নারীর সঙ্গে বিছানায় রামদেব, ভাইরাল ছবির পেছনের গল্প জেনে নিন

নারীর সঙ্গে বিছানায় রামদেব, ভাইরাল ছবির পেছনের গল্প জেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক: ভাইরাল হয়ে যাওয়া এক ছবিতে দেখা যায়, এক নারীর সঙ্গে বিছানায় বসে আছেন ভারতের যোগগুরু বাবা রামদেব। ছবিতে ওই নারীর কাঁধে হাত রেখে হাসিমুখে আছেন তিনি। ওই ছবি সম্প্রতি ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।

টুইটারে ছবিটি পোস্ট করে রামদেবকে ব্যাপকহারে গালিগালাজ করছেন অনেকেই। একইভাবে ফেসবুকেও ছবি-পোস্টে রামদেবকে ‘চরিত্রহীন’ বলা হচ্ছে।

ছবিটি আগেও ভাইরাল হয়েছিল। ২০১৮ সালেও ভাইরাল হয়েছিল ওই ছবি। পাঁচ বছর ধরেই নেটদুনিয়ায় ঘুরে-ফিরে দেখা গেছে রামদেবের ছবিটি। দুই বছর আগে একই ছবি পোস্ট করে রামদেব ‘যৌন কলঙ্কে’ ফাঁসবেন বলে দাবি করা হয়েছিল।

তবে ছবিটি পাঁচ বছর আগের। ছবিতে রামদেবের সঙ্গে থাকা নারী আসলে ক্যান্সার আক্রান্ত (তখন বয়স ২৭)। বেদান্ত হাসপাতালে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল রামদেবের।

গুগলের রিভার্স ইমেজ সার্চ ব্যবহার করে ওই ছবি সম্পর্কে জানা যায়, ছবিটি ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বরের। রামদেবের অফিসিয়াল ফেসবুকেও ওই ছবি একই সময়ে পোস্ট করা হয়েছিল।

ওই পোস্টে রামদেব বলেন, আমার এই বোন প্রীতি ক্যান্সারে ভুগছেন এবং মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। পতঞ্জলী যোগপীঠের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে একজনের পরিবারের সদস্য প্রীতি। বেদান্ত হাসপাতালে আমি এই বোনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি এবং তাকে আশীর্বাদ দিয়েছি। এছাড়াও তাকে প্রাণায়ম শেখানোর সঙ্গে আয়ুর্বেদ ওষুধও দিয়েছি।

শেয়ার করুন

ঢাকা-বরিশাল পথে চলাচলকারী এমভি অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চে মেয়ের জন্ম দিয়েছেন এক প্রসূতি। গতকাল শনিবার গভীর রাতে ঢাকা থেকে বরিশালে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। মা ও নবজাতক মেয়ে সুস্থ আছে। লঞ্চটির কর্মচারীরা বলেন, ‘গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে চাঁদপুরের ষাটনল এলাকার মেঘনা নদী অতিক্রমের সময় ওই প্রসূতি সন্তানের জন্ম দেন। নবজাতক নিরাপদে পৃথিবীর আলো দেখায় লঞ্চজুড়ে একটা উৎসবের আমেজ দেখা দেয়। লঞ্চের সুপারভাইজার নুর খান মাসুদ বলেন, ‘খবরটি জানতে পেরে লঞ্চটির মালিকের স্ত্রী নবজাতকের নাম রেখেছেন নুসাইবা। এ ছাড়া লঞ্চ মালিক নিজাম উদ্দিন মৃধা ওই দম্পতি ও নবজাতক আজীবন এই কোম্পানির লঞ্চে বিনা ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারবেন বলে ঘোষণা দেন। লঞ্চের কর্মচারীরা বলেন, বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল এলাকার বাসিন্দা ফোরকান হাওলাদার ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রী ফাহিমা বেগমকে নিয়ে শনিবার রাতে ঢাকা থেকে লঞ্চের কেবিনে করে বরিশালের উদ্দেশে যাত্রা করেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্ত্রীর প্রসবব্যথা ওঠে। ফোরকান তখন লঞ্চের অন্য যাত্রীদের বিষয়টি জানান। লঞ্চের যাত্রী দুই নারীর সহায়তায় ফাহিমা নিরাপদে সন্তান জন্ম দেন। লঞ্চে থাকা একজন চিকিৎসক যাত্রীও এ সময় এগিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা করেন। সকালে ওই দম্পতি বরিশাল নৌবন্দরে নেমে বাড়ি চলে যান।

চলমান লঞ্চে সন্তানের জন্ম বিনা ভাড়ায় আজীবন যাতায়াত

নিলয় ধর,যশোর প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুরে সুরাইয়া পারভীন সাথী নামে এক কলেজছাত্রীকে অপহরনের অভিযোগে সোমবার সন্ধ্যার পর থানায় নিউ ব্রিকসের মালিক মহিদুল ইসলাম, মশ্বিমনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলামের ছেলে সিয়াম হোসেনসহ চারজনের নাম উল্লেখসহ একটি মামলা করা হয়। সুরাইয়া পারভীন সাথীর পিতা সার ব্যবসায়ী রেজাউল করিম এই মামলাটি করেছেন।এর মধ্যে অপহরনকারী মহিদুল ইসলাম সম্পর্কে অপহৃত সাথীর চাচা হন। রাতে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ সাথীকে উদ্ধারসহ কাউকে আটক করতে পারেনি।মামলার বাদী উপজেলার মশ্বিমনগর ইউনিয়নের হাজরাকাঠি বেলতলা গ্রামের সার ব্যবসায়ী রেজাউল করিম জানিয়েছেন, তার মেয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থী সুরাইয়া পারভীন সাথী শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে দর্জির কাছ থেকে জামা-কাপড় নিয়ে বাড়ি আসছিল।পথিমধ্যে হাজরাকাঠি এলাকার নিউ ব্রিকসের মালিক মহিদুল ইসলাম তার অপর তিন সহযোগী সিয়াম হোসেন, আবদুল কাদের এবং আশরাফুল ইসলামকে সাথে নিয়ে সাথীকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে উঠিয়ে অপহরন করেন। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করেও কোন সন্ধ্যান না পাওয়ায় সোমবার রাতে সাথীর পিতা বাদি হয়ে হাজরাকাঠি গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে নিউ ব্রিকসের মালিক মহিদুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলামের ছেলে সিয়াম হোসেন, জুম্মত আলী সানার ছেলে আবদুল কাদের এবং মোস্তফা হোসেনের ছেলে আশরাফুল ইসলামের নামে অপহরন মামলা করেছেন। 

তবে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, মহিদুলের সাথে সাথীর দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। সাথীর অভিভাবকরা মহিদুলের সাথে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় ওরা শনিবার বিকেলে পালিয়েছে। অন্যদিকে সাথীর পিতা রেজাউল করিম জানিয়েছেন, তার মেয়ের সাথে মহিদুলের ইতিপূর্বে সম্পর্ক ছিল। কিন্তু বর্তমান সাথী তাকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় মহিদুল অপহরন করে নিয়ে গেছে।

 অপহরনকারি মহিদুল ইসলাম রেজাউল করিমের ফুফাতো ভাই।আর সম্পর্কে মহিদুল ইসলাম সাথীর চাচা হয়। মনিরামপুর থানার ওসি(তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান চারজনের বিরুদ্ধে অপহরন মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়, সাথীকে উদ্ধারসহ আসমিদের আটক করার চেষ্টা চলছে।

মণিরামপুরে আ’লীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে কলেজ ছাত্রী অপহরনের মামলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনলাইন ডেস্ক: মাদারীপুরের শিবচরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২২ শত পরিবারের মাঝে খাবার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম থেকে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

এ সময় পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবচর পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান বলেন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির পক্ষ চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমন রোধে শিবচর বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে চিফ হুইপ স্যারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

চিফ হুইপের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাবার বিতরণ


ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০১৯ (চ্যানেল ২৬) : ঝুঁকি কমাতে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বীমা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বীমা অংক বাংলাদেশি টাকায় ১৩৪ কোটি ২৮৮ লাখ টাকা। বীমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে বাংলাদেশি টাকায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

ইতিমধ্যে সাধারণ বীমা সরকারের গৃহীত মেগা প্রকল্প সমূহ যেমন- মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু টানেল ও মেট্টো রেল প্রকল্পগুলোর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে করা হচ্ছে এ বীমা পলিসিটি। এর ফলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বীমা সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে দেশের বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে দেশি বীমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি বীমা কোম্পানি গুলো বীমা করতে উৎসাহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন

নিউজ ডেক্স: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নর্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গণমানুষের নেতা জাতীয় পাটির ঢাকা মহানগর-উত্তরের প্রচার সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম হাসেম।

সরোজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে, তারা জানান এস.এম হাসেমকে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুন এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছ যেতে পারেন এবং তিনি ভূক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর আরো জানান, এলাকা আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, চাঁদাবাজী সন্ত্রাস-মাস্তানি বন্ধ এবং দূর্নীতির জঙ্গীবাদ-এর বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান, তাই এই ৩২নং ওয়ার্ডে এস.এম হাসেম জনপ্রিয়তার শীর্ষে বা বিকল্প কোন নেতা এখনও এই ৩২নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয়নি।

তরঙ্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাত্কারে কাউন্সিলর প্রার্থী এস.এম হাসেম বলেন, আমি এলাকাবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচন করবো্ জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যাবো।আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এস.এম হাসেম ৩২নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ের সহযাত্রী ও সব ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। যদি মনে করেন আপনাদের চাওয়া পাওয়ার কথা উচ্চারিত হোক কোন বলিষ্ঠ কন্ঠে তবে আমার বলতে দিন।আপনাদের জন্য আমাকে কিছু করার সুযোগ দিন।আমি আপনাদের ভিড় থেকেই উঠে আসা আপনাদেরই একজন। আপনারা ভালো থাকলে ৩২নং ওয়ার্ডবাসী ভালো থাকবে,আমাদের রাজধানী ঢাকা ভালো থাকবে এবং ভালো থাকবে আমাদের সোনার বাংলাদেশ। তাই সকল দিক বিবেচনা করে আমাকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এর ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে একটি ভোট দিন।

ডিএনসিসিনির্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এস.এম হাসেম

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ধরে পরিকল্পিত যোগসাজশে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) জাফিকুর রহমান অমি (১৫) ও তার মা মোছাঃ আছমা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা অর্থবান ও ক্ষমতাধর হওয়াই আহতরা যেন থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করতে যায় এ জন্য প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে বিষয়টি আহত পরীক্ষার্থী অমি”র চাচা মোঃ আব্দুল হাই মিলন জানতে পেরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে হামলাকারী ৬ জনের বিরুদ্ধে (৫-ফেব্রুয়ারি) ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হামলাকারী আসামীরা হলেন,উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামের মৃতঃ- মোত্তালেব সরদারের ছেলে (১) মেহেদি হাসান,(২) মোস্তাক হোসেন নাহাজ,(৩) মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জগলুল,(৪) আসামী মেহেদির স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা আক্তার নূপুর,(৫) আসামী মোস্তাকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার ও একই গ্রামের মোঃ মাফতুম হোসেনের স্ত্রী (৬) পাখি বেগম। উক্ত মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, (গত ৩ এ-ফেব্রুয়ারি) সোমবার শুরু হয় এসএসসি-সমমান-২০ পরীক্ষা প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে ওই দিন সন্ধায় অমি তার নিজ ঘরে পড়ছিল হঠাৎই সে শুনতে পারে বাহিরে বেজোড়ে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা পূর্ব শত্রুতার জেড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়ির সামনের একটি মুরগির ঘর উল্লেখিত আসামীরা ভাঙচুর করছে এমনি অবস্থায় অমি”র মা তাদের বাঁধা দিতে গেলে আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দ্বারা মাথায় আঘাত করছে পাশাপাশি পড়নের কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করার দৃশ্য দেখে অমি ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে তার মা কে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় লোহার রড দ্বারা আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার মা ছেলেকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী মোঃ মনতাছির মামুন সনি,মোছাঃ শাহানা আক্তার ও লাইজু বেগম সহ আরও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়,ততক্ষণিক ওই স্থানীয়রা অমি ও তার মা কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভ্যানযোগে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী”র চাচা আব্দুল হাই মিলন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দিলে মামলাটি আমলে নিয়ে,আমার থানা পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এতে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

ক্ষেতলালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তার মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম”৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম:০৪/১০/২০১৯ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া আমিরাবাদ হোটেল ও আই সি হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এমএ তাহের (তারেক) জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লোহাগাড়া শাখা সাংবাদিক মুহাম্মদ ঈসা পবিত্র কোরআন তেলােওয়াতের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠান শুরু করে। সঞ্চালনা ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি , জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক , দৈনিক ওলামা কন্ঠ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট মুহাম্মদ মিয়া ফারুক, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, আরো উপস্থিত ছিলেন তুষার আহামেদ কাইছার শিহাব উদ্দিন শিহাব চ্যানেল কর্ণফুলি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বান্দরবান পার্বত্য জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম, জেলা কৃষক লীগ নেতা নূরুল ইসলাম ভান্ডারী, ইসমাইল হোসেন সোহাগ সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লামা উপজেলা শাখা,জিয়া হোসেন, বাবুল চৌধুরী, মোঃ কাউছার আলম, মুহাম্মদ ঈসা দপ্তর সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা , আব্বাছ উদ্দিন দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য , রফিকুর রহমান দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, মুহাম্মদ ফাহিম রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক মুক্তালোক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, আরো উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, রমজান আলী, মুহাম্মদ এমরান সহ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, উক্ত এ বৈঠকে সংগঠনের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার জন্যে স্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ও সাংবাদিকদের কল্যাণে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কুলাউড়ার বরমচালে স্কুলছাত্রী কুলসুমা বেগম তসলিমা’র (১৬) মৃ’ত্যুর রহস্য উদঘাটনের জন্য মৃ’ত্যুর ১৪ দিন পর আজ লা’শ উত্তোলন করা হয়েছে।
মৌলভীবাজারের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নেছার উদ্দিনের উপস্থিতিতে কুলাউড়া থানা পু’লিশ তসলিমা’র লা’শ কবর থেকে উত্তোলন করে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর পৌনে ১২টায় কবর থেকে তার লা’শ উত্তোলন করা হয়েছে।
উত্তোলনকৃত তাসলিমা’র লা’শ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে কুলাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) সঞ্জয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ জুলাই স্থানীয় বরমচাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী কুলসুমা বেগম তসলিমা প্রেমঘটিত কারণে পরিবারের লোকজনের নি’র্যাতনে মা’রা যেতে পারেন বলে ধারণা স্থানীয়দের। নি’হত তসলিমা’র সাথে এলাকার আজিজ নামে এক নওমু’সলিম যুবকের প্রেমের স’ম্পর্ক ছিল। এ স’ম্পর্ক নি’হতের পরিবার মেনে নেয়নি। ঘটনার দিন স্থানীয় কালা মিয়া বাজারে প্রেমিক আজিজের সাথে দেখা করতে গেলে তসলিমাকে আ’টক করেন কতিপয় ব্যক্তি। এর পর গ্রামপু’লিশ দিয়ে তাকে পাঠানো হয় তার পরিবারের কাছে। আর এদিন বিকেলেই হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃ’ত্যু হয় তসলিমা’র।
সূত্র থেকে আরও জানা যায়, তাসলিমা’র গলায় ও মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা পু’লিশকে অবহিত না করে তাড়াহুড়ো করে লা’শ দাফন করেন। এতে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে পু’লিশকে অবহিত করা হয়। এর প্রেক্ষিতে কুলাউড়া থানা পু’লিশ এ নিয়ে তদন্ত শুরু করে এবং একপর্যায়ে কবর থেকে লা’শ উত্তোলনের জন্য আ’দালতে প্রার্থনা করলে আ’দালত লা’শ উত্তোলনের অনুমতি দেন।
তবে তসলিমা’র পরিবারের দাবি, কোনো আঘাতে নয়, তসলিমা হার্ট অ্যাটাকে মা’রা গেছে।
এ ব্যাপারে কুলাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) সঞ্জয় চক্রবর্তী জানান, স্কুলছাত্রী তসলিমা’র মৃ’ত্যুর রহস্য উদঘাটনের জন্য আ’দালতের নির্দেশে লা’শ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের প্রেক্ষিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

তসলিমা’র লা’শ মৃ’ত্যুর ১৪ দিন পর কবর থেকে তোলা হল

themesbazartvsite-01713478536