লড়াই করে হারলো কলকাতা

লড়াই করে হারলো কলকাতা

অনলাইন ডেস্ক:  মাথার ওপর ২২৮ রান। জিততে হলে করতে হবে ২২৯। এত বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আবার ১২২ রানের মধ্যে ৬ উইকেট নেই। ৩৯ বলে আরও করতে হবে ১০৭ রান। এই ম্যাচ জেতার আশা কে করবে?

অথচ এমন এক ম্যাচেও জেতার খুব কাছে চলে এসেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। শারজাহতে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখতে যাচ্ছিল বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের দল। যে গল্পের শেষটা করতে পারল না তারা।

দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের পর জয়ের খুব কাছে এসে হেরে গেছে কলকাতা। তাদের ১৮ রানে হারিয়ে হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে দিল্লি ক্যাপিটালস। এই জয়ে আবার পয়েন্ট তালিকারও শীর্ষে চড়ে বসেছে শ্রেয়াস আয়ারের দল।

দিনের প্রথম ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছিল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। বিরাট কোহলির দলকে বেশিক্ষণ সেই জায়গায় থাকতে দিল না দিল্লি। ৪ ম্যাচে দুই দলেরই এখন সমান ৩ জয়। কিন্তু রানরেটে পিছিয়ে থাকায় বিরাট কোহলির ব্যাঙ্গালুরু নেমে গেছে দুইয়ে।

২২৯ রানের পাহাড়সমান লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় কলকাতা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ওপেনার সুনিল নারিন মাত্র ৩ রান করে অ্যানরিচ নর্টজের বলে বোল্ড হন।

৮ রানে প্রথম উইকেট হারানো দলকে এরপর কিছুটা পথ টেনে নিয়েছেন নীতিশ রানা আর শুভমান গিল। ৪১ বলে তারা গড়েন ৬৪ রানের জুটি। এই জুটি ভাঙে গিল লেগস্পিনার অমিত মিশ্রর শিকার হলে। ২২ বলে ২৮ রান করেন গিল।

এমন পরিস্থিতিতে চার নম্বরেই নেমেছিলেন বিধ্বংসী আন্দ্রে রাসেল। দশম ওভারে কাগিসো রাবাদাকে বুলেট গতির এক চার আর বড় এক ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি আশাও দেখিয়েছিলেন কলকাতার সমর্থকদের।

কিন্তু দলের প্রয়োজন মেটাতে পারেননি।। রাবাদার ওভারের চতুর্থ বলটি ছক্কা হাঁকিয়ে পঞ্চম বলেই টপএজ হয়ে থার্ডম্যানে ধরা পড়েন রাসেল, তাতেই শেষ ৮ বলে ১৩ রানের ছোট্ট ইনিংসটা।

এরপর মাথার ওপর কেবল রানের চাপ বেড়েছে কলকাতার। সেই চাপেই পেসার হর্ষল প্যাটেলের করা ইনিংসের ১৩তম ওভারে জোড়া উইকেট হারায় দলটি। ৩৫ বলে ৪টি করে চার-ছক্কায় নীতিশ রানা ফেরেন ৫৮ করে। পরের বলে অধিনায়ক দিনেশ কার্তিকও ৬ রানে সাজঘরের পথ ধরেন।

কলকাতার হার তখন কেবল সময়ের ব্যাপার। কে জানতো, পরে এমন নাটকীয়তা অপেক্ষা করছে! ১২২ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর সপ্তম উইকেটে ৩০ বলেই ৭৮ রানের অবিশ্বাস্য এক জুটি গড়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেন ইয়ন মরগ্যান আর ত্রিপাথি।

১৮তম ওভারে রাবাদাকে টানা তিন ছক্কা হাঁকিয়ে মরগ্যান কাঁপিয়ে দেন দিল্লি শিবির। ওই ওভারে ত্রিপাথির এক বাউন্ডারিসহ ২৩ রান তুলে কলকাতা। শেষ দুই ওভারে তখন দরকার ৩১ রান। এক ওভারেই ২৩ রান তোলা দলের জন্য কাজটাকে অসম্ভব মনে হচ্ছিল না।

কিন্তু পরের ওভারে দারুণ বোলিংয়ে ম্যাচটা আবার দিল্লির দিকে ঘুরিয়ে দেন অ্যানরিচ নর্টজে। প্রথম দুই বলে দুটি সিঙ্গেলস দেন, তৃতীয় বলে তাকে তুলে মারতে গিয়ে লং লেগে হেটমায়ারের ক্যাচ হন মরগ্যান। ১৮ বলে ১ চার আর ৫ ছক্কায় ৪৪ রান করা এই ব্যাটসম্যান ফেরার পরই ছিটকে পড়ে কলকাতা।

১৯তম ওভারে দলটি তুলতে পারে মাত্র ৫ রান। শেষ ওভারে দরকার ছিল ২৬। ১৬ বলে ৩৬ রান করা ত্রিপাথি স্টয়নিসের করা ওই শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলেই আউট হয়ে যান। কলকাতার ইনিংস থামে ৮ উইকেটে ২১০ রানে।

এর আগে কলকাতার বোলারদের ইচ্ছেমতো পিটিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৮ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ দাঁড় করায় দিল্লি ক্যাপিট্যালস। যা কিনা চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার শিখর ধাওয়ান ও পৃথ্বি শ্ব। প্রথম ছয় ওভারে ৫৭ রান পেয়ে যায় দিল্লি। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে সাজঘরে ফেরার আগে ২টি করে চার ও ছয়ের মারে ১৬ বলে ২৬ রান করেন বাঁহাতি ওপেনার ধাওয়ান।

দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারকে অপরপ্রান্তে রেখে ঝড় তোলেন তরুণ ওপেনার পৃথ্বি। মাত্র ৪১ বলে ৭৪ রান যোগ করেন আইয়ার ও পৃথ্বি। ইনিংসের ১৩তম ওভারে দলীয় সংগ্রহ ১২৯ রানে পৌঁছে দিয়ে আউট হন পৃথ্বি। আসরে নিজের দ্বিতীয় ফিফটিতে ৪১ বলে ৪টি করে চার-ছয়ের মারে ৬৬ রান করেন ২০ বছর বয়সী এ ওপেনার।

পরে পৃথ্বির সঙ্গে শুরু করা তাণ্ডবটি রিশাভ পান্তকে নিয়ে সাইক্লোনে রূপ দেন দিল্লি অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। বোলার হোক নারিন কিংবা কামিন্স, অথবা রাসেল কিংবা মাভি; সবাইকে সমানভাবে চার-ছয় হাঁকাতে থাকেন আইয়ার ও পান্ত।

দুজনের তৃতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৭২ রান, তাও মাত্র ৩১ বলে। দলীয় সংগ্রহ ২০০ পার করে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন পান্ত। আউট হওয়ার আগে ৫ চারের সঙ্গে ১ ছয়ের মারে ১৭ বলে করেন ৩৮ রান। ততক্ষণে মাত্র ২৬ বলে ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নেন আইয়ার।

১৬তম ওভারে অর্ধশত করে ১৯ ওভারের মধ্যেই ৮৮ পৌঁছে যান দিল্লি অধিনায়ক। মনে হচ্ছিল সেঞ্চুরি হয়তো পেয়েই যাবেন। কিন্তু শেষ ওভারে একটি বলও খেলার সুযোগ পাননি আইয়ার। যার ফলে ৩৮ বলে ৭ চার ও ৬ ছয়ের ৮৮ রানে অপরাজিত থাকতে হয় তাকে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনলাইন ডেস্ক: মাদারীপুরের শিবচরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২২ শত পরিবারের মাঝে খাবার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম থেকে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

এ সময় পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবচর পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান বলেন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির পক্ষ চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমন রোধে শিবচর বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে চিফ হুইপ স্যারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

চিফ হুইপের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাবার বিতরণ


ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০১৯ (চ্যানেল ২৬) : ঝুঁকি কমাতে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বীমা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বীমা অংক বাংলাদেশি টাকায় ১৩৪ কোটি ২৮৮ লাখ টাকা। বীমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে বাংলাদেশি টাকায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

ইতিমধ্যে সাধারণ বীমা সরকারের গৃহীত মেগা প্রকল্প সমূহ যেমন- মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু টানেল ও মেট্টো রেল প্রকল্পগুলোর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে করা হচ্ছে এ বীমা পলিসিটি। এর ফলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বীমা সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে দেশের বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে দেশি বীমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি বীমা কোম্পানি গুলো বীমা করতে উৎসাহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন

নিউজ ডেক্স: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নর্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গণমানুষের নেতা জাতীয় পাটির ঢাকা মহানগর-উত্তরের প্রচার সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম হাসেম।

সরোজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে, তারা জানান এস.এম হাসেমকে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুন এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছ যেতে পারেন এবং তিনি ভূক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর আরো জানান, এলাকা আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, চাঁদাবাজী সন্ত্রাস-মাস্তানি বন্ধ এবং দূর্নীতির জঙ্গীবাদ-এর বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান, তাই এই ৩২নং ওয়ার্ডে এস.এম হাসেম জনপ্রিয়তার শীর্ষে বা বিকল্প কোন নেতা এখনও এই ৩২নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয়নি।

তরঙ্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাত্কারে কাউন্সিলর প্রার্থী এস.এম হাসেম বলেন, আমি এলাকাবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচন করবো্ জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যাবো।আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এস.এম হাসেম ৩২নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ের সহযাত্রী ও সব ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। যদি মনে করেন আপনাদের চাওয়া পাওয়ার কথা উচ্চারিত হোক কোন বলিষ্ঠ কন্ঠে তবে আমার বলতে দিন।আপনাদের জন্য আমাকে কিছু করার সুযোগ দিন।আমি আপনাদের ভিড় থেকেই উঠে আসা আপনাদেরই একজন। আপনারা ভালো থাকলে ৩২নং ওয়ার্ডবাসী ভালো থাকবে,আমাদের রাজধানী ঢাকা ভালো থাকবে এবং ভালো থাকবে আমাদের সোনার বাংলাদেশ। তাই সকল দিক বিবেচনা করে আমাকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এর ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে একটি ভোট দিন।

ডিএনসিসিনির্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এস.এম হাসেম

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ধরে পরিকল্পিত যোগসাজশে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) জাফিকুর রহমান অমি (১৫) ও তার মা মোছাঃ আছমা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা অর্থবান ও ক্ষমতাধর হওয়াই আহতরা যেন থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করতে যায় এ জন্য প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে বিষয়টি আহত পরীক্ষার্থী অমি”র চাচা মোঃ আব্দুল হাই মিলন জানতে পেরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে হামলাকারী ৬ জনের বিরুদ্ধে (৫-ফেব্রুয়ারি) ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হামলাকারী আসামীরা হলেন,উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামের মৃতঃ- মোত্তালেব সরদারের ছেলে (১) মেহেদি হাসান,(২) মোস্তাক হোসেন নাহাজ,(৩) মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জগলুল,(৪) আসামী মেহেদির স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা আক্তার নূপুর,(৫) আসামী মোস্তাকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার ও একই গ্রামের মোঃ মাফতুম হোসেনের স্ত্রী (৬) পাখি বেগম। উক্ত মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, (গত ৩ এ-ফেব্রুয়ারি) সোমবার শুরু হয় এসএসসি-সমমান-২০ পরীক্ষা প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে ওই দিন সন্ধায় অমি তার নিজ ঘরে পড়ছিল হঠাৎই সে শুনতে পারে বাহিরে বেজোড়ে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা পূর্ব শত্রুতার জেড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়ির সামনের একটি মুরগির ঘর উল্লেখিত আসামীরা ভাঙচুর করছে এমনি অবস্থায় অমি”র মা তাদের বাঁধা দিতে গেলে আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দ্বারা মাথায় আঘাত করছে পাশাপাশি পড়নের কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করার দৃশ্য দেখে অমি ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে তার মা কে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় লোহার রড দ্বারা আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার মা ছেলেকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী মোঃ মনতাছির মামুন সনি,মোছাঃ শাহানা আক্তার ও লাইজু বেগম সহ আরও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়,ততক্ষণিক ওই স্থানীয়রা অমি ও তার মা কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভ্যানযোগে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী”র চাচা আব্দুল হাই মিলন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দিলে মামলাটি আমলে নিয়ে,আমার থানা পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এতে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

ক্ষেতলালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তার মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম”৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম:০৪/১০/২০১৯ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া আমিরাবাদ হোটেল ও আই সি হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এমএ তাহের (তারেক) জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লোহাগাড়া শাখা সাংবাদিক মুহাম্মদ ঈসা পবিত্র কোরআন তেলােওয়াতের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠান শুরু করে। সঞ্চালনা ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি , জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক , দৈনিক ওলামা কন্ঠ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট মুহাম্মদ মিয়া ফারুক, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, আরো উপস্থিত ছিলেন তুষার আহামেদ কাইছার শিহাব উদ্দিন শিহাব চ্যানেল কর্ণফুলি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বান্দরবান পার্বত্য জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম, জেলা কৃষক লীগ নেতা নূরুল ইসলাম ভান্ডারী, ইসমাইল হোসেন সোহাগ সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লামা উপজেলা শাখা,জিয়া হোসেন, বাবুল চৌধুরী, মোঃ কাউছার আলম, মুহাম্মদ ঈসা দপ্তর সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা , আব্বাছ উদ্দিন দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য , রফিকুর রহমান দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, মুহাম্মদ ফাহিম রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক মুক্তালোক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, আরো উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, রমজান আলী, মুহাম্মদ এমরান সহ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, উক্ত এ বৈঠকে সংগঠনের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার জন্যে স্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ও সাংবাদিকদের কল্যাণে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

themesbazartvsite-01713478536
error: Content is protected !!