টপিকের ওপর আগের নিয়োগ পরীক্ষায় আসা প্রশ্নগুলো গুরুত্বসহ দেখতে হবে। কারণ পরীক্ষায় অনেক সময় হুবহু বিগত বছরের প্রশ্ন আসে। এ ছাড়া বিগত পরীক্ষার সাহিত্য বা Literature

অংশের গুরুত্বপূর্ণ টপিক বা প্রশ্ন অনুশীলন করতে পারেন।

► গণিত

গণিত প্রস্তুতির ক্ষেত্রে ষষ্ঠ থেকে নবম-দশম শ্রেণির গণিত বইগুলোকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া যেতে পারে। এরপর বাজারের প্রচলিত ভালো মানের কোনো বই থেকে লসাগু, গসাগু, শতকরা, সরল ও যৌগিক মুনাফা, লাভ-ক্ষতি, অনুপাত-সমানুপাত, বীজগণিতের মান নির্ণয়, উপাদক, সূচক, লগারিদম, সমান্তর ও গুণোত্তরধারা অধ্যায়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

► সাধারণ জ্ঞান

সাধারণ জ্ঞানের প্রস্তুতির জন্য শুরুতে অষ্টম-নবম ও দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই পড়া যেতে পারে। তারপর সাধারণ জ্ঞানের কোনো বই থেকে মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাংলাদেশের সম্পদ, বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, বাঙালির সংস্কৃতি ও শিল্পকলা, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা, খেলাধুলা ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের জাতীয় অর্জন প্রভৃতি বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বিষয়ের প্রস্তুতির জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা-সংগঠন, বিভিন্ন দেশের পরিচিতি, বিশ্বের বড় বড় যুদ্ধ-সংঘাত, প্রণালী, গণমাধ্যম, খেলাধুলা প্রভৃতি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সমসাময়িক তথ্য ও খবর সম্পর্কে আপডেট থাকতে হবে।

ভালো প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশের ও আন্তর্জাতিক মানচিত্র খেয়াল করে দেখা যেতে পারে। মানচিত্রসংশ্লিষ্ট তথ্য থেকেও প্রশ্ন থাকতে পারে। সাধারণ জ্ঞানে ভালো করার জন্য বিগত সালে আসা যেসব প্রশ্নের গুরুত্ব বর্তমানেও আছে, সেগুলো পড়তে পারেন।

প্রতিদিন বাংলা দৈনিক পত্রিকার পাশাপাশি অন্তত একটি ইংরেজি পত্রিকা পড়া যেতে পারে। নিয়মিত তথ্য বা খবরের আপডেট পেতে ফেসবুকে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের পেজ লাইক দিয়ে রাখতে পারেন।

► বিশেষ পদে বিশেষ প্রস্তুতি

ফার্মাসিস্ট, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট, হেলথ এডুকেটর প্রভৃতি পদের পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান অংশে বিজ্ঞান থেকে কিছু প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

তাই বিজ্ঞানও প্রস্তুতি পরিকল্পনায় রাখতে হবে। এ ছাড়া কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর প্রভৃতি পদে সাধারণ জ্ঞান অংশে কম্পিউটারবিষয়ক প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই কম্পিউটার বিষয়ের প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে।

এসব পদের জন্য যেহেতু ব্যাবহারিক পরীক্ষা আছে, তাই ব্যাবহারিক দক্ষতা বাড়াতে এখন থেকেই নিয়মিত চর্চা করতে হবে। অনেকে লিখিত পরীক্ষায় ভালো করেও ব্যাবহারিক পরীক্ষায় আটকে যান।

ব্যাবহারিক কাজে দুর্বলতা থাকলে ইউটিউবের টিউটরিয়াল দেখে বাসায় চর্চা করতে পারেন।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নেবে ১৫৬২ জন

মোঃ আল আমিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মাছিহাতা ইউনিয়নের উত্তর জগৎ সার পূর্ব পাড়া ফেন্ডস্ ফর লাইফ এর উদ্যোগে জনাব ড.এস এম সেরাজুস সালেহীন এর সভাপতিত্বে ব্যাটমিন্টন নাইট টুর্নামেন্ট খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্ট খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও সমাজ সেবক জনাব মোঃ ফজলে রাব্বি। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন মোঃ আশিদ মিয়া, মোঃ ইরিন মিয়া,মোঃ নিজাম মিয়া,মোঃ মহিউদ্দিন মিয়া ( অবসর প্রাপ্ত পুলিশ ) মোঃ জাবেদুর রহমান ( জাবেদ ) মোঃ শাহনেওয়াজ মিয়া,মোঃ লুৎফুল রহমান, মোঃ কাউছার মিয়া, মোঃ রুহুল আমিন ( প্রধান শিক্ষক, নতুনকুডি ) মোঃ রিয়াজুল হক বাবু ( প্রবাসী ) মোঃ শিরু মিয়া ( ব্যবসায়ী ) অতিথিদের বক্তব্যে বলেন জাতি গঠনে শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই। শেখ রাসেল স্মৃতি ক্রীড়া পরিষদ ও আদিল একাদশ দুটি দলের মধ্যে ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত খেলায় বিজয়ী হন আদিল একাদশ। ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্ট খেলায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন সভাপতি জনাব সেরাজুছ সালেহীন ও প্রধান অতিথি জনাব মোঃ ফজলে রাব্বি সহ সকল অতিথি বৃন্দ্য। সঞ্চালনায় ছিলেন কামরুল হাসান সাকিন, সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রাকিব মিয়া।

উত্তর জগৎ সার পূর্ব পাড়া ফেন্ডস্ ফর লাইফ এর উদ্যোগে ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত।

সমাজের অবহেলিত ব্যাক্তিদের নানা ধরনের সমাজ সেবামূলক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এভারগ্রীন ফাউন্ডেশন।নানা ধরনের কার্যক্রমের মধ্যে দিয়ে রক্তদান কার্যক্রম উক্ত ফাউন্ডেশনের মূল মন্ত্র।২০১৯ সাল থেকে শুরু করে উক্ত ফাউন্ডেশন করোনা কালীন সহায়তা,শীত বস্ত্র বিতান,রক্ত দান,গ্রামীন খামার পরিচালনার সেবা প্রদান,গাছ লাগানো থেকে শুরু করে মাসিক পথ শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা করে যাচ্ছে উক্ত ফাউন্ডেশন। তবে সরকারী ভাবে নিবন্ধন না পেলেও সমাজ গঠন মূলক কার্যক্রমে উক্ত ফাউন্ডেশনের ভূমিকা অপরিসীম।উক্ত ফাউন্ডেশনের সাথে যুক্ত হয়ে চ্যানেল ২৬ এর চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন,আমার দীর্ঘ দিনের নানা ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে আমি মানুষের সমস্যা কতটুকু তা জানতে পারিনী তবে উক্ত সংগঠনের মাধ্যমে আমি জানতে এবং বুঝতে পারলাম একটি মানুষ অন্যের সহায়তা ছাড়া কতটা অচল।এবং মানুষের সেবা করা কতটা আনন্দের। আমি আশা করি উক্ত ফান্ডেশন মানুষের সেবায় এগিয়ে যাবে।

সমাজ সেবামূলক কার্যক্রম নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এভারগ্রীন ফাউন্ডেশন।

অনলাইন ডেস্ক: ভাইরাল হয়ে যাওয়া এক ছবিতে দেখা যায়, এক নারীর সঙ্গে বিছানায় বসে আছেন ভারতের যোগগুরু বাবা রামদেব। ছবিতে ওই নারীর কাঁধে হাত রেখে হাসিমুখে আছেন তিনি। ওই ছবি সম্প্রতি ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।

টুইটারে ছবিটি পোস্ট করে রামদেবকে ব্যাপকহারে গালিগালাজ করছেন অনেকেই। একইভাবে ফেসবুকেও ছবি-পোস্টে রামদেবকে ‘চরিত্রহীন’ বলা হচ্ছে।

ছবিটি আগেও ভাইরাল হয়েছিল। ২০১৮ সালেও ভাইরাল হয়েছিল ওই ছবি। পাঁচ বছর ধরেই নেটদুনিয়ায় ঘুরে-ফিরে দেখা গেছে রামদেবের ছবিটি। দুই বছর আগে একই ছবি পোস্ট করে রামদেব ‘যৌন কলঙ্কে’ ফাঁসবেন বলে দাবি করা হয়েছিল।

তবে ছবিটি পাঁচ বছর আগের। ছবিতে রামদেবের সঙ্গে থাকা নারী আসলে ক্যান্সার আক্রান্ত (তখন বয়স ২৭)। বেদান্ত হাসপাতালে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল রামদেবের।

গুগলের রিভার্স ইমেজ সার্চ ব্যবহার করে ওই ছবি সম্পর্কে জানা যায়, ছবিটি ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বরের। রামদেবের অফিসিয়াল ফেসবুকেও ওই ছবি একই সময়ে পোস্ট করা হয়েছিল।

ওই পোস্টে রামদেব বলেন, আমার এই বোন প্রীতি ক্যান্সারে ভুগছেন এবং মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। পতঞ্জলী যোগপীঠের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে একজনের পরিবারের সদস্য প্রীতি। বেদান্ত হাসপাতালে আমি এই বোনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি এবং তাকে আশীর্বাদ দিয়েছি। এছাড়াও তাকে প্রাণায়ম শেখানোর সঙ্গে আয়ুর্বেদ ওষুধও দিয়েছি।

নারীর সঙ্গে বিছানায় রামদেব, ভাইরাল ছবির পেছনের গল্প জেনে নিন

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি:খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং কুলবাড়িয়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম মুন্নার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উপহার গৃহহীনদের জন্য ঘর উপহার। সেই ঘর দেয়ার কথা বলে এক হতদরিদ্র ভ্যান চালকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় হতদরিদ্র ব্যক্তি ঘর না পেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়া ডুমুরিয়া থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেছেন। যার নং-৪৪ তারিখ ১/০২/২০২১।
ডুমুরিয়া উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাক আলী খার পুত্র মোঃ আবু বক্কর খাঁ তার অভিযোগ উল্লেখ করেন, তিনি একজন হতদরিদ্র ব্যক্তি। তার কোন জায়গা জমি নেই। ভ্যান চালিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে কোন রকম দিনাতিপাত করেন। ওয়াপদার উপর কুড়ে ঘর বানিয়ে সেখানে বসবাস করেন। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার উপহার ভূমিহীনদের জায়গাসহ ঘর নির্মান করে দিচ্ছেন। এসময় তিনি আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং কুলবাড়িয়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম মুন্নার কাছে গেলে ঘর পাওয়ার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবী করেন। তিনি ঘর পাওয়ার আশায় অনেক কষ্টে ধার দেনা করে ১০ হাজার টাকা দেন। কিন্তু ঘর দেয়ার সময় তার নামটা তালিকায় নেই। অর্থাৎ তিনি ঘর পাননি। একারণে তিনি ঘর না পেয়ে গত ২৫ জানুয়ারী খুলনার জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এছাড়াও মোঃ আবু বক্কার খাঁ বলেন, অভিযোগের বিষয়টি জানতে পেরে ইউপি সদস্য আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়েছেন। এরই জের ধরে ৩১ জানুয়ারী বিকালে বাড়ী থেকে বাজারের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে সবুজ শেখের বাড়ীর সামনে দেখামাত্র আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দেন এবং জীবন নাশের হুমকি প্রদান করেন।
এব্যাপারে ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম মুন্না বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। শুধুমাত্র তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

ডূমুরিয়ার ইউপি সদস্য হালিমের বিরুদ্ধে আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর দেয়ার আশ্বাসে ১০ হাজার টাকা নেয়ার অভিযোগ।

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ-১৪ এ ফেব্রুয়ারি আসন্ন আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচনে পৌরসভার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৩ নং ওয়ার্ডে উট পাখি মার্কা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে,প্রচণ্ড শীতকে উপেক্ষা করে দোয়া মাহফিল,উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ করেছেন প্যানেল মেয়র, কাউন্সিলর আব্দুর রামীম বাঁধন।
রবিবার তিনি ৩ নং ওয়ার্ডের বৃহত্তর মহল্লা ফকিরপাড়ায় মিলাদ মাহফিলের তোবারক বিতরণের মধ্য দিয়ে ভোটাদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন এবং এর আগে গত শুক্রবার সন্ধায় ওয়ার্ডের হাজিপাড়া মহল্লায় একটি ছাগল জবাই করে মিলাদ মাহফিলের মধ্য করে শতশত সাথে আলোচনা সভা করেন এবং দিনরাত দফায় দফায় চালিয়ে যাচ্ছেন গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ।
এসময় তিনি ভোটারদের আবারো সমর্থন, দোয়া কামনা ও পুনরায় ভোট প্রার্থনা করেন।
প্যানেল মেয়র,কাউন্সিলর আব্দুর রামীম বাঁধন ভোটাদের উদ্দেশে বলেন, গত নির্বাচনে আপনারা ভালোবেসে আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন এবং আমি তা যথাযথ পালনে সচেষ্ট ছিলাম। সেই কারনেই আমি আবারো আপনাদের দরজায় হাজির হয়েছি। আপনাদের কাছে ভোট প্রাথণা করছি। ইনশআল্লাহ আপনারা আমাকে আবারো বিজয়ী করবেন এবং আমি আবারো বিজয়ী হলে আমার প্রাণপ্রিয় ৩ নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক ওয়ার্ডে পরিণত করবো।
২৭ শে জানুয়ারি তার প্রতীক বরাদ্দর পর থেকেই দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা,উঠান বৈঠক সহ গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তার সকল কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন- এ ওয়ার্ডের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সমাজসেবক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাইদুর রহমান কবিরাজ ,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা পাপ্পু পারভেজ,ছাত্রলীগ নেতা আরিয়ান হৃদয় সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এ ওয়ার্ডে আরো কয়েকজন প্রার্থী থাকলেও জন জরিপে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে থাকা কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুর রামীম বাঁধন সাংবাদিকদের বলেন,গত নির্বাচনে আমাকে এ ওয়ার্ডের ভোটারা ভালোবেসে নির্বাচিত করেছিলেন তাদের ভালোবাসার অবদান আমি কখনো শোধ না করতে পারলেও গত ৫ বছরে তাদের সেবাদানের জন্য প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজখবর নিয়েছি তাদের ছোটবড় সকল সমস্যা গুলো সমাধান করার চেষ্টা করেছি পাশাপাশি ওয়ার্ডের সকল উন্নয়নকাজ গুলো যথাসময়ে করেছি এবং চলমান কাজ গুলো আবারো নির্বাচিত হলে তা সমাপ্ত করবো ইনশাআল্লাহ। তিনি আরো বলেন,এ ওয়ার্ডের একটিও ভোটার আমার বিরুদ্ধে বলতে পারবে না যে আমি গত ৫ বছরে তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর নেইনি তাদের সমস্যার কথা শুনিনি। আমি তাদের যেকোনো সমস্যায় দিনরাত তাদের পাশে ছিলাম এবং আগামীতেও তাদের সেবা করতে পাশে থাকবো এই আশায় আবারো ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে উট পাখি মার্কা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছি, ইনশাআল্লাহ আগামী ১৪ এ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আমার প্রতীক উট পাখি মার্কায় ভোট দিয়ে আবারো নির্বাচিত করে পুনরায় ওয়ার্ডবাসীরা তাদের সেবা করার সুযোগ করে দিবেন।

আক্কেলপুর ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাঁধনের ব্যাপক প্রচারনা

মোঃ সামিউল আলম, বিরামপুর (দিনাজপুর):
আসছে শীতকাল। আর এই শীতের আগমনীতে সন্ধ্যা হলেই নামছে শীত, বইছে শীতল হাওয়া। রাত যত গভীর হয়, শীতের প্রকোপও ততই বাড়তে থাকে। এতে বিশেষত অধিক কষ্টে রাত যাপন করে ছিন্নমূল সাধারণ মানুষেরা। আর এসব ছিন্নমূল দুস্থ্য শীতার্ত মানুষদের পাশে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহার স্বরুপ তাদের গায়ে শীতের কম্বল জড়িয়ে দিলেন দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকার।
শুক্রবার দিবাগত রাতে বিরামপুর রেলওয়ে স্টেশন প্লাটফর্মে হঠাৎ করেই কম্বল নিয়ে হাজির হন তিনি। এমন খবরে দ্রæত রেলস্টেশন গিয়ে দেখা যায়, প্লাটফর্মে ঘুমন্ত ব্যক্তিদের শীত মোচনের জন্য তাদের গায়ে নিজ হাতে কম্বল জড়িয়ে দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। পরে স্টেশন চত্ত¡রের আশেপাশে খোঁজ করে দুস্থ্য-অসহায় ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে তাদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন। রেলস্টেশন থেকে বেরিয়ে শহরের ঢাকামোড়, কলেজ বাজার, রেলগেট এলাকা ও পূর্বপাড়া মোড় সহ মহাসড়কের উভয় পাশে ছিন্নমূল দুস্থ্য ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে তাদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকার। শেষে একটি এতিমখানায় ছাত্রদের শীত নিবারণের জন্য কম্বল বিতরণ করেন। এসময় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাউছার আলী ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।
কম্বল পেয়ে পূর্বপাড়া মহল্লার খতেজা বিবির বৃদ্ধা মা আবেগে আতœহারা হয়ে বলেন, শীত আসে আর যায় বাহে, হারা কোন কম্বল পায়না। এবার হামার প্রধানমন্ত্রী কম্বল দিয়ে পাঠাইছে হামার কাছত। এনকা ইউএনও সব জাগাত থাক হারা এই দুয়া’ই করি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকার জানান, শীতে যেন কোন ছিন্নমূল মানুষ কষ্ট না পান সে ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। পুরো শীত জুড়েই এমন মানবিক কর্মকান্ড চলমান থাকবে বলে তিনি জানান।

শীতের রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির হলেন ইউএনও

themesbazartvsite-01713478536
error: Content is protected !!