দেশের অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের অভিনয়কে পুঁজি করে কি ধরণের বিনোদন প্রদর্শন করছে ইউটিউব চ্যানেল মিউজিক বাংলা টিভি

দেশের অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের অভিনয়কে পুঁজি করে কি ধরণের বিনোদন প্রদর্শন করছে ইউটিউব চ্যানেল মিউজিক বাংলা টিভি

ভাষার জন্য যারা দিয়ে গেছে প্রাণ, তাদের প্রতি লাখো সালাম। সেই ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে একটি স্বাধীন দেশে শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটবে, এটাইতো স্বাভাবিক। বিশে^র সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে বাঁধা নেই। অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এই সভ্য সমাজ ব্যবস্থায় কিছুলোক কেবলমাত্র নিজের স্বার্থে দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে বিনোদনের নামে নানাভাবে বিনোদন প্রেমিকদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে। অনলাইন জগতে বিনোদনের নামে তেমনি এক ব্যতিক্রমধর্মী ইউটিউব চ্যানেল মিউজিক বাংলা টিভি। এর প্রযোজনা, পরিচালনা ও প্রকাশনায় জনৈক রুবেল হাওলাদার। বিশ^স্ত সূত্রে জানা গেছে এই রুবেল, হাওয়ালাদার কেবলমাত্র আর্থিক উপার্জনের লক্ষ্যে ইউটিউবে কথিত চ্যানেল মিউজিক বাংলা টিভি, (গইঞ)তে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের দিয়ে বিভিন্ন ধরণের ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। এ ইউটিউব চ্যানেলে প্রত্যক্ষ করলে দেখা যাবে রুবেল হাউলাদারের প্রযোজনা ও পরিচালনায় বেশ কয়েকটি নাটকও টেলিফিল্ম, শর্ট ফিল্ম প্রচার করছে। এখানে বলতে বাধা নেই যে এসব ভিডিওগুলি তিনি কোন অশুভ উদ্দেশ্যে তৈয়ার করেছেন। এ ক্ষেত্রে আরও বলা প্রয়োজন যে, দেশের প্রচলিত আইনে কোথাও এবং কোন ক্ষেত্রেই অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশুদের কর্মকে স্বীকৃতি দেয় না। তিনি কিভাবে দেশের ২ থেকে ১০/১২ বছরের শিশুদের অভিনয়কে কাজে লাগিয়ে এমন আপত্তিকর বিনোদনে লিপ্ত তা কারও বোধগম্য নহে। বিশেষ করে একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি। বর্তমান সরকার জনস্বার্থে দেশকে একটি ডিজিটাল প্রক্রিয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঠিকাশ ঘটানো অপরিহার্য্য মনে করছে। ইতোমধ্যে সরকার এ লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি জেলা উপজেলা পর্যায়ে সুষ্ঠু ধারার সংস্কৃতিসহ সকল জন কল্যাণমূলক কর্মকাÐের পাশাপাশি সার্বিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। অথচ লক্ষ করলে দেখা যাবে কথিত এই ইউটিউব চ্যানেল “মিউজিক বাংলা টিভি” (গইঞ)’র মালিক জনৈক রুবেল হাওলাদার ইউটিউব থেকে প্রচুর অর্থ উপার্জনের জন্য ১ বছরের শিশু থেকে বেশির ভাগ ৭/৮ বছরের শিশুদের দিয়ে কথিত ঘটনা সাজিয়ে নাটক, শট ফিল্ম, টেলিফিল্মসহ নানা ভিডিও বানিয়ে ইউটিউব চ্যানেল, মিউজিক বাংলা টিভি-তে চালিয়ে যাচ্ছেন। যা অপসংস্কৃতির পাশাপাশি অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশুদেরকে ব্যবহার করা হচ্ছে। ইউটিউব চ্যানেল “মিউজিক বাংলা টিভি” (গইঞ) বিদ্যমান ভিডিওগুলো প্রত্যক্ষ করলে এমনটিই মনে করবেন দেশের সচেতন মহল। তাই এই অপসংস্কৃতি রোধ হওয়া অত্যাবশ্যক। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং সংস্থাগুলো শিশুশ্রম রোধে অভিযোগটি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন এমনটাই প্রত্যাশা সকল মহলের।

শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক:  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস গত দু’দিন দিন যাবত অসুস্থ ছিলেন। গতকাল কোভিড-১৯ পরীক্ষার পর আজ পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে। বাসায় থেকে চিকিৎসকের পরামর্শে তারা চিকিৎসা নিচ্ছেন।’

শায়রুল বলেন, ‘পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন আব্বাস দম্পতি।’

এদিকে আব্বাস দম্পতি ছাড়াও দলটির আরও একাধিক শীর্ষ নেতা নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপনসহ আরও অনেকে।

মির্জা আব্বাস ও আফরোজা আব্বাস করোনা পজিটিভ

অনলাইন ডেস্ক: ভাইরাল হয়ে যাওয়া এক ছবিতে দেখা যায়, এক নারীর সঙ্গে বিছানায় বসে আছেন ভারতের যোগগুরু বাবা রামদেব। ছবিতে ওই নারীর কাঁধে হাত রেখে হাসিমুখে আছেন তিনি। ওই ছবি সম্প্রতি ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।

টুইটারে ছবিটি পোস্ট করে রামদেবকে ব্যাপকহারে গালিগালাজ করছেন অনেকেই। একইভাবে ফেসবুকেও ছবি-পোস্টে রামদেবকে ‘চরিত্রহীন’ বলা হচ্ছে।

ছবিটি আগেও ভাইরাল হয়েছিল। ২০১৮ সালেও ভাইরাল হয়েছিল ওই ছবি। পাঁচ বছর ধরেই নেটদুনিয়ায় ঘুরে-ফিরে দেখা গেছে রামদেবের ছবিটি। দুই বছর আগে একই ছবি পোস্ট করে রামদেব ‘যৌন কলঙ্কে’ ফাঁসবেন বলে দাবি করা হয়েছিল।

তবে ছবিটি পাঁচ বছর আগের। ছবিতে রামদেবের সঙ্গে থাকা নারী আসলে ক্যান্সার আক্রান্ত (তখন বয়স ২৭)। বেদান্ত হাসপাতালে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল রামদেবের।

গুগলের রিভার্স ইমেজ সার্চ ব্যবহার করে ওই ছবি সম্পর্কে জানা যায়, ছবিটি ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বরের। রামদেবের অফিসিয়াল ফেসবুকেও ওই ছবি একই সময়ে পোস্ট করা হয়েছিল।

ওই পোস্টে রামদেব বলেন, আমার এই বোন প্রীতি ক্যান্সারে ভুগছেন এবং মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। পতঞ্জলী যোগপীঠের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে একজনের পরিবারের সদস্য প্রীতি। বেদান্ত হাসপাতালে আমি এই বোনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি এবং তাকে আশীর্বাদ দিয়েছি। এছাড়াও তাকে প্রাণায়ম শেখানোর সঙ্গে আয়ুর্বেদ ওষুধও দিয়েছি।

নারীর সঙ্গে বিছানায় রামদেব, ভাইরাল ছবির পেছনের গল্প জেনে নিন

ঢাকা-বরিশাল পথে চলাচলকারী এমভি অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চে মেয়ের জন্ম দিয়েছেন এক প্রসূতি। গতকাল শনিবার গভীর রাতে ঢাকা থেকে বরিশালে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। মা ও নবজাতক মেয়ে সুস্থ আছে। লঞ্চটির কর্মচারীরা বলেন, ‘গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে চাঁদপুরের ষাটনল এলাকার মেঘনা নদী অতিক্রমের সময় ওই প্রসূতি সন্তানের জন্ম দেন। নবজাতক নিরাপদে পৃথিবীর আলো দেখায় লঞ্চজুড়ে একটা উৎসবের আমেজ দেখা দেয়। লঞ্চের সুপারভাইজার নুর খান মাসুদ বলেন, ‘খবরটি জানতে পেরে লঞ্চটির মালিকের স্ত্রী নবজাতকের নাম রেখেছেন নুসাইবা। এ ছাড়া লঞ্চ মালিক নিজাম উদ্দিন মৃধা ওই দম্পতি ও নবজাতক আজীবন এই কোম্পানির লঞ্চে বিনা ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারবেন বলে ঘোষণা দেন। লঞ্চের কর্মচারীরা বলেন, বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল এলাকার বাসিন্দা ফোরকান হাওলাদার ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রী ফাহিমা বেগমকে নিয়ে শনিবার রাতে ঢাকা থেকে লঞ্চের কেবিনে করে বরিশালের উদ্দেশে যাত্রা করেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্ত্রীর প্রসবব্যথা ওঠে। ফোরকান তখন লঞ্চের অন্য যাত্রীদের বিষয়টি জানান। লঞ্চের যাত্রী দুই নারীর সহায়তায় ফাহিমা নিরাপদে সন্তান জন্ম দেন। লঞ্চে থাকা একজন চিকিৎসক যাত্রীও এ সময় এগিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা করেন। সকালে ওই দম্পতি বরিশাল নৌবন্দরে নেমে বাড়ি চলে যান।

চলমান লঞ্চে সন্তানের জন্ম বিনা ভাড়ায় আজীবন যাতায়াত

নিলয় ধর,যশোর প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুরে সুরাইয়া পারভীন সাথী নামে এক কলেজছাত্রীকে অপহরনের অভিযোগে সোমবার সন্ধ্যার পর থানায় নিউ ব্রিকসের মালিক মহিদুল ইসলাম, মশ্বিমনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলামের ছেলে সিয়াম হোসেনসহ চারজনের নাম উল্লেখসহ একটি মামলা করা হয়। সুরাইয়া পারভীন সাথীর পিতা সার ব্যবসায়ী রেজাউল করিম এই মামলাটি করেছেন।এর মধ্যে অপহরনকারী মহিদুল ইসলাম সম্পর্কে অপহৃত সাথীর চাচা হন। রাতে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ সাথীকে উদ্ধারসহ কাউকে আটক করতে পারেনি।মামলার বাদী উপজেলার মশ্বিমনগর ইউনিয়নের হাজরাকাঠি বেলতলা গ্রামের সার ব্যবসায়ী রেজাউল করিম জানিয়েছেন, তার মেয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থী সুরাইয়া পারভীন সাথী শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে দর্জির কাছ থেকে জামা-কাপড় নিয়ে বাড়ি আসছিল।পথিমধ্যে হাজরাকাঠি এলাকার নিউ ব্রিকসের মালিক মহিদুল ইসলাম তার অপর তিন সহযোগী সিয়াম হোসেন, আবদুল কাদের এবং আশরাফুল ইসলামকে সাথে নিয়ে সাথীকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে উঠিয়ে অপহরন করেন। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করেও কোন সন্ধ্যান না পাওয়ায় সোমবার রাতে সাথীর পিতা বাদি হয়ে হাজরাকাঠি গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে নিউ ব্রিকসের মালিক মহিদুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলামের ছেলে সিয়াম হোসেন, জুম্মত আলী সানার ছেলে আবদুল কাদের এবং মোস্তফা হোসেনের ছেলে আশরাফুল ইসলামের নামে অপহরন মামলা করেছেন। 

তবে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, মহিদুলের সাথে সাথীর দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। সাথীর অভিভাবকরা মহিদুলের সাথে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় ওরা শনিবার বিকেলে পালিয়েছে। অন্যদিকে সাথীর পিতা রেজাউল করিম জানিয়েছেন, তার মেয়ের সাথে মহিদুলের ইতিপূর্বে সম্পর্ক ছিল। কিন্তু বর্তমান সাথী তাকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় মহিদুল অপহরন করে নিয়ে গেছে।

 অপহরনকারি মহিদুল ইসলাম রেজাউল করিমের ফুফাতো ভাই।আর সম্পর্কে মহিদুল ইসলাম সাথীর চাচা হয়। মনিরামপুর থানার ওসি(তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান চারজনের বিরুদ্ধে অপহরন মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়, সাথীকে উদ্ধারসহ আসমিদের আটক করার চেষ্টা চলছে।

মণিরামপুরে আ’লীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে কলেজ ছাত্রী অপহরনের মামলা

সুমন ইসলাম বাবু – লালমনিরহাট: লালমনিরহাটের ২০ বছর ধরে তেলের ঘানি টানেন ছয়ফুলেরে দম্পতি নিজে গরু কিনার সামথ না থাকায় অভাবকে েেমাকাবেলা করেই যাচ্ছেন ছয়ফুলেরে দম্পতি নিজে ঘানি টেনে পেট ভরে খাবারের জন্য গরু না থাকায় ২০ বছর ধরে তেলের ঘানি টানেন লালমনিরহাটের কাকিনা তেলীপাড়ার ছয়ফুল ইসলাম(৪৫) ও মোর্শেদা বেগম(৩৮) দম্পতি।তেলী পরিবারটিতে গিয়ে দেখা যায় বাড়ীর উঠানে পলিথিনের চালা ঘরে স্থাপন করা হয়েছে গাছের গুঁড়ি দিয়ে তৈরি তেলের ঘানিটি। কার্যক্রম বিষয়ে কথা হলে ছয়ফুল দম্পতি জানান এক সময়ে একটি গরু থাকলেও সেটি মারা যাওয়ায় সংসারেরঘানি টানতে নিজেরাই টেনে চলছেন এ তেলের ঘানি।স্থানীয়ভাবে সেটিকে বলা হয় তেলগাছ। সেখানে স্ত্রী সন্তানের সহযোগিতায় জোঁয়াল কাধে ঘানিটানছেন ছয়ফুল। উদ্দেশ্য সরিষা হতে তেল তৈরি ও বিক্রি করে জীবিকা আর সন্তানদের পড়াশোনার খরচ যোগানো।এই প্রতিবেদককে জানান তিনি
সহায় সম্বল বলতে পৈত্রিকভাবে পাওয়া ৩ শতক জমি যেখানে টিনের ঘরে ২ ছেলে ও ১ মেয়ে নিয়ে বসবাস তাঁদের। প্রতিদিন ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা ঘানি টেনে যে তেল পান তা খৈলসহ বিক্রি করে আয় হয় ২শ থেকে ২শ ৫০ টাকা যা দিয়ে কোনোরকম সংসার চালিয়ে দিনাতিপাত করেন পরিবারটি। তাই অর্থ সঞ্চয় না হওয়ায় সম্ভব হয়না একটি গরু কেনাও যা দিয়ে ঘানি টেনে নিস্কৃতি পেতে পান অসহায় তেলী পরিবারটি।

লালমনিরহাটের ২০ বছর ধরে জোঁয়াল কাধে তেলের ঘানি টানেন ছয়ফুলেরে দম্পতি নিজে সন্তানের উচ্চ শিক্ষা করার জন্য

বিনোদন রিপোর্ট: আসছে গীতিকার শফিউল বারী রাসেলের লিখা গানে নির্মিত মিউজিক্যাল ফিল্ম “চরম অভিশাপ”। চমৎকার এই গানটির সুরারোপ করেছেন সময়ের ব্যস্ততম সুরকার গানচাষি খ্যাত প্লাবন কোরেশী। গানটি গেয়েছেন উদীয়মান কণ্ঠশিল্পী নাজক। সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন প্রতিশ্রুতিশীল সঙ্গীত পরিচালক শামীম আশিক। এসএম আইয়ুব আলী খাঁন কায়সারের পরিচালনায় মিউজিক্যাল ফিল্মটিতে অনবদ্য অভিনয় করেছেন আকাশ সেন, সাগর ও সাবরিন শানু।

সম্প্রতি ঢাকা ও ঢাকার আশপাশের মনোরম লোকেশনে গানটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। আসছে ঈদে গানটি এএন এন্টারটেইনমেন্ট এর ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হবে।

”তোমরা যাকে প্রেম বলো,আমি বলি পাপ” ভিন্ন ঘরনার এ গানটিতে প্রেম, বিরহ ও পরকীয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

গানটি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে গীতিকার শফিউল বারী রাসেল বলেন, প্রথমত গানটি গতানুগতিক ধারার বাহিরের একটি লিখা, দ্বিতীয়ত এসময়ের গুনী সুরকার গানচাষি খ্যাত প্লাবন কোরেশীর সুরারোপে গানটি হয়েছে বেশ প্রানবন্ত।গানটির সঙ্গীত ও গায়কী খুবই প্রশংসনীয়। তাছাড়া মিউজিক্যাল ফিল্মের কারনে গানটি আমার বিশ্বাস দর্শক নন্দিত হবে।

সুরকার গানচাষি প্লাবন কোরেশী বলেন, রবীঠাকুরের দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়ার মত এক বলয়ে বসবাস করেও দীর্ঘদিন জানতে পারিনি গীতিকবি শফিউল বারী রাসেলের মাথায় গানের ভুতেরা বাসা বেঁধেছে বহু আগেই। আবার যখন জানলাম, তারপরেও কাজ করা হয়নি নানা কারনে। এবার সেই জট এই “চরম অভিশাপ” শিরোনামের গানের মাধ্যমে খুলে গেলো। অসাধারণ কথামালার এ গানটির জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা ও সংশ্লিষ্ট সবার জন্য ভালোবাসা রইলো।

কণ্ঠশিল্পী নাজক বলেন, গানটির কথা, সুর ও সঙ্গীত তিনজন গুনী মানুষের সমন্বয়ে করা। সব মিলিয়ে চমৎকার একটি গান হয়েছে।গানটির মিউজিক্যাল ফিল্ম আকারে ঈদ উপলক্ষে এএন এন্টারটেইনমেন্ট ইউটিউব চ্যানেলে আসছে। আমি আশাবাদি  গানটি সবার ভালো লাগবে।সবার দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।

গানটির সঙ্গীত পরিচালক শামীম আশিক বলেন, গানটি সব মিলিয়ে দারুণ হয়েছে। বিশেষ করে গানের কথা ও সুর অসাধারণ হয়েছে। আশা করছি মিউজিক্যাল ফিল্মটি দর্শক শ্রোতার বেশ প্রশংসা কুড়াবে।

ঈদে আসছে ভিন্ন ঘরনার মিউজিক্যাল ফিল্ম “চরম অভিশাপ”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনলাইন ডেস্ক: মাদারীপুরের শিবচরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২২ শত পরিবারের মাঝে খাবার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম থেকে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

এ সময় পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবচর পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান বলেন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির পক্ষ চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমন রোধে শিবচর বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে চিফ হুইপ স্যারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

চিফ হুইপের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাবার বিতরণ

নিরেন দাস,জয়পুরহাটঃ- জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দিপুর ইউনিয়নের চকবিলা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান, প্রবীণ আওয়ামী নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মহুরম গোলাম রসুল চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র রুকিন্দিপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান,জেলা যুবলীগ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক,৮০ দশকের সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর ২০১১ সালে আক্কেপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি-জামায়াত কবলিত আক্কেলপুর উপজেলাকে আওয়ামীলীগের ঘটিতে পরিণত করেন। তিনি দলের একটি প্রধান দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আক্কেলপুরে আওয়ামী লীগ পরিবারকে বেগবান করার জন্য তিনি দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করতে শুরু করেন যার সুফলে সুসংগঠিত হয় একটি শক্তিশালী উন্নয়নমুখী আওয়ামীলীগ পরিবার। এদিকে দলের সাধারন সম্পাদক আবার অন্যদিকে রুকিন্দিপুর ইউপি চেয়ারম্যান তাই তিনি তিনবছর চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করে স্বেচ্ছায় চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে দিয়ে আক্কেলপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেন এবং এমন উদারতাকে দলীয় কিছু নেতারা গোপনে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিএনপির প্রার্থী পক্ষ নিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অল্প ভোট পরাজিত করাতে বাধ্য করান। এরপর তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে ২০১৫ সালে আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচন করেন যে নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন একই সাথে আক্কেলপুর পৌরসভায় ইতিহাস রচনা করেন যে ১৯৯৯ সাল স্থাপিত এ পৌরসভায় আওয়ামীলীগের কোন প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারেনি যা তিনিই সর্বপ্রথম আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে মেয়রের চেয়ারে বসে এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। তার এমন (গডগিফট) রাজনৈতিক প্রতিভা আর কঠোর পরিশ্রমে একটি সুসংগঠিত আওয়ামীলীগ পরিবার তৈরি করার পরেও এবং তার দলীয় ও নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমর্থন থাকার শর্তেও তিনি গত ১৪ এ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচনে স্বেচ্ছায় মেয়রের পদ ছেড়ে দিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শহীদুল আলম চৌধুরী তিনি সমর্থন দেন এবং তাকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মেয়র পদে বিপুল ভোটে জয়লাভ করিয়ে আর একটি ইতিহাস গড়েছেন। এদিকে পৌর নির্বাচনের আমেজ শেষ হতে না হতেই কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সিদ্ধান্তে আসছে ১১ এ মার্চ আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলনের ঘোষণা। ইতিমধ্যে সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করতে দিনরাত দেদারে পরিশ্রম করছেন দলের সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার সন্ধায় আক্কেলপুর সরকারি মুজিবর রহমান সরকারি কলেজ মাঠে সম্মেলন কে সফল করার লক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর উপজেলা,পৌর,ইউপি আওয়ামীলীগ সহ সকল সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দদের উপস্থিতিতে তার বক্তব্যে ঘোষনা দিয়ে বলেন মেয়র পদ থেকে যেমন স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছি ঠিক তেমনি ১১ এ মার্চ আসন্ন আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনেও স্বেচ্ছায় সাধারন সম্পাদক পদ ছেড়ে দিচ্ছি এমনকি উক্ত সম্মেলনে আমি কোন প্রার্থীও হবোনা বলেও জানান। তার এমন স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দেওয়ার ঘোষনার পর থেকেই উপজেলা আওয়ামীলীগ পরিবারের তৃনমূল বঞ্চিত নেতাকর্মীরা চরম হতাশ হয়ে পড়েছেন।আবার অনেকেই ভাবছেন তিনি চলে গেলে এমন শক্তিশালী আওয়ামীলীগ আর কোন নেতা কি তৈরি করতে পারবে। এই অবসর চৌধুরী কে নিয়ে ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোচনা ঝড় বইছে আক্কেলপুর পৌর সদর সহ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন গুলোতে কেউ হারাতে চাচ্ছেনা এমন একজন পরিশ্রমী অভিভাবক কে। এমনকি তিনি যেন আক্কেলপুরের রাজনীতি থেকে শড়ে না জান এমন বিষয়টি নিয়েও অসংখ্য নেতাকর্মীরা তাদের ফেইসবুক আইডি থেকে জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ,কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক ও জয়পুরহাট-২ আসনের সাংসদ আক্কেলপুর, কালাই ক্ষেতলাল উপজেলা বাসীর অভিভাবক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন-এমপি”র সুদৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখছেন যে গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর যেন আক্কেলপুরের রাজনীতি থেকে না যেতে না পারেন আপনি অভিভাবক আপনি তাকে যা বলবেন তিনি তাই শুনবেন। গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসরের পক্ষে নেতাকর্মীদের সর্মথক ও দলীয় ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা শর্তেও তিনি কেন-? স্বেচ্ছায় সকল পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন এমন বিষয়টি নিয়ে তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে,আমার প্রাণপ্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতি করি,তাই আমি বিশ্বাস করি একজন ব্যক্তি একই জায়গায় বসে নেতৃত্ব দেয়া ঠিক হবে না। কেননা দলের অসংখ্য ত্যাগী প্রতিভাবান নেতৃত্বদানকারীরা রয়েছেন তাদেরও সুযোগ দেয়া উচিৎ বলেই আমার প্রতি নেতাকর্মী সহ দলীয় ব্যাপক সর্মথক থাকা শর্তেও স্বেচ্ছায় আমি সকল পদ ছেড়ে দিচ্ছি। তিনি আরো বলেন যে আমার এ ঘটনা হয়তো বাংলাদেশে একটি ইতিহাস হবে যে তিনি চেয়ারের লোভ না করে দলের অন্যদের দায়িত্ব দিতে স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দিয়েছেন। আপনি কি-? শুধু পদই ছেড়ে দিচ্ছেন নাকি আক্কেলপুর তথা আওয়ামী রাজনীতিই ছেড়ে দিচ্ছেন এমন জবাবে তিনি বলেন, কখনওই না আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন আমি তারই সন্তান আমার জীবন যতদিন থাকবে আওয়ামীলীগের রাজনীতি থেকে কেউ আমাকে সরাতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। এমনকি অনেকেই মনে করছেন আমি স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দিচ্ছি বলে হয়তো আক্কেলপুর থাকবো না এমন ধারণা টি তাদের ভুল কেননা আমি আক্কেলপুরের সন্তান আমার মৃত্যুর পর দাফনো হবে এই পবিত্র আক্কেলপুরের মাটিতে। তাই আপনাদের মাধ্যমে সকলকে জানাতে আমি বিগত দিনে আক্কেলপুর বাসীর সুখেদুঃখে যেমন পাশে ছিলাম, ঠিক তেমনি আগামীতেও সকলের সুখেদুঃখে পাশে থাকবো। আর এতে আমি প্রমাণ করে দেখাবো যে শুধু চেয়ারে বসেই জনগণের সেবা করা যায় তা তা ভুল, চেয়ার ছাড়াও যে জনগণের সেবা করা যায় তা আমি করে দেখাবো বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

Niren sent Today at 2:06 AM


স্বেচ্ছায় মেয়র ও দলীয় পদ ছেড়ে দেয়াই পরিশ্রমী নেতা অবসর চৌধুরীকে নিয়ে হতাশ আওয়ামী পরিবার


ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০১৯ (চ্যানেল ২৬) : ঝুঁকি কমাতে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বীমা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বীমা অংক বাংলাদেশি টাকায় ১৩৪ কোটি ২৮৮ লাখ টাকা। বীমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে বাংলাদেশি টাকায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

ইতিমধ্যে সাধারণ বীমা সরকারের গৃহীত মেগা প্রকল্প সমূহ যেমন- মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু টানেল ও মেট্টো রেল প্রকল্পগুলোর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে করা হচ্ছে এ বীমা পলিসিটি। এর ফলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বীমা সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে দেশের বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে দেশি বীমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি বীমা কোম্পানি গুলো বীমা করতে উৎসাহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন

নিউজ ডেক্স: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নর্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গণমানুষের নেতা জাতীয় পাটির ঢাকা মহানগর-উত্তরের প্রচার সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম হাসেম।

সরোজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে, তারা জানান এস.এম হাসেমকে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুন এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছ যেতে পারেন এবং তিনি ভূক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর আরো জানান, এলাকা আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, চাঁদাবাজী সন্ত্রাস-মাস্তানি বন্ধ এবং দূর্নীতির জঙ্গীবাদ-এর বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান, তাই এই ৩২নং ওয়ার্ডে এস.এম হাসেম জনপ্রিয়তার শীর্ষে বা বিকল্প কোন নেতা এখনও এই ৩২নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয়নি।

তরঙ্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাত্কারে কাউন্সিলর প্রার্থী এস.এম হাসেম বলেন, আমি এলাকাবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচন করবো্ জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যাবো।আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এস.এম হাসেম ৩২নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ের সহযাত্রী ও সব ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। যদি মনে করেন আপনাদের চাওয়া পাওয়ার কথা উচ্চারিত হোক কোন বলিষ্ঠ কন্ঠে তবে আমার বলতে দিন।আপনাদের জন্য আমাকে কিছু করার সুযোগ দিন।আমি আপনাদের ভিড় থেকেই উঠে আসা আপনাদেরই একজন। আপনারা ভালো থাকলে ৩২নং ওয়ার্ডবাসী ভালো থাকবে,আমাদের রাজধানী ঢাকা ভালো থাকবে এবং ভালো থাকবে আমাদের সোনার বাংলাদেশ। তাই সকল দিক বিবেচনা করে আমাকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এর ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে একটি ভোট দিন।

ডিএনসিসিনির্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এস.এম হাসেম

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম:০৪/১০/২০১৯ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া আমিরাবাদ হোটেল ও আই সি হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এমএ তাহের (তারেক) জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লোহাগাড়া শাখা সাংবাদিক মুহাম্মদ ঈসা পবিত্র কোরআন তেলােওয়াতের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠান শুরু করে। সঞ্চালনা ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি , জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক , দৈনিক ওলামা কন্ঠ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট মুহাম্মদ মিয়া ফারুক, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, আরো উপস্থিত ছিলেন তুষার আহামেদ কাইছার শিহাব উদ্দিন শিহাব চ্যানেল কর্ণফুলি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বান্দরবান পার্বত্য জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম, জেলা কৃষক লীগ নেতা নূরুল ইসলাম ভান্ডারী, ইসমাইল হোসেন সোহাগ সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লামা উপজেলা শাখা,জিয়া হোসেন, বাবুল চৌধুরী, মোঃ কাউছার আলম, মুহাম্মদ ঈসা দপ্তর সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা , আব্বাছ উদ্দিন দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য , রফিকুর রহমান দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, মুহাম্মদ ফাহিম রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক মুক্তালোক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, আরো উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, রমজান আলী, মুহাম্মদ এমরান সহ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, উক্ত এ বৈঠকে সংগঠনের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার জন্যে স্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ও সাংবাদিকদের কল্যাণে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ধরে পরিকল্পিত যোগসাজশে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) জাফিকুর রহমান অমি (১৫) ও তার মা মোছাঃ আছমা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা অর্থবান ও ক্ষমতাধর হওয়াই আহতরা যেন থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করতে যায় এ জন্য প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে বিষয়টি আহত পরীক্ষার্থী অমি”র চাচা মোঃ আব্দুল হাই মিলন জানতে পেরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে হামলাকারী ৬ জনের বিরুদ্ধে (৫-ফেব্রুয়ারি) ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হামলাকারী আসামীরা হলেন,উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামের মৃতঃ- মোত্তালেব সরদারের ছেলে (১) মেহেদি হাসান,(২) মোস্তাক হোসেন নাহাজ,(৩) মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জগলুল,(৪) আসামী মেহেদির স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা আক্তার নূপুর,(৫) আসামী মোস্তাকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার ও একই গ্রামের মোঃ মাফতুম হোসেনের স্ত্রী (৬) পাখি বেগম। উক্ত মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, (গত ৩ এ-ফেব্রুয়ারি) সোমবার শুরু হয় এসএসসি-সমমান-২০ পরীক্ষা প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে ওই দিন সন্ধায় অমি তার নিজ ঘরে পড়ছিল হঠাৎই সে শুনতে পারে বাহিরে বেজোড়ে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা পূর্ব শত্রুতার জেড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়ির সামনের একটি মুরগির ঘর উল্লেখিত আসামীরা ভাঙচুর করছে এমনি অবস্থায় অমি”র মা তাদের বাঁধা দিতে গেলে আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দ্বারা মাথায় আঘাত করছে পাশাপাশি পড়নের কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করার দৃশ্য দেখে অমি ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে তার মা কে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় লোহার রড দ্বারা আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার মা ছেলেকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী মোঃ মনতাছির মামুন সনি,মোছাঃ শাহানা আক্তার ও লাইজু বেগম সহ আরও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়,ততক্ষণিক ওই স্থানীয়রা অমি ও তার মা কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভ্যানযোগে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী”র চাচা আব্দুল হাই মিলন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দিলে মামলাটি আমলে নিয়ে,আমার থানা পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এতে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

ক্ষেতলালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তার মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম”৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

স্টাফ রিপোর্টার : বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীদের চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ৷ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘােষণা করা হয়।

বিভিন্ন ইউনিয়নে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন, ১ নং গৌরম্ভা ইউনিয়নে মোঃ রাজীব সরদার, ২ নং উজলকুড় ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুন্সী বোরহান উদ্দিন জেড, ৩ নং বাইনতলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ ফকির, ৪ নং রামপাল সদরে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন হাওলাদার, ৫নং রাজনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি সরদার আঃ হান্নান ডাবলু, ৬নং হুড়কা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সভাপতি তপন গোলদার, ৭ নং পেড়িখালী ইউনিয়নে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবুল, ৮ নং ভোজপাতিয়া ইউনিয়নে তরফদার মাহফুজুল হক , ৯ নং মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে তালুকদার ছাবির আহাম্মদ , ১০ নং বাঁশতলী ইউনিয়নে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (ভিপি সোহেল)৷

শনিবার দলের সংসদীয় এবং স্থানীয় সরকার
জনপ্রতিনিধি মনােনয়ন বাের্ডের যৌথসভায় এসব প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং সংসদীয় স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনােনয়ন বাের্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রামপালে ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হলেন যারা

themesbazartvsite-01713478536
error: Content is protected !!