নারী-শিশু নির্যাতনের ১১শ মামলার বিচার স্থগিত

নারী-শিশু নির্যাতনের ১১শ মামলার বিচার স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক: নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে করা মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য উচ্চ আদালতের একাধিক নির্দেশনা রয়েছে। আবার উচ্চ আদালতের আদেশেই স্থগিত হয়ে আছে এ আইনে দায়ের হওয়া এক হাজার একশরও বেশি মামলার বিচারকাজ। এর মধ্যে বিচারকাজ ২১ বছর ধরে স্থগিত, ধর্ষণের অভিযোগে করা এমন মামলাও রয়েছে। এমতাবস্থায় বিচারের জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষায় থাকা ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন- কবে তারা বিচার পাবেন? কবে শেষ হবে তাদের অপেক্ষা?

দেশব্যাপী নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ধর্ষণবিরোধী প্রতিবাদ বিক্ষোভের মধ্যেই সম্প্রতি নতুন এক আইনে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন থেকে বাড়িয়ে মৃত্যুদ- করা হয়েছে। কিন্তু আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধর্ষণ ও নির্যাতনের মতো অপরাধের শাস্তি বাড়িয়ে কোনো ফল আসবে না, যদি দ্রুতগতিতে এসব মামলার বিচারকাজ শেষ না হয়। ধর্ষণ নির্যাতনের মতো গর্হিত অপরাধ দমনে অপরাধীদের দ্রুত ও দৃশ্যমান শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তা হলেই এমন অপরাধ হ্রাস পাবে। এসব অপরাধের অভিযোগ থেকে নির্দোষ ব্যক্তিরা যেন দ্রুত মুক্তি পান, সে জন্যও বিচারপ্রক্রিয়ায় গতি আনা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষকেই প্রথম উদ্যোগী হতে হবে। রাষ্ট্রের প্রধান

আইন কমকর্তা এএম আমিন উদ্দিন বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরই বলেছি দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত হয়ে থাকা মামলা নিষ্পত্তির জন্য আলাদা বেঞ্চ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ইতোমধ্যেই একটি বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। প্রয়োজনে আমি মাননীয় প্রধান বিচারপতিকে আরও একটি বেঞ্চ গঠনের আহ্বান জানাব। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ সব সময়ই পুরান মামলা শুনানির জন্য আদালতে উত্থাপন করে। মামলার বাদীকেও এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে।

ফাতেমা বেগম নামে এক নারী তার মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে ১৯৯৭ সালে রাজধানীর সবুজবাগ থানায় একটি মামলা [নং-১০০(৫)১৯৯৭] করেন ১৯৯৫ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৬(৩) ধারায়। এর মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন পরিবর্তন করে ২০০০ সালে নতুন আইন হয়েছে। কিন্তু পুরনো আইনে করা মামলাটির বিচারকাজ আজও শেষ হয়নি। ২১ বছর ধরে মামলাটির বিচার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে আছে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের কারণে। আসামি পক্ষের এক আবেদনে ১৯৯৯ সালে মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। বর্তমানে মামলাটি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এ বিচারাধীন। ট্রাইব্যুনালের বর্তমান মামলা নম্বর-১৬৩৫/২০১৮।

জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ১ জুন আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে সরাসরি অভিযোগ আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। আসামি পক্ষ অভিযোগ আমলে গ্রহণের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ক্রিমিনাল রিভিশন মামলা নং- ৪১/১৯৯৯ দায়ের করলে ১৯৯৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মোহাম্মাদ গোলাম রাব্বানী ও বিচারপতি মো. লতিফুর রহমানের বেঞ্চ রুল জারি করেন। পাশাপাশি ৬ মাসের জন্য নিম্ন আদালতের বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত করেন। এর পর ২০০০ সালের ২৬ জুন ওই স্থগিতাদেশের মেয়াদ রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বৃদ্ধি করেন হাইকোর্ট। পরবর্তীকালে রুলের নিষ্পত্তি না হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটির কার্যক্রম আর এগোয়নি।

যৌতুক ও নারী নির্যাতনের আরও একটি মামলার বিচারকাজ স্থগিত হয়ে আছে ৭ বছর ধরে। রাজধানীর পশ্চিম নন্দিপাড়া খিলগাঁওয়ের রাবিয়া ইসলাম বাদী হয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী ২০০৩) এর ১১(গ) ধারায় একটি পিটিশন মামলা করেন। ২০১২ সালের ২৯ মার্চ দায়ের করা ওই পিটিশন মামলা নং-৬৫/২০১২। বর্তমানে ঢাকার ৩ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন এ মামলার নম্বর ৯১০/২০১৮। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০০৮ সালের ৭ নভেম্বর বাদিনীর সাথে আসামি রমিজুল ইসলামের লাখ টাকা দেনমোহর ধার্যে বিবাহ হয়। বিবাহের সময় বাদিনীর পরিবার ১৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার দেন। বিবাহের পর থেকে আসামী বাদিনীকে যৌতুকের দাবীতে শারিরীক ও মানষিক নির্যাতন করে আসছিলেন। ২০১২ সালের ৯ মার্চ আসামীদের পশ্চিম নন্দিপাড়াস্থ বাসায় বাদিনীর কাছে ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবী করে মারধর করেন। এক পর্যয়ে আসামিরা বাদিনীকে একমাত্র শিশু কন্যা সন্তান রেখে বের করে দেন। এরপরই বাদিনী ২০১২ সালের ২৯ মার্চ তৎকালীন নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-৪ এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২০১২ সালের ২৯ মার্চ বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ হয়। ঢাকা সিএমএম আদালতের তৎকালীন মহানগর হাকিম হারুন অর রশিদ তদন্ত শেষে ৩ জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-৪ আসামিদের বিরুদ্ধে একই বছর ১৫ এপ্রিল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলায় রমিজ ও তার মা গ্রেপ্তার হয়। রমিজের মা ট্রাইব্যুনাল থেকে জামিন পান এবং রমিজ হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। মামলায় একই বছর ৮ জুলাই একই ট্রাইব্যুনাল আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে ক্রিমিনাল আপিল নং ৫৬৪২/২০১২ দায়ের করলে ২০১৩ সালের ১০ মার্চ হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী এবং বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ৬ মাসের জন্য নিম্ন আদালতের বিচার কার্যক্রম স্থগিত করেন। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১৯ আগস্ট ক্রিমিনাল আপিল নং ৫৬৪২/২০১২ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিম্ন আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করেন। এখনও ঐ স্থগিতাদেশ বহাল রয়েছে। এর ফলে মামলার বিচার আর এগোয়নি।

শুধু এ দুটি মামলার ক্ষেত্রেই নয়, যৌতুক-নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আরও অনেক মামলার বিচারকাজ বছরের পর বছর ধরে স্থগিত হয়ে আছে।

সুপ্রিমকোর্ট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ মাস পর্যন্ত সারাদেশের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে বিচারাধীন ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার মামলা। এর মধ্যে প্রায় ৩৪ হাজার মামলা ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিচারাধীন। আর উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে ১১শ ৫৬টি মামলা।

সম্প্রতি ধর্ষণের একাধিক বর্বরোচিত ঘটনা প্রকাশ্যে এলে বিভিন্ন মহলের দাবির মুখে সরকার আইন সংশোধন করে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ-ের বিধান করে গেজেট জারি করে। কিন্তু আইন বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, শুধু মৃত্যুদ-ের বিধানই যথেষ্ট নয়। বিচার প্রক্রিয়াও ত্বরান্বিত করতে হবে। কারণ নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলার বিচার শেষ করার ও তদন্ত শেষ করার নির্ধারিত যে সময়সীমা দেওয়া আছে তা প্রায় শতভাগ মামলার ক্ষেত্রেই মানা হচ্ছে না। আইনে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বহুগুণ সময় বেশি লাগছে। এর ফলে বছরের পর বছর এ ধরণের মামলার বিচার শেষ হচ্ছে না। এতে করে আসামিরা পার পেয়ে যাচ্ছেন। শাস্তি দৃশ্যমান না হওয়ায় এ ধরণের অপরাধের মাত্রা কমছে না, বরং বেড়েই চলেছে।

জানতে চাওয়া হলে ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ধর্ষণ, নির্যাতন, যৌতুকের বিষয়ে হাইকোর্টে যত মামলাই হোক না কেন, সব মামলায় সরকার পক্ষভূক্ত থাকে। তাই এসব ক্ষেত্রে সরকারপক্ষকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এছাড়া উচ্চ আদালতের সংশ্লিষ্ট সেকশন থেকেও লক্ষ্য রাখতে হবে কোন মামলাগুলো দীর্ঘদিন স্থগিত হয়ে থাকছে। পাশাপাশি আদালত বেশির ভাগ সময় স্থগিতাদেশ দেন একটি লিমিটেড পিরিয়ডের (নির্দিষ্ট সময়ের) জন্য। আদালতের উচিত হবে, যখনই স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানোর প্রশ্ন আসবে, তখনই মামলা নিষ্পত্তির আদেশ দেওয়া। তা না হলে সুবিধাভোগীপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে রাখবে। তাই এসব ক্ষেত্রে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সমন্বিত প্রচেষ্টা থাকতে হবে।

মনিটরিং সেল গঠনের তাগিদ

আইনজীবীরা বলছেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার বিচার ত্বরান্বিত করতে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী মনিটরিং সেল গঠন জরুরি হয়ে পড়েছে। কোন মামলার কী অবস্থা, সেটা তদারকির জন্যই এই মনিটরিং সেল থাকতে হবে। আর এই মনিটরিং সেল গঠনের জন্য হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের একটি নির্দেশনাও রয়েছে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা ৬ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি না হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এই সেল গঠন করতে বলা হয়।

রায়ে বলা হয়, এই মনিটরিং সেল ৬ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি না হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের মামলার বিষয়ে বিচারক, পাবলিক প্রসিকিউটর ও তদন্ত কর্মকর্তার পাঠানো প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অধস্তন আদালত সংক্রান্ত সুপ্রিমকোর্টের কমিটির কাছে প্রতিবেদন দেবে। প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করে সুপ্রিমকোর্টের ওই কমিটি মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার জন্য দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৩১ (ক) (৩) ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেবে।

এ ব্যাপারে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী কুমার দেবুল দে বলেন, মনিটরিং সেল গঠন হলে মামলার বিচারে গতি আসত। এই যে দীর্ঘনি ধরে কোন মামলা স্থগিত থাকছে, সে বিষয়টিও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসতো। এর ফলে মানুষ ন্যায় বিচার পেত। তাই মনিটরিং সেল গঠন জরুরি হয়ে পড়েছে।- আমাদের সময়

শেয়ার করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া পৌরশহরের মসজিদ পাড়া গ্রামের স্বপন বিশ্বাসের কন্যা সরস্বতী বিশ্বাস বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা দায়ের করেন মামলার রেফারেন্স পঞ্চায়েত পক্ষ গ্রামবাসী সরদারদের বক্তব্য অনুযায়ী স্বপন মল্লিক ২০০৪ ইংরেজি সালে সনাতন ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী পারিবারিকভাবে খুবই ধুমধাম করে বিয়ে হয় মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থানার নছরতপুর গ্রামের মৃত ধীরেন্দ্রনাথ মল্লিকের ছেলে স্বপন মল্লিক(৪০) এর সাথে আখাউড়া পৌর শহরের মসজিদ পাড়া গ্রামের স্বপন বিশ্বাসের কন্যা সরস্বতী বিশ্বাসের। বিয়ের সময় স্বপন মল্লিক এর চাহিদা অনুযায়ী যৌতুক হিসেবে নগদ ৮০ হাজার টাকা,স্বর্ণালংকার, ফার্নিচার ইত্যাদি বাবদ আরও দেড় লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন বিয়ের এক বছর পর স্বপন মল্লিক ও স্বরস্বতীর ঐরসে একটি কন্যা সন্তান জম্ম গ্রহণ করে যার নাম সাথী রানী মল্লিক (১১) তার কিছুদিন যাওয়ার পর থেকেই স্বরস্বতীর স্বামী তাকে যৌতুক দেওয়ার জন্য নির্যাতন করতো এরইমধ্যে সরস্বতী কে অত্যাচার করে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় স্বামী স্বপন মল্লিক পরপর কয়েকবার স্থানীয় পঞ্চায়েত সরদার গণ ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৎকালীন কমলগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত মোঃ বদরুল ও এস আই হামিদ সহ পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করেছেন। তারপরেও পুনরায় নির্যাতন করলে এবং যৌতুক দাবি করলে অতিষ্ঠ হয়ে গ্রাম্য পঞ্চায়েতের ব্যর্থতার পর ২৫ জুলাই ২০১৪ ইংরেজি সালে কমলগঞ্জ পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সরস্বতী বিশ্বাস অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কমলগঞ্জ পৌরসভা তৎকালীন মেয়র মোঃ আবু ইব্রাহিম জামশেদ উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা পর্যালোচনা করে যে রায় দিয়েছেন তা অমান্য করেছে স্বপন মল্লিক ও তার পরিবার পরিশেষে মেয়র ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে স্বপন মল্লিক সম্পর্কে পৌরসভার পেডে লিখিত দেন স্বপন মল্লিক পিতা ধীরেন্দ্র নাথ মল্লিক সে একজন অসৎ চরিত্রের লোক পাশবিক নির্যাতন শারীরিক নির্যাতন খোরপোষ না দেওয়া অন্যায় ভাবে মাসের-পর-মাস যৌতুক দাবি সমস্ত সহায় সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা পয়সা স্বর্ণালঙ্কারসহ ঘরের ফার্নিচার দেওয়ার পরেও কোন ভাবে তার বদমাইশি থামানো যায় নাই সে গত দেড় বৎসর যাবৎ অবৈধভাবে সম্পূর্ণ ধর্মের নিয়ম বহির্ভূতভাবে অন্যের স্ত্রীকে লোভ-লালসায় পরে অবৈধ যৌন তৃপ্তি ভোগ করেছে গ্রামের পঞ্চায়েত সহ বিষয় টি প্রমানিত হয়েছে।পৌর কার্যালয়ে বিষয়টি মীমাংসা করা সম্ভবপর নয় বলিয়া অপারগতা প্রকাশ করায় সরস্বতীর পক্ষ কে উর্দ্ধতন আদালতের আশ্রয় নেওয়ার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন। এ বিষয়ে স্বরস্বতীর বাবা স্বপন বিশ্বাস জানান আমি একজন অসহায় মানুষ দিন আনি দিন খায় বাজারে কাঁচামাল বিক্রি করি আমার কাছে ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে সরস্বতীর স্বামী স্বপন মল্লিক।আমি কিভাবে দিব ৫ লক্ষ টাকা আর টাকা দিতে পারিনি বলে তাকে দীর্ঘদিন নির্যাতন করেছে একদিন সরস্বতীর স্বামী স্বপন মল্লিক কোথাকার এক মহিলা মহিলার সাথে বাচ্চা সহ বাড়িতে প্রবেশ করে এবং নিজের স্ত্রী এবং নিজের বাচ্চা বলে দাবি করে ঐ মহিলা মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানার রবির বাজারের লন্ডন প্রবাসীর বউ তাদের দাম্পত্য জীবনে একটি সাত বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে সেই লন্ডন প্রবাসী স্বামী ও তার মহিলার সন্তান কে ফেলে দিয়ে চলে আসেন এই মহিলা স্বপন মল্লিক এর সাথে দীর্ঘদিন অবৈধ সম্পর্ক ছিল একপর্যায়ে বাড়িতে নিয়ে আসলে সরস্বতী প্রতিবাদ করলে পরিবারের কয়েকজনের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পরিবারের কয়েকজন লোক তাকে মারাত্মকভাবে ভাবে আহত করে তখন কমলগঞ্জ পুলিশের সহায়তায় মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে স্বামীর বাড়ি থেকে আমার বাড়িতে নিয়ে আসি আসার এক বছর পর্যন্ত তাদের সাথে কোন যোগাযোগ হয় না ফোন করলে খুবই অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং সংসার করবে না বলে উল্টাপাল্টা কথা তারপর তাদের অভিভাবক মামা বড় ভাই ছোট ভাই চার-পাঁচজনকে বিশেষ অনুরোধ করলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও মীমাংসার জন্য আমার বাড়িতে দাওয়াত করি তারা আসার পর আমি আমার সাধ্যমত আপ্যায়ন করি তারপর বিষয়টা নিয়ে আলোচনা শুরু করলে তারা আবারও পুনরায় যৌতুক দাবি করেন আমি দিতে অস্বীকার করি তারা তাদের বাচ্চাকে নিয়ে যাবে আমার মেয়েকে নেবে না বলে উল্টাপাল্টা ও অরুচিকর কথাবার্তা শুরু করেন ও মত ব্যাখ্যা তৈরি হয় এক পর্যায়ে তারা আমার মেয়েকে কিল-ঘুষি থাপ্পড় ও হাতের কাছে থাকা কাঠের লাঠি দিয়ে মারধর করে আমার বাড়ি থেকে চলে যায় পরে আমি আমার মেয়েকে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা করি আমি আর পারছিনা আমি এই নরপশুর বিচার দাবি করছি সরকার যেন তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয় যাতে করে কোনো বাবার চোখের জল আর না ঝরে। বাদীপক্ষের আইনজীবী উম্মে শবনম মুস্তারী মৌসুমী জানান যেহেতু আমি বাদীপক্ষের আইনজীবী সেহেতু বলতে চাই সনাতন ধর্মের লোক অনেকেই মনে করে ন্যষয় বিচার পাওয়া যায় না কিন্তু এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল আইন সকলের ক্ষেত্রে সমান নারী ও শিশু মামলা নং ১০২/২০ নারী ও শিশু আইনের ১১/৩০ধারা অনুযায়ী আদালত সকল আসামিকে গ্রেপ্তার ওয়ারেন্ট জারি করেছে সরস্বতী সর্বোচ্চ ন্যায় বিচার পাবে বলে আমি আশা রাখছি।

শত নির্যাতনের পরেও স্বামীর সংসার করতে চাই|| আখাউড়া পৌর শহরের সরস্বতী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনলাইন ডেস্ক: মাদারীপুরের শিবচরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২২ শত পরিবারের মাঝে খাবার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম থেকে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

এ সময় পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবচর পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান বলেন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির পক্ষ চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমন রোধে শিবচর বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে চিফ হুইপ স্যারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

চিফ হুইপের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাবার বিতরণ


ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০১৯ (চ্যানেল ২৬) : ঝুঁকি কমাতে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বীমা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বীমা অংক বাংলাদেশি টাকায় ১৩৪ কোটি ২৮৮ লাখ টাকা। বীমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে বাংলাদেশি টাকায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

ইতিমধ্যে সাধারণ বীমা সরকারের গৃহীত মেগা প্রকল্প সমূহ যেমন- মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু টানেল ও মেট্টো রেল প্রকল্পগুলোর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে করা হচ্ছে এ বীমা পলিসিটি। এর ফলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বীমা সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে দেশের বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে দেশি বীমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি বীমা কোম্পানি গুলো বীমা করতে উৎসাহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন

নিউজ ডেক্স: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নর্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গণমানুষের নেতা জাতীয় পাটির ঢাকা মহানগর-উত্তরের প্রচার সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম হাসেম।

সরোজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে, তারা জানান এস.এম হাসেমকে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুন এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছ যেতে পারেন এবং তিনি ভূক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর আরো জানান, এলাকা আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, চাঁদাবাজী সন্ত্রাস-মাস্তানি বন্ধ এবং দূর্নীতির জঙ্গীবাদ-এর বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান, তাই এই ৩২নং ওয়ার্ডে এস.এম হাসেম জনপ্রিয়তার শীর্ষে বা বিকল্প কোন নেতা এখনও এই ৩২নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয়নি।

তরঙ্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাত্কারে কাউন্সিলর প্রার্থী এস.এম হাসেম বলেন, আমি এলাকাবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচন করবো্ জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যাবো।আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এস.এম হাসেম ৩২নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ের সহযাত্রী ও সব ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। যদি মনে করেন আপনাদের চাওয়া পাওয়ার কথা উচ্চারিত হোক কোন বলিষ্ঠ কন্ঠে তবে আমার বলতে দিন।আপনাদের জন্য আমাকে কিছু করার সুযোগ দিন।আমি আপনাদের ভিড় থেকেই উঠে আসা আপনাদেরই একজন। আপনারা ভালো থাকলে ৩২নং ওয়ার্ডবাসী ভালো থাকবে,আমাদের রাজধানী ঢাকা ভালো থাকবে এবং ভালো থাকবে আমাদের সোনার বাংলাদেশ। তাই সকল দিক বিবেচনা করে আমাকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এর ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে একটি ভোট দিন।

ডিএনসিসিনির্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এস.এম হাসেম

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ধরে পরিকল্পিত যোগসাজশে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) জাফিকুর রহমান অমি (১৫) ও তার মা মোছাঃ আছমা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা অর্থবান ও ক্ষমতাধর হওয়াই আহতরা যেন থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করতে যায় এ জন্য প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে বিষয়টি আহত পরীক্ষার্থী অমি”র চাচা মোঃ আব্দুল হাই মিলন জানতে পেরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে হামলাকারী ৬ জনের বিরুদ্ধে (৫-ফেব্রুয়ারি) ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হামলাকারী আসামীরা হলেন,উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামের মৃতঃ- মোত্তালেব সরদারের ছেলে (১) মেহেদি হাসান,(২) মোস্তাক হোসেন নাহাজ,(৩) মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জগলুল,(৪) আসামী মেহেদির স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা আক্তার নূপুর,(৫) আসামী মোস্তাকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার ও একই গ্রামের মোঃ মাফতুম হোসেনের স্ত্রী (৬) পাখি বেগম। উক্ত মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, (গত ৩ এ-ফেব্রুয়ারি) সোমবার শুরু হয় এসএসসি-সমমান-২০ পরীক্ষা প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে ওই দিন সন্ধায় অমি তার নিজ ঘরে পড়ছিল হঠাৎই সে শুনতে পারে বাহিরে বেজোড়ে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা পূর্ব শত্রুতার জেড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়ির সামনের একটি মুরগির ঘর উল্লেখিত আসামীরা ভাঙচুর করছে এমনি অবস্থায় অমি”র মা তাদের বাঁধা দিতে গেলে আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দ্বারা মাথায় আঘাত করছে পাশাপাশি পড়নের কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করার দৃশ্য দেখে অমি ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে তার মা কে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় লোহার রড দ্বারা আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার মা ছেলেকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী মোঃ মনতাছির মামুন সনি,মোছাঃ শাহানা আক্তার ও লাইজু বেগম সহ আরও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়,ততক্ষণিক ওই স্থানীয়রা অমি ও তার মা কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভ্যানযোগে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী”র চাচা আব্দুল হাই মিলন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দিলে মামলাটি আমলে নিয়ে,আমার থানা পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এতে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

ক্ষেতলালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তার মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম”৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম:০৪/১০/২০১৯ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া আমিরাবাদ হোটেল ও আই সি হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এমএ তাহের (তারেক) জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লোহাগাড়া শাখা সাংবাদিক মুহাম্মদ ঈসা পবিত্র কোরআন তেলােওয়াতের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠান শুরু করে। সঞ্চালনা ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি , জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক , দৈনিক ওলামা কন্ঠ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট মুহাম্মদ মিয়া ফারুক, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, আরো উপস্থিত ছিলেন তুষার আহামেদ কাইছার শিহাব উদ্দিন শিহাব চ্যানেল কর্ণফুলি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বান্দরবান পার্বত্য জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম, জেলা কৃষক লীগ নেতা নূরুল ইসলাম ভান্ডারী, ইসমাইল হোসেন সোহাগ সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লামা উপজেলা শাখা,জিয়া হোসেন, বাবুল চৌধুরী, মোঃ কাউছার আলম, মুহাম্মদ ঈসা দপ্তর সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা , আব্বাছ উদ্দিন দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য , রফিকুর রহমান দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, মুহাম্মদ ফাহিম রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক মুক্তালোক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, আরো উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, রমজান আলী, মুহাম্মদ এমরান সহ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, উক্ত এ বৈঠকে সংগঠনের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার জন্যে স্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ও সাংবাদিকদের কল্যাণে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

themesbazartvsite-01713478536