সর্বশেষ সংবাদ
রামপাল থানার ওসির নম্বর ক্লোন করে প্রতারণার চেষ্টা গাবতলীতে গলা কেটে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন।মোটরসাইকেল সহ আসামি গ্রেফতার। দূর্নীতির নিউজ করায় পূর্ব পরিকল্পনায় চাঁদাবাজি মামলায় সাংবাদিক আটকের জেএসকেএফ’র তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ। বগুড়ায় হেল্প ব্লাড ডোনেশন এর ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বগুড়ার সোনাতলায় এরেনা (৪২) নারীর রহস্যজনক মৃত্যু বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে অপপ্রচার, অতিষ্ঠ সৈয়দপুরের বিশিষ্ট জনেরা মহাস্থানের মাদকের গডফাদার কামাল বাহিনীর ৩ সদস্য আটক কাজিপুরে উপসহকারী মেডিকেল অফিসারের দায়িত্বহীনতায় হাজারো লোক স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত ৷ বগুড়ায় র‍্যাবের অভিযানে অপহৃত ব্যক্তি উদ্ধার ; আটক-৪ বগুড়া র‌্যাবের অভিযানে কাভার্ড ভ্যান থেকে ৩৩৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ২

মোঃজাকির হোসেন নীলফামারী প্রতিনিধিঃসংবাদপত্রের নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সম্পূর্ণ মনগড়া তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে নগ্ন অপপ্রচার চালিয়ে ইমেজ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার কারনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সৈয়দপুর শহরের বিশিষ্ট জনেরা। একটি সংবাদপত্রে আজগুবি, অসত্য ও তথ্যসূত্রহীন বালখেল্যপনা ধরনের খবরের নিয়মিত পরিবেশনায় সচেতন সৈয়দপুরবাসীর মাঝেও দেখা দিয়েছে বিড়ম্বনা। বিচলিত হয়ে উঠেছেন বোদ্ধা মহল। সৈয়দপুর উপজেলার শতাধিক সংবাদকর্মীর মাঝে মাত্র একজনই রোহিঙ্গার মত নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়ে এসে এই অপকর্মে লিপ্ত। নামের শেষে হক লকবধারী লকব নামেই সমধিক পরিচিত ওই ব্যক্তি নিজেকে সংবাদকর্মী পরিচয় দিলেও সংবাদের সাথে তার ন্যুনতম সম্পর্ক নেই। সংবাদের অর্থও হয়তো জানেনা।তাইতো থেকে থেকে আবোল তাবোল প্যাঁচাল এর মত যেসব লেখা তার নামে পত্রিকায় ছাপা হয় তাতে যেমন ব্যাকরণগত ত্রুটির বহুল উপস্থিতি দেখা যায় তেমনি ভাষাজ্ঞানের চাড়ালিপনাও থাকে প্রকটভাবে। সংবাদপত্রের নীতিমালাকে চরমভাবে অবজ্ঞা করে ন্যুনতম মানবিক ও সামাজিক বোধ এবং নৈতিকতা বিবর্জিত ওইসব লেখা দেখেই বোঝা যায় তার শিক্ষা, জ্ঞান ও রুচিবোধের পরিসীমা। একজন মানুষ কতটা জঘন্য হলে এভাবে প্রচলিত ধারার বিপরীতে গিয়ে খামখেয়ালিতে নিয়োজিত হতে পারে তা যে কোন মানুষের স্বাভাবিক ভাবনাতেও আসবেনা। কারণ সাধারণ কোন ব্যক্তিও যে ভাষাতে কথা বলতে দ্বিধাবোধ করেন। এমনকি ঝগড়া বিবাদের সময়ও রাগান্বিত হয়ে আক্রোশবশতঃ যে কথাগুলো উচ্চারণ করেনা। সেখানে তিনি অবলীলায় ওই ধরনের নোংরা ও শ্রুতিকটু ভাষায় সংবাদ লেখেন। তিনি নিজেকে দূর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবী সৈনিক বলে নিজস্ব মহলে বাগাড়ম্বর করলেও তার উদ্দেশ্য অনৈতিক ও স্বার্থপরতাযুক্ত। তাইতো তিনি বেছে বেছে টার্গেটকৃত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ তুললেও তার নিকটাত্মীয় সরকারী সম্পত্তি দখলবাজ, চোরাই ও অসুস্থ পশুর মাংস বিক্রেতা হাট ইজারাদার এর চাক্ষুস ও প্রমাণিত অপকর্ম নিয়ে একেবারেই নিশ্চুপ। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে
নানা অপকর্মের সাথে বিশিষ্ট জনদের নাম জড়িয়ে অসত্য, তথ্যসূত্রহীন উড়ো খবর প্রকাশ করছেন। যেগুলোকে খবর বলাও ঠিক নয়। বরং ‘ফেইক এন্ড পেইড’ সর্বস্ব বিজ্ঞাপন। যা একটি চক্রের মদদপুষ্ট হয়ে মিথ্যে অপপ্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করছে উচ্ছিষ্টভোগী ওই ব্যক্তি। সৈয়দপুরের সচেতন মানুষ এই মিথ্যেচার সম্পর্কে অবগত হলেও গোয়েবলেসীয় কায়দায় একই মিথ্যে সংবাদ বার বার প্রকাশ করে ব্যক্তি বিশেষের বিপক্ষে একটা প্রোপাগান্ডার বলয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্মানী ব্যক্তিদের ইমেজ নিয়ে ছিনিমিনি খেলায় মত্ত হয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ফায়দা হাসিলের এই ভণ্ডামিতে কেউ কেউ বিভ্রান্তও হচ্ছেন। এতে সমাজে একটা অস্থিরতা তৈরী হচ্ছে। কখনও কখনও ব্যক্তির সাথে সাথে জনগোষ্ঠী বা জাতির প্রতি উস্কানিমুলক দোষারোপ করায় জাতিগত উত্তেজনাও দেখা দিচ্ছে। হক’র এহেন নাহক কর্মকাণ্ডতে সৈয়দপুরের বিশিষ্টজনেরা চরমভাবে অতিষ্ঠ হয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছে। ইতোপূর্বেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। এখন সম্মিলিতভাবে অভিযোগ করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পত্রিকার বিরুদ্ধেও নিয়মতান্ত্রিক পদক্ষেপ নেয়া হবে।কারণ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে পত্রিকাটির সম্পাদনা ও প্রকাশনার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রুচিবোধ ও অবিবেচক ভুমিকা নিয়ে। কি করে তারা এহেন ভাষাজ্ঞানহীন একজনের একগুঁয়ে বাচালতা ও নীতি বিবর্জিত জগাখিচুড়ি লেখা প্রকাশ করছেন অবলীলায়? তবে কি খবরগুলো ‘ফেইক’ হলেও শুধু ‘পেইড’ হওয়ায় ছাপা হচ্ছে বিবেক বেচে?তাই যদি না হবে তাহলে এমন একজনকে কেনইবা প্রতিনিধি হিসেবে রাখা হয়েছে। যে কিনা সংবাদ দূরে থাক ন্যুনতম গরুর রচনা লিখতেও অপারগ। তাইতো সৈয়দপুরে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনা, জনদূর্ভোগ, সমস্যা সম্ভাবনা, কৃষি-শিল্প-বানিজ্য ক্ষেত্রের উন্নয়ন-সমৃদ্ধি, মানুষের প্রত্যাশা-সাফল্য, শিক্ষার প্রসার ও প্রতিভার বিকাশ সংক্রান্ত কোন খবরই কখনও তার পত্রিকায় আনতে পারেননি।অনুসন্ধানী সংবাদ, ফিচার বা প্রতিবেদন লেখার কথাতো স্বপ্নেও ভাবেননা। কারণ এগুলোতো অনেক পরের কথা, সামান্য দৈনন্দিন ঘটে যাওয়া ঘটনার তাৎক্ষণিক খবর (কারেন্ট নিউজ) লিখতে গিয়ে ঘেমে একাকার হয়ে যান। আর এইজন্যই তিনি মাঝে মাঝে মনে যা আসে তাই লিখে সাথে ফ্লাক্সি বা বিকাশ মানি দিয়ে কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে পত্রিকায় জায়গা (স্পেস) বরাদ্দ নেন সেগুলো ছাপানোর জন্য।
এধরনের উদাহরণ সংবাদপত্র বা মিডিয়া জগতের জন্য খুবই উদ্বেগজনক। মিডিয়ার প্রতি জনমানুষের যে বিশ্বাস বা বোধ তা নষ্ট করছে এইসব দুষ্টু চক্র। এদের এখনই প্রতিরোধ করতে হবে। নয়তো এর খেসারত সব মহলকেই দিতে হবে বলে মনে করেন বিজ্ঞ জনেরা।

বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে অপপ্রচার, অতিষ্ঠ সৈয়দপুরের বিশিষ্ট জনেরা

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার গাবতলীতে আব্দুল লতিফ নামে অপহৃত এক ব্যক্তিকে উদ্ধারসহ এ ঘটনায় জড়িত চার অপহরণকারীকে আটক করেছে র্যাব। আটককৃতরা হলেন- বগুড়া গাবতলী উপজেলার হাসনাপাড়া এলাকার মৃত- আনিছার রহমানের ছেলে নাহিদ রাসেল(৩৮), আব্দুল গফুরের ছেলে সোহান মোল্লা(১৯) ও জয়নাল আবেদীনের ছেলে মিঠু মিয়া(৪০) এবং জয়ভোগা উত্তরপাড়া এলাকার ফজলুল রহমানের ছেলে সজিব (২৪)। মঙ্গলবার ভোররাত ৫টার দিকে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার জোড়গাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বগুড়া র্যাব-১২ এর কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার মোঃ সোহরাব হোসেন জানান, গত ২৩ আগস্ট রাত ১০টার দিকে আব্দুল লতিফ গাবতলী ডাক বাংলো হতে ভূমি অফিস গাবতলীর উদ্দেশ্যে বের হয়ে যান। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রীর মোবাইল ফোনে তার স্বামীর মুক্তিপন হিসেবে ৫০ হাজার টাকা দাবী করে অপহরণকারীরা। ভিকটিমের স্ত্রী নিজের স্বামীকে উদ্ধারের জন্য গাবতলী থানায় ও র‌্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পে তার স্বামী অপহরণের অভিযোগ জানায়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‌্যাবের গোয়েন্দা টীম অপহরণকারীকে গ্রেফতার ও ভিকটিম উদ্ধারে গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোররাত ৫টার দিকে সারিয়াকান্দি উপজেলার জোড়গাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত আব্দুল লতিফকে উদ্ধারসহ চার অপহরণকারীদের গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরও জানান, অপহরণকারী চক্র ভিকটিম আব্দুল লতিফকে জোরপূর্বক গাবতলী থেকে সারিয়াকান্দিতে নিয়ে এসে একটি বাসায় আটকিয়ে রাখে। গ্রেফতারকৃত অফরণকারীদের গাবতলী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে গাবতলী থানায় (মামলা নং-১৭ তারিখ ২৪/০৮/২১ ইং ধারা- ৩২৩/ ৩৬৫/ /৩৮৫/ ৩৮৭/৩৪ পেনাল কোড আইনে) মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বগুড়ায় র‍্যাবের অভিযানে অপহৃত ব্যক্তি উদ্ধার ; আটক-৪

মোঃজাকির হোসেন নীলফামারী প্রতিনিধিঃসংবাদপত্রের নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সম্পূর্ণ মনগড়া তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে নগ্ন অপপ্রচার চালিয়ে ইমেজ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার কারনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সৈয়দপুর শহরের বিশিষ্ট জনেরা। একটি সংবাদপত্রে আজগুবি, অসত্য ও তথ্যসূত্রহীন বালখেল্যপনা ধরনের খবরের নিয়মিত পরিবেশনায় সচেতন সৈয়দপুরবাসীর মাঝেও দেখা দিয়েছে বিড়ম্বনা। বিচলিত হয়ে উঠেছেন বোদ্ধা মহল। সৈয়দপুর উপজেলার শতাধিক সংবাদকর্মীর মাঝে মাত্র একজনই রোহিঙ্গার মত নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়ে এসে এই অপকর্মে লিপ্ত। নামের শেষে হক লকবধারী লকব নামেই সমধিক পরিচিত ওই ব্যক্তি নিজেকে সংবাদকর্মী পরিচয় দিলেও সংবাদের সাথে তার ন্যুনতম সম্পর্ক নেই। সংবাদের অর্থও হয়তো জানেনা।তাইতো থেকে থেকে আবোল তাবোল প্যাঁচাল এর মত যেসব লেখা তার নামে পত্রিকায় ছাপা হয় তাতে যেমন ব্যাকরণগত ত্রুটির বহুল উপস্থিতি দেখা যায় তেমনি ভাষাজ্ঞানের চাড়ালিপনাও থাকে প্রকটভাবে। সংবাদপত্রের নীতিমালাকে চরমভাবে অবজ্ঞা করে ন্যুনতম মানবিক ও সামাজিক বোধ এবং নৈতিকতা বিবর্জিত ওইসব লেখা দেখেই বোঝা যায় তার শিক্ষা, জ্ঞান ও রুচিবোধের পরিসীমা। একজন মানুষ কতটা জঘন্য হলে এভাবে প্রচলিত ধারার বিপরীতে গিয়ে খামখেয়ালিতে নিয়োজিত হতে পারে তা যে কোন মানুষের স্বাভাবিক ভাবনাতেও আসবেনা। কারণ সাধারণ কোন ব্যক্তিও যে ভাষাতে কথা বলতে দ্বিধাবোধ করেন। এমনকি ঝগড়া বিবাদের সময়ও রাগান্বিত হয়ে আক্রোশবশতঃ যে কথাগুলো উচ্চারণ করেনা। সেখানে তিনি অবলীলায় ওই ধরনের নোংরা ও শ্রুতিকটু ভাষায় সংবাদ লেখেন। তিনি নিজেকে দূর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবী সৈনিক বলে নিজস্ব মহলে বাগাড়ম্বর করলেও তার উদ্দেশ্য অনৈতিক ও স্বার্থপরতাযুক্ত। তাইতো তিনি বেছে বেছে টার্গেটকৃত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ তুললেও তার নিকটাত্মীয় সরকারী সম্পত্তি দখলবাজ, চোরাই ও অসুস্থ পশুর মাংস বিক্রেতা হাট ইজারাদার এর চাক্ষুস ও প্রমাণিত অপকর্ম নিয়ে একেবারেই নিশ্চুপ। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে
নানা অপকর্মের সাথে বিশিষ্ট জনদের নাম জড়িয়ে অসত্য, তথ্যসূত্রহীন উড়ো খবর প্রকাশ করছেন। যেগুলোকে খবর বলাও ঠিক নয়। বরং ‘ফেইক এন্ড পেইড’ সর্বস্ব বিজ্ঞাপন। যা একটি চক্রের মদদপুষ্ট হয়ে মিথ্যে অপপ্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করছে উচ্ছিষ্টভোগী ওই ব্যক্তি। সৈয়দপুরের সচেতন মানুষ এই মিথ্যেচার সম্পর্কে অবগত হলেও গোয়েবলেসীয় কায়দায় একই মিথ্যে সংবাদ বার বার প্রকাশ করে ব্যক্তি বিশেষের বিপক্ষে একটা প্রোপাগান্ডার বলয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্মানী ব্যক্তিদের ইমেজ নিয়ে ছিনিমিনি খেলায় মত্ত হয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ফায়দা হাসিলের এই ভণ্ডামিতে কেউ কেউ বিভ্রান্তও হচ্ছেন। এতে সমাজে একটা অস্থিরতা তৈরী হচ্ছে। কখনও কখনও ব্যক্তির সাথে সাথে জনগোষ্ঠী বা জাতির প্রতি উস্কানিমুলক দোষারোপ করায় জাতিগত উত্তেজনাও দেখা দিচ্ছে। হক’র এহেন নাহক কর্মকাণ্ডতে সৈয়দপুরের বিশিষ্টজনেরা চরমভাবে অতিষ্ঠ হয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছে। ইতোপূর্বেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। এখন সম্মিলিতভাবে অভিযোগ করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পত্রিকার বিরুদ্ধেও নিয়মতান্ত্রিক পদক্ষেপ নেয়া হবে।কারণ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে পত্রিকাটির সম্পাদনা ও প্রকাশনার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রুচিবোধ ও অবিবেচক ভুমিকা নিয়ে। কি করে তারা এহেন ভাষাজ্ঞানহীন একজনের একগুঁয়ে বাচালতা ও নীতি বিবর্জিত জগাখিচুড়ি লেখা প্রকাশ করছেন অবলীলায়? তবে কি খবরগুলো ‘ফেইক’ হলেও শুধু ‘পেইড’ হওয়ায় ছাপা হচ্ছে বিবেক বেচে?তাই যদি না হবে তাহলে এমন একজনকে কেনইবা প্রতিনিধি হিসেবে রাখা হয়েছে। যে কিনা সংবাদ দূরে থাক ন্যুনতম গরুর রচনা লিখতেও অপারগ। তাইতো সৈয়দপুরে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনা, জনদূর্ভোগ, সমস্যা সম্ভাবনা, কৃষি-শিল্প-বানিজ্য ক্ষেত্রের উন্নয়ন-সমৃদ্ধি, মানুষের প্রত্যাশা-সাফল্য, শিক্ষার প্রসার ও প্রতিভার বিকাশ সংক্রান্ত কোন খবরই কখনও তার পত্রিকায় আনতে পারেননি।অনুসন্ধানী সংবাদ, ফিচার বা প্রতিবেদন লেখার কথাতো স্বপ্নেও ভাবেননা। কারণ এগুলোতো অনেক পরের কথা, সামান্য দৈনন্দিন ঘটে যাওয়া ঘটনার তাৎক্ষণিক খবর (কারেন্ট নিউজ) লিখতে গিয়ে ঘেমে একাকার হয়ে যান। আর এইজন্যই তিনি মাঝে মাঝে মনে যা আসে তাই লিখে সাথে ফ্লাক্সি বা বিকাশ মানি দিয়ে কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে পত্রিকায় জায়গা (স্পেস) বরাদ্দ নেন সেগুলো ছাপানোর জন্য।
এধরনের উদাহরণ সংবাদপত্র বা মিডিয়া জগতের জন্য খুবই উদ্বেগজনক। মিডিয়ার প্রতি জনমানুষের যে বিশ্বাস বা বোধ তা নষ্ট করছে এইসব দুষ্টু চক্র। এদের এখনই প্রতিরোধ করতে হবে। নয়তো এর খেসারত সব মহলকেই দিতে হবে বলে মনে করেন বিজ্ঞ জনেরা।

বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে অপপ্রচার, অতিষ্ঠ সৈয়দপুরের বিশিষ্ট জনেরা

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ-আসন্ন ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব মোঃ সখিমুদ্দিন প্রামানিককে প্রার্থী হিসেবে পেতে চায় ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয়নের সর্ব স্তরের জনগন। বিশ্ব ব্যাপী

মহামারীর শেষ কবে? পৃথিবী জুড়ে এ প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা হলেও এরই মধ্যেই দেশে ঘনিয়ে আসছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের।আইন অনুযায়ী আগামী বছরের মার্চে ইউপি নির্বাচন শুরু। আর এ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের মাঝে চলছে জল্পনা আর কল্পনা। তারই ধারাবাহিকতায় ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রাথী হওয়ার ঘোষনা দেন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রেী শেখ হাসিনা ও আত্রাই- রানীনগর এলাকার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন হেলাল
আস্থা ,আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ,ন্যায় পরায়ন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, বিশিষ্ট ক্রিড়া সংগঠক, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগের কান্ডারী উন্নয়নের রুপকার ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয় আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সখিমুদ্দিন প্রামানিক।সখিমুদ্দিন ছাত্র জীবণ থেকেই আওয়ামী লীগের আদর্শ লালন করেন।তিনি বাল্যকালে অনেকদিন যাবৎআত্রাই উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূন্য রাজনীতির সাথে একই ক্যাটাগরী
রাজনৈতিকের আর্দশ্য বুকে ধারণ করেন। সখিমুদ্দীন ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।এ বিষয়ে বিস্তারিতআত্রাই উপজেলার কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রি মিডিয়ার প্রতিনিধিগনকে তিনি বলেন ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয়ন বাসীর দোয়া ও আর্শীবাদ নিয়ে আসন œইউপি নির্বাচনের প্রচরনা শুরু করবো ইনশাল্লাহ। এলাকাবাসী জানান, সখিমুদ্দিন প্রামানিক ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ।সখিমুদ্দিন প্রতিনিয়ত উপজেলার ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয়নেরবিভিন্নহাট বাজার,গ্রাম-পাড়া মহল্লায় সহ বিভিন্ন স্থানে গণ সংযোগ করছেন এবং নানা শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশলও শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন।এলাকাবাসী জানান—সখিমুদ্দিনপ্রামানিককে দলীয় সমর্থন দেয়া হলে নেতাকমীদের পাশাপাশি বিভিন্ন-শ্রেণীর লোকজন সমর্থন করবেন এবং বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সখিমুদ্দিন প্রামানিক সব সময় গরীব দুঃখী খেটে খাওয়া মানুষের পাশে থাকেন এবং সরকারের উন্নয়ন মূলক কাজগুলো করতে সর্বদা সচেষ্ট থাকেন। সখিমুদ্দিন প্রামানিক উপজেলা সাহেব গঞ্জ গ্রামের আওয়ামী লীগের প্রবীন নেতা মরহুম আলম প্রামানিক সুযোগ্য সন্তান।তিনি বলেন—এদেশ স্বাধীন হওয়ার পেছনে আমার বাপ দাদাদের ভ’মিকা ছিল প্রসংসনীয়। বাল্যকাল থেকেই আমরা আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত।আমাকে আমার দল তথা
আত্রাই-রাণীনগর অবিভাবক জনাব আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন হেলাল এমপি যোগ্য মনে করলে এবং এলাকাবাসী সহযোগীতা করলে আগামী ইউপি নির্বাচনে নুহ নবীর কিস্তী সেই নৌকা মার্কার প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে ইনশাল্লাহ।

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সখিমুদ্দিন প্রামানিক সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী

অনলাইন ডেস্ক: নেত্রকোনার কলমাকান্দায় একাধিকবার ভোটার আইডি কার্ড করায় প্রতারণার অভিযোগ এনে সুজন চন্দ্র শীল নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা একেএম মোছা বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে কলমাকান্দা থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।
অভিযুক্ত সুজন চন্দ্র শীল উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নের লেংগুরা গ্রামের বীরেন্দ্র চন্দ্র শীলের ছেলে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কর্মকর্তা মো. একেএম মোছা বলেন, ওই ব্যক্তি তথ্য গোপন করে একই নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে একাধিকবার ভোটার আইডি কার্ড বানিয়েছেন। তাই ভোটার তালিকা আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

কলমাকান্দা থানার ওসি এটিএম মাহমুদুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

কাধিক এনআইডি কার্ড করায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক: পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীনে ৩৬ ক্যাটাগরিতে ১৫৬২টি পদে (রাজস্ব খাতভুক্ত) জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। সবচেয়ে বেশিসংখ্যক নিয়োগ হবে ফার্মাসিস্ট (২৭৫), মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট-ল্যাব (১৪৮), অফিস সহায়ক (৪০৪) ও এমএলএসএস/নিরাপত্তা প্রহরী (৩৭৪) পদে। ৩০ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রতিদিনের ৮ নম্বর পৃষ্ঠায় এসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আবেদনের খুঁটিনাটি ও নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন

নিয়োগ পরীক্ষা যেভাবে

নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সমন্বয়) মতিউর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হলে নিয়োগ পরীক্ষা কবে, কিভাবে নেওয়া যায়—এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরীক্ষা কবে হতে পারে, এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সব পদের নিয়োগ পরীক্ষায় সর্বমোট ১০০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। প্রথমে ৭০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা হবে। তারপর ৩০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা।

তবে কম্পিউটার অপারেটর, সাঁটলিপি-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর—এসব পদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রার্থীকে কম্পিউটারের ব্যাবহারিক দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। অর্থাৎ উল্লিখিত এসব পদে ব্যাবহারিক পরীক্ষা হবে, অন্যান্য পদে ব্যাবহারিক পরীক্ষা হবে না। ব্যাবহারিক দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর হবে মৌখিক পরীক্ষা। এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষায় সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরির পদসংখ্যার তিন থেকে পাঁচ গুণ প্রার্থীকে উত্তীর্ণ করা হবে। এমসিকিউ পদ্ধতিতে ৭০ নম্বরের পরীক্ষায় প্রশ্ন থাকবে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান বিষয় থেকে। একজন প্রার্থী একাধিক ক্যাটাগরির পদে আবেদন করতে পারবেন, তবে সমস্যা হলো—একাধিক ক্যাটাগরির পরীক্ষা একই দিন অনুষ্ঠিত হতে পারে। এমনটি হলে যেকোনো একটি ক্যাটাগরির পদের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

কোন পদে কতজন নেবে

ফার্মাসিস্ট ২৭৫ জন, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) ১৪৮ জন, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (রেডিও) ২ জন, হেলথ এডুকেটর ১ জন, সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর ৩ জন, কম্পিউটার অপারেটর ১ জন, ফিল্ড ট্রেইনার ১ জন, প্রধান সহকারী ১ জন, হিসাবরক্ষক ৩ জন, উচ্চমান সহকারী ১ জন, গবেষণা সহকারী ২ জন, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর ৪০ জন, পরিসংখ্যান সহকারী ৫ জন, গুদামরক্ষক ৫ জন, কোষাধ্যক্ষ ৬ জন, সহকারী লাইব্রেরিয়ান ২ জন, ইপিআই টেকনিশিয়ান ১ জন, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ১৫৯ জন, টেলিফোন অপারেটর ২ জন, ডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর ১ জন, ওয়ার্ড মাস্টার ২ জন, লিনেনকিপার ২ জন, ইনস্ট্রুমেন্ট কেয়ারটেকার ২ জন, টিকিট ক্লার্ক ৪ জন, স্টেরিলাইজার-কাম-মেকানিক ২ জন, কিচেন সুপারভাইজার ১ জন, রেকর্ডকিপার ১ জন, কার্ডিওগ্রাফার ১ জন, গাড়িচালক ৩৪ জন, ইলেকট্রিশিয়ান ১ জন, অফিস সহায়ক ৪০৪ জন, এমএলএসএস/নিরাপত্তা প্রহরী ৩৭৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ৯ জন, ওয়াচম্যান ১ জন, কুক হেলপার ১ জন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ৬৪ জন।

আবেদনের যোগ্যতা

প্রতিটি পদে আবেদনের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার শর্ত ভিন্ন ভিন্ন। পদভেদে শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি/সমমান থেকে শুরু করে স্নাতক (সম্মান) পর্যন্ত। কিছু জেলার সাধারণ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। তবে এতিম ও প্রতিবন্ধী কোটায় সব জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে বিজ্ঞপ্তি দেখুন এই লিংক থেকে— dgfp.teletalk.com.bd/dgfp1

আবেদনের সময় ও বয়সসীমা

অনলাইনে (dgfp.teletalk.com.bd) আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৩০ নভেম্বর ২০২০, বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সাধারণ প্রার্থীর বয়সসীমা হতে হবে ১৮ থেকে ৩০ বছর (২৫ মার্চ ২০২০ তারিখে)। তবে মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যা ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩২ বছর।

নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি  পরামর্শ

► বাংলা

বাংলায় সাধারণত দুই ধরনের প্রশ্ন আসে—প্রথমত সাহিত্য, দ্বিতীয়ত ব্যাকরণ। বাংলা সাহিত্যের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, জসীমউদ্দীন, মীর মশাররফ হোসেন, দীনবন্ধু মিত্র, ফররুখ আহমদ, কায়কোবাদ, বেগম রোকেয়া, শামসুর রাহমান গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ, বিখ্যাত পত্রিকার সম্পাদকের নামও পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আর ব্যাকরণ অংশের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে—পরিভাষা, এককথায় প্রকাশ, বাগধারা, বানান, শুদ্ধ-অশুদ্ধ, সমার্থক শব্দ, শব্দ, উপসর্গ, সমাস, সন্ধি ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ। এ অংশের প্রস্তুতির জন্য নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা ব্যাকরণ’ বই সবচেয়ে কাজের।

► ইংরেজি

ইংরেজি বিষয়ের প্রস্তুতির জন্য সবার আগে নিজের ইংরেজি জ্ঞানের ভিত্তি মজবুত করতে হবে। তারপর বাজারের ভালো মানের কোনো নিয়োগ পরীক্ষার বই থেকে Parts of speech, Subject verb agreement, Conditional sentence, Affirmative Negative agreement, Tag Question, Correct spelling, Synonyms and Antonyms, Idioms and Phrases, Substitution Word, Appropriate preposition, Translation প্রভৃতি বিষয় খুব ভালো করে অনুশীলন করতে হবে। এসব টপিকের ওপর আগের নিয়োগ পরীক্ষায় আসা প্রশ্নগুলো গুরুত্বসহ দেখতে হবে। কারণ পরীক্ষায় অনেক সময় হুবহু বিগত বছরের প্রশ্ন আসে। এ ছাড়া বিগত পরীক্ষার সাহিত্য বা Literature

অংশের গুরুত্বপূর্ণ টপিক বা প্রশ্ন অনুশীলন করতে পারেন।

► গণিত

গণিত প্রস্তুতির ক্ষেত্রে ষষ্ঠ থেকে নবম-দশম শ্রেণির গণিত বইগুলোকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া যেতে পারে। এরপর বাজারের প্রচলিত ভালো মানের কোনো বই থেকে লসাগু, গসাগু, শতকরা, সরল ও যৌগিক মুনাফা, লাভ-ক্ষতি, অনুপাত-সমানুপাত, বীজগণিতের মান নির্ণয়, উপাদক, সূচক, লগারিদম, সমান্তর ও গুণোত্তরধারা অধ্যায়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

► সাধারণ জ্ঞান

সাধারণ জ্ঞানের প্রস্তুতির জন্য শুরুতে অষ্টম-নবম ও দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই পড়া যেতে পারে। তারপর সাধারণ জ্ঞানের কোনো বই থেকে মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাংলাদেশের সম্পদ, বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, বাঙালির সংস্কৃতি ও শিল্পকলা, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা, খেলাধুলা ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের জাতীয় অর্জন প্রভৃতি বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বিষয়ের প্রস্তুতির জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা-সংগঠন, বিভিন্ন দেশের পরিচিতি, বিশ্বের বড় বড় যুদ্ধ-সংঘাত, প্রণালী, গণমাধ্যম, খেলাধুলা প্রভৃতি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সমসাময়িক তথ্য ও খবর সম্পর্কে আপডেট থাকতে হবে।

ভালো প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশের ও আন্তর্জাতিক মানচিত্র খেয়াল করে দেখা যেতে পারে। মানচিত্রসংশ্লিষ্ট তথ্য থেকেও প্রশ্ন থাকতে পারে। সাধারণ জ্ঞানে ভালো করার জন্য বিগত সালে আসা যেসব প্রশ্নের গুরুত্ব বর্তমানেও আছে, সেগুলো পড়তে পারেন।

প্রতিদিন বাংলা দৈনিক পত্রিকার পাশাপাশি অন্তত একটি ইংরেজি পত্রিকা পড়া যেতে পারে। নিয়মিত তথ্য বা খবরের আপডেট পেতে ফেসবুকে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের পেজ লাইক দিয়ে রাখতে পারেন।

► বিশেষ পদে বিশেষ প্রস্তুতি

ফার্মাসিস্ট, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট, হেলথ এডুকেটর প্রভৃতি পদের পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান অংশে বিজ্ঞান থেকে কিছু প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

তাই বিজ্ঞানও প্রস্তুতি পরিকল্পনায় রাখতে হবে। এ ছাড়া কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর প্রভৃতি পদে সাধারণ জ্ঞান অংশে কম্পিউটারবিষয়ক প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই কম্পিউটার বিষয়ের প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে।

এসব পদের জন্য যেহেতু ব্যাবহারিক পরীক্ষা আছে, তাই ব্যাবহারিক দক্ষতা বাড়াতে এখন থেকেই নিয়মিত চর্চা করতে হবে। অনেকে লিখিত পরীক্ষায় ভালো করেও ব্যাবহারিক পরীক্ষায় আটকে যান।

ব্যাবহারিক কাজে দুর্বলতা থাকলে ইউটিউবের টিউটরিয়াল দেখে বাসায় চর্চা করতে পারেন।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নেবে ১৫৬২ জন

মোঃ আল আমিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মাছিহাতা ইউনিয়নের উত্তর জগৎ সার পূর্ব পাড়া ফেন্ডস্ ফর লাইফ এর উদ্যোগে জনাব ড.এস এম সেরাজুস সালেহীন এর সভাপতিত্বে ব্যাটমিন্টন নাইট টুর্নামেন্ট খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্ট খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও সমাজ সেবক জনাব মোঃ ফজলে রাব্বি। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন মোঃ আশিদ মিয়া, মোঃ ইরিন মিয়া,মোঃ নিজাম মিয়া,মোঃ মহিউদ্দিন মিয়া ( অবসর প্রাপ্ত পুলিশ ) মোঃ জাবেদুর রহমান ( জাবেদ ) মোঃ শাহনেওয়াজ মিয়া,মোঃ লুৎফুল রহমান, মোঃ কাউছার মিয়া, মোঃ রুহুল আমিন ( প্রধান শিক্ষক, নতুনকুডি ) মোঃ রিয়াজুল হক বাবু ( প্রবাসী ) মোঃ শিরু মিয়া ( ব্যবসায়ী ) অতিথিদের বক্তব্যে বলেন জাতি গঠনে শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই। শেখ রাসেল স্মৃতি ক্রীড়া পরিষদ ও আদিল একাদশ দুটি দলের মধ্যে ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত খেলায় বিজয়ী হন আদিল একাদশ। ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্ট খেলায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন সভাপতি জনাব সেরাজুছ সালেহীন ও প্রধান অতিথি জনাব মোঃ ফজলে রাব্বি সহ সকল অতিথি বৃন্দ্য। সঞ্চালনায় ছিলেন কামরুল হাসান সাকিন, সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রাকিব মিয়া।

উত্তর জগৎ সার পূর্ব পাড়া ফেন্ডস্ ফর লাইফ এর উদ্যোগে ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত।

সমাজের অবহেলিত ব্যাক্তিদের নানা ধরনের সমাজ সেবামূলক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এভারগ্রীন ফাউন্ডেশন।নানা ধরনের কার্যক্রমের মধ্যে দিয়ে রক্তদান কার্যক্রম উক্ত ফাউন্ডেশনের মূল মন্ত্র।২০১৯ সাল থেকে শুরু করে উক্ত ফাউন্ডেশন করোনা কালীন সহায়তা,শীত বস্ত্র বিতান,রক্ত দান,গ্রামীন খামার পরিচালনার সেবা প্রদান,গাছ লাগানো থেকে শুরু করে মাসিক পথ শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা করে যাচ্ছে উক্ত ফাউন্ডেশন। তবে সরকারী ভাবে নিবন্ধন না পেলেও সমাজ গঠন মূলক কার্যক্রমে উক্ত ফাউন্ডেশনের ভূমিকা অপরিসীম।উক্ত ফাউন্ডেশনের সাথে যুক্ত হয়ে চ্যানেল ২৬ এর চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন,আমার দীর্ঘ দিনের নানা ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে আমি মানুষের সমস্যা কতটুকু তা জানতে পারিনী তবে উক্ত সংগঠনের মাধ্যমে আমি জানতে এবং বুঝতে পারলাম একটি মানুষ অন্যের সহায়তা ছাড়া কতটা অচল।এবং মানুষের সেবা করা কতটা আনন্দের। আমি আশা করি উক্ত ফান্ডেশন মানুষের সেবায় এগিয়ে যাবে।

সমাজ সেবামূলক কার্যক্রম নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এভারগ্রীন ফাউন্ডেশন।

অনলাইন ডেস্ক: ভাইরাল হয়ে যাওয়া এক ছবিতে দেখা যায়, এক নারীর সঙ্গে বিছানায় বসে আছেন ভারতের যোগগুরু বাবা রামদেব। ছবিতে ওই নারীর কাঁধে হাত রেখে হাসিমুখে আছেন তিনি। ওই ছবি সম্প্রতি ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।

টুইটারে ছবিটি পোস্ট করে রামদেবকে ব্যাপকহারে গালিগালাজ করছেন অনেকেই। একইভাবে ফেসবুকেও ছবি-পোস্টে রামদেবকে ‘চরিত্রহীন’ বলা হচ্ছে।

ছবিটি আগেও ভাইরাল হয়েছিল। ২০১৮ সালেও ভাইরাল হয়েছিল ওই ছবি। পাঁচ বছর ধরেই নেটদুনিয়ায় ঘুরে-ফিরে দেখা গেছে রামদেবের ছবিটি। দুই বছর আগে একই ছবি পোস্ট করে রামদেব ‘যৌন কলঙ্কে’ ফাঁসবেন বলে দাবি করা হয়েছিল।

তবে ছবিটি পাঁচ বছর আগের। ছবিতে রামদেবের সঙ্গে থাকা নারী আসলে ক্যান্সার আক্রান্ত (তখন বয়স ২৭)। বেদান্ত হাসপাতালে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল রামদেবের।

গুগলের রিভার্স ইমেজ সার্চ ব্যবহার করে ওই ছবি সম্পর্কে জানা যায়, ছবিটি ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বরের। রামদেবের অফিসিয়াল ফেসবুকেও ওই ছবি একই সময়ে পোস্ট করা হয়েছিল।

ওই পোস্টে রামদেব বলেন, আমার এই বোন প্রীতি ক্যান্সারে ভুগছেন এবং মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। পতঞ্জলী যোগপীঠের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে একজনের পরিবারের সদস্য প্রীতি। বেদান্ত হাসপাতালে আমি এই বোনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি এবং তাকে আশীর্বাদ দিয়েছি। এছাড়াও তাকে প্রাণায়ম শেখানোর সঙ্গে আয়ুর্বেদ ওষুধও দিয়েছি।

নারীর সঙ্গে বিছানায় রামদেব, ভাইরাল ছবির পেছনের গল্প জেনে নিন

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি:খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং কুলবাড়িয়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম মুন্নার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উপহার গৃহহীনদের জন্য ঘর উপহার। সেই ঘর দেয়ার কথা বলে এক হতদরিদ্র ভ্যান চালকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় হতদরিদ্র ব্যক্তি ঘর না পেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়া ডুমুরিয়া থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেছেন। যার নং-৪৪ তারিখ ১/০২/২০২১।
ডুমুরিয়া উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাক আলী খার পুত্র মোঃ আবু বক্কর খাঁ তার অভিযোগ উল্লেখ করেন, তিনি একজন হতদরিদ্র ব্যক্তি। তার কোন জায়গা জমি নেই। ভ্যান চালিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে কোন রকম দিনাতিপাত করেন। ওয়াপদার উপর কুড়ে ঘর বানিয়ে সেখানে বসবাস করেন। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার উপহার ভূমিহীনদের জায়গাসহ ঘর নির্মান করে দিচ্ছেন। এসময় তিনি আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং কুলবাড়িয়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম মুন্নার কাছে গেলে ঘর পাওয়ার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবী করেন। তিনি ঘর পাওয়ার আশায় অনেক কষ্টে ধার দেনা করে ১০ হাজার টাকা দেন। কিন্তু ঘর দেয়ার সময় তার নামটা তালিকায় নেই। অর্থাৎ তিনি ঘর পাননি। একারণে তিনি ঘর না পেয়ে গত ২৫ জানুয়ারী খুলনার জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এছাড়াও মোঃ আবু বক্কার খাঁ বলেন, অভিযোগের বিষয়টি জানতে পেরে ইউপি সদস্য আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়েছেন। এরই জের ধরে ৩১ জানুয়ারী বিকালে বাড়ী থেকে বাজারের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে সবুজ শেখের বাড়ীর সামনে দেখামাত্র আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দেন এবং জীবন নাশের হুমকি প্রদান করেন।
এব্যাপারে ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম মুন্না বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। শুধুমাত্র তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

ডূমুরিয়ার ইউপি সদস্য হালিমের বিরুদ্ধে আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর দেয়ার আশ্বাসে ১০ হাজার টাকা নেয়ার অভিযোগ।

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ-১৪ এ ফেব্রুয়ারি আসন্ন আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচনে পৌরসভার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৩ নং ওয়ার্ডে উট পাখি মার্কা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে,প্রচণ্ড শীতকে উপেক্ষা করে দোয়া মাহফিল,উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ করেছেন প্যানেল মেয়র, কাউন্সিলর আব্দুর রামীম বাঁধন।
রবিবার তিনি ৩ নং ওয়ার্ডের বৃহত্তর মহল্লা ফকিরপাড়ায় মিলাদ মাহফিলের তোবারক বিতরণের মধ্য দিয়ে ভোটাদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন এবং এর আগে গত শুক্রবার সন্ধায় ওয়ার্ডের হাজিপাড়া মহল্লায় একটি ছাগল জবাই করে মিলাদ মাহফিলের মধ্য করে শতশত সাথে আলোচনা সভা করেন এবং দিনরাত দফায় দফায় চালিয়ে যাচ্ছেন গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ।
এসময় তিনি ভোটারদের আবারো সমর্থন, দোয়া কামনা ও পুনরায় ভোট প্রার্থনা করেন।
প্যানেল মেয়র,কাউন্সিলর আব্দুর রামীম বাঁধন ভোটাদের উদ্দেশে বলেন, গত নির্বাচনে আপনারা ভালোবেসে আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন এবং আমি তা যথাযথ পালনে সচেষ্ট ছিলাম। সেই কারনেই আমি আবারো আপনাদের দরজায় হাজির হয়েছি। আপনাদের কাছে ভোট প্রাথণা করছি। ইনশআল্লাহ আপনারা আমাকে আবারো বিজয়ী করবেন এবং আমি আবারো বিজয়ী হলে আমার প্রাণপ্রিয় ৩ নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক ওয়ার্ডে পরিণত করবো।
২৭ শে জানুয়ারি তার প্রতীক বরাদ্দর পর থেকেই দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা,উঠান বৈঠক সহ গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তার সকল কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন- এ ওয়ার্ডের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সমাজসেবক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাইদুর রহমান কবিরাজ ,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা পাপ্পু পারভেজ,ছাত্রলীগ নেতা আরিয়ান হৃদয় সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এ ওয়ার্ডে আরো কয়েকজন প্রার্থী থাকলেও জন জরিপে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে থাকা কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুর রামীম বাঁধন সাংবাদিকদের বলেন,গত নির্বাচনে আমাকে এ ওয়ার্ডের ভোটারা ভালোবেসে নির্বাচিত করেছিলেন তাদের ভালোবাসার অবদান আমি কখনো শোধ না করতে পারলেও গত ৫ বছরে তাদের সেবাদানের জন্য প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজখবর নিয়েছি তাদের ছোটবড় সকল সমস্যা গুলো সমাধান করার চেষ্টা করেছি পাশাপাশি ওয়ার্ডের সকল উন্নয়নকাজ গুলো যথাসময়ে করেছি এবং চলমান কাজ গুলো আবারো নির্বাচিত হলে তা সমাপ্ত করবো ইনশাআল্লাহ। তিনি আরো বলেন,এ ওয়ার্ডের একটিও ভোটার আমার বিরুদ্ধে বলতে পারবে না যে আমি গত ৫ বছরে তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর নেইনি তাদের সমস্যার কথা শুনিনি। আমি তাদের যেকোনো সমস্যায় দিনরাত তাদের পাশে ছিলাম এবং আগামীতেও তাদের সেবা করতে পাশে থাকবো এই আশায় আবারো ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে উট পাখি মার্কা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছি, ইনশাআল্লাহ আগামী ১৪ এ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আমার প্রতীক উট পাখি মার্কায় ভোট দিয়ে আবারো নির্বাচিত করে পুনরায় ওয়ার্ডবাসীরা তাদের সেবা করার সুযোগ করে দিবেন।

আক্কেলপুর ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাঁধনের ব্যাপক প্রচারনা

মোঃ সামিউল আলম, বিরামপুর (দিনাজপুর):
আসছে শীতকাল। আর এই শীতের আগমনীতে সন্ধ্যা হলেই নামছে শীত, বইছে শীতল হাওয়া। রাত যত গভীর হয়, শীতের প্রকোপও ততই বাড়তে থাকে। এতে বিশেষত অধিক কষ্টে রাত যাপন করে ছিন্নমূল সাধারণ মানুষেরা। আর এসব ছিন্নমূল দুস্থ্য শীতার্ত মানুষদের পাশে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহার স্বরুপ তাদের গায়ে শীতের কম্বল জড়িয়ে দিলেন দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকার।
শুক্রবার দিবাগত রাতে বিরামপুর রেলওয়ে স্টেশন প্লাটফর্মে হঠাৎ করেই কম্বল নিয়ে হাজির হন তিনি। এমন খবরে দ্রæত রেলস্টেশন গিয়ে দেখা যায়, প্লাটফর্মে ঘুমন্ত ব্যক্তিদের শীত মোচনের জন্য তাদের গায়ে নিজ হাতে কম্বল জড়িয়ে দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। পরে স্টেশন চত্ত¡রের আশেপাশে খোঁজ করে দুস্থ্য-অসহায় ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে তাদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন। রেলস্টেশন থেকে বেরিয়ে শহরের ঢাকামোড়, কলেজ বাজার, রেলগেট এলাকা ও পূর্বপাড়া মোড় সহ মহাসড়কের উভয় পাশে ছিন্নমূল দুস্থ্য ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে তাদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকার। শেষে একটি এতিমখানায় ছাত্রদের শীত নিবারণের জন্য কম্বল বিতরণ করেন। এসময় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাউছার আলী ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।
কম্বল পেয়ে পূর্বপাড়া মহল্লার খতেজা বিবির বৃদ্ধা মা আবেগে আতœহারা হয়ে বলেন, শীত আসে আর যায় বাহে, হারা কোন কম্বল পায়না। এবার হামার প্রধানমন্ত্রী কম্বল দিয়ে পাঠাইছে হামার কাছত। এনকা ইউএনও সব জাগাত থাক হারা এই দুয়া’ই করি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকার জানান, শীতে যেন কোন ছিন্নমূল মানুষ কষ্ট না পান সে ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। পুরো শীত জুড়েই এমন মানবিক কর্মকান্ড চলমান থাকবে বলে তিনি জানান।

শীতের রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির হলেন ইউএনও

চ্যানেল ২৬ সংবাদ

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী যুব সংস্থার আয়োজনে শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পৌর মেয়র ও কাউন্সিলারদের সংবর্ধনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দিনব্যাপী পৌর এলাকার বৈরী হরিণ গ্রামের খোলামাঠে বিশিষ্ট ব্যবসায়ি বদিউজ্জামান বদের সভাপতিত্বে প্রতিযোগীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও মেয়র এবং কাউন্সিলরদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র জননেতা গোলাম সরোয়ার প্রধান বিপ্লব। এতে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অত্র ওয়ার্ডে কাউন্সিলর আসাদুজ্জামান শেখ ফরিদ। আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার নবনির্বাচিত কাউন্সিলরবৃন্দ। আলোচনা শেষে মেয়র ও কাউন্সিলরদের সংবর্ধনা প্রদান করে ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহনকারীদের হাতে পুরুস্কার বিতরণ করেন অতিথি ও আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ। এদিকে এদিন সন্ধ্যায় পলাশবাড়ী উপজেলার ১ নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নে চকবালা গ্রামে চকবালা বন্ধু মহল সমবায় সমিতির আয়োজনে ও ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রিন্টুর সভাপতিত্বে ৪ র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র গোলাম সরোয়ার প্রধান বিপ্লব অনুষ্টানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণমাণ্য ব্যক্তিবর্গসহ উক্ত সমিতির পরিচালনা পরিষদের নেতৃবৃন্দ। শেষে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিকে সংবর্ধনা ও সম্মানোনা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী যুব সংস্থার আয়োজনে শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

তৃণমুলের রাজনৈতিক নেতাদের পদ-পরিচিতি সম্পর্কে স্বচ্চ ধারনা পেতে এবং দিতে ‘চ্যানেল-26’ এর তদন্ত প্রতিবেদন

দলের নেতা কর্মীরা দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে নির্বাচন করেছে। বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচন করেছে, আমি দুই বছর মাঠে আছি, জনগণ আমাকে আশ্বাস দিছে নির্বাচন করার জন্য।নৌকার প্রতীক পেলে আমি তালশহর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব।”মোঃ সোলাইমান মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার ৪নং তালশহর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী।সভাপতি- তালশহর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ (উক্ত পদবী বিষয়েই তথ্য ভিত্তিক তদন্ত প্রতিবেদন বিষয়ে স্বাক্ষাৎকার এবং তথ্য প্রমাণাদি সংগ্রহের কাজ চলমান)
সমাজ, দেশ ও জাতির সার্বিক মঙ্গল এবং অগ্রগতির ধারাকে সুসংহত রাখার জন্যে চ্যানেল-26, দৈনিক স্বাধীন সংবাদ, দৈনিক আলোর জগত, দৈনিক মাতৃভূমির খবর এবং দৈনিক প্রতিদিন খবর সহ বেশ কিছু জাতীয় ও স্থানীয় প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক্স এবং অনলাইন মিডিয়ার সমন্বয়ে উক্ত তদন্ত প্রতিবেদনের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্টদের মতামত ও বক্তব্য গ্রহন এবং প্রচারের মাধ্যমে বিরাজমান বিষয়টি সম্পর্কে আমরা একটি স্বচ্চ ধারণা পেতে এবং দিতে চাই।২০১৩ইং সালের ১৩ জানুয়ারিতে আশুগঞ্জ উপজেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত উক্ত কমিটির সভাপতি হাজী মোঃ ছফিউল্লাহ মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ হানিফ মুন্সি বেশ কিছুদিন যাবৎ চেষ্টা করেও কোনো সমজতায় পৌছাতে না পারার কারণে আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয় নাই। এবং এর মধ্য দিয়েই চলে আসে উপজেলা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হানিফ মুন্সি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সেক্রেটারীদের ভোটে মনোনিত হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হন ২০১৪ইং সালে। সেই সময়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের মধ্যকার সৃষ্ট অচলাবস্থার এক পর্যায়ে সভাপতি হাজী মোঃ ছফিউল্লাহ মিয়া পদত্যাগ করে বসে। ফলে সেই সময় উক্ত উপজেলা কমিটির দ্বারা আশুগঞ্জ উপজেলাধীন যে ৮টি ইউনিয়ন এবং আশুগঞ্জ বন্দর কমিটি রয়েছে সেইগুলোর কার্যত ঐক্যবদ্ধ কোনো কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়নি। তখন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ নিজেদের সাধ্য অনুসারে উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ দুই নেতার সিদ্ধান্তহীনতার কারণে কাজ চলিয়ে গেছে যে যার মত করে। উপজেলা আওয়ামী লীগের পদত্যাগের কিছু দিনের পর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষর নিয়ে হাজী মোঃ ছফিউল্লা মিয়া আহ্বায়ক, আবু নাছের আহম্মেদ যুগ্ম আহ্বায়ক, হানিফ মুন্সি যুগ্ম আহ্বায়ক, খোরশেদ আলম যুগ্ম আহ্বায়ক হয়ে আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি আহ্বায়ক কিমিটি তখন থেকে আগামী ৩ মাস তথা ৯০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে কাজ শুরু করে। এখানে উল্লেখ্য যে ১৩ জানুয়ারি ২০১৩ইং তারিখের উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের সময় তালশহর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন হাজী মোঃ আবু সামা এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মোঃ মজনু মিয়া। এরপর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি তিন মাসের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে গ্রুপিং এর দুইটি প্যানেলে কাজ চালাতে থাকে। একটি প্যানেলে ছিল হাজী মোঃ ছফিউল্লাহ মিয়া ও আবু নাছের আহম্মেদ এবং অপর প্যানেলে ছিল মোঃ হানিফ মুন্সি এবং খোরশেদ আলম। এই দুই গ্রুপিং প্যানেল কাজ চালাতে গিয়ে প্রত্যেকটি প্যানেল প্রতিটি ইউনিয়নে নিজেদের গ্রুপের পছন্দের লোক দিয়ে ইউনিয়ন কমিটি গঠন করে কেউ প্রতিপক্ষের আতংকের মধ্যে আবার কেউ ১৪৪ ধারার বাঁধাকে অপেক্ষা করে। তখন তালশহর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের মতই প্রতিটি ইউনিয়নেই আওয়ামী লীগের ২টি করে কমিটি গঠিত হয়। এক প্যানেলের কমিটির সমর্থকরা অপরপক্ষকে অবৈধ বলে আখ্যায়িত করতে থাকে। এক পর্যায়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এসেও এর কোনো সমাধান দিতে পারে নাই।গত জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্রকরে আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির গ্রুপিং প্যানেলের প্যার্টান পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু ঐক্যবদ্ধা কোনো সমজতা আসেনি। পাশাপাশি উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ ৯০দিন নির্ধারন করা থাকলেও আজ ২০২১ইং সালে এসে তা ৬ বছর অতিক্রম করতে চলেছে কিন্তু পূর্ণাঙ্গ কমিটি আসার কোনোই সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। ফলে তৃণমূলের নেতারা হয়ে যাচ্ছে গণবিচ্ছিন্ন এবং জবাবদিহিতার বাহিরে যা গণতান্ত্রিক রাজনীতির ক্ষেত্রে চরম এক অসচ্চতা। এই পরিস্থিতিতে আমরা গণমাধ্যম কর্মীরাও রাজনৈতিক নেতাদের পদ-পরিচয় প্রকাশ করতে গিয়েই এই তদন্ত প্রতিবেদনটি করতে সংশ্লিষ্টদের সাথে ধারাবাহিক স্বাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে বিষয়টি সম্পর্কে একটি যথাযথ জবাবদিহিতা এবং তথ্য ভিত্তিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করছি।

তালশহর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব: মোঃ সোলাইমান মিয়া

গাইবান্ধা জেলার সাংবাদিকদের সাথে কোভিড-১৯ ও স্বাস্থ্য সেবা শীর্ষক মাস্ক ব্যবহারের সচেতনতামূলক বিএমএ এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে জেলা সিভিল সার্জনের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এর আয়োজনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিএমএর সাধারণ সম্পাদক ও অনুষ্ঠানের সভাপতি ডাঃ নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এর সভাপতি ডাঃ মতিয়ার রহমান, গাইবান্ধা জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আখতারুজ্জামান, জেলা সদর হাসপাতালের তত্তাবাধায়ক ডাঃ মেহেদী ইকবাল, ডাঃ আসাদুজ্জামান, ডাঃ শেখ সুলতান আহমেদ সোহেল,ডাঃ শাহিনুল মন্ডল শাহিন সহ আরো অনেকে।

গাইবান্ধা জেলার: সাংবাদিকদের সাথে কোভিড ১৯ স্বাস্থ্য সেবা শীর্ষক মতবিনিময় সভা

আন্তর্জাতিক

গতকাল ছিল জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এম। এ মহাসচিব এর শুভ জন্মদিন জন্মদিন । আমরা পরিবার, ছোট ভাই, সিনিয়র পারসন, বন্ধু, মিডিয়া সহকর্মী, আমাদের সংগঠনের বিভিন্ন কমিটির সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, শুভাকাঙ্ক্ষী , সহ অনেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জন্মদিনে আমাকে । আপনাদের এত ভালবাসা পাব কল্পনা করতে পারিনি। ফেইসবুক, মেসেঞ্জার, ইমু, ভাইবার, হোয়াটস অ্যাপ, অসংখ্য মেসেজ পেয়েছি শুভেচ্ছা বার্তা। এতগুলো বার্তার রিপ্লাই করাটা সম্ভব হয়নি। যাদের মেসেজ রিপ্লাই করতে পারিনি আপনারা আমাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আপনাদের ভালবাসায় আমি সিন্ধ। শুভেচ্ছান্তে

এম এ আবির সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মালয়েশিয়া

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এম। এ মহাসচিব এর শুভ জন্মদিন জন্মদিন ।

অনলাইন ডেস্ক: আগামী ২০ জানুয়ারি নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শপথ গ্রহণ ও অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক বার্তায় এতথ্য নিশ্চিত করেছেন তিনি।

রীতি অনুযায়ী এই অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।ট্রাম্প টুইটে লিখেছেন, যারা জানতে চেয়েছেন, তাদের সবাইকে বলছি, আমি ২০ জানুয়ারির অভিষেক অনুষ্ঠানে যাব না।

এর আগে, মার্কিন কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটল হিলে নিজের সমর্থকদের হামলার সমালোচনা করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন ট্রাম্প।

সেখানে তিনি বলেন, কংগ্রেস একটি নতুন প্রশাসনের অনুমোদন দিয়েছে, যা আগামী ২০ জানুয়ারি অভিষিক্ত হবে। এখন আমার লক্ষ্য ক্ষমতার মসৃণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন হস্তান্তর নিশ্চিত করা। এখন ক্ষত নিরাময় এবং পুনর্মিলনের সময়।

জো বাইডেনের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন না ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন। দেশটির স্থানীয় সময় সোমবার (২১ ডিসেম্বর) ডেলাওয়্যার খ্রিস্টিয়ানা কেয়ার হাসপাতালে তিনি মারণভাইরাস করোনার টিকা গ্রহণ করেন। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানা গেছে।

এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন। টিকার নেওয়ার পর তিনি মার্কিনিদের টিকা নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। এর আগে বাইডেনের স্ত্রীও করোনার টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন।

জো বাইডেন বলেছেন, আমি এটি করছি (টিকা নেওয়া) মানুষকে বুঝানোর যে, উদ্বেগের কিছু নেই। ভ্যাকসিন যখন সহজলভ্য হয়ে যাবে তখন টিকা নেওয়ার জন্য মানুষের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।

সূত্র: রয়টার্স, এবিসি নিউজ।

করোনার টিকা নিলেন বাইডেন

অনলাইন ডেস্ক: আফগানিস্তানে এক নারী সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। অফিসের কাজে যাওয়ার পথে তাকে গুলি করা হয়। এতে তিনি ও তার গাড়ির চালক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। 

বৃহস্পতিবার গাড়ি নিয়ে অফিসের কাজে তিনি পূর্ব-নানগারহার প্রদেশের রাজধানী জালালাবাদ যাওয়ার সময় বন্দুকধারীরা তার গাড়িকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে ওই সাংবাদিক এবং গাড়ি চালক মোহাম্মদ তাহের নিহত হন। নিহত এই নারী সাংবাদিকের নাম মালালা মাইওয়ান্দ। এনিকাস নামে রেডিও ও টিভিতে কর্মরত ছিলেন তিনি। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি সমাজকর্মী হিসেবেও কাজ করতেন। এর আগে নারী সাংবাদিকদের চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেছিলেন তিনি।

জালালাবাদ প্রদেশের গভর্নরের মুখপাত্র আত্তাউল্লাহ খোগিয়ানি স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে। 

এখন পর্যন্ত এই হামলার দায় কেউ স্বীকার করেনি। ন্যাটো ও ইইউ আফগানিস্তানে সম্প্রতি হামলার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেওয়ার পরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটাল। 

আফগানিস্তানে নারী সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা

এম এ আবির , মালয়েশিয়া: মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদশি অভিবাসীকে উন্নত ও আধুনকি উপায়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাস। মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় দূতাবাসের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব মালয়েশিয়ার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা কালে মিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মোহাম্মদ খোর্শেদ আলম খাস্তগীর এসব বলেন। এ ছাড়া দূতাবাসরে সকলকে আরো অধিক শ্রম নিয়োজন করে সহজে ও দ্রুত প্রবাসীদের সকল সেবা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন বলেও সাংবাদিক নেতাদের জানান ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার। ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার বলেন,রিক্যালিব্রেশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের অন্যতম পূর্বশর্ত হলো ন্যূনতম ১৮ মাসের মেয়াদ সম্বলিত পাসপোর্ট। এই কর্মসূচিতে অংশগহণ করতে ইচ্ছুক এবং উপযুক্ত বাংলাদেশিদের শেষ সময়ের তাড়াহুরা করে পাসপোর্ট এর আবেদন না করে আবেদন ডাকযোগে হাইকমিশনে প্রেরণ করার প্রক্রিয়া অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করেছেন। করোনা পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়া সরকারের নিয়ম কানুনের মধ্যে দূতাবাস ডাকযোগে পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ, অনলাইনে ডেলিভারি স্লিপ নং পাওয়া এবং অনলাইনে পূর্ব এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট গ্রহণের নিয়ম চালু করেছে যা ইতোমধ্যে সাধারণ বাংলাদেশীদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। তিনি বলেন এই সেবাকে আরো উন্নত ও দ্রুত করার জন্য অর্থাৎ আবেদনকারীর নিকট পাসপোর্ট পৌছে দেবার উদ্যোগ নিয়েছে যা শীঘ্রই অবহিত করা হবে। তিনি বলেন,রিক্যালিব্রেশন কর্মসূচি সুবিধা যাতে ঠিকমত পায় এজন্য দূতাবাস থেকে ব্যাপক প্রচার করা শুরু হয়েছে পর্যায়ক্রমে সোশ্যাল মিডিয়া, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার করা হবে যাতে সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারে এবং প্রতারণা থেকে রক্ষা পায়। না জেনে বুঝে আর্থিক লেনদেন করা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় দক্ষ, পরিশ্রমী ও আন্তরিক হিসেবে সুনাম কুড়ানো বাংলাদেশী কর্মী ভাইদের জন্য এই বৈধতার সুবিধা সংক্রান্ত সেবা ও তথ্য প্রদান করবে দূতাবাস এজন্য নিয়মিত মনিটর করার ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে। একইভাবে সম্মানিত প্রবাসীদের নিকট থেকে প্রাপ্ত ফিডব্যাক অনেক কাজে দিবে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে , অন্যান্য ক্ষেত্রে যেসকল বিজ্ঞ দক্ষ এবং সফল ব্যাক্তিত্ব আছেন তারা উপযুক্ত পরামর্শ দিবেন এবং পাশের প্রবাসীর খোজ খবর রাখবেন। তিনি বলেন রিক্যালিব্রেশন সম্পর্কে হাইকমিশনের গাইডলাইন মেনে চলার আহবান জানিয়েছেন তিনি। কোন মালিক বা কোম্পানি সম্পর্কে অস্পষ্টতা বা সন্দেহ থাকলে এদের সম্পর্কে তথ্যাদি হাইকমিশন থেকে যাচাই করে নেয়ারও আহবান জানান তিনি। রিক্যালিব্রেশন কর্মসুচি নিয়ে সহসাই হাইকমিশন হতে বিস্তারিত গাইডলাইন বা নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে। ইতোমধ্যে হাইকমিশনের ফেসবুক পেজে সতর্ক করে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন সংবাদ মিডিয়া খুব গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করেছে যা প্রবাসীদের সঠিক তথ্য দিয়ে সতর্ক করেছে। এভাবে প্রেস নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে পারে, এটা একটা দৃষ্টান্ত। তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। এ ছাড়া চলমান বৈশ্বিক মহামারী সময়ে মালয়েশিয়া সরকার প্রদত্ত স্বাস্থ্য বিধি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম কানুন মেনে চলার জন্য সকলকে আহ্বান জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কাউন্সিলর শ্রম মো: জহিরুল ইসলাম, কাউন্সিলর (কন্স্যুলার) মো: মাসুদ হোসাইন, প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) রুহুল আমিন। আলোচনায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব মালয়েশিয়া সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ প্রবাসীদের চলমান পরিস্থিতি সকল সমস্যা তুলে ধরেন ডেপুটি হাই কমিশনারের কাছে এবং একটি স্বারক লিপিও প্রদান করা হয় প্রবাসীদেও পক্ষে। এসময় উপস্থিত ছিলেন,প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি আহমাদুল করির, সাধারণ সম্পাদক – বশির আহমেদ ফারুক, জহিরুল ইসলাম হিরণ, এম এ আবির, মো: জাকির হোসেন,আশরাফুল মামুন, শেখ আরিফুজ্জামান, মোহাম্মদ আলী, মনিরুজ্জামান, মো: আরিফুল ইসলাম, ও মেহেদী হাসান।

প্রবাসীদের উন্নত সেবা দিতে দূতাবাস অঙ্গীকারবদ্ধ- খোরশেদ এ খাস্তগীর

মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদ হারানোর পর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জেলে যেতে হতে পারে। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা চলমান রয়েছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাহী সুবিধার আওতায় সেগুলোকে ঠেকিয়ে রেখেছেন তিনি। পদ হারানোর পর এই সুবিধা আর তার থাকবে না।

হোয়াইট হাউজের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড পত্রিকা মিরর জানিয়েছে এ খবর। পার্স টুডে সেই খবর উদ্ধৃত করে বলেছে, ট্রাম্প এখন যে ভোট চুরির অভিযোগ তুলছেন, তার একটি কারণ হলো জেলে যাওয়ার ভয়। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফেডারেল প্রসিকিউটর হ্যারি স্যান্ডিক বলেন, ‘ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজ ছেড়ে যাওয়ার পর প্রসিকিউটর ও সাক্ষীদের পক্ষে মামলা চালিয়ে যাওয়া সহজ হবে। ফৌজদারি মামলায় আদালতে হাজির হওয়ার জন্য উচ্চতর সুরক্ষা দাবি করতেন ট্রাম্প। কিন্তু প্রেসিডেন্ট পদে না থাকলে এমন দাবি তিনি করতে পারবেন না।’

গত বছর সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্টের আইনজীবী দল ম্যানহাটন অ্যাটর্নি কার্যালয়ের আদালতে হাজির হওয়ার একটি আদেশ প্রত্যাহারের চেষ্টা চালায়। ট্রাম্পের আট বছরের কর প্রদান নিয়ে মামলার শুনানিতে উপস্থিত হতে বলা হয়েছিল তাকে। এ ছাড়া নিউইয়র্কের আইনজীবীরা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন প্লেবয় মডেল কারেন ম্যাকডোগাল ও পর্নতারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে অর্থ প্রদানের অভিযোগের ক্ষেত্রে ট্রাম্প অর্গানাইজেশন নথি জালিয়াতি করেছে কি না। ম্যানহাটনে ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

এ ছাড়া রয়েছে আরও একাধিক মামলা। ধর্ষণ মামলাই রয়েছে কয়েকটি। ক্ষমতা হারালে তার বিরুদ্ধে কয়েকজন নারীর যৌন নিপীড়নের মামলার পথও উন্মুক্ত হবে। তাদের মধ্যে রয়েছেন লেখক ই জিন ক্যারল। তিনি অভিযোগ করেছেন, ১৯৯০ দশকের মাঝামাঝিতে ম্যানহাটনের বার্গডর্ফ গুডম্যান ডিপার্টমেন্ট স্টোরের ট্রায়াল রুমে তাকে ধর্ষণ করেছেন ট্রাম্প। এই অভিযোগের বিষয়ে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি আমার টাইপের না। ক্যারলের ধর্ষণের মামলায় ডিএনএ নমুনা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

সামার জারভোস নামের আরেক শিক্ষানবীশের মামলাও শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে তিনি অভিযোগ করেছেন, ২০০৭ সালে ট্রাম্প তাকে যৌন নিপীড়ন করেছেন। এই অভিযোগকে কাল্পনিক বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প।

তবে সবচেয়ে বড় গুরুতর ও দ্রুত বিপদ নিয়ে আসতে পারে ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা। এই মামলায় ট্রাম্প দায়িত্বে থাকা সময়ের। প্রসিকিউটররা বাণিজ্যিক লেনদেন ও করের নথি চাইলেও ট্রাম্প তা প্রদানে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন। অন্তত পাঁচটি ক্ষেত্রে আদালত বলেছেন, এই অনুরোধ বৈধ। আরেকবার ক্ষমতায় থাকলে এসব মামলা চালিয়ে নেওয়ার পথ হয়তো চিরতরে বন্ধ করার পরিকল্পনা ছিল ট্রাম্পের। কিন্তু সে সময় হয়তো তিনি আর পাচ্ছেন না।

পরাজিত হলেও ২০ জানুয়ারি জো বাইডেন শপথ গ্রহণের আগে শেষ দিনগুলোতে হয়তো যেকোনো ফেডারেল অপরাধ থেকে নিজেকে দায়মুক্ত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাবেন ট্রাম্প। এরপরও ক্ষমতা ছাড়ার পর অন্য কয়েকটি মামলায় বড় ধরনের জেল-জরিমানার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।  এখন এটাই তার বড় ভয়।

পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে জয়ের মধ্য দিয়ে জো বাইডেন ২৭৩টি ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। অপরদিকে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প পেয়েছেন ২১৩টি ইলেকটোরাল ভোট।

ক্ষমতা ছাড়ার পর জেল হতে পারে ট্রাম্পের!

আরো খবর

খেলাধুলা

মোঃ আল আমিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মাছিহাতা ইউনিয়নের উত্তর জগৎ সার পূর্ব পাড়া ফেন্ডস্ ফর লাইফ এর উদ্যোগে জনাব ড.এস এম সেরাজুস সালেহীন এর সভাপতিত্বে ব্যাটমিন্টন নাইট টুর্নামেন্ট খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্ট খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও সমাজ সেবক জনাব মোঃ ফজলে রাব্বি। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন মোঃ আশিদ মিয়া, মোঃ ইরিন মিয়া,মোঃ নিজাম মিয়া,মোঃ মহিউদ্দিন মিয়া ( অবসর প্রাপ্ত পুলিশ ) মোঃ জাবেদুর রহমান ( জাবেদ ) মোঃ শাহনেওয়াজ মিয়া,মোঃ লুৎফুল রহমান, মোঃ কাউছার মিয়া, মোঃ রুহুল আমিন ( প্রধান শিক্ষক, নতুনকুডি ) মোঃ রিয়াজুল হক বাবু ( প্রবাসী ) মোঃ শিরু মিয়া ( ব্যবসায়ী ) অতিথিদের বক্তব্যে বলেন জাতি গঠনে শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই। শেখ রাসেল স্মৃতি ক্রীড়া পরিষদ ও আদিল একাদশ দুটি দলের মধ্যে ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত খেলায় বিজয়ী হন আদিল একাদশ। ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্ট খেলায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন সভাপতি জনাব সেরাজুছ সালেহীন ও প্রধান অতিথি জনাব মোঃ ফজলে রাব্বি সহ সকল অতিথি বৃন্দ্য। সঞ্চালনায় ছিলেন কামরুল হাসান সাকিন, সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রাকিব মিয়া।

উত্তর জগৎ সার পূর্ব পাড়া ফেন্ডস্ ফর লাইফ এর উদ্যোগে ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত।

অপরাধ দুর্ণীতি

 মোঃজাকির হোসেন নীলফামারী প্রতিনিধিঃগোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঠাকুরগাঁও থেকে পিছু নিয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুরে এসে ৫৭০ পিস ফেন্সিডিলসহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে র্যাব-১৩, দিনাজপুর সিপিসি-১ এর একটি অভিযানিক দল। ৩ আগস্ট মঙ্গলবার দুপুর ২ টার দিকে সৈয়দপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের ওয়াপদা মোড়ের কাছে শান্ত টাওয়ারের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়েছে।আটক মাদক ব্যবসায়ীরা হলো চাঁদপুর জেলার হাইমচর এলাকার আবু হোসেনের ছেলে সুমন (৩৫) ও জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলা শহরের গুড়পাড়ার আহম্মেদ আলীর ছেলে ইমরান (২০)।র্যাব – ১৩ সিপিসি দিনাজপুর ১ এর সূত্র জানায়, নায়েব সুবেদার মোখলেছুর রহমানের নেত্বতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। আটক ২ জনকে দিনাজপুর সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং সেখানে তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়েছে।
সৈয়দপুর থানার (ওসি)আবুল হাসনাত খান সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ফেন্সিডিল সহ দুই মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সৈয়দপুরে র্যাব -১৩ এর অভিযানে ৫৭০ পিস ফেন্সিডিলসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক

মোঃজাকির হোসেন নীলফামারী প্রতিনিধিঃনীলফামারীর সৈয়দপুরে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে এক যুবক। ছুরিকাঘাতকারী অপর যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (১আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টায় শহরের গোলাহাট কবরস্থানের সামনে রেললাইনের উপরে।
ছুরিকাহত যুবকের নাম শেরু (৩৫)। সে গোলাহাট ১ নং আটকেপড়া পাকিস্তানি (উর্দূভাষী) ক্যাম্পের মৃত খোদা দ্বীনের ছেলে।
আটক যুবকের লাবু (২৫)। সে একই এলাকার ঘোড়াঘাট মহল্লার নুর আলমের ছেলে।
এলাকাবাসী জানায়, শেরু ও লাবু উভয়ই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। ঘটনার রাতে লাবু মোবাইলে কবরস্থান সংলগ্ন রেল লাইনে ডেকে নেয় শেরু কে। এসময় লাবু ৫শ’ টাকা চায় শেরুর কাছে। শেরু দিতে অস্বীকার করায় অকস্মাৎ শেরুর পেটে উপুর্যপরী ছুরিকাঘাত করে লাবু। এতে শেরু আর্তচিৎকার করে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
অবস্থা বেগতিক দেখে লাবু সটকে পড়ে। কবরস্থানের খাদেমসহ লোকজন চিৎকার শুনে ছুটে এসে শেরুকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নেয়। কিন্তু তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে নেয়া হলে শেরুর ছুরিকাহত পেটে ৪টি সেলাই দেয়া হয়েছে। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা এখনও ঝুুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সে মৃৃৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
এ ঘটনায় থানায় মামলা হলে সোমবার সকালে পুলিশ লাবুকে তার বাড়ি থেকে আটক করেছে। সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল হাসনাত খান জানান, আটক লাবুকে দুপুরে নীলফামারী জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সৈয়দপুরে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে যুবক আহত, আটক এক

সুমন ইসলাম বাবু,লালমনিরহাট:পাটগ্রামের বুড়িমারী সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ পথে চোরাই মোটরসাইকেল বাংলাদেশে পাচার করার সময়  চোরা কারবারিকে একটি মটর সাইকেল সহ আটক করেছে র‌্যার ১৩ সিপিএসসি, রংপুর ক্যাম্প ।রংপুর র‌্যাব -১৩-র মাহমুদ বশির আহমেদফ্লাইট লেঃসহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এক প্রেসবার্তায় জানান, বাংলাদেশ ভূখন্ডের উত্তর সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম থানাধীন বুড়িমারী সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রতিদিন অবৈধ পথে চোরাই মোটরসাইকেল আসছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৩,রংপুর চোরাকারবারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই পরিপেক্ষিতে র‌্যাব-১৩, সিপিএসসি, রংপুর ক্যাম্প এর চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৮ জুলাই  সন্ধ্যায় লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম থানার বুড়িমারী বাজার এলাকা থেকে চোরাকারবারী দলের সক্রিয় সদস্য  মোঃ রিকাতুল করিম (১৯),পিতা-মোঃ রবিউল ইসলাম , আবু বক্কর সিদ্দিক সুমন (২৭), পিতা-মৃত আজগার আলী, মোঃ রাকিব ইসলাম (২১), পিতা-মোঃ সায়দার রহমান, মোঃ ফরিদুল ইসলাম (৩১), পিতা-মোঃ কহির উদ্দিন, থানা-পাটগ্রাম ,জেলা- লালমনিরহাটগনদের ’কে গ্রেফতার করে।এসময় তাদের নিকট থেকে একটি টিভিএস এ্যাপাসি ১৫০ সিসি মটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, গ্রেফতারকৃত আসামীগন অবৈধ পথে চোরাই মোটর সাইকেল নিয়ে আসতে সহায়তাকারী হিসেবে লালমনিহাট জেলার মোঃ খাইরুজ্জামান রিপন (১৯), অজ্ঞাত এক ব্যক্তির কথা স্বীকার করেছে। আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম  থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

পাটগ্রামের বুড়িমারী সীমান্তে মটর সাইকেলসহ ৪ চোরা কারবারিকে গ্রেফতার করেছে রংপুর র‌্যাব ১৩

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকার মোহাম্মদপুরে এক তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই তরুণীর বাবা বাদি হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। এদিকে, মদ্যপান করিয়ে ধর্ষণ অতঃপর হত্যার অভিযোগে ভুক্তভোগী তরুণীর বন্ধুসহ তিনজনকে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ আটক করেছে।

আজ রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত ২৯ জানুয়ারি ভুক্তভোগী ও তার ছেলে বন্ধু মোহাম্মদপুরের একটি রেস্তোরাঁয় গিয়ে মদ্যপান করেন। এরপর ভুক্তভোগী তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নিয়ে তার ছেলে বন্ধু মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় চলে যান। সেখানেও ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন তার ছেলে বন্ধু। একে ভুক্তভোগী তরুণী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে তার বন্ধু এবং ওই বাসার মালিক একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে ভুক্তভোগী তরুণীর মৃত্যু হয়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা খবর পেয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা আসেন। তরুণীর মৃত্যুর আগে তিনি বাদি হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। আটকদের তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে সকল তথ্য প্রমাণের হাতে পেয়ে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে বলেও জানান ওসি আব্দুল লতিফ।

ঢাকায় ফের ধর্ষণের পর শিক্ষার্থীর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক:  এবার সড়ক বিভাগের অনিয়ম নিয়ে কথা বলেছেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। আজ রোববার সন্ধ্যার পর বসুরহাট রূপালী চত্বরে দলীয় কার্যালয় থেকে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুক লাইভে আসেন তিনি। বলেন, ‘আমাদের ভাগিনা পরিচয় দিয়ে ইস্কান্দার মির্জা শামীমসহ বেশ কয়েকজন সড়ক বিভাগে অনিয়ম করছে। আমি সড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলামকে বলেছি, ইস্কান্দার মির্জা শামীম আমাদের কেউ না। তার সাথে কোম্পানীগঞ্জের মিজানুর রহমান বাদল, ফখরুল ইসলাম রাহাত, চট্টগ্রামের বাবু, আজাদ ও আনাছ অনিয়মে জড়িত। তারা যেন মন্ত্রণালয়ে ঢুকতে না পারে সে ব্যাপারে সচিবকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।’

কাদের মির্জা আরও বলেন, ‘কোম্পানীগঞ্জে ইস্কান্দার মির্জা শামীম মন্ত্রীর ভাগিনা পরিচয় দিয়ে সড়ক বিভাগের কাজ পাইয়ে দেবে বলে লক্ষীপুরের মো. কাওছার হামিদ মজুমদারের থেকে দুই কোটি টাকার চেক নিয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংক থেকে এক কোটি টাকা তুলে নিয়ে যায়। তবে, সে অনিয়ম করে মাইন উদ্দিন বাসী নামের একজনের লাইসেন্স দিয়ে কাজটি ভাগিয়ে নিলেও কাওছার হামিদকে কাজটি দেয়নি। মো. কাওছার হামিদ মজুমদার প্রমাণসহ আমার কাছে অভিযোগ করার পর বিষয়টি আমি সড়ক বিভাগের সচিবকে জানিয়েছি।’

ওবায়দুল কাদেরের ছোটভাই আরও বলেন, ‘নোয়াখালীর অপরাজনীতি বন্ধ না হলে শেখ হাসিনার ব্যাপক উন্নয়ন করেও বৃহত্তর নোয়াখালীতে আমাদের দলের অনেক এমপি জামানত পাবে না। তার প্রমাণ শনিবার চৌমুহনী পৌরসভার নির্বাচনে জনগণ দেখিয়ে দিয়েছে। ওই নির্বাচনের আগে নোয়াখালী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমপি একরামুল করিম চৌধুরী কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে বলেছিলেন, নোয়াখালীর রাজনীতি আমার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেটা চৌমুহনী নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে। কোথায় গেল আপনার সেই দম্ভোক্তি?’ এসময় তিনি রসিকতা করে বলেন, ‘শরম যদি লাগে গো, ঘোমটা দিয়ে হাট গো।’

দৃঢ় কণ্ঠে বসুরহাটের মেয়র বলেন, “শেখ হাসিনা ইচ্ছা করলে আগামী সংসদ নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ করতে পারেন। যদি এখন থেকে জনপ্রিয় লোকদেরকে মনোনয়ন দেন, তাহলে আগামী নির্বাচনে দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাঘরিষ্টতা পাবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার সজিব ওয়াজেদ জয়ের বলেছেন, ‘সৎ থাকলে একটা সুবিধা আছে, কখনও ভয় পেতে হয় না। সৎ থেকে যেকোনো কথা বলা যায়, যেকোনো কিছু করা যায়।’ আমি তার কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে বলবো- সততার সহিত রাজনীতি করুন, ভয়কে জয় করুন।

ফেসবুক লাইভে কাদের মির্জা, জানালেন সড়ক বিভাগে অনিয়মকারীর নাম

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।ডুমুরিয়ার ধামালিয়া ইউনিয়নের টোলনা গ্রামের বিল ডাকাতিয়ার একটি খাল হতে আব্দুল হামিদ মোড়ল(৬০) নামের এক মৎস্য চাষির লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

শনিবার দুপুরে বিলের নারায়ন খাল হতে লাশটি উদ্ধার করা হয়। থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের বেতাগ্রাম এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হামিদ মোড়ল দীর্ঘ ১০/১২ বছর যাবত ডাকাতিয়া বিলে বিভিন্ন লোকের জমি বর্গা নিয়ে মাছ চাষ করতেন এবং মৎস্য ঘেরের পাশে টং ঘরে থাকতেন।

স্হানীয় লোকজন আব্দুল হামিদের মৃত দেহ খালে ভাসতে দেখে থানা পুলিশকে খবর দেয়। মৃত ব্যক্তি একজন মৃগীরোগী ছিলেন এবং তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।

পুলিশ ঘটনাস্থল হতে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিলো।

ডুমুরিয়ায় খাল থেকে লাশ উদ্ধার!!

চাকুরীর খবর

অনলাইন ডেস্ক: পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীনে ৩৬ ক্যাটাগরিতে ১৫৬২টি পদে (রাজস্ব খাতভুক্ত) জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। সবচেয়ে বেশিসংখ্যক নিয়োগ হবে ফার্মাসিস্ট (২৭৫), মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট-ল্যাব (১৪৮), অফিস সহায়ক (৪০৪) ও এমএলএসএস/নিরাপত্তা প্রহরী (৩৭৪) পদে। ৩০ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রতিদিনের ৮ নম্বর পৃষ্ঠায় এসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আবেদনের খুঁটিনাটি ও নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন

নিয়োগ পরীক্ষা যেভাবে

নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সমন্বয়) মতিউর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হলে নিয়োগ পরীক্ষা কবে, কিভাবে নেওয়া যায়—এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরীক্ষা কবে হতে পারে, এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সব পদের নিয়োগ পরীক্ষায় সর্বমোট ১০০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। প্রথমে ৭০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা হবে। তারপর ৩০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা।

তবে কম্পিউটার অপারেটর, সাঁটলিপি-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর—এসব পদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রার্থীকে কম্পিউটারের ব্যাবহারিক দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। অর্থাৎ উল্লিখিত এসব পদে ব্যাবহারিক পরীক্ষা হবে, অন্যান্য পদে ব্যাবহারিক পরীক্ষা হবে না। ব্যাবহারিক দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর হবে মৌখিক পরীক্ষা। এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষায় সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরির পদসংখ্যার তিন থেকে পাঁচ গুণ প্রার্থীকে উত্তীর্ণ করা হবে। এমসিকিউ পদ্ধতিতে ৭০ নম্বরের পরীক্ষায় প্রশ্ন থাকবে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান বিষয় থেকে। একজন প্রার্থী একাধিক ক্যাটাগরির পদে আবেদন করতে পারবেন, তবে সমস্যা হলো—একাধিক ক্যাটাগরির পরীক্ষা একই দিন অনুষ্ঠিত হতে পারে। এমনটি হলে যেকোনো একটি ক্যাটাগরির পদের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

কোন পদে কতজন নেবে

ফার্মাসিস্ট ২৭৫ জন, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) ১৪৮ জন, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (রেডিও) ২ জন, হেলথ এডুকেটর ১ জন, সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর ৩ জন, কম্পিউটার অপারেটর ১ জন, ফিল্ড ট্রেইনার ১ জন, প্রধান সহকারী ১ জন, হিসাবরক্ষক ৩ জন, উচ্চমান সহকারী ১ জন, গবেষণা সহকারী ২ জন, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর ৪০ জন, পরিসংখ্যান সহকারী ৫ জন, গুদামরক্ষক ৫ জন, কোষাধ্যক্ষ ৬ জন, সহকারী লাইব্রেরিয়ান ২ জন, ইপিআই টেকনিশিয়ান ১ জন, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ১৫৯ জন, টেলিফোন অপারেটর ২ জন, ডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর ১ জন, ওয়ার্ড মাস্টার ২ জন, লিনেনকিপার ২ জন, ইনস্ট্রুমেন্ট কেয়ারটেকার ২ জন, টিকিট ক্লার্ক ৪ জন, স্টেরিলাইজার-কাম-মেকানিক ২ জন, কিচেন সুপারভাইজার ১ জন, রেকর্ডকিপার ১ জন, কার্ডিওগ্রাফার ১ জন, গাড়িচালক ৩৪ জন, ইলেকট্রিশিয়ান ১ জন, অফিস সহায়ক ৪০৪ জন, এমএলএসএস/নিরাপত্তা প্রহরী ৩৭৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ৯ জন, ওয়াচম্যান ১ জন, কুক হেলপার ১ জন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ৬৪ জন।

আবেদনের যোগ্যতা

প্রতিটি পদে আবেদনের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার শর্ত ভিন্ন ভিন্ন। পদভেদে শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি/সমমান থেকে শুরু করে স্নাতক (সম্মান) পর্যন্ত। কিছু জেলার সাধারণ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। তবে এতিম ও প্রতিবন্ধী কোটায় সব জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে বিজ্ঞপ্তি দেখুন এই লিংক থেকে— dgfp.teletalk.com.bd/dgfp1

আবেদনের সময় ও বয়সসীমা

অনলাইনে (dgfp.teletalk.com.bd) আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৩০ নভেম্বর ২০২০, বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সাধারণ প্রার্থীর বয়সসীমা হতে হবে ১৮ থেকে ৩০ বছর (২৫ মার্চ ২০২০ তারিখে)। তবে মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যা ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩২ বছর।

নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি  পরামর্শ

► বাংলা

বাংলায় সাধারণত দুই ধরনের প্রশ্ন আসে—প্রথমত সাহিত্য, দ্বিতীয়ত ব্যাকরণ। বাংলা সাহিত্যের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, জসীমউদ্দীন, মীর মশাররফ হোসেন, দীনবন্ধু মিত্র, ফররুখ আহমদ, কায়কোবাদ, বেগম রোকেয়া, শামসুর রাহমান গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ, বিখ্যাত পত্রিকার সম্পাদকের নামও পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আর ব্যাকরণ অংশের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে—পরিভাষা, এককথায় প্রকাশ, বাগধারা, বানান, শুদ্ধ-অশুদ্ধ, সমার্থক শব্দ, শব্দ, উপসর্গ, সমাস, সন্ধি ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ। এ অংশের প্রস্তুতির জন্য নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা ব্যাকরণ’ বই সবচেয়ে কাজের।

► ইংরেজি

ইংরেজি বিষয়ের প্রস্তুতির জন্য সবার আগে নিজের ইংরেজি জ্ঞানের ভিত্তি মজবুত করতে হবে। তারপর বাজারের ভালো মানের কোনো নিয়োগ পরীক্ষার বই থেকে Parts of speech, Subject verb agreement, Conditional sentence, Affirmative Negative agreement, Tag Question, Correct spelling, Synonyms and Antonyms, Idioms and Phrases, Substitution Word, Appropriate preposition, Translation প্রভৃতি বিষয় খুব ভালো করে অনুশীলন করতে হবে। এসব টপিকের ওপর আগের নিয়োগ পরীক্ষায় আসা প্রশ্নগুলো গুরুত্বসহ দেখতে হবে। কারণ পরীক্ষায় অনেক সময় হুবহু বিগত বছরের প্রশ্ন আসে। এ ছাড়া বিগত পরীক্ষার সাহিত্য বা Literature

অংশের গুরুত্বপূর্ণ টপিক বা প্রশ্ন অনুশীলন করতে পারেন।

► গণিত

গণিত প্রস্তুতির ক্ষেত্রে ষষ্ঠ থেকে নবম-দশম শ্রেণির গণিত বইগুলোকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া যেতে পারে। এরপর বাজারের প্রচলিত ভালো মানের কোনো বই থেকে লসাগু, গসাগু, শতকরা, সরল ও যৌগিক মুনাফা, লাভ-ক্ষতি, অনুপাত-সমানুপাত, বীজগণিতের মান নির্ণয়, উপাদক, সূচক, লগারিদম, সমান্তর ও গুণোত্তরধারা অধ্যায়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

► সাধারণ জ্ঞান

সাধারণ জ্ঞানের প্রস্তুতির জন্য শুরুতে অষ্টম-নবম ও দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই পড়া যেতে পারে। তারপর সাধারণ জ্ঞানের কোনো বই থেকে মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাংলাদেশের সম্পদ, বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, বাঙালির সংস্কৃতি ও শিল্পকলা, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা, খেলাধুলা ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের জাতীয় অর্জন প্রভৃতি বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বিষয়ের প্রস্তুতির জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা-সংগঠন, বিভিন্ন দেশের পরিচিতি, বিশ্বের বড় বড় যুদ্ধ-সংঘাত, প্রণালী, গণমাধ্যম, খেলাধুলা প্রভৃতি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সমসাময়িক তথ্য ও খবর সম্পর্কে আপডেট থাকতে হবে।

ভালো প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশের ও আন্তর্জাতিক মানচিত্র খেয়াল করে দেখা যেতে পারে। মানচিত্রসংশ্লিষ্ট তথ্য থেকেও প্রশ্ন থাকতে পারে। সাধারণ জ্ঞানে ভালো করার জন্য বিগত সালে আসা যেসব প্রশ্নের গুরুত্ব বর্তমানেও আছে, সেগুলো পড়তে পারেন।

প্রতিদিন বাংলা দৈনিক পত্রিকার পাশাপাশি অন্তত একটি ইংরেজি পত্রিকা পড়া যেতে পারে। নিয়মিত তথ্য বা খবরের আপডেট পেতে ফেসবুকে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের পেজ লাইক দিয়ে রাখতে পারেন।

► বিশেষ পদে বিশেষ প্রস্তুতি

ফার্মাসিস্ট, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট, হেলথ এডুকেটর প্রভৃতি পদের পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান অংশে বিজ্ঞান থেকে কিছু প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

তাই বিজ্ঞানও প্রস্তুতি পরিকল্পনায় রাখতে হবে। এ ছাড়া কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর প্রভৃতি পদে সাধারণ জ্ঞান অংশে কম্পিউটারবিষয়ক প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই কম্পিউটার বিষয়ের প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে।

এসব পদের জন্য যেহেতু ব্যাবহারিক পরীক্ষা আছে, তাই ব্যাবহারিক দক্ষতা বাড়াতে এখন থেকেই নিয়মিত চর্চা করতে হবে। অনেকে লিখিত পরীক্ষায় ভালো করেও ব্যাবহারিক পরীক্ষায় আটকে যান।

ব্যাবহারিক কাজে দুর্বলতা থাকলে ইউটিউবের টিউটরিয়াল দেখে বাসায় চর্চা করতে পারেন।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নেবে ১৫৬২ জন

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা এন্ডাওমেন্ট ট্রাস্টে (বিকেজেইটি) ০২টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: কৃষি মন্ত্রণালয়
ট্রাস্টের নাম: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা এন্ডাওমেন্ট ট্রাস্ট (বিকেজেইটি)

পদের নাম: সচিব
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/স্নাতকোত্তর/সিএ/সিএমএ/এমবিএ
অভিজ্ঞতা: ০৫ বছর
বয়স: ৪০ বছর
বেতন: ৪৩,০০০-৬৯,৮৫০ টাকা

পদের নাম: হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অ্যাকাউন্টিং/ফিন্যান্সে স্নাতক (সম্মান)/স্নাতকোত্তর
বয়স: ২১-৩০ বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর
বেতন: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

চাকরির ধরন: সরাসরি
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
কর্মস্থল: যেকোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা bkget.teletalk.com.bd এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে।

আবেদন ফি: টেলিটকের মাধ্যমে ১-২ নং পদের জন্য ২০০ টাকা পাঠাতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ০৭ ডিসেম্বর ২০২০

কৃষি মন্ত্রণালয়ের ট্রাস্টে একাধিক চাকরির সুযোগ

আরো খবর

অর্থনীতি

অনলাইন ডেস্ক:  খেলাপি ঋণে আর কোনো ছাড় দেয়া হবে না। এখন থেকে সব ঋণের বিপরীতে নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করতে হবে। কেবলমাত্র মেয়াদী ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কেরভিত্তিতে চলমান মেয়াদ শেষের দিন থেকে ৫০ শতাংশ বাড়ানো যাবে। এব এই সীমা কোন ক্রমেই দুই বছরের বেশি বাড়ানো যাবে না।

এ বিষয়ে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ সার্কুলার জারির দিন থেকেই এটি কার্যকর হয়েছে।

সূত্র জানায়, করোনাভাইরাসের কারণে দেশের ব্যবসা বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা কমে গিয়েছিল। এ কারণে গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই এক বছর সব ধরনের ঋণের কিস্তি পরিশোধ স্থগিত করা হয়েছিল। একই সঙ্গে কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে কোন ঋণকে নতুন করে খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে ২০২০ সালের কোন গ্রাহককে ঋণের কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা হয়নি। একই সঙ্গে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে কোন গ্রাহককে নতুন করে ঋণ খেলাপি হিসাবেও চিহ্নিত করা হয়নি।

নতুন সার্কুলারে বলা হয়েছে, করোনার প্রভাব মোকাবেলায় আগের দেয়া সুবিধা আর না বাড়ানোর সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এর ফলে যে কারণে ১ জানুয়ারি থেকে যেসব ঋণ বা ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময় হলে তা পরিশোধ করতে হবে। এগুলো পরিশোধে ব্যর্থ হলে নিয়ম অনুযায়ী খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করা হবে। অর্থাৎ খেলাপি ঋণের বর্তমান সংজ্ঞা অনুযায়ী, তলবী ঋণের কিস্তি পরিশোধের দিন থেকে ৬ মাস অপরিশোধিত থাকলে এবং মেয়াদী ঋণের কিস্তি পরিশোধের দিন থেকে নয় মাস অপরিশোধিত থাকলে তা খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করা হবে।

তবে সার্কুলারে মেয়াদী ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ১ জানুয়ারি থেকে কেবলমাত্র নিয়মিত মেয়াদী ঋণের ক্ষেত্রে পরিশোধের সময়সীমা চলমান মেয়াদের সঙ্গে আরও ৫০ শতাংশ বাড়ানো যাবে ব্যাংকার গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে। তবে তা কোন ক্রমেই এই মেয়াদ দুই বছরের বেশি বাড়ানো যাবে না। কোন খেলাপি বা মেয়াদী ঋণ ছাড়া অন্য কোন ঋণের মেয়াদ বাড়ানো যাবে না।

এতে আরও বলা হয়, অন্যান্য ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় বিতরণ করা ঋণের ক্ষেত্রে সংশ্লিস্ট প্যাকেজের নীতিমালা অনুযায়ী ঋণ আদায় করতে হবে।

এখন থেকে সব ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হবে: বাংলাদেশ ব্যাংক

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা। ডুমুরিয়ায় গাজরের ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি।
শীতকালে সবজির মধ্যে গাজর অন্যতম। গাজরকে বলা হয় সুপার ফুড। বিশেষ করে শীতকালীন এই সকল সাধারণ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার সব চাইতে ভালো সবজি হচ্ছে এই গাজর। গাজরের ভিটামিন ও মিনারেলস দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, যার ফলে সর্দি-ঠাণ্ডা ও কাশি থেকে মুক্তি মেলে।  গাজরে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। গাজরের মধ্যে থাকা বিটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। চোখের অন্যান্য সমস্যা, দৃষ্টিশক্তি হ্রাস ইত্যাদির মতো সমস্যায় বাধা দেয়। শীতকালের সেরা এই সবজি দিয়ে আমরা অনেক রকমেরই খাবার রান্না করি আর মিষ্টি বলতে গাজরের হালুয়া সবারই প্রায় জানা। আমাদের ডুমুরিয়া খুলনা প্রতিনিধি শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মোছাদ্দেক হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, আমাদের ডুমুরিয়া উপজেলায় এবার ১৫হেক্টর জমিতে গাজরের চাষ হয়েছে।
ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়ানের ভরাতিয়া ‌গ্রামের কৃষক মোঃ শহীদুল ইসলাম সে ৩৩শতক জমিতে গাজরের চাষ করে ১০হাজার টাকা বিক্রয় করেছেন।
তার দেখা দেখে আগামী মৌসুমে প্রতিবেশী কৃষকরা জানান।

ডুমুরিয়ায় গাজরের ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি।

অনলাইন ডেস্ক: পদোন্নতি পেলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ছয় কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে তিনজন মহাব্যবস্থাপক থেকে পদোন্নতি পেয়ে নির্বাহী পরিচালক হয়েছেন। আর তিন জন উপ-মহাব্যবস্থাপক থেকে মহাব্যবস্থাপক (জিএম) হয়েছেন।

গত ৩১ ডিসেম্বর ও ৩ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পৃথক কর্মচারী নির্দেশে এই পদোন্নতি দেওয়া হয়।পদোন্নতিপ্রাপ্তরা

বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাবকে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে রাজশাহী অফিসে বহাল করা হয়েছে। 

আর বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির মহাব্যবস্থাপক মো. জামাল মোল্লাকে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে প্রধান কার্যালয়ে বহাল করা হয়েছে।

হিউম্যান রিসোর্সেস ডিপার্টমেন্ট-১-এ সংযুক্ত মহাব্যবস্থাপক মো. হাবিবুর রহমানকে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে রংপুর অফিসে বহাল করা হয়েছে।

অপরদিকে প্রধান কার্যালয়ের ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আবদুল কাদিরকে মহাব্যবস্থাপক হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমিতে বহাল করা হয়েছে। পরিসংখ্যান বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আনিছুর রহমানকে মহাব্যবস্থাপক পদে পদোন্নতি দিয়ে একই বিভাগে বহাল করা হয়েছে।

আর খুলনা অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক দুলাল চন্দ্র বিশ্বাসকে মহাব্যবস্থাপক হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে একই অফিসে বহাল করা হয়েছে। 

পদোন্নতি পেলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ছয় কর্মকর্তা

গাইবান্ধাথেকেআঃখালেকমন্ডল:গাইবান্ধার হাট-বাজারে কেনাকাটায় ২৫ পয়সা, ৫০ পয়সা, ১ ও ২ টাকার কয়েনের প্রচলন এখন নেই বললেই চলে। এমনকি ৫ টাকার কয়েনের প্রচলনও দিন দিন কমে যাচ্ছে। এছাড়া ৫ পয়সা ও ১০ পয়সার কয়েন এখন আর দেখতেই পাওয়া যায় না। 

এমনকি পাঁচ টাকার কয়েনও এখন দুর্লভ। কেউ নিতে চায় না, এছাড়া ভিক্ষুকরাও ৫ টাকার নিচে কোনো কয়েন দিলেও নিতে চায় না। এর কারণ হচ্ছে শুধুমাত্র এক পিস চকলেট কিনতেই ১ ও ২ টাকার কয়েনের প্রচলন পড়ে। অন্য কোন পণ্য ক্রয় করতে ওইসব কয়েনের কোনো প্রয়োজন হয় না। একটা খিলি পান বা এক কাপ চায়ের মূল্যও এখন ৫ থেকে ৬ টাকা। ফলে সংগত কারণেই অন্যান্য কয়েনগুলো বাজার থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে। কারো কাছে কয়েন জমলে ব্যাংকে গিয়ে বদলে তার বদলে নোট নিয়ে আসতে বাধ্য হয়।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এসব কয়েন পকেটে বা ম্যানিব্যাগে রাখারও ঝামেলা। ফলে বাধ্য হয়ে কয়েন কেউ নিতেই চায় না। এজন্য উধাও হয়ে যাচ্ছে কয়েনগুলো। এখন মূলত ১০ টাকা, ২০ টাকা, ৫০ টাকা এবং ১০০ টাকার নোট প্রচলন বাজারে সব চাইতে বেশী।

গাইবান্ধায় খুচরা ২৫ পয়সা থেকে ১ ও ২ টাকা কয়েনের প্রচলন এখন নেই বললেই চলে ॥ ৫ টাকার কয়েনের প্রচলনও কমছে

নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁ জেলায় বিভিন্ন ব্যাংক ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে কৃষি/পল্লী ঋণ কর্মসূচীর আওতায় ৩২টি ব্যাংকের অনুকুলে মোট ৪৩৪ কোটি ৭৯ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা বিতরনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করেছে। এর মধ্যে অক্টোবর’২০২০ মাসের মধ্যে ২৪টি ব্যাংক মোট ১০১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩৯ হাজার টাকা বিতরন করেছে।
লীড ব্যাংক জনতা ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোঃ জাহিদুর রহমান জানিয়েছেন ফসল উৎপাদন, কৃষি সেচ যন্ত্রপাতি, ডেইরী/গরু মোটা তাজাকরন, পোল্ট্রী, মৎস্য চাষ, কৃষি পণ্যের প্রক্রিয়া ও বাজারজাত করন, দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচী এবং অন্যান্য কৃষি ক্ষেত্রে এসব ঋণ বিতরন রা হয়েছে।
লীড ব্যাংকের সুত্র মতে ব্যাংকওয়ারী ঋণের লক্ষ্যমাত্রা এবং অক্টোবর/২০২০ পর্যন্ত বিতরনের পরিমান হচ্ছে জনতা ব্যাংক লিঃ ২০ কোটি ২১ লক্ষ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ৪ কোটি ৩৯ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা। সোনালী ব্যাংক লিঃ ১২ কোটি ৪৯ লক্ষ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ২ কোটি ৯২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। অগ্রণী ব্যাংক লিঃ ১৭ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ৩কোটি ৭০ লক্ষ ৪২ হাজার টাকা। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ২২৫ কোটি ৫৫ লক্ষ্য টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ৫৩ কোটি ১১ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা, বিআরডিবি ১৮ কোটি ২১ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ৬ কোটি ৮২ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা। কর্মসংস্থান ব্যাংক ৬ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৮৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। রুপালী ব্যাংক লিঃ ৫০ লক্ষ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৬৭ লক্ষ ৮৯ হাজার টাকা। প্রাইম ব্যাংক ১০ লক্ষ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ ৫৪ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ৮ কোটি ৯৬ লক্ষ ১১ হাজার টাকা। মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিঃ ৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেচে ৩ কোটি ৬৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। সাউথইষ্ট ব্যাংক লিঃ ১ কোটি ২৪ লক্ষ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ১ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা। আইএফআইসি ব্যাংক ৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ২৫ লক্ষ টাকা। ইউসিবিএল ৯৫ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। যমুনা ব্যাংক লিঃ ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ৯ লক্ষ টাকা। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিঃ ৬০ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ৬ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। উত্তরা ব্যাংক লিঃ ৭০ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক ৬ কোটি টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ৬৬ লক্ষ ২২ হাজার টাকা। ন্যাশনাল ব্যাংক লিঃ ৩৭ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ৭ কোটি ১৯ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা। বিসিবি লিঃ ৩৫ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ২ লক্ষ টাকা। পুবালী ব্যাংক লিঃ ১ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ৮৪ লক্ষ টাকা। এবি ব্যাংক লিঃ ৭৫ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে কোন অর্থ বিতরন করে নি। ফার্ষ্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ ৪ কোটি টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ১ কোটি ৭৯ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা। এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিঃ ১০ লক্ষ টাকা, সিটি ব্যাংক লিঃ ৮০ লক্ষ টাকা ও প্রিমিয়িার ব্যাংক লিঃ ২ কোটি টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে কোন অর্থ এখনও বিতরন করেনি। এক্সিম ব্যাংক লিঃ ৩ কোটি টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ১ কোটি ৩৮ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা। মিউচুয়াল ট্রাষ্ট ব্যাংক লিঃ ৭৫ লক্ষ টাকা ও ডাচ বাংলা ব্যাংক লিঃ ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে কোন অর্থ বিতরন করে নি। এনসিসি ব্যাংক লিঃ ৮০ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ১০ লক্ষ টাকা। সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিঃ ৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিরন করেছে ১ কোটি ৩৮ লক্ষ ৫ হাজার টাকা। ব্র্যাক ব্যাংক লিঃ ১ কোটি ২২ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ৩১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংক এশিয়া লিঃ ৭৫ লক্ষ টাকা লক্ষমাত্রার বিপরীতে বিতরন করেছে ২৫ লক্ষ টাকা।

এ পর্যন্ত ২৪ ব্যাংক বিতরন করেছে ১০১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩৯ হাজার টাকা

আরো খবর

নির্বাচন

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলা এ্যাডভোকেট বার
এ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক নির্বাচনে ২০২১ সালের জন্য মোঃ সরদার
সালাহউদ্দিন মিন্টু সভাপতি এবং মোঃ আশফাকুর রহমান রব সাধারন
সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। নওগাঁ জেলা বার এ্যাসোসেিয়শনের
বার্ষিক নির্বাচন যথারীতি ৩১ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার ও জেলা এ্যাডভোকেট বার এ্যাসোসিয়েশনের
সভাপতি এ্যাড. খোদাদাদ খান পিটু এবং রিটার্নিং অফিসার
এ্যাড. নিরঞ্জন কুমার নিরু স্বাক্ষরিত ফলাফল অনুযায়ী জানা গেছে
স্বতন্ত্র প্রার্থী এ্যাড. মোঃ সরদার সালাহউদ্দিন মিন্টু সভাপতি,
আওয়ামীলীগ প্রার্থী এ্যাড. মোঃ আশফাকুর রহমান রব সাধারন
সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
জেলা বার এ্যাসোসিয়েশনের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটির
নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন সহঃসভাপতি পদে এ্যাড. মিনা বেগম ও
এ্যাড.মোঃ খায়রুল আলম বাপ্পী, সহঃ সাধারন (প্রশাসন) পদে এ্যাড.
মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহঃ সাধারন সম্পাদক (লাইব্রেরী) পদে এ্যাড.
মোঃ হারুন-অর-রশিদ চৌধুরী হিরা, সহঃসাধারন সম্পাদক (আপ্যায়ন,
ক্রীড়া ও সংস্কৃতি) পদেমোঃ হারুন-অর-রশিদ এবং কার্যকরী সদস্য
৮টি পদে যথাক্রমে মোঃ মুস্তফিজুর রহমান-৩, এ্যাড.তারিকুল ইসলাম,
এ্যাড. মোঃ মনোয়ার হোসেন, এ্যাড.মোঃ আরিফুল ইসলাম স্বপন,
এ্যাড. মোঃ রফিকুল ইসলাম-৯ বাবু, এ্যাড. মোঃ মামুনুর রশিদ-
৩,এ্যাড. মোঃ আরিফুর রহমান রিপর এবং এ্যাড.মোঃ তোফাজ্জল
হোসেন-২ নির্বাচিত হয়েছেন।
নওগাঁ জেলা বার এ্যাসোসিয়েশনের মোট সদস্য ৩৯৫ জন। এদের মধ্যে
নির্বাচনে ৩৬৮ জন সদস্য তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।#

নওগাঁ জেলা বার এ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন সালাহউদ্দিন মিন্টু সভাপতি আশফাকুর রহমান রব সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধি জয়পুরহাটের আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের নৌকার মেয়র প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত জেনে ১৪ এ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচন বানচালের উদ্দেশে বিএনপির ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী আলমগীর চৌধুরী বাঁদশার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগের পথসভায় হামলার ঘটনায় আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী বড়ভাই সহ ৮ জন নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের মাঝগ্রামে দিবাগত রাত আনুমানিক রাত সাড়ে ৮ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন,মেয়র প্রার্থীর বড় ভাই আলামিন চৌধুরী,উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন নাদিম,জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি এমএম ইসলাম বিটু,উপজেলা যুবলীগের সাঃসম্পাদক কাজী মুরাদ শাকিল,উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশীদ রাজা,উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক খাদেমুল ইসলাম খাদেম,যুগ্ম-আহবায়ক ইমরান হোসেন রাব্বি,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা স্বপন,আবুল কাশেম ও মাসুদ রানা। আহতরা সকলেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এ হামলার ঘটনায়,(৩০ জানুয়ারি) শনিবার বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে পৌর আওয়ামীলীগের আয়োজনে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পৌর আওয়ামীলীগের আহবায়ক এনামুল হকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোকসেদ আলী মাস্টার, সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর, সাংগঠনিক সম্পাদক ও আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোঃ শহীদুল আলম চৌধুরী,উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাদেকুর রহমান সাদেক,সহ-সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুজ্জামান মিঠু,সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাফুদৌলা বাবু,উপজেলা যুবলীগের সাঃসম্পাদক কাজী মুরাদ শাকিল,সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশীদ রাজা,উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক খাদেমুল ইসলাম খাদেম সহ উপজেলা,পৌর ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা। দিবাগতরাতের হামলার ঘটনার বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর সাংবাদিকদের জানান,১৪ এ ফেব্রুয়ারি আসন্ন আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে গতরাতে পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের মাঝগ্রামে নির্বাচনী পথসভা চলাকালে নৌকার বিজয় নিশ্চিত জেনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে বানচাল করার লক্ষে বিএনপির ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী আলমগীর চৌধুরী বাঁদশা সহ তার সমর্থকরা ২০-২৫ টি মোটরসাইকেল নিয়ে আমাদের পথসভায় প্রবেশ করে উৎকণ্ঠাস্বরে ধানের শীষ বলে স্লোগান দিতে থাকলে আমি সহ দলীয় নেতাকর্মীরা তাদের বাধা দিতে গেলে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে থাকা আলমগীর চৌধুরীর বাঁদশার গুণ্ডা বাহিনারা আমাকে লক্ষ করে অতর্কিত হামলা চালালে ওই হামলায় মেয়র প্রার্থীর বড়ভাই সহ ৮ জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয় এবং পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। হামলার সময়ে আমি থানায় খবর দিলে পুলিশের ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই তারা পালিয়ে যায় ওই হামলার প্রতিবাদে আজকের এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে পৌর আওয়ামীলীগ। হামলার বিষয়ে থানায় কোন অভিযোগ বা মামলা করা হয়েছে কিনা সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এখন পর্যন্ত মৌখিক অভিযোগ করা রয়েছে সকলের সিদ্ধান্ত মতে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আক্কেলপুরে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

হিলি প্রতিনিধি:দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) পৌরসভা নির্বাচনে আবারও বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত। তিনি ৬  হাজার ২৯ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

শনিবার রাতে হাকিমপুর পৌর নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামিল হোসেন চলন্ত নৌকা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৯২ ভোট। তঁার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বিএনপি মনোনীত সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৬৩ ভোট। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলনের হাত পাখা প্রতীকের সুরুজ আলী শেখ পেয়েছেন ২৩১ ভোট এবং সতন্ত্র প্রার্থী নারিকেল গাছ প্রতিকে মিশর উদ্দিন সুজন  পেয়েছেন ৩১০ ভোট।

আবারও বিপুল ভোটে পৌর মেয়র হলেন জামিল হোসেন চলন্ত

মোঃ ফরহাদ রহমান খোকন, দিনাজপুর: দিনাজপুর জেলায় আগামী ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বিতীয় ধাপে ৩টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র বাছাই সম্পন্ন করা হয়েছে। বাছাই শেষে ৩টি উপজেলায় মেয়র পদে ১৬ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৪৭ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪১ জন প্রার্থীকে বৈধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
দিনাজপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মোঃ শাহিনুর ইসলাম প্রামানিক আজ বুধবার দুপুরে জানান, গতকাল মঙ্গলবার দিনাজপুর সদর, বিরামপুর ও বীরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের জন্য ঘোষিত তপশিলে দিন ধার্য্য ছিল। গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এ ৩টি পৌরসভার মেয়র, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলরদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই-বাছায়ে অনেকের বিরুদ্ধেই অভিযোগ এবং ঋণ খেলাপীর বিষয়ে পর্যালোচনা করে এই ৩টি পৌরসভায় ১ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ও ৩ জন সাধারণ কাউন্সিলের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীদের তালিকা আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে চ‚ড়ান্ত করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যালয়েগুলোতেও অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে। বৈধ তালিকায় ৩টি পৌরসভায় মেয়র পদে ১৭ জন, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৪৭ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪১ জনকে বৈধ করা হয়েছে।
দিনাজপুর পৌরসভায় ৬ জন মেয়র প্রার্থী রয়েছে এদের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী হয়েছেন জেলা যুবলীগের সভাপতি রাশেদ পারভেজ। তার স্থলে আওয়ামীলীগ থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট তহিদুল হক সরকার। বিএনপি থেকে মনোনয়ন পয়েছেন বর্তমান মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি থেকে মোঃ মেহেরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি থেকে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আহমেদ শফি রুবেল ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মোঃ হাবিবুর রহমান রানা প্রার্থী হয়েছেন। এই পৌরসভা সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ৪টি ওয়ার্ডে ১৮ জন এবং সাধারণ ১২ ওয়ার্ডে ৬৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন। দিনাজপুর পৌরসভায় মোট ভোটার ১ লাখ ৩০ হাজার ৮শ ৩ জন এর মধ্যে পুরুষ ৬৩ হাজার ২৬ জন ও মহিলা ৬৭ হাজার ৭শ ৭৭ জন। নির্বাচনের সুবিধার্থে ৪৯টি ভোট কেন্দ্র স্থানে ৩৭৩টি কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে।
বিরামপুর পৌরসভায় ৬ জন মেয়র প্রার্থী রয়েছেন। আওয়ামী লীগ থেকে অধ্যাপক মোঃ আক্কাস আলীকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তিনি ইতিপূর্বে ঐ পৌরসভায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান পৌরসভার মেয়র মোঃ লিয়াকত আলী সরকার প্রার্থী হয়েছেন। বিএনপি থেকে মোঃ হুমায়ুন কবীর মনোনয়ন পেয়েছেন তার বিরুদ্ধে বিএনপি থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন সাবেক পৌর মেয়র মোঃ আজাদুল ইসলাম। সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোঃ নুরুজ্জামান সরকার, মোঃ মসফিকুর রহমান প্রার্থী হয়েছেন। এই পৌরসভায় সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ৩টি ওয়ার্ডে ১৬ জন প্রার্থী রয়েছেন। ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১২ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন। এই পৌরসভায় মোট ভোটার ৩৬ হাজার ৭শ ৪৮ জন এর মধ্যে পুরুষ ১৭ হাজার ৯শ ৭৩ জন। মহিলা ১৮ হাজার ৭শ ৭৪ জন। ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে ১৬টি ভোট কেন্দ্রে ১০৫টি কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে।
বীরগঞ্জ পৌরসভায় ৫জন মেয়র প্রার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ নুর ইসলামকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান পৌর মেয়র ও বীরগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মোশাররফ হোসেন। বিএনপি থেকে মোঃ মোকাররম হোসেন প্রার্থী হয়েছেন। জামাতের উপজেলা আমীর সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোট করছেন সাবেক মেয়র মোঃ হানিফ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী হয়েছেন মোঃ শাহা আলম। এই পৌরসভা সংরক্ষিত মহিলা ৩টি ওয়ার্ডে ১৩ জন প্রার্থী হয়েছেন। ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে ৪০ জন প্রার্থী হয়েছেন। এখানে মোট ভোটার ১৫হাজার ৫শ ৪৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৫শ ১৩ ও মহিলা ৮ হাজার ৩২ জন। ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে ৯টি ভোট কেন্দ্রে ৪৯টি কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে।
নির্বাচন কার্যালয়ের সূত্রটি জানায় আগামী ২৯ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন রয়েছে। ঐ দিন প্রত্যাহার শেষ হলে আগামী ৩০ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে ঐ দিনই প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর থেকে প্রার্থীরা এই ৩টি পৌরসভায় প্রচার শুরু করবেন। আগামী ১৪ জানুয়ারি রাত ৮টা পর্যন্ত নির্বাচনের প্রচার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী করতে পারবেন। ১৬ জানুয়ারি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

দিনাজপুরে ৩টি পৌরসভার মনোনয়ন পত্র বাছাই শেষ মেয়র পদে ১৭, সংরক্ষিত কাউন্সিলর ৪৭ ও সাধারণ কাউন্সিলর ১৪১ জন বৈধ

নামাজের সময়সূচী

    Dhaka, Bangladesh
    মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৪:৩১
    সূর্যোদয়ভোর ৫:৪৭
    যোহরদুপুর ১১:৫১
    আছরবিকাল ৩:১৮
    মাগরিবসন্ধ্যা ৫:৫৬
    এশা রাত ৭:১১

বিচিত্র সংবাদ

ভাষার জন্য যারা দিয়ে গেছে প্রাণ, তাদের প্রতি লাখো সালাম। সেই ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে একটি স্বাধীন দেশে শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটবে, এটাইতো স্বাভাবিক। বিশে^র সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে বাঁধা নেই। অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এই সভ্য সমাজ ব্যবস্থায় কিছুলোক কেবলমাত্র নিজের স্বার্থে দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে বিনোদনের নামে নানাভাবে বিনোদন প্রেমিকদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে। অনলাইন জগতে বিনোদনের নামে তেমনি এক ব্যতিক্রমধর্মী ইউটিউব চ্যানেল মিউজিক বাংলা টিভি। এর প্রযোজনা, পরিচালনা ও প্রকাশনায় জনৈক রুবেল হাওলাদার। বিশ^স্ত সূত্রে জানা গেছে এই রুবেল, হাওয়ালাদার কেবলমাত্র আর্থিক উপার্জনের লক্ষ্যে ইউটিউবে কথিত চ্যানেল মিউজিক বাংলা টিভি, (গইঞ)তে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের দিয়ে বিভিন্ন ধরণের ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। এ ইউটিউব চ্যানেলে প্রত্যক্ষ করলে দেখা যাবে রুবেল হাউলাদারের প্রযোজনা ও পরিচালনায় বেশ কয়েকটি নাটকও টেলিফিল্ম, শর্ট ফিল্ম প্রচার করছে। এখানে বলতে বাধা নেই যে এসব ভিডিওগুলি তিনি কোন অশুভ উদ্দেশ্যে তৈয়ার করেছেন। এ ক্ষেত্রে আরও বলা প্রয়োজন যে, দেশের প্রচলিত আইনে কোথাও এবং কোন ক্ষেত্রেই অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশুদের কর্মকে স্বীকৃতি দেয় না। তিনি কিভাবে দেশের ২ থেকে ১০/১২ বছরের শিশুদের অভিনয়কে কাজে লাগিয়ে এমন আপত্তিকর বিনোদনে লিপ্ত তা কারও বোধগম্য নহে। বিশেষ করে একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি। বর্তমান সরকার জনস্বার্থে দেশকে একটি ডিজিটাল প্রক্রিয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঠিকাশ ঘটানো অপরিহার্য্য মনে করছে। ইতোমধ্যে সরকার এ লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি জেলা উপজেলা পর্যায়ে সুষ্ঠু ধারার সংস্কৃতিসহ সকল জন কল্যাণমূলক কর্মকাÐের পাশাপাশি সার্বিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। অথচ লক্ষ করলে দেখা যাবে কথিত এই ইউটিউব চ্যানেল “মিউজিক বাংলা টিভি” (গইঞ)’র মালিক জনৈক রুবেল হাওলাদার ইউটিউব থেকে প্রচুর অর্থ উপার্জনের জন্য ১ বছরের শিশু থেকে বেশির ভাগ ৭/৮ বছরের শিশুদের দিয়ে কথিত ঘটনা সাজিয়ে নাটক, শট ফিল্ম, টেলিফিল্মসহ নানা ভিডিও বানিয়ে ইউটিউব চ্যানেল, মিউজিক বাংলা টিভি-তে চালিয়ে যাচ্ছেন। যা অপসংস্কৃতির পাশাপাশি অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশুদেরকে ব্যবহার করা হচ্ছে। ইউটিউব চ্যানেল “মিউজিক বাংলা টিভি” (গইঞ) বিদ্যমান ভিডিওগুলো প্রত্যক্ষ করলে এমনটিই মনে করবেন দেশের সচেতন মহল। তাই এই অপসংস্কৃতি রোধ হওয়া অত্যাবশ্যক। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং সংস্থাগুলো শিশুশ্রম রোধে অভিযোগটি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন এমনটাই প্রত্যাশা সকল মহলের।

দেশের অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের অভিনয়কে পুঁজি করে কি ধরণের বিনোদন প্রদর্শন করছে ইউটিউব চ্যানেল মিউজিক বাংলা টিভি

অনলাইন ডেস্ক: ভাইরাল হয়ে যাওয়া এক ছবিতে দেখা যায়, এক নারীর সঙ্গে বিছানায় বসে আছেন ভারতের যোগগুরু বাবা রামদেব। ছবিতে ওই নারীর কাঁধে হাত রেখে হাসিমুখে আছেন তিনি। ওই ছবি সম্প্রতি ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।

টুইটারে ছবিটি পোস্ট করে রামদেবকে ব্যাপকহারে গালিগালাজ করছেন অনেকেই। একইভাবে ফেসবুকেও ছবি-পোস্টে রামদেবকে ‘চরিত্রহীন’ বলা হচ্ছে।

ছবিটি আগেও ভাইরাল হয়েছিল। ২০১৮ সালেও ভাইরাল হয়েছিল ওই ছবি। পাঁচ বছর ধরেই নেটদুনিয়ায় ঘুরে-ফিরে দেখা গেছে রামদেবের ছবিটি। দুই বছর আগে একই ছবি পোস্ট করে রামদেব ‘যৌন কলঙ্কে’ ফাঁসবেন বলে দাবি করা হয়েছিল।

তবে ছবিটি পাঁচ বছর আগের। ছবিতে রামদেবের সঙ্গে থাকা নারী আসলে ক্যান্সার আক্রান্ত (তখন বয়স ২৭)। বেদান্ত হাসপাতালে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল রামদেবের।

গুগলের রিভার্স ইমেজ সার্চ ব্যবহার করে ওই ছবি সম্পর্কে জানা যায়, ছবিটি ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বরের। রামদেবের অফিসিয়াল ফেসবুকেও ওই ছবি একই সময়ে পোস্ট করা হয়েছিল।

ওই পোস্টে রামদেব বলেন, আমার এই বোন প্রীতি ক্যান্সারে ভুগছেন এবং মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। পতঞ্জলী যোগপীঠের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে একজনের পরিবারের সদস্য প্রীতি। বেদান্ত হাসপাতালে আমি এই বোনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি এবং তাকে আশীর্বাদ দিয়েছি। এছাড়াও তাকে প্রাণায়ম শেখানোর সঙ্গে আয়ুর্বেদ ওষুধও দিয়েছি।

নারীর সঙ্গে বিছানায় রামদেব, ভাইরাল ছবির পেছনের গল্প জেনে নিন

আরো খবর

ধর্ম

দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের পাঠান পাড়া এলাকার নিকটবর্তী হাজার বছ‌রের ঐ‌তিহা‌সিক প‌রিত্যক্ত মসজিদটিতে গত ১লা ডিসেম্বর মঙ্গলবার হি‌লি মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা শামছুল হুদা খানের ইমাম‌তি‌তে জোহর নামা‌যের মাধ্য‌মে নতুন করে মস‌জিদ‌টিতে আজান ও নামাজ চালু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ মসজিদটি প্রায় ৭০০ শ বছ‌র ধরে প‌রিত্যক্ত ছিল এবং মসজিদটির আশে পাশে এক সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বস‌তি গ‌ড়ে উঠলে মস‌জিদ‌টিও তাদের মা‌লিকানায় চলে আসলেও পরবর্তীতে আবারও মসজিদটি মুস‌লিম মা‌লিকানায় এসে প্রায় ৫০ বছর মসজিদটিতে আজান ও নামাজ হয়নি। আল্লাহু আকবার ধ্বনীতে হাজার বছ‌রের ঐ‌তিহা‌সিক এ মসজিদটি অত্র এলাকার স্থানীয় আ‌লেম এক‌লিমুর রেজা ও দায়ী মুফ‌তি যোবা‌য়েরের উদ্যোগে চালু হওয়ায় এলাকাবাসী”রা অনেক খুশী ও আনন্দের সহিত নামাজ আদায় করছেন।

৭ শত বছরের পরিত্যক্ত মসজিদে নতুন করে আজান ও নামাজ চালু নিরেন

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)রিপোর্টার:মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) নিয়ে ফ্রান্সে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাঙ্গ নির্মাতা সাময়িকী”শার্লি আবদো” তে কার্টুন-ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করার প্রতিবাদে সারাদেশের ন্যায় জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আক্কেলপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আক্কেলপুর উপজেলা শাখা”র উদ্যোগ পৌর শহরে শতশত মুসল্লীদের নিয়ে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
সেখানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আক্কেলপুর উপজেলার সভাপতি মওলানা আবু ইউসুফ শরীফুল ইসলামের সভাপতিত্বে, এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় উপস্থিত থেকে ফ্রান্সের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুল ম্যাক্রো এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও ফ্রান্সের সকল প্রকার পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জয়পুরহাট জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ দেওয়ান জহুরুল ইসলাম, জিয়ানগর খাতুনে জান্নাত মহিলা মাদ্রাসার(মুহতামিম) মাওলানা আঃ বাঁকী(বাদশা),ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আক্কেলপুর উপজেলা শাখার সাঃসম্পাদক মোঃ মোমিনুল ইসলাম সোহেল,আক্কেলপুর থানা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুল হাকিম সহ আরও অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
শান্তিপূর্ণ ভাবে মিছিল ও প্রতিবাদ সভা পরিচালনা করেন,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আক্কেলপুর উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি মাওলানা আব্দুল হামিদ।

ফ্রান্সে মহানবী(সাঃ)কে অবমাননা করাই আক্কেলপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত।


শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা:ডুমুরিয়াঃফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় মদদে রাসুল (সঃ) কে নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশের প্রতিবাদে চুকনগরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ডুমুরিয়ার আটলিয়া ইউনিয়ন ঈমাম পরিষদের উদ্যোগে  শুক্রবার বিকালে চুকনগর বাসষ্ট্যান্ড চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। চাকুন্দিয়া ইমদাদুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওঃ লোকমান হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য  রাখেন ডুমুরিয়া উপজেলা ঈমাম পরিষদের সভাপতি মাওঃ আব্দুর রহমান, সহ সভাপতি  মুফতী আঃ কাইয়ুম জমাদ্দার, আ’লীগ নেতা অধ্যক্ষ এ বি এম  শফিকুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান  প্রতাপ রায়, মাওঃ ইউসুফ আজাদী, মাওঃ আবু সালেহ, সরদার অহিদুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষ, চুকনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম রুহুল আমীন, সরদার শরিফুল ইসলাম, সরদার দৌলত হোসেন, হাবিবুর রহমান হবি, শেখ শহিদুল ইসলাম, মাওঃ আসাদুজ্জামান, মাওঃ মনিরুল ইসলাম, মাওঃ বিলায়েত হোসেন, মোস্তফা কামাল হাবিবী, মুফতী সাইদুজ্জামান, মুফতি মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

ডুমুরিয়ায় ফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় মদদে রাসুল (সঃ) কে নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ ।

আরো খবর

নারী শিশু

ধর্ষণ মামলার বিচার তদারকিতে সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদারকি/মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। কমিটির অপর দুই সদস্য হচ্ছেন-স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বা তার প্রতিনিধি (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার নিচে নয়) এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব বা তার প্রতিনিধি (অতিরিক্ত সচিব পদ-মর্যাদার নিচে নয়)। সেল গঠন সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন গতকাল বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের বেঞ্চে দাখিল করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা আইনে নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি না হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ওই সেল গঠনের নির্দেশ দিয়ে রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্টের অপর একটি বেঞ্চ। ওই রায় অনুযায়ী এই মনিটরিং সেল আইনে নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি না হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের মামলার বিষয়ে বিচারক, পাবলিক প্রসিকিউটর ও তদন্ত কর্মকর্তার পাঠানো প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অধস্তন আদালত সংক্রান্ত সুপ্রিমকোর্টের কমিটির কাছে প্রতিবেদন দেবে। প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করে সুপ্রিমকোর্টের ওই কমিটি মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার জন্য দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৩১ (ক) (৩) ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেবে। মূলত গাফিলতি এড়িয়ে ধর্ষণ মামলার বিচারে গতি আনতে এই ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

এই রায়টিসহ ধর্ষণ মামলার বিচারের বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া তিনটি রায়ের নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং ধর্ষণের মতো শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা, সালিস বা মীমাংসা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে গত বছরের ১৯ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট করে আইন ও সালিশ কেন্দ্র। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ২১ অক্টোবর হাইকোর্ট রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন। আদেশে সেদিন হাইকোর্ট ধর্ষণের ঘটনায় মধ্যস্থতা, সালিশ বা মীমাংসা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ধর্ষণের ঘটনায় গত পাঁচ বছরে সারা দেশের থানা, আদালত ও ট্রাইব্যুনালে কতগুলো মামলা হয়েছে, তা জানিয়ে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এছাড়া ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলা ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি, বিচার শুরুর পর থেকে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত একটানা বিচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আগের নির্দেশনা কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে তার অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়। চার মাসের মধ্যে এই প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। সে অনুসারে পুলিশপ্রধান (আইজিপি) ও সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের পক্ষে পাঠানো পৃথক দুটি প্রতিবেদন গতকাল রাষ্ট্রপক্ষ আদালতের কাছে তুলে ধরে।

পুলিশ মহাপরিদর্শকের পক্ষ থেকে দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৫ বছরে শুধু সারাদেশের থানাগুলোতে ২৬ হাজার ৬শ ৯৫টি ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। পুলিশপ্রধানের পক্ষে অতিরিক্ত ডিআইজি মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত পুলিশ সদর দপ্তরের স্পেশাল ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট শাখা থেকে ধর্ষণ মামলার পরিসংখ্যানটি পাঠানো হয়েছে। এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে ৪৩৩১টি, ২০১৭ সালে ৪৬৮৩টি, ২০১৮ সালে ৪৬৯৫টি, ২০১৯ সালে ৬৭৬৬টি এবং ২০২০ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত ৬২২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতি বছরই ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়েরের পরিমাণ বেড়েছে।

তবে আদালতগুলোতে কি পরিমাণ ধর্ষণের মামলা হয়েছে সেই তথ্য এখনো হাইকোর্টে পৌঁছায়নি। তবে হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো: গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্ষণের মামলা ১৮০ কার্যদিবসে বিরতিহীনভাবে নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা, তা মনিটরিং করতে সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবরকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চে এই তথ্য সংবলিত পৃথক দুটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী। আবেদনকারী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ইয়াদিয়া জামান ও অ্যাডভোকেট শাহিনুজ্জামান শাহিন। পরে আইনজীবী ইয়াদিয়া জামান জানান, ‘ধর্ষণের মামলার তথ্য সংবলিত প্রতিবেদন পুলিশের পক্ষ থেকে এসেছে। তবে আদালতগুলোতে কতগুলো ধর্ষণের মামলা হয়েছে সেই তথ্য এখনো আসেনি। আদালত এ কারণে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ মে পরবর্তী তারিখ রেখেছেন।’

গতকাল শুনানিতে আইজিপির প্রতিবেদনের অংশবিশেষ তুলে ধরে আইনজীবী অনীক আর হক আদালতে বলেন, প্রতিবেদন অনুযায়ী ধর্ষণের ঘটনা প্রতিবছর বাড়ছে। থানায় ৫ বছরে ২৬ হাজার ৬৯৫টি মামলা হয়েছে। তার বাইরে ট্রাইব্যুনালেও মামলা হয়। বাকিদের কাছ থেকে প্রতিবেদন আসেনি। সুপ্রিমকোর্টের প্রতিবেদন তুলে ধরে আইনজীবী অনীক আর হক বলেন, হাইকোর্টের ইতিপূর্বের রায়ের নির্দেশনা অনুসারে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। গত ১৮ নভেম্বর এই সেল গঠন করা হয়। হাইকোর্টের তিনটি রায় ছিল। এসব রায়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ আদালতের আদেশের পরই তা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) ও ব্লাস্টসহ পাঁচটি মানবাধিকার সংগঠনের করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৮ দফা নির্দেশনাসহ রায় দেন হাইকোর্ট। আদালতের ঐ নির্দেশনায় বলা হয়, ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন বা এ সংক্রান্ত ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ লিখিতভাবে রেকর্ড করবেন? এ ক্ষেত্রে ওই থানার আওতার মধ্যে ঘটনা সংঘটিত হোক-বা-না-হোক, সেটা মুখ্য নয়? অবিলম্বে এমন একটি সার্ভার তৈরি করতে হবে, যেন এ ধরনের অভিযোগ সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে করা যায়? সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া কোনো পুলিশ অফিসার যদি অভিযোগ গ্রহণে বিলম্ব করেন, তবে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে সুনির্দিষ্ট বিধান তৈরি করতে হবে?

নির্দেনায় আরও বলা হয়, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নমূলক ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে ডিএনএ পরীক্ষা করাতে হবে। একইসঙ্গে এ ধরনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ডিএনএসহ অন্যান্য নমুনা সংগ্রহ করে তা ফরেনসিক ল্যাবে পাঠাতে হবে। এছাড়া যেকোনো রিপোর্ট সংগ্রহ বা স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তদন্তকারী সংস্থার যেকোনো ব্যর্থতা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে?

একই বছরের ৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এক আদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ না হলে জবাবদিহি-সংক্রান্ত আইনের ৩১ক ধারা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, পাবলিক প্রসিকিউটর ও তদন্ত কর্মকর্তাকে (পুলিশ) এ নির্দেশ দেন আদালত। এ বিধান যথাযথভাবে প্রতিপালন করা না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও বলা হয় আদেশে।

সর্বশেষ আইনে নির্ধারিত সময়ে ধর্ষণ মামলার বিচার শেষ না হওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করে গত বছরের ১৮ জুলাই হাইকোর্ট ধর্ষণ মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সাত দফা নির্দেশনা দেন। এর মধ্যে আইনে নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ বিচারের জন্য মামলা হাতে পাওয়ার দিন থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে মামলার বিচার শেষ করতে হবে এবং মামলার শুনানি শুরু হলে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি কর্মদিবসে একটানা মামলা পরিচালনা করতে মামলায় সাক্ষীর উপস্থিতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে তদারকি কমিটি গঠন করতে হবে উল্লেখযোগ্য।

রিটকারীর আইনজীবীর ভাষ্য, ধর্ষণের ঘটনায় আইনি বিধিবিধান অনুসরণ ও ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং যথাযথ প্রতিকার নিশ্চিতে ইতিপূর্বে হাইকোর্ট তিনটি মামলায় রায় দেন। তবে রায়ের নির্দেশনার বাস্তবায়ন দেখা যায় না। এমন প্রেক্ষাপটে রিটটি করা হয়।

পাঁচ বছরে শুধু থানাতেই ২৬ হাজার ৬৯৫ ধর্ষণ মামলা বিচার তদারকিতে সেল গঠন

অনলাইন ডেস্ক: আয়েশা সিদ্দিকা, গত প্রায় ১৯ বছর ধরে দিনাজপুরে ফুলবাড়ী উপজেলার পূর্ব কাটাবাড়ীতে হোমিও চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন।এলাকায় তার চিকিৎসক হিসেবে সুনামও রয়েছে। সপ্তাহে চারদিন এখনো রোগী দেখেন তিনি। এই হোমিও চিকিৎসক আয়েশা সিদ্দিকাই হতে চেয়েছিলেন দেশের প্রথম নারী কাজি বা নিকাহ্ রেজিস্টার।

জানা গেছে, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেখে ২০১২ সালে ফুলবাড়ী পৌরসভায় নিকাহ রেজিস্টার বা কাজি পদের জন্য আবেদন করেন আয়েশা সিদ্দিকা। তখন নিয়োগ বিজ্ঞাপনে কেবল পুরুষ সদস্য আবেদন করতে পারবেন, এমন কোন কথা লেখা ছিল না। ধাপে ধাপে পরীক্ষা দিয়ে আয়েশা প্রথম স্থান অধিকার করেন ২০১৪ সালে।

এরপর নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্তে গঠিত কমিটির সদস্য ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়রসহ মোট পাঁচজন। ওই কমিটি পদের জন্য নির্বাচিত তিনজন সদস্যের একটি প্যানেল প্রস্তাব দিয়ে চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল।

পরে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দিয়ে কমিটির কাছে জানতে চাওয়া হয়, তারা কাকে নিয়োগ দিতে চান। তখন কমিটি চিঠি দিয়ে আয়েশা সিদ্দিকাকে নিয়োগের সুপারিশ করে। তবে কয়েকমাস পরে আয়েশাকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল যে নিয়োগ কমিটির প্রস্তাবিত প্যানেল বাতিল করে দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।

সিদ্দিকা জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের ১৬ই জুন আইন মন্ত্রণালয় ‘বাংলাদেশের বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে নারীদের দ্বারা নিকাহ্ রেজিস্টারের দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়’ – এমন মত দিয়ে একটি চিঠি দিয়ে নিয়োগ কমিটির প্রস্তাবিত প্যানেল বাতিল করে।

মনঃক্ষুণ্ণ হলেও তিনি মেনেই নিয়েছিলেন বিষয়টি। কিন্তু এরমধ্যে আয়েশা হঠাৎ জানতে পারলেন, প্যানেলের প্রস্তাবিত তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, যিনি একজন পুরুষ এবং সম্পর্কে তার আত্মীয়।

“এই ঘটনায় আমি খুবই আঘাত পাই মনে। আমার খুব অপমানও লাগে যখন জানতে পারি যে পরীক্ষায় প্রথম হয়েও আমি নিয়োগ পাব না, কারণ আমি মহিলা!” বিষয়টি নিয়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়লে স্বামীর পরামর্শে আয়েশা আইনি প্রতিকার চাইতে ঢাকায় আসেন। এরপরই আইন মন্ত্রণালয়ের ঐ চিঠিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন আয়েশা সিদ্দিকা।

ছয় বছর পরে ২০২০ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি আদালত মন্ত্রণালয়ের মতামতকে বহাল রেখে রায় দেয়। সম্প্রতি ১০ই জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়, আর তারপরই বিষয়টি সবার সামনে চলে আসে। বিষয়টি নিয়ে দেশের গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে এখনো।

আয়েশা জানিয়েছেন, পূর্ণাঙ্গ রায় এখন প্রকাশিত হলেও, ২০২০ সালে আদালতের রায়ের পরই তিনি আপিল করা সিদ্ধান্ত নেন। ইতিমধ্যে অ্যাপিলেট ডিভিশনে এ নিয়ে একটি আপিল দায়ের করা হয়েছে।

নিকাহ রেজিস্টার কেন হতে চেয়েছিলেন
আয়েশা সিদ্দিকার কাছে জানতে চেয়েছিলাম নিকাহ রেজিস্টার বা কাজির মত যে পেশায় এখনো পর্যন্ত কোন নারী নিয়োগ পাননি, তেমন একটি পদে তিনি কেন আবেদন করেছিলেন? তিনি বলেছেন, ব্যতিক্রমী কিছু করার জন্য তিনি আবেদন করেননি।

বিজ্ঞপ্তি দেখে তিনি আগ্রহী হয়েছিলেন, কারণ সমাজে গ্রহণযোগ্যতা আছে এই পেশার। “তাছাড়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে তো উল্লেখ ছিল না যে নারীরা আবেদন করতে পারবে না। আমি যখন দেখলাম যে নারী পুরুষ কিছু উল্লেখ নাই, তখন ভাবলাম – তাহলে আমি তো আবেদন করতেই পারি।”

“পরে আবেদনপত্র বাছাই, বা পরীক্ষার সময়ও তো আমাকে নারী বলে বাদ দেয় নাই, নিয়োগ কমিটিও তো ফলাফল চূড়ান্ত করে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এই কোন পর্যায়েই তো আমাকে ‘ডিসকোয়ালিফাইড’ বা অযোগ্য ঘোষণা করা হয় নাই! তাহলে আমি তো অযোগ্য না।”

জানা গেছে, আয়েশার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে ফুলবাড়ীর পূর্ব কাটাবাড়ীতে। তিন বোন এক ভাইয়ের পরিবারে দ্বিতীয় সন্তান তিনি। বাবাও ছিলেন হোমিও চিকিৎসক। বাবা অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় মাদ্রাসায় পড়তে পড়তেই অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দেয়া হয় তাকে। বিয়ের পরও তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যান।

একই সঙ্গে ফুলবাড়ীর দারুল সুন্নাহ সিনিয়র সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসা থেকে ফাজিল পাস করেছেন, আবার হোমিও কলেজ থেকেও ডিগ্রী নিয়েছেন। “ব্যতিক্রমী কিছু করার ইচ্ছা ছিল না, কিন্তু এটা মেনে নেয়া কষ্টকর যে শুধু মহিলা হওয়ার কারণে আমি অযোগ্য হবো কোন কিছুর জন্য।”-বিবিসি বাংলা

দেশের প্রথম নারী কাজি হতে চেয়েছিলেন যিনি

দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।। করোনা মহামারির ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে অর্থনীতির ওপর। অর্থনৈতিক সঙ্কটের ফলে দু’মুঠো অন্ন ও বস্ত্রের জন্য পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নসহ চরাঞ্চলের অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের শিশু-কিশোররা দিন দিন ঝুঁকে পড়ছে শ্রমের দিকে। ওদের যে সময়টা শিক্ষার আলোতে আলোকিত হওয়ার কথা ছিল, সেই সময়ে নানা কর্মব্যস্ত হয়ে পরেছে অসহায় পরিবারের শিশুরা। দারিদ্রের কষাঘাতে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটছে ওদের শৈশব। মহামারি করোনাভাইরাসের ফলে উপজেলায় প্রতিনিয়ত শিশু শ্রমে যুক্ত হওয়া ও বাল্যবিবাহের প্রবণতাও বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিবন্ধকতার মধ্যে রয়েছে শিশু-কিশোরদের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার গল্প। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিসহ অনিশ্চয়তার মধ্যে শিশু-কিশোরদের আগামী ভবিষ্যৎ।
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা, খেলাধুলায় অংশগ্রহণ না করা, অপরদিকে পরিবারের আর্থিক সমস্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখানকার শিশু ও কিশোররা যুক্ত হচ্ছে শ্রমের দিকে। উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিনদাসপাড়া গ্রামের শ্রমিক শিশু-কিশোর মোঃ রায়হান(১৪) দৈনিক ৭থেকে ১০ঘণ্টা শ্রম বিকায়। সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাস্তায় রাস্তায় অটো রিকশা চালায়। সে গছানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীতে পড়–য়া ছাত্র। এ বয়সে কেন কাজ করছ জানতে চাইলে সে বলে, পেটের দায়ে কাজ করতে আসছি। রায়হানের মতো অনেক শিশু-কিশোররা শ্রমিক রয়েছে যারা বিভিন্ন কাজ করে আসছে। উপজেলার সদর রোডে ওয়ার্কসপের দোকানে কাজ করেন শামিম(১০) নামের এক শিশু শ্রমিক। তার কাছে জিজ্ঞেস করলে জানায়, ‘ঘরে থাইক্কা যে আমরা ল্যাহা পড়া করমু হেইয়া আমাগো কপালে নাই। আমাগো ঘরে ভাত নাই। তাই বদলা দিয়ে ৩শ” থেকে সাড়ে ৩শ” টাকা পাই তা দিয়ে ঘরে চাউল কিনি’। শামিমের মতো হাজারও শিশুর স্বপ্নগুলো এভাবে নষ্ট হচ্ছে। আরো দেখা গেছে, জেলে পল্লীখ্যাত বাঁশবাড়িয়ার সোহাগ(৯), কাটাখালীর মাসুম(১০) ও সৈয়দ জাফর গ্রামের হানিফ(১১)এর মত ছোট ছোট ছেলেরা মাছ শিকারে যাচ্ছে নদীতে তাদের স্বাস্থ্য রক্ষায় নেই মুখে মাস্ক নেই। স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউই। জেলেরা ট্রলারে সিমিত মাছ নিয়ে আসে ঘাটে। তাদের থাকার পরিবেশের অবস্থা শোচনীয়।
দশমিনা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ফেরদৌস জানান, মহামারির সময় স্কুল বন্ধ দেয়া হয়েছে ঘরে থাকার জন্য । শিশু-কিশোরদের শ্রম ও বাল্যবিবাহের অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।###

দু’মুঠো অন্ন-বস্ত্রের জন্য দশমিনায় শিশু-কিশোররা শ্রমে ঝুঁকছে

আরো খবর

Add

মিডিয়া

স্টাফ রিপোর্টার ঃ জাতীয় সাংবাদিক ক্লাবের সভাপতি ও চ্যানেল নিউজের সম্পাদক কাজী জহির উদ্দিন তিতাসের ফেসইবুক আইডি ক্লোন করা হয়েছে। এ বিষয়ে রমনা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। সাধারণ ডায়েরী নং- ৬৭৪, তাং- ১৩/০১/২০২১ইং।

জিডি সূত্রে প্রকাশ, গত ১২ জানুয়ারী তিনি ফেইসবুকে তাহার আইডির মত হুবহু একটি আইডি দেখতে পান। প্রথমে তিনি নিজেই বুজতে পারেননি এটি একটি ক্লোন করা আইডি যাহা অন্যের নিয়ন্ত্রণে। তিনি নিশ্চিত হওয়ার জন্য অন্য একজনের আইডি থেকে ওই আইডিতে মেসেজ পাঠাতে বলেন। কিন্তু তাহার ফেইসবুক মেসেঞ্জারে মেসেজ আসেনি। চলে যায় ক্লোনকৃত আইডিতে। পরে তিনি থানায় জিডি এন্ট্রি করেন।

পরবর্তীতে তিনি থানার তদন্ত কর্মকর্তার পরামর্শে ডিবি’র সাইবার ক্রাইম ও সিআইডি সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ দাখিল করার পর ক্লোনকৃত ভূয়া ওই ফেইসবুক আইডিটি মুছে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে জাতীয় সাংবাদিক ক্লাবের সভাপতি কাজী জহির উদ্দিন তিতাস এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- একটি অসৎ মহল আমাকে নানা ভাবে হয়রানী ও বিভিন্নভাবে ফাঁসাতে চাইছে। তাই আমার নামে আমার ছবি ও প্রোফাইল ব্যাবহার করে ভূয়া ফেইসবুক আইডি খোলে আমাকে বিপদে ফেলার অপচেষ্টা করেছিল। আল্লাহর অশেষ কৃপায় আমার দৃষ্টিগোচর হওয়ায় আইনি হস্তক্ষেপে তাহা ডিজেবল করা হয়।

জাতীয় সাংবাদিক ক্লাবের সভাপতির ফেইসবুক আইডি ক্লোন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাথে আখাউড়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নবগঠিত কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন কার্যালয়ে এই মতবিনিময় সভা হয়।মতবিনিময় সভা শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক জনাব হায়াত-উদ-দৌলা খানের সাথে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন কমিটির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দরা। এসময় বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন জামি,সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন,সিনিয়র সহ সভাপতি পীযুশ কান্তি আচার্য,সংস্কৃতি ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক মজিবুর রহমান খান,ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনজুরুল আলম, সহ সভাপতি আল-আমিন শাহিন,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান,দফতর ও প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান পায়েল,তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক জালাল উদ্দিন রুমি,সদস্য শফিকুল ইসলাম,বাংলাদেশ প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি মোশারফ হোসেন বেলাল, আখাউড়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক জালাল হোসেন মামুন,মো.জুয়েল মিয়া,অমিত হাসান আবির,রুবেল আহমেদ,আল আমিন,হাসান মাহমুদ পারভেজ,অমিত হাসান অপু প্রমূখ। এসময় বক্তারা সাংবাদিকতা পেশার মান অক্ষুুন্ন রেখে সততার সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান।তাছাড়া সাংবাদিকদের ঐক্য,পেশাগত দায়িত্ব পালনে দায়িত্বশীলতা,সাংবাদিকের দায়বদ্ধতাসহ বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক পরামর্শ দেন।

আখাউড়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা ও শুভেচ্ছা বিনিময়

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ॥ ইংরেজী নতুন বছর উপলক্ষ্যে, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ কুষ্টিয়া পৌর শাখার পক্ষ থেকে সকলকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ কুষ্টিয়া পৌর শাখার সভাপতি কবি শ্যামলী ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সুজন কুমার কর্মকার সকলের সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি ও করোনা মহামারি থেকে মুক্তি কামনা করে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছে। ২০২০ সালের প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠে ২০২১ হবে একটি সম্ভাবনার বছর। নতুন বছরে নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ কুষ্টিয়া পৌর শাখার সভাপতি কবি শ্যামলী ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সুজন কুমার কর্মকার।Attachments area

নতুন বছরে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ কুষ্টিয়া পৌর শাখার শুভেচ্ছা

আরো খবর

শিক্ষা

মোঃ ফরহাদ রহমান খোকন, দিনাজপুর থেকে : অটোপাশের সুযোগে এইচএসসি পরীক্ষায় দিনাজপুরের শিক্ষাবোর্ডে শতভাগ পাশ দেখানো হলেও বেড়েছে জিপিএ ৫ প্রাপ্তির সংখ্যা। গেল ৫ বছরে বছর ওই হার ছিল ৭১ দশমিক ৭৮ শতাংশের মধ্যে। জেএসসি এবং এসএসসির ফলাফল পর্যালোচনায় এবার রেকর্ড সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফলাফলে জিপিএ ৫ এর যোগ হয়েছে। গেল বছর জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৪৯জন। সেই সংখ্যা বেড়ে এবার ছাড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮৭১ জনে।
চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ডে ৬৫৭টি কলেজ থেকে অংশ নিয়েছিল ১ লাখ ১৮ হাজার ৭৩৫জন শিক্ষার্থী। করোনার বিস্তার রোধে জন নিরাপত্তার স্বার্থে পরীক্ষা স্থগিতের কারনে নতুন নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের আগের জেএসসি এবং এসএসসির ফলাফল মূল্যায়ন করে নম্বর ধরে দেওয়ায় বেড়েছে জিপিএ ৫ এর সংখ্যা। এতে ফলাফল অবমূল্যায়ন ঘটেনি বলে স্বীকার করলেও অতি মূল্যায়ন ঘটেছে কিনা এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা। শতভাগ পাশের সংখ্যা দেখানোর কারনে শুন্য ফলাফল ঘোষনা করা হয়নি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে। অন্যান্য বছর কেউ পাশ করেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রেকর্ডে নাম যুক্ত হলেও এবার সেই তালিকা থেকে রেহাই পেয়েছে নাম কায়াস্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো।

অটো পাশের সুযোগে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার শতভাগ গড় মুল্যায়নের কারনে জিপিএ-৫ এর ছড়াছড়ি

গাজী রবিউল আলম,কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ“সকলে মাক্স পরি করোনাকে জয় করি”এই শ্লোগানকে সামনে রেখে কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরোধের লক্ষে বাংলাদেশ স্কাউট তিতাস উপজেলার সহযোগিতায় তিতাস মুক্ত স্কাউট গ্রুপের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে প্রায় চার শতাধিক মাক্স ও তিতাস উপজেলায় বৃক্ষরেপাণ, পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন কমসূচি-২০২০ ইং পালন করা হয়েছে।
৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার  তিতাস উপজেলা পরিষদের সামনে প্রায় ৪ ’শতাধিক পথশিশু, চালক, জনসাধারণের মধ্যে মাস্ক বিতরণ  পুরো তিতাস উপজেলা পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন করা হয়। এবং বৃক্ষরোপণও করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা পরিষদের নিবার্হী অফিসার মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার এবং  বাংলাদেশ স্কাউট তিতাস উপজেলা শাখার সম্পাদক মোঃ লিয়াকত আলী সরকার ও মেহনাজ হোসেন মীম আদর্শ সরকারি কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের ইউনিট লিডার মোঃ আবু বকর সিদ্দিক এবং উপজেলা স্কাউটের কর্মকর্তাবৃন্দ। 
এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন তিতাস মু্ক্ত স্কাউট এবং মেহনাজ হোসেন মীম আদর্শ সরকারি কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের সিনিয়র রোভার মেট মোঃ সাব্বির হোসেন, গার্লস-গাইডের সিনিয়র রোভার মেট মোসাঃ আছমা আক্তারসহ সকল স্কাউট ও রোভার স্কাউট সদস্যবৃন্দ।

তিতাস মু্ক্ত স্কাউট গ্রুপের বিনামূল্যে মাক্স বিতরণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী

আরো খবর

themesbazartvsite-01713478536
Top