সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন ডেস্ক: মাদারীপুরের শিবচরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২২ শত পরিবারের মাঝে খাবার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম থেকে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

এ সময় পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবচর পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান বলেন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির পক্ষ চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমন রোধে শিবচর বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে চিফ হুইপ স্যারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

চিফ হুইপের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাবার বিতরণ

নিরেন দাস,জয়পুরহাটঃ- জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দিপুর ইউনিয়নের চকবিলা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান, প্রবীণ আওয়ামী নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মহুরম গোলাম রসুল চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র রুকিন্দিপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান,জেলা যুবলীগ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক,৮০ দশকের সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর ২০১১ সালে আক্কেপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি-জামায়াত কবলিত আক্কেলপুর উপজেলাকে আওয়ামীলীগের ঘটিতে পরিণত করেন। তিনি দলের একটি প্রধান দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আক্কেলপুরে আওয়ামী লীগ পরিবারকে বেগবান করার জন্য তিনি দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করতে শুরু করেন যার সুফলে সুসংগঠিত হয় একটি শক্তিশালী উন্নয়নমুখী আওয়ামীলীগ পরিবার। এদিকে দলের সাধারন সম্পাদক আবার অন্যদিকে রুকিন্দিপুর ইউপি চেয়ারম্যান তাই তিনি তিনবছর চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করে স্বেচ্ছায় চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে দিয়ে আক্কেলপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেন এবং এমন উদারতাকে দলীয় কিছু নেতারা গোপনে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিএনপির প্রার্থী পক্ষ নিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অল্প ভোট পরাজিত করাতে বাধ্য করান। এরপর তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে ২০১৫ সালে আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচন করেন যে নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন একই সাথে আক্কেলপুর পৌরসভায় ইতিহাস রচনা করেন যে ১৯৯৯ সাল স্থাপিত এ পৌরসভায় আওয়ামীলীগের কোন প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারেনি যা তিনিই সর্বপ্রথম আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে মেয়রের চেয়ারে বসে এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। তার এমন (গডগিফট) রাজনৈতিক প্রতিভা আর কঠোর পরিশ্রমে একটি সুসংগঠিত আওয়ামীলীগ পরিবার তৈরি করার পরেও এবং তার দলীয় ও নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমর্থন থাকার শর্তেও তিনি গত ১৪ এ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আক্কেলপুর পৌরসভা নির্বাচনে স্বেচ্ছায় মেয়রের পদ ছেড়ে দিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শহীদুল আলম চৌধুরী তিনি সমর্থন দেন এবং তাকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মেয়র পদে বিপুল ভোটে জয়লাভ করিয়ে আর একটি ইতিহাস গড়েছেন। এদিকে পৌর নির্বাচনের আমেজ শেষ হতে না হতেই কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সিদ্ধান্তে আসছে ১১ এ মার্চ আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলনের ঘোষণা। ইতিমধ্যে সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করতে দিনরাত দেদারে পরিশ্রম করছেন দলের সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার সন্ধায় আক্কেলপুর সরকারি মুজিবর রহমান সরকারি কলেজ মাঠে সম্মেলন কে সফল করার লক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর উপজেলা,পৌর,ইউপি আওয়ামীলীগ সহ সকল সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দদের উপস্থিতিতে তার বক্তব্যে ঘোষনা দিয়ে বলেন মেয়র পদ থেকে যেমন স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছি ঠিক তেমনি ১১ এ মার্চ আসন্ন আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনেও স্বেচ্ছায় সাধারন সম্পাদক পদ ছেড়ে দিচ্ছি এমনকি উক্ত সম্মেলনে আমি কোন প্রার্থীও হবোনা বলেও জানান। তার এমন স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দেওয়ার ঘোষনার পর থেকেই উপজেলা আওয়ামীলীগ পরিবারের তৃনমূল বঞ্চিত নেতাকর্মীরা চরম হতাশ হয়ে পড়েছেন।আবার অনেকেই ভাবছেন তিনি চলে গেলে এমন শক্তিশালী আওয়ামীলীগ আর কোন নেতা কি তৈরি করতে পারবে। এই অবসর চৌধুরী কে নিয়ে ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোচনা ঝড় বইছে আক্কেলপুর পৌর সদর সহ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন গুলোতে কেউ হারাতে চাচ্ছেনা এমন একজন পরিশ্রমী অভিভাবক কে। এমনকি তিনি যেন আক্কেলপুরের রাজনীতি থেকে শড়ে না জান এমন বিষয়টি নিয়েও অসংখ্য নেতাকর্মীরা তাদের ফেইসবুক আইডি থেকে জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ,কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক ও জয়পুরহাট-২ আসনের সাংসদ আক্কেলপুর, কালাই ক্ষেতলাল উপজেলা বাসীর অভিভাবক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন-এমপি”র সুদৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখছেন যে গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর যেন আক্কেলপুরের রাজনীতি থেকে না যেতে না পারেন আপনি অভিভাবক আপনি তাকে যা বলবেন তিনি তাই শুনবেন। গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসরের পক্ষে নেতাকর্মীদের সর্মথক ও দলীয় ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা শর্তেও তিনি কেন-? স্বেচ্ছায় সকল পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন এমন বিষয়টি নিয়ে তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে,আমার প্রাণপ্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতি করি,তাই আমি বিশ্বাস করি একজন ব্যক্তি একই জায়গায় বসে নেতৃত্ব দেয়া ঠিক হবে না। কেননা দলের অসংখ্য ত্যাগী প্রতিভাবান নেতৃত্বদানকারীরা রয়েছেন তাদেরও সুযোগ দেয়া উচিৎ বলেই আমার প্রতি নেতাকর্মী সহ দলীয় ব্যাপক সর্মথক থাকা শর্তেও স্বেচ্ছায় আমি সকল পদ ছেড়ে দিচ্ছি। তিনি আরো বলেন যে আমার এ ঘটনা হয়তো বাংলাদেশে একটি ইতিহাস হবে যে তিনি চেয়ারের লোভ না করে দলের অন্যদের দায়িত্ব দিতে স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দিয়েছেন। আপনি কি-? শুধু পদই ছেড়ে দিচ্ছেন নাকি আক্কেলপুর তথা আওয়ামী রাজনীতিই ছেড়ে দিচ্ছেন এমন জবাবে তিনি বলেন, কখনওই না আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন আমি তারই সন্তান আমার জীবন যতদিন থাকবে আওয়ামীলীগের রাজনীতি থেকে কেউ আমাকে সরাতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। এমনকি অনেকেই মনে করছেন আমি স্বেচ্ছায় সকল পদ ছেড়ে দিচ্ছি বলে হয়তো আক্কেলপুর থাকবো না এমন ধারণা টি তাদের ভুল কেননা আমি আক্কেলপুরের সন্তান আমার মৃত্যুর পর দাফনো হবে এই পবিত্র আক্কেলপুরের মাটিতে। তাই আপনাদের মাধ্যমে সকলকে জানাতে আমি বিগত দিনে আক্কেলপুর বাসীর সুখেদুঃখে যেমন পাশে ছিলাম, ঠিক তেমনি আগামীতেও সকলের সুখেদুঃখে পাশে থাকবো। আর এতে আমি প্রমাণ করে দেখাবো যে শুধু চেয়ারে বসেই জনগণের সেবা করা যায় তা তা ভুল, চেয়ার ছাড়াও যে জনগণের সেবা করা যায় তা আমি করে দেখাবো বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

Niren sent Today at 2:06 AM


স্বেচ্ছায় মেয়র ও দলীয় পদ ছেড়ে দেয়াই পরিশ্রমী নেতা অবসর চৌধুরীকে নিয়ে হতাশ আওয়ামী পরিবার


ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০১৯ (চ্যানেল ২৬) : ঝুঁকি কমাতে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বীমা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বীমা অংক বাংলাদেশি টাকায় ১৩৪ কোটি ২৮৮ লাখ টাকা। বীমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে বাংলাদেশি টাকায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ভ্যাট হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

ইতিমধ্যে সাধারণ বীমা সরকারের গৃহীত মেগা প্রকল্প সমূহ যেমন- মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু টানেল ও মেট্টো রেল প্রকল্পগুলোর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে করা হচ্ছে এ বীমা পলিসিটি। এর ফলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বীমা সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে দেশের বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গে দেশি বীমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি বীমা কোম্পানি গুলো বীমা করতে উৎসাহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বীমা ঝুঁকি গ্রহণ করল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন

নিউজ ডেক্স: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নর্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গণমানুষের নেতা জাতীয় পাটির ঢাকা মহানগর-উত্তরের প্রচার সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম হাসেম।

সরোজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে, তারা জানান এস.এম হাসেমকে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুন এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছ যেতে পারেন এবং তিনি ভূক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর আরো জানান, এলাকা আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, চাঁদাবাজী সন্ত্রাস-মাস্তানি বন্ধ এবং দূর্নীতির জঙ্গীবাদ-এর বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান, তাই এই ৩২নং ওয়ার্ডে এস.এম হাসেম জনপ্রিয়তার শীর্ষে বা বিকল্প কোন নেতা এখনও এই ৩২নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয়নি।

তরঙ্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাত্কারে কাউন্সিলর প্রার্থী এস.এম হাসেম বলেন, আমি এলাকাবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচন করবো্ জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যাবো।আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এস.এম হাসেম ৩২নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ের সহযাত্রী ও সব ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। যদি মনে করেন আপনাদের চাওয়া পাওয়ার কথা উচ্চারিত হোক কোন বলিষ্ঠ কন্ঠে তবে আমার বলতে দিন।আপনাদের জন্য আমাকে কিছু করার সুযোগ দিন।আমি আপনাদের ভিড় থেকেই উঠে আসা আপনাদেরই একজন। আপনারা ভালো থাকলে ৩২নং ওয়ার্ডবাসী ভালো থাকবে,আমাদের রাজধানী ঢাকা ভালো থাকবে এবং ভালো থাকবে আমাদের সোনার বাংলাদেশ। তাই সকল দিক বিবেচনা করে আমাকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এর ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে একটি ভোট দিন।

ডিএনসিসিনির্বাচনে ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এস.এম হাসেম

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোঃ কাউছার আলম:০৪/১০/২০১৯ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া আমিরাবাদ হোটেল ও আই সি হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এমএ তাহের (তারেক) জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লোহাগাড়া শাখা সাংবাদিক মুহাম্মদ ঈসা পবিত্র কোরআন তেলােওয়াতের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠান শুরু করে। সঞ্চালনা ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সম্মানিত সভাপতি , জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক , দৈনিক ওলামা কন্ঠ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট মুহাম্মদ মিয়া ফারুক, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, আরো উপস্থিত ছিলেন তুষার আহামেদ কাইছার শিহাব উদ্দিন শিহাব চ্যানেল কর্ণফুলি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বান্দরবান পার্বত্য জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম, জেলা কৃষক লীগ নেতা নূরুল ইসলাম ভান্ডারী, ইসমাইল হোসেন সোহাগ সাধারণ সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লামা উপজেলা শাখা,জিয়া হোসেন, বাবুল চৌধুরী, মোঃ কাউছার আলম, মুহাম্মদ ঈসা দপ্তর সম্পাদক জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা , আব্বাছ উদ্দিন দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য , রফিকুর রহমান দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা লোহাগাড়া প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, মুহাম্মদ ফাহিম রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক মুক্তালোক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলা শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, আরো উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, রমজান আলী, মুহাম্মদ এমরান সহ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, উক্ত এ বৈঠকে সংগঠনের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার জন্যে স্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ও সাংবাদিকদের কল্যাণে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নিরেন দাস(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ধরে পরিকল্পিত যোগসাজশে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) জাফিকুর রহমান অমি (১৫) ও তার মা মোছাঃ আছমা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা অর্থবান ও ক্ষমতাধর হওয়াই আহতরা যেন থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করতে যায় এ জন্য প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে বিষয়টি আহত পরীক্ষার্থী অমি”র চাচা মোঃ আব্দুল হাই মিলন জানতে পেরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে হামলাকারী ৬ জনের বিরুদ্ধে (৫-ফেব্রুয়ারি) ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হামলাকারী আসামীরা হলেন,উপজেলার বুড়াইল সরদার পাড়া গ্রামের মৃতঃ- মোত্তালেব সরদারের ছেলে (১) মেহেদি হাসান,(২) মোস্তাক হোসেন নাহাজ,(৩) মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন জগলুল,(৪) আসামী মেহেদির স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা আক্তার নূপুর,(৫) আসামী মোস্তাকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার ও একই গ্রামের মোঃ মাফতুম হোসেনের স্ত্রী (৬) পাখি বেগম। উক্ত মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, (গত ৩ এ-ফেব্রুয়ারি) সোমবার শুরু হয় এসএসসি-সমমান-২০ পরীক্ষা প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে ওই দিন সন্ধায় অমি তার নিজ ঘরে পড়ছিল হঠাৎই সে শুনতে পারে বাহিরে বেজোড়ে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা পূর্ব শত্রুতার জেড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়ির সামনের একটি মুরগির ঘর উল্লেখিত আসামীরা ভাঙচুর করছে এমনি অবস্থায় অমি”র মা তাদের বাঁধা দিতে গেলে আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দ্বারা মাথায় আঘাত করছে পাশাপাশি পড়নের কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করার দৃশ্য দেখে অমি ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে তার মা কে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় লোহার রড দ্বারা আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার মা ছেলেকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী মোঃ মনতাছির মামুন সনি,মোছাঃ শাহানা আক্তার ও লাইজু বেগম সহ আরও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়,ততক্ষণিক ওই স্থানীয়রা অমি ও তার মা কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভ্যানযোগে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান জানান,হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী”র চাচা আব্দুল হাই মিলন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দিলে মামলাটি আমলে নিয়ে,আমার থানা পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এতে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

ক্ষেতলালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তার মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম”৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

স্টাফ রিপোর্টার : বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীদের চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ৷ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘােষণা করা হয়।

বিভিন্ন ইউনিয়নে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন, ১ নং গৌরম্ভা ইউনিয়নে মোঃ রাজীব সরদার, ২ নং উজলকুড় ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুন্সী বোরহান উদ্দিন জেড, ৩ নং বাইনতলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ ফকির, ৪ নং রামপাল সদরে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন হাওলাদার, ৫নং রাজনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি সরদার আঃ হান্নান ডাবলু, ৬নং হুড়কা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সভাপতি তপন গোলদার, ৭ নং পেড়িখালী ইউনিয়নে রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবুল, ৮ নং ভোজপাতিয়া ইউনিয়নে তরফদার মাহফুজুল হক , ৯ নং মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে তালুকদার ছাবির আহাম্মদ , ১০ নং বাঁশতলী ইউনিয়নে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (ভিপি সোহেল)৷

শনিবার দলের সংসদীয় এবং স্থানীয় সরকার
জনপ্রতিনিধি মনােনয়ন বাের্ডের যৌথসভায় এসব প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং সংসদীয় স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনােনয়ন বাের্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রামপালে ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হলেন যারা

চ্যানেল ২৬ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার : বিশ্বব্যাপী করোনাকালে প্রায় মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বর্তমান করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে আয়-রোজগার কম যার কারণে দিন মজুর এবং রাস্তার আশে-পাশে থাকে, কোন কিছু করে কোন রকম দুবেলা খাবার খায় এদের অবস্থা আরও ভয়ানক হয়ে পরে। তাই আজ সোমবার বিকেলে বগুড়া রেল স্টেশনে পরে থাকা কিছু অসহায় ও অসচ্ছল মানুষদের খাবার বিতরণ করেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বগুড়া জেলা সভাপতি সাংবাদিক নয়ন রায়। তিনি তাঁর নিজ অর্থায়নে ও নিজ উদ্যোগে একবেলার খাবার তুলে দেন এসব অসহায় মানুষদের হাতে। তিনি বলেন, আমি সব সময় আমার নিজ সামর্থ্য মোতাবেক মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করি, এছারাও আমি প্রতিদিন ইফতারের আগ মুহূর্তে কিছু মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করি, ঈশ্বরের কৃপায় যেভাবে আছি সে ভাবেই মানুষের পাশে থাকবো। বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর বগুড়া জেলা সদস্য মোঃ কাউসার হোসেন।

বিশ্বব্যাপী করোনাকালে অসহায় অসচ্ছল মানুষদের খাবার বিতরণ করেন নয়ন রায়

রিপোর্ট করেছেন, নোয়াখালীর সেনবাগ থেকে শাহাদাত হোসাইন স্বপন। নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা ২ নং কেশারপাড় ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে ইফতার পার্টি এবং মতবিনিময় সভার আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন যুবলীগের সম্ভাব্য সভাপতি পদপ্রার্থী মামুন আজাদের উপস্থাপনায়, ইফতার পার্টি ও মতবিনিময় সভার কার্যক্রম শুরু হয়। উক্ত ইফতার পার্টি ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন, আওয়ামী পরিবারের দুঃসময়ের কান্ডারী বর্তমান আওয়ামীগের সঠিক পথের দিশারী আমিনুদ্দিন আমান। উপস্থিত ছিলেন, ২ নং কেশারপাড় ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন ভূঁইয়া। আরও উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী পরিবারের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতা সেলিম স্বপন,সেনবাগ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য শাহাদাত হোসেন স্বপন, অত্র ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোহাম্মদ হোসেন, যুবলীগ নেতা বাপ্পা খন্দকার, মিয়া সোহাগ, মাহবুব-মিলন সহ আওয়ামী যুবলীগের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত নেতৃবৃন্দ।প্রধান অতিথি আমিনুদ্দিন আমিন বলেন, জন্মসূত্রে আমরা আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত তারই ধারাবাহিকতায়, আন্দোলন-সংগ্রাম মাঠে ময়দানে কাজ করেছি এই আওয়ামী লীগ কে প্রতিষ্ঠীত করার লক্ষ্যে।কত প্রকার ঘাত-প্রতিঘাত সহ করতে হয়েছে তা একান্তই আমরা জানি। কিন্তু দুঃখের সহিত বলতে হচ্ছে যে আজ ১৫ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় অথচ এই ইউনিয়নে আওয়ামী পরিবারের পক্ষ থেকে এই রমাদানে একটি ইফতার পার্টির আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদেরও কোন নেতা খোঁজখবর নেয়নি বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। তাই আগামী রাজনৈতিক ভাবমূর্তি উজ্জল হবে যাকে দিয়ে অত্র ইউনিয়নের এবং দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাকে চয়েজ করবেন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে আমরা তার রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও নির্বাচন করার বিষয়ে বদ্ধপরিকর ইনশাআল্লাহ। সময় সংকীর্ণতার কারণে বক্তব্য থেকে সরে দাঁড়ান অত্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন ভূঁইয়া। যুবলীগ নেতা মোশাররফ আলম চিশতীর সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের ইফতার পার্টি ও মতবিনিময় সভার পরিসমাপ্তি ঘটে।

সেনবাগের কানকির হাট বাজারে আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে ইফতার পার্টি

খেলাধুলা

অনলাইন ডেস্ক: দুর্নীতির অভিযোগে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) দেয়া সকল প্রকার আর্থিক অনুদান বন্ধ করে দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। এর বিপরীতে বাফুফের কাছে কিছু কাগজ চেয়েছে সংস্থাটি। বেশকিছুদিন আগে ঘটনাটি ঘটলেও বার বার তা অস্বীকার করে আসছিলেন বাফুফে সাধারন সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ।

তবে শেষ পর্যন্ত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মুর্শেদী জানিয়েছেন, ‘ফিফা আমাদের আর্থিক হিসেবে গড়মিল খুঁজে পেয়েছে। তাই অনুদান বন্ধ রয়েছে। ফিফার সাথে আমাদের এই বিষয়ে সভা রয়েছে। সভার পরেই মূলত এই বিষয়ে স্পষ্ট করে বলা যাবে।’

প্রতি বছর সাড়ে ৪ লাখ ডলার পেয়ে থাকে বাফুফে। কিন্তু এ বছর নাকি এখনো অনুদান পায়নি। জানা যায়, অর্থ ব্যয়ের সঠিক হিসাব না পেয়ে ফিফা অনুদান বন্ধ রেখেছে।

গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, অর্থনৈতিক বিষয়ে অসন্তুষ্ট ফিফা গত ৩০ মার্চ চিঠি পাঠিয়েছে বাফুফেকে।

বাফুফের অর্থ বিভাগের প্রধান আবু হোসেনকে বাফুফে হতে কারণ দর্শাও নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বাফুফের কাছে একাধিক প্রতিষ্ঠানের বকেয়া বিল কোটি টাকার ওপর।

বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ফিফা নিয়মিত বাফুফেকে যে অনুদান দেয় সেটাও নাকি বন্ধ। প্রায় দুই মাস ধরে বেতন আসছে না স্থানীয় কোচদের।

বাফুফের দুর্নীতি কাণ্ড ফাঁসে ফিফার অনুদান বন্ধ

[ঢাকা, এপ্রিল ০৪, ২০২১] বাংলা নববর্ষকে সামনে রেখে দেশের বৃহত্তম অনলাইন মার্কেটপ্লেস
দারাজের (https://www.daraz.com.bd/) বছরের অন্যতম বৃহত্তম ক্যাম্পেইন ‘বৈশাখী মেলা’
ইতোমধ্যেই জমে উঠেছে। পহেলা বৈশাখের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে টানা পঞ্চমবারের মতো
দারাজ আয়োজন করেছে এই ক্যাম্পেইনটি। ‘জাগো বাঙালি বর্ষবরণের আনন্দে’ শীর্ষক শ্লোগান নিয়ে
৪ এপ্রিল দারাজ প্ল্যাটফর্মে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইনটি চলবে চলতি মাসের ১৪ তারিখ পর্যন্ত।
গ্রাহকদের চাহিদার সাথে মিল রেখে ফ্যাশন ও বিউটি এবং স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে গ্রোসারি,
টেলিভিশন এবং স্মার্টফোন পর্যন্ত একাধিক ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন অসধারণ ডিল দিয়ে সাজানো
হয়েছে পুরো ক্যাম্পেইনটি। বৈশাখী কালেকশন যেমন- শাড়ি, পাঞ্জাবি এবং অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী
পণ্যগুলোর ওপর থাকা বিশেষ ছাড় ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং তারা নিজেদের এবং
প্রিয়জনের জন্য এসব পণ্য প্রচুর পরিমাণে অর্ডার করছেন। ক্রেতাদের সর্বাধিক সন্তুষ্টির জন্য
এই ক্যাম্পেইনে রয়েছে অসংখ্য আকর্ষণীয় ডিল। এর মধ্যে আছে ব্র্যান্ড ডাবল টাকা ভাউচার, মেগা
ডিলস, গেস অ্যান্ড গেট ইট ফ্রি, ১৪২৮ টাকা ডিলস, ব্র্যান্ড ফ্রি শিপিং এবং মেগা ভাউচার।
এছাড়াও, দারাজের নতুন গ্রাহকরা তাদের অর্ডারের উপর পাচ্ছেন বিশেষ ছাড়।
এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ৫টি সেরা ডিল হচ্ছে- স্যামসাং ৪৩″ আরইউ৭১০০ ৪কে ইউএইচডি স্মার্ট
এলইডি টিভি (৪১,৮৫০ টাকা); শার্প ইলেকট্রিক ওভেন, ইও-৬০এনকে (১১,৮৩৯ টাকা); উইমেন’স
রেড কালার হাফ সিল্ক শাড়ি (৮০০ টাকা); ড্যানিয়েল ক্লেইন ডিকে১২১৩৪-৫ রিস্ট ওয়াচ ফর মেন
(৩,৯০৬ টাকা); এবং শাওমি এমআই রেডমি এয়ারডটস ট্রু ওয়্যারলেস ইয়োথ থ্রিডি স্টেরিও ব্লুটুথ
ইয়ারফোন (৯৫৪ টাকা)।
ক্যাম্পেইনটির কো-স্পন্সর হিসেবে রয়েছে বাটা, ডেটল, লাইজল, স্টুডিওএক্স, সানসিল্ক এবং
শাওমি। ব্র্যান্ড পার্টনার হিসেবে রয়েছে ইমামি, ফোকালিউর, হারপিক, লিভিংটেক্স, প্যারাসুট
ন্যাচারালে শ্যাম্পু, রিবানা, শেভারশপ বাংলাদেশ এবং টিপিলিংক। দারাজের এই বৈশাখী মেলা
ক্যাম্পেইনটির ইভেন্ট পার্টনার হিসেবে আছে বিঞ্জ, এক্সট্রা গিফট কার্ড, ঘুড়ি লার্নিং এবং লিংক
থ্রি।
ক্রেতাদের কেনাকাটার সুবিধার কথা মাথায় রেখে দারাজ অফার করছে বিভিন্ন ধরণের পেমেন্ট
পার্টনারদের মাধ্যমে ডিস্কাউন্ট ও ক্যাশব্যাক অফার। পেমেন্ট পার্টনার মধ্যে রয়েছে বিকাশ,
লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক এবং সিটি ব্যাংক।
এর আগে, চলতি বছরের ৩১ মার্চ দারাজ এক সংবাদ সম্মেলনে এই ক্যাম্পেইনটি ঘোষণা করে।
দারাজের ক্যাম্পেইন অ্যাম্বাসেডর বিখ্যাত ক্রিকেটার সাকিব আল-হাসান দারাজ ফেসবুক লাইভের
মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইনটি উন্মোচন করেন।

“বৈশাখী মেলা” ক্যাম্পেইনের মধ্য দিয়ে দারাজের সাথে ক্রেতাদের বাংলা নববর্ষ উদযাপন

নেহাল আহম্মেদ প্রান্ত,স্টাফ রির্পোটার:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে বগুড়ার সান্তাহারে কাজী আকরাম হোসেন স্মৃতি ভলিবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয় । শুক্রবার বিকেল ৪টায় সান্তাহারের সান্দিড়া মাঠে সান্দিড়া ষ্টার ক্লাব এর উদ্যোগে  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উক্ত উদ্বোধনী খেলায় অংশ নেয় নওগাঁ অটিজম প্রতিবন্ধী ও দুস্থ উন্নয়ন সংস্থা বনাম মান্দা ভলিবল একাডেমী দল। নকআউট পদ্ধতির খেলায় দুস্থ উন্নয়ন সংস্থা দলকে ৩-২ সেটে পরাজিত করে বিজয়ী হয় মান্দা ভলিবল একাডেমী। খেলা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন নওগাঁর বাবলু হোসেন।

সান্দিড়া স্টার ক্লাবের সভাপতি নুর ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খেলার উদ্বোধন করেন আদমদীঘি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড. কুদরত-ই-এলাহী কাজল। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আশরাফুল ইসলাম মন্টু, সান্তাহার পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কাশেম, ইউপি সদস্য ফেরদৌস আহম্মেদ,শাহিনা জোয়ারদার প্রমূখ।

এছাড়া আরো উপস্থিত সান্তাহার মডেল প্রেস ক্লাবের সভাপতি বুলবুল আহম্মেদ, সাধারন সম্পাদক গোলাম রব্বানী দুলাল, সদস্য নেহাল আহম্মেদ।

উক্ত খেলায় অংশগ্রহণ করবে ৮টি দল। চূড়ান্ত খেলা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ই ফেব্রুয়ারি।

সান্তাহারে ভলিবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

জুয়েল হাসানঃ বগুড়া সাবগ্রাম কুদরতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন উদ্যোগে আয়োজিত আন্তঃব্যাচ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২০ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন নবাব আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুলতান মাহমুদ খান রনি বগুড়া সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান শফিক দপ্তর সম্পাদক আল-রাজী জুয়েল বগুড়া সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাহফুজুল ইসলাম রাজ সদস্য অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম দুলু সাবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু সালেহ নয়ন। ফরিদ উদ্দিন সরকার সাবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান ও সভাপতি সাবগ্রাম কুদরতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়। সভাপতি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল্লাহ সরকার সাবগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ইসরাইল হক সরকার রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম রাজাবাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল প্রসাদ রাজ বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আহসান হাবীব বাবুল প্রচার সম্পাদক মুকুল ইসলাম সদর উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ওবায়দুল্লাহ সরকার স্বপন প্রমুখ।খেলায় মোট ২৪টি দল অংশগ্রহণ করে। তারমধ্যে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি গ্রহণ করে চেতনা ০০৭ সেভেন। রানার এবং রানার্স আপ ট্রফি গ্রহণ করেন কোভিড ১৯। সমগ্র খেলাটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আনোয়ার পারভেজ খোকন সিঃযুগ্ম সাঃসম্পাদক উদ্যোগ।

বর্ণাঢ্য জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হলো উদ্যোগে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্ট

মোঃ আল আমিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মাছিহাতা ইউনিয়নের উত্তর জগৎ সার পূর্ব পাড়া ফেন্ডস্ ফর লাইফ এর উদ্যোগে জনাব ড.এস এম সেরাজুস সালেহীন এর সভাপতিত্বে ব্যাটমিন্টন নাইট টুর্নামেন্ট খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্ট খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও সমাজ সেবক জনাব মোঃ ফজলে রাব্বি। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন মোঃ আশিদ মিয়া, মোঃ ইরিন মিয়া,মোঃ নিজাম মিয়া,মোঃ মহিউদ্দিন মিয়া ( অবসর প্রাপ্ত পুলিশ ) মোঃ জাবেদুর রহমান ( জাবেদ ) মোঃ শাহনেওয়াজ মিয়া,মোঃ লুৎফুল রহমান, মোঃ কাউছার মিয়া, মোঃ রুহুল আমিন ( প্রধান শিক্ষক, নতুনকুডি ) মোঃ রিয়াজুল হক বাবু ( প্রবাসী ) মোঃ শিরু মিয়া ( ব্যবসায়ী ) অতিথিদের বক্তব্যে বলেন জাতি গঠনে শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই। শেখ রাসেল স্মৃতি ক্রীড়া পরিষদ ও আদিল একাদশ দুটি দলের মধ্যে ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত খেলায় বিজয়ী হন আদিল একাদশ। ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্ট খেলায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন সভাপতি জনাব সেরাজুছ সালেহীন ও প্রধান অতিথি জনাব মোঃ ফজলে রাব্বি সহ সকল অতিথি বৃন্দ্য। সঞ্চালনায় ছিলেন কামরুল হাসান সাকিন, সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রাকিব মিয়া।

উত্তর জগৎ সার পূর্ব পাড়া ফেন্ডস্ ফর লাইফ এর উদ্যোগে ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত।

অনলাইন ডেস্ক:  মাথার ওপর ২২৮ রান। জিততে হলে করতে হবে ২২৯। এত বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আবার ১২২ রানের মধ্যে ৬ উইকেট নেই। ৩৯ বলে আরও করতে হবে ১০৭ রান। এই ম্যাচ জেতার আশা কে করবে?

অথচ এমন এক ম্যাচেও জেতার খুব কাছে চলে এসেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। শারজাহতে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখতে যাচ্ছিল বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের দল। যে গল্পের শেষটা করতে পারল না তারা।

দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের পর জয়ের খুব কাছে এসে হেরে গেছে কলকাতা। তাদের ১৮ রানে হারিয়ে হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে দিল্লি ক্যাপিটালস। এই জয়ে আবার পয়েন্ট তালিকারও শীর্ষে চড়ে বসেছে শ্রেয়াস আয়ারের দল।

দিনের প্রথম ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছিল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। বিরাট কোহলির দলকে বেশিক্ষণ সেই জায়গায় থাকতে দিল না দিল্লি। ৪ ম্যাচে দুই দলেরই এখন সমান ৩ জয়। কিন্তু রানরেটে পিছিয়ে থাকায় বিরাট কোহলির ব্যাঙ্গালুরু নেমে গেছে দুইয়ে।

২২৯ রানের পাহাড়সমান লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় কলকাতা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ওপেনার সুনিল নারিন মাত্র ৩ রান করে অ্যানরিচ নর্টজের বলে বোল্ড হন।

৮ রানে প্রথম উইকেট হারানো দলকে এরপর কিছুটা পথ টেনে নিয়েছেন নীতিশ রানা আর শুভমান গিল। ৪১ বলে তারা গড়েন ৬৪ রানের জুটি। এই জুটি ভাঙে গিল লেগস্পিনার অমিত মিশ্রর শিকার হলে। ২২ বলে ২৮ রান করেন গিল।

এমন পরিস্থিতিতে চার নম্বরেই নেমেছিলেন বিধ্বংসী আন্দ্রে রাসেল। দশম ওভারে কাগিসো রাবাদাকে বুলেট গতির এক চার আর বড় এক ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি আশাও দেখিয়েছিলেন কলকাতার সমর্থকদের।

কিন্তু দলের প্রয়োজন মেটাতে পারেননি।। রাবাদার ওভারের চতুর্থ বলটি ছক্কা হাঁকিয়ে পঞ্চম বলেই টপএজ হয়ে থার্ডম্যানে ধরা পড়েন রাসেল, তাতেই শেষ ৮ বলে ১৩ রানের ছোট্ট ইনিংসটা।

এরপর মাথার ওপর কেবল রানের চাপ বেড়েছে কলকাতার। সেই চাপেই পেসার হর্ষল প্যাটেলের করা ইনিংসের ১৩তম ওভারে জোড়া উইকেট হারায় দলটি। ৩৫ বলে ৪টি করে চার-ছক্কায় নীতিশ রানা ফেরেন ৫৮ করে। পরের বলে অধিনায়ক দিনেশ কার্তিকও ৬ রানে সাজঘরের পথ ধরেন।

কলকাতার হার তখন কেবল সময়ের ব্যাপার। কে জানতো, পরে এমন নাটকীয়তা অপেক্ষা করছে! ১২২ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর সপ্তম উইকেটে ৩০ বলেই ৭৮ রানের অবিশ্বাস্য এক জুটি গড়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেন ইয়ন মরগ্যান আর ত্রিপাথি।

১৮তম ওভারে রাবাদাকে টানা তিন ছক্কা হাঁকিয়ে মরগ্যান কাঁপিয়ে দেন দিল্লি শিবির। ওই ওভারে ত্রিপাথির এক বাউন্ডারিসহ ২৩ রান তুলে কলকাতা। শেষ দুই ওভারে তখন দরকার ৩১ রান। এক ওভারেই ২৩ রান তোলা দলের জন্য কাজটাকে অসম্ভব মনে হচ্ছিল না।

কিন্তু পরের ওভারে দারুণ বোলিংয়ে ম্যাচটা আবার দিল্লির দিকে ঘুরিয়ে দেন অ্যানরিচ নর্টজে। প্রথম দুই বলে দুটি সিঙ্গেলস দেন, তৃতীয় বলে তাকে তুলে মারতে গিয়ে লং লেগে হেটমায়ারের ক্যাচ হন মরগ্যান। ১৮ বলে ১ চার আর ৫ ছক্কায় ৪৪ রান করা এই ব্যাটসম্যান ফেরার পরই ছিটকে পড়ে কলকাতা।

১৯তম ওভারে দলটি তুলতে পারে মাত্র ৫ রান। শেষ ওভারে দরকার ছিল ২৬। ১৬ বলে ৩৬ রান করা ত্রিপাথি স্টয়নিসের করা ওই শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলেই আউট হয়ে যান। কলকাতার ইনিংস থামে ৮ উইকেটে ২১০ রানে।

এর আগে কলকাতার বোলারদের ইচ্ছেমতো পিটিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৮ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ দাঁড় করায় দিল্লি ক্যাপিট্যালস। যা কিনা চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার শিখর ধাওয়ান ও পৃথ্বি শ্ব। প্রথম ছয় ওভারে ৫৭ রান পেয়ে যায় দিল্লি। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে সাজঘরে ফেরার আগে ২টি করে চার ও ছয়ের মারে ১৬ বলে ২৬ রান করেন বাঁহাতি ওপেনার ধাওয়ান।

দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারকে অপরপ্রান্তে রেখে ঝড় তোলেন তরুণ ওপেনার পৃথ্বি। মাত্র ৪১ বলে ৭৪ রান যোগ করেন আইয়ার ও পৃথ্বি। ইনিংসের ১৩তম ওভারে দলীয় সংগ্রহ ১২৯ রানে পৌঁছে দিয়ে আউট হন পৃথ্বি। আসরে নিজের দ্বিতীয় ফিফটিতে ৪১ বলে ৪টি করে চার-ছয়ের মারে ৬৬ রান করেন ২০ বছর বয়সী এ ওপেনার।

পরে পৃথ্বির সঙ্গে শুরু করা তাণ্ডবটি রিশাভ পান্তকে নিয়ে সাইক্লোনে রূপ দেন দিল্লি অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। বোলার হোক নারিন কিংবা কামিন্স, অথবা রাসেল কিংবা মাভি; সবাইকে সমানভাবে চার-ছয় হাঁকাতে থাকেন আইয়ার ও পান্ত।

দুজনের তৃতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৭২ রান, তাও মাত্র ৩১ বলে। দলীয় সংগ্রহ ২০০ পার করে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন পান্ত। আউট হওয়ার আগে ৫ চারের সঙ্গে ১ ছয়ের মারে ১৭ বলে করেন ৩৮ রান। ততক্ষণে মাত্র ২৬ বলে ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নেন আইয়ার।

১৬তম ওভারে অর্ধশত করে ১৯ ওভারের মধ্যেই ৮৮ পৌঁছে যান দিল্লি অধিনায়ক। মনে হচ্ছিল সেঞ্চুরি হয়তো পেয়েই যাবেন। কিন্তু শেষ ওভারে একটি বলও খেলার সুযোগ পাননি আইয়ার। যার ফলে ৩৮ বলে ৭ চার ও ৬ ছয়ের ৮৮ রানে অপরাজিত থাকতে হয় তাকে।

লড়াই করে হারলো কলকাতা

চাকুরীর খবর

অনলাইন ডেস্ক: পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীনে ৩৬ ক্যাটাগরিতে ১৫৬২টি পদে (রাজস্ব খাতভুক্ত) জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। সবচেয়ে বেশিসংখ্যক নিয়োগ হবে ফার্মাসিস্ট (২৭৫), মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট-ল্যাব (১৪৮), অফিস সহায়ক (৪০৪) ও এমএলএসএস/নিরাপত্তা প্রহরী (৩৭৪) পদে। ৩০ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রতিদিনের ৮ নম্বর পৃষ্ঠায় এসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আবেদনের খুঁটিনাটি ও নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন

নিয়োগ পরীক্ষা যেভাবে

নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সমন্বয়) মতিউর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হলে নিয়োগ পরীক্ষা কবে, কিভাবে নেওয়া যায়—এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরীক্ষা কবে হতে পারে, এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সব পদের নিয়োগ পরীক্ষায় সর্বমোট ১০০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। প্রথমে ৭০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা হবে। তারপর ৩০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা।

তবে কম্পিউটার অপারেটর, সাঁটলিপি-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর—এসব পদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রার্থীকে কম্পিউটারের ব্যাবহারিক দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। অর্থাৎ উল্লিখিত এসব পদে ব্যাবহারিক পরীক্ষা হবে, অন্যান্য পদে ব্যাবহারিক পরীক্ষা হবে না। ব্যাবহারিক দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর হবে মৌখিক পরীক্ষা। এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষায় সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরির পদসংখ্যার তিন থেকে পাঁচ গুণ প্রার্থীকে উত্তীর্ণ করা হবে। এমসিকিউ পদ্ধতিতে ৭০ নম্বরের পরীক্ষায় প্রশ্ন থাকবে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান বিষয় থেকে। একজন প্রার্থী একাধিক ক্যাটাগরির পদে আবেদন করতে পারবেন, তবে সমস্যা হলো—একাধিক ক্যাটাগরির পরীক্ষা একই দিন অনুষ্ঠিত হতে পারে। এমনটি হলে যেকোনো একটি ক্যাটাগরির পদের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

কোন পদে কতজন নেবে

ফার্মাসিস্ট ২৭৫ জন, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) ১৪৮ জন, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (রেডিও) ২ জন, হেলথ এডুকেটর ১ জন, সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর ৩ জন, কম্পিউটার অপারেটর ১ জন, ফিল্ড ট্রেইনার ১ জন, প্রধান সহকারী ১ জন, হিসাবরক্ষক ৩ জন, উচ্চমান সহকারী ১ জন, গবেষণা সহকারী ২ জন, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর ৪০ জন, পরিসংখ্যান সহকারী ৫ জন, গুদামরক্ষক ৫ জন, কোষাধ্যক্ষ ৬ জন, সহকারী লাইব্রেরিয়ান ২ জন, ইপিআই টেকনিশিয়ান ১ জন, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ১৫৯ জন, টেলিফোন অপারেটর ২ জন, ডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর ১ জন, ওয়ার্ড মাস্টার ২ জন, লিনেনকিপার ২ জন, ইনস্ট্রুমেন্ট কেয়ারটেকার ২ জন, টিকিট ক্লার্ক ৪ জন, স্টেরিলাইজার-কাম-মেকানিক ২ জন, কিচেন সুপারভাইজার ১ জন, রেকর্ডকিপার ১ জন, কার্ডিওগ্রাফার ১ জন, গাড়িচালক ৩৪ জন, ইলেকট্রিশিয়ান ১ জন, অফিস সহায়ক ৪০৪ জন, এমএলএসএস/নিরাপত্তা প্রহরী ৩৭৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ৯ জন, ওয়াচম্যান ১ জন, কুক হেলপার ১ জন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ৬৪ জন।

আবেদনের যোগ্যতা

প্রতিটি পদে আবেদনের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার শর্ত ভিন্ন ভিন্ন। পদভেদে শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি/সমমান থেকে শুরু করে স্নাতক (সম্মান) পর্যন্ত। কিছু জেলার সাধারণ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। তবে এতিম ও প্রতিবন্ধী কোটায় সব জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে বিজ্ঞপ্তি দেখুন এই লিংক থেকে— dgfp.teletalk.com.bd/dgfp1

আবেদনের সময় ও বয়সসীমা

অনলাইনে (dgfp.teletalk.com.bd) আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৩০ নভেম্বর ২০২০, বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সাধারণ প্রার্থীর বয়সসীমা হতে হবে ১৮ থেকে ৩০ বছর (২৫ মার্চ ২০২০ তারিখে)। তবে মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যা ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩২ বছর।

নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি  পরামর্শ

► বাংলা

বাংলায় সাধারণত দুই ধরনের প্রশ্ন আসে—প্রথমত সাহিত্য, দ্বিতীয়ত ব্যাকরণ। বাংলা সাহিত্যের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, জসীমউদ্দীন, মীর মশাররফ হোসেন, দীনবন্ধু মিত্র, ফররুখ আহমদ, কায়কোবাদ, বেগম রোকেয়া, শামসুর রাহমান গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ, বিখ্যাত পত্রিকার সম্পাদকের নামও পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আর ব্যাকরণ অংশের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে—পরিভাষা, এককথায় প্রকাশ, বাগধারা, বানান, শুদ্ধ-অশুদ্ধ, সমার্থক শব্দ, শব্দ, উপসর্গ, সমাস, সন্ধি ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ। এ অংশের প্রস্তুতির জন্য নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা ব্যাকরণ’ বই সবচেয়ে কাজের।

► ইংরেজি

ইংরেজি বিষয়ের প্রস্তুতির জন্য সবার আগে নিজের ইংরেজি জ্ঞানের ভিত্তি মজবুত করতে হবে। তারপর বাজারের ভালো মানের কোনো নিয়োগ পরীক্ষার বই থেকে Parts of speech, Subject verb agreement, Conditional sentence, Affirmative Negative agreement, Tag Question, Correct spelling, Synonyms and Antonyms, Idioms and Phrases, Substitution Word, Appropriate preposition, Translation প্রভৃতি বিষয় খুব ভালো করে অনুশীলন করতে হবে। এসব টপিকের ওপর আগের নিয়োগ পরীক্ষায় আসা প্রশ্নগুলো গুরুত্বসহ দেখতে হবে। কারণ পরীক্ষায় অনেক সময় হুবহু বিগত বছরের প্রশ্ন আসে। এ ছাড়া বিগত পরীক্ষার সাহিত্য বা Literature

অংশের গুরুত্বপূর্ণ টপিক বা প্রশ্ন অনুশীলন করতে পারেন।

► গণিত

গণিত প্রস্তুতির ক্ষেত্রে ষষ্ঠ থেকে নবম-দশম শ্রেণির গণিত বইগুলোকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া যেতে পারে। এরপর বাজারের প্রচলিত ভালো মানের কোনো বই থেকে লসাগু, গসাগু, শতকরা, সরল ও যৌগিক মুনাফা, লাভ-ক্ষতি, অনুপাত-সমানুপাত, বীজগণিতের মান নির্ণয়, উপাদক, সূচক, লগারিদম, সমান্তর ও গুণোত্তরধারা অধ্যায়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

► সাধারণ জ্ঞান

সাধারণ জ্ঞানের প্রস্তুতির জন্য শুরুতে অষ্টম-নবম ও দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই পড়া যেতে পারে। তারপর সাধারণ জ্ঞানের কোনো বই থেকে মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাংলাদেশের সম্পদ, বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, বাঙালির সংস্কৃতি ও শিল্পকলা, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা, খেলাধুলা ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের জাতীয় অর্জন প্রভৃতি বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বিষয়ের প্রস্তুতির জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা-সংগঠন, বিভিন্ন দেশের পরিচিতি, বিশ্বের বড় বড় যুদ্ধ-সংঘাত, প্রণালী, গণমাধ্যম, খেলাধুলা প্রভৃতি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সমসাময়িক তথ্য ও খবর সম্পর্কে আপডেট থাকতে হবে।

ভালো প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশের ও আন্তর্জাতিক মানচিত্র খেয়াল করে দেখা যেতে পারে। মানচিত্রসংশ্লিষ্ট তথ্য থেকেও প্রশ্ন থাকতে পারে। সাধারণ জ্ঞানে ভালো করার জন্য বিগত সালে আসা যেসব প্রশ্নের গুরুত্ব বর্তমানেও আছে, সেগুলো পড়তে পারেন।

প্রতিদিন বাংলা দৈনিক পত্রিকার পাশাপাশি অন্তত একটি ইংরেজি পত্রিকা পড়া যেতে পারে। নিয়মিত তথ্য বা খবরের আপডেট পেতে ফেসবুকে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের পেজ লাইক দিয়ে রাখতে পারেন।

► বিশেষ পদে বিশেষ প্রস্তুতি

ফার্মাসিস্ট, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট, হেলথ এডুকেটর প্রভৃতি পদের পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান অংশে বিজ্ঞান থেকে কিছু প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

তাই বিজ্ঞানও প্রস্তুতি পরিকল্পনায় রাখতে হবে। এ ছাড়া কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর প্রভৃতি পদে সাধারণ জ্ঞান অংশে কম্পিউটারবিষয়ক প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই কম্পিউটার বিষয়ের প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে।

এসব পদের জন্য যেহেতু ব্যাবহারিক পরীক্ষা আছে, তাই ব্যাবহারিক দক্ষতা বাড়াতে এখন থেকেই নিয়মিত চর্চা করতে হবে। অনেকে লিখিত পরীক্ষায় ভালো করেও ব্যাবহারিক পরীক্ষায় আটকে যান।

ব্যাবহারিক কাজে দুর্বলতা থাকলে ইউটিউবের টিউটরিয়াল দেখে বাসায় চর্চা করতে পারেন।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নেবে ১৫৬২ জন

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা এন্ডাওমেন্ট ট্রাস্টে (বিকেজেইটি) ০২টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: কৃষি মন্ত্রণালয়
ট্রাস্টের নাম: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা এন্ডাওমেন্ট ট্রাস্ট (বিকেজেইটি)

পদের নাম: সচিব
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/স্নাতকোত্তর/সিএ/সিএমএ/এমবিএ
অভিজ্ঞতা: ০৫ বছর
বয়স: ৪০ বছর
বেতন: ৪৩,০০০-৬৯,৮৫০ টাকা

পদের নাম: হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অ্যাকাউন্টিং/ফিন্যান্সে স্নাতক (সম্মান)/স্নাতকোত্তর
বয়স: ২১-৩০ বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর
বেতন: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

চাকরির ধরন: সরাসরি
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
কর্মস্থল: যেকোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা bkget.teletalk.com.bd এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে।

আবেদন ফি: টেলিটকের মাধ্যমে ১-২ নং পদের জন্য ২০০ টাকা পাঠাতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ০৭ ডিসেম্বর ২০২০

কৃষি মন্ত্রণালয়ের ট্রাস্টে একাধিক চাকরির সুযোগ

চ্যানেল ২৬ : ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত ০৫ ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ‘অফিসার (ক্যাশ)’ পদে ১৫১১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম ও পদসমূহ: সােনালী ব্যাংক লিমিটেড-১৮৩, জনতা ব্যাংক লিমিটেড-৮১৬, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড-৫০০, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড-০৫ এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড-০৭ জন

পদের নাম: অফিসার (ক্যাশ)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর/চার বছর মেয়াদী স্নাতক/স্নাতক(সম্মান)/সমমান। এসএসসি/সমমান এবং এর পরবর্তী পর্যায়ের পরীক্ষাসমূহে কমপক্ষে একটিতে প্রথম বিভাগ/শ্রেণি/সমমানের সিজিপিএ। কোনো পর্যায়েই তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযােগ্য নয়।
বেতন: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা

চাকরির ধরন: স্থায়ী
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: ০১ জুলাই ২০১৯ তারিখে সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা erecruitment.bb.org.bd এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন ফি: ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের পেমেন্ট গেটওয়ে রকেটের মাধ্যমে ২০০ টাকা পাঠাতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ৩১ মার্চ রাত ১১.৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

রাষ্ট্রায়ত্ত ৫ ব্যাংকে ১৫১১ জনের বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

আরো খবর

অর্থনীতি

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।পটুয়াখালীর দশমিনায় এবার মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে, কিন্তু ঠিকসময় বাজারজাত
করতে না পারায় লোকসান কাটিয়ে উঠতে কৃষকরা মরিচ শুকানো শুরু করেছে। মাঠ জুড়ে
কাঁচা-পাকা মরিচ দেখে মনে হয় লাল-সবুজ গালিচা বিছানো, কাছে গেলে এমন ভুল
ভাঙ্গবে অনেকের। বর্তমানে মাঠ জুড়ে মরিচের এমন খুশির ঝিলিক চোখে মুখে বেশে
উঠে কৃষকের। বাজারে কাঁচা মরিচের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হতাশ হলেও এখন অনেকেই
মরিচ শুকানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কৃষকরা। ইতোমধ্যে ক্ষেত থেকে তুলে শুকিয়ে মজুদ
করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে অনেকে। চলতি মৌসুমে অনাবৃষ্টিতে মরিচের ফলন যেমন ভালো
হয়েছে, তেমনি মরিচের ঝাল বেশি বলে জানিয়েছেন মরিচ চাষীরা। করোনা মহামারির
কারনে ঠিকভাবে বাজারজাত করতে না পারা এবং পাইকারের উপস্থিতি কম থাকায় এবারের
বাজারে কাঁচা মরিচের দাম ছিল কম। তাই উৎপাদিত মরিচ শুকিয়ে মজুদ করা হচ্ছে বলে
জানিয়েছেন ভূক্তভোগী কৃষকরা। করোনার প্রাদুর্ভাব কমে গেলে মজুদ করা মরিচ উপযুক্ত
দামে বিক্রি হবে- এমনটাই আশা তাদের।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলায় চলতি মৌসুমে মিন্টু সুপার, লঙ্কা,
হাইব্রীড-৬৫৩, বীজ প্লাস, সানী ও বিজলী প্লাসসহ নানা জাতের মরিচের আবাদ
হয়েছে। কৃদের উৎপাদিত মরিচ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন
জেলায় বাজারজাত হয়ে থাকে। ক্ষেত থেকে মরিচ তুলতে নারী-পুরুষ ও শিশুরা এখন ব্যস্ত সময়
পার করছেন। দল বেধে গৃহবধূ ও শিশুরা গ্রামে মরিচ তোলার কাজে এখন ব্যস্ত। স্কুল বন্ধ
থাকায় শিশুরা পরিবারের এ কাজে সহায়তা করছে। এছাড়া কৃষক পরিবারের বাইরেও নারী
শ্রমিকরা মরিচ তোলার কাজে যুক্ত হয়েছেন। কৃষকদের তথ্যমতে, ক্ষেত থেকে যারা মরিচ
তুলে আনেন তাদেরকে ৪ ভাগের ১ভাগ দিতে হয়। পানি সেচ, সার, ঔষধ, পরিচর্যা বাবদ
অনেক টাকাই ব্যয় হয় সংশ্লিষ্ট কৃষকের। বাজারে বর্তমানে মূল্যে মরিচ বিক্রি করতে
গেলে লোকসান গুনতে হবে বলে দাবি মরিচ চাষীদের। এজন্য বেশিরভাগ কৃষকই ন্যায্য
মূল্যের আশায় মরিচ মজুদ করতে শুরু করেছেন। এদিকে, উপযুক্ত দাম না পেলে আগামিতে
মরিচ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন কৃষকরা, এমন ধারণা করছেন অনেকে।
উপজেলার রনগোপালদী গ্রামের মরিচ চাষী মো. শাহ আলম জানান, গত কয়েক বছরের
চেয়ে এবার মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মরিচ চাষ হয়েছে
দ্বিগুন। কৃষকরা কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে মরিচের চাষাবাদ করছেন। বিগত বছর
গুলোতে ভালো ফলন ও কাঙ্খিত দাম পাওয়ায় এবারে মরিচ চাষে ঝুঁকেছেন অনেক কৃষক।
ভাগ্য ফেরানোর আশায় দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছিলেন তারা। মরিচ চাষী হাবিবের মতে,
ধান ও গমের মত সরকার উৎপাদিত মরিচের মূল্য নির্ধারণ করে দিলে কৃষকরা লাভবান হতেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, উপজেলা ৭টি ইউনিয়নের ৫শ’ হেক্টর
জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে গড়ে কাচাঁ অবস্থায় ১০/১২ টন আর পাকা
শুকনো ২/৩ টন উৎপাদন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উৎপাদনের লক্ষমাত্রা
ছাড়িয়েছে এবার। একই ইউনিয়নের মরিচ চাষী সেলিম জানান, গত বছর ভালো দাম
পাওয়ায় এবারে তিনি বেশি জমিতে মরিচ আবাদ করেছেন। এ বছরে ফলন ভালো হলেও দাম
অনেক কম।
বহরমপুর ইউনিয়নের দক্ষিন আদুমপুর গ্রামের কৃষক মো. সুলতান ফকির জানান, তিনি
প্রায় ১একর জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। চলতি মৌসুমের প্রথম দিকে কাঁচা মরিচ
বিক্রি করেছেন কিন্তু দাম কম থাকায় শুকানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবু জাফর আহাম্মেদ বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে
থাকায় উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ছাড়িয়েছে। আর কৃষকদের ন্যায্য দাম পাওয়াটা জরুরী, অন্যথায়
আগামীতে অনেক কৃষক মরিচ চাষাবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবেন।

মরিচে ন্যায্য মূল্য না পেয়ে দশমিনায় মরিচ শুকানোর সিদ্ধান্ত কৃষকরা

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা। ডুমুরিয়া (খুলনা) মুজিব বর্ষের  অঙ্গীকার,  কৃষি হবে দূর্বার। দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে ডুমুরিয়ার কৃষি সেবা, সবুজ মাঠের দিকে তাকালে দেখা যায় বিচিত্রময় কৃষি।  কৃষিতে তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি,  কৃষির বানিজ্যিকীকরণ এবং বেকারত্ব দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে ডুমুরিয়ার ডিজিটাল কৃষি সেবা। ডিজিটাল বাংলাদেশ ছিল বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার। প্রথম দিকে মানুষের মনে কিছুটা সংশয় থাকলে বিগত ১০ বছরে মানুষ ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল ভোগ করছে। স্বাস্থ্য কিংবা শিক্ষা, কৃষি কিংবা যোগাযোগ কোথায় নাই ডিজিটাল বাংলাদেশের ছোঁয়া?  ডুমুরিয়া কৃষি অফিস, “মাঠ কৃষি” ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত দিয়ে যাচ্ছে ডিজিটাল কৃষি সেবা। কৃষির আধুনিককীকরন, বানিজ্যিকীকরন, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি এবং বেকারত্ব দূরীকরণে মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেলের ভুমিকা অনশ্বিকার্য।  বর্তমান চ্যনেলটিতে ৯০০০ সাবসক্রাইবার ৫ লক্ষাধিক ভিউয়ার এবং ১৪২ টি ভিডিও আছে। বিভিন্ন নতুন নতুন জাত, কৃষি প্রযুক্তি দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে চ্যানেলটির মাধ্যমে। এটি বর্তমানে উপকূলীয় লবনাক্ত এলাকার অন্যতম মাইলফলক। মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে কৃষিতে আসা খলসী গ্রামের একাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া তরুণ উদ্যোক্তা তরিকুল ইসলাম তারেক বলেন, আমি মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেলে নিউটনের পানিকচু চাষের একটি ভিডিও দেখে পানি কচু চাষে উদ্বুদ্ধ হয় এবং ১ বিঘা জমিতে পানি কচু চাষ করে, লতি, কচু এবং চারা মিলিয়ে প্রায় ৮০,০০০/- টাকা লাভ করি। বর্তমানে আমার দেখাদেখি পাশে আরও ৪/৫ জন পানি কচু চাষ করেছেন। ঝিনাইদহ, কালিগঞ্জের কৃষক আরজান মোড়ল বলেন, আমি যশোর ক্যন্টমেন্ট কলেজে শিক্ষকতা করি,  আমি প্রথমে মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেল দেখে উদ্বুদ্ধ হয় এবং আমার একবিঘা জমিতে চুইঝালের আবাদ করি।  বর্তমানে আমি প্রায় ৫০০০ চুইঝাল চারা তৈরি করেছি যার বাজার মূল্য ২ লক্ষ টাকা। এই বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি অফিসার, ডুমুরিয়া কৃষিবিদ মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন এই প্রতিবেদককে জানান, মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যানেলের দেশ বিদেশে অনেক তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। আমি নিয়মিত মাঠ ভ্রমনে যেসমস্ত নতুন ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি দেখতে পাই, তা মোবাইল ক্যামেরার মাধ্যমে ধারন করে এডিট করে মাঠ কৃষি ইউটিউব চ্যনেলের মাধ্যমে প্রচার করি।  এতে দেশ বিদেশে অনেক কৃষক উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে।  তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রয়োজনে আমার সাথে যোগাযোগ করেন। কৃষি কাজ করতে গিয়ে কোন সমস্যায় পড়লে তারা ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে সমাধান পেয়ে যায়। ভবিষ্যতে এটির মাধ্যমে আমি কৃষিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই।

ডুমুরিয়ায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে কৃষি সেবা, কৃষকের মাঝে ব্যাপক সাড়া।

আরো খবর

নির্বাচন

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার 2 নং কেশারপাড় ইউনিয়ন কানকিরহাট বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গণ নাটক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। “টিকা দেবো সুস্থ থাকব” নাটকে জনসাধারণকে সচেতন মূলক শিক্ষনীয় বিষয়বস্তু বোঝানোর তাগিদে ভূমিকা রাখেন নাটকের চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেতা এবং অভিনেত্রী রা। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকা দেবো সুস্থ থাকব আয়োজনে ছিলেন: সেনবাগ, উপজেলা প্রশাসন। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন: বেলাল ভূঁইয়া চেয়ারম্যান ২নং কেশারপাড় ইউনিয়ন। উপস্থাপনায় ছিলেন: ব্রাক সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচি সেনবাগ, নোয়াখালী উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সেনবাগ উপজেলা এসিল্যান্ড খেমালিকা চাকমা, কেশারপাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলাল ভূঁইয়া, কেশারপাড় ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হক, সেনবাগ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক আলমগীর হোসেন, সেনবাগ থানা এসআই কাওছার আহমেদ, কানকিরহাট বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল ভৌমিক, আওয়ামী যুবলীগের মো: হোসেন, শাহাদাত হোসাইন স্বপন, বাপ্পা খন্দকার, মামুন আজাদ, মোশারফ চিশতী, মিয়া সোহাগ, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি স্বপন ভূঁইয়াসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্র লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

রোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গণ নাটক প্রদর্শনী নাটকের নাম: টিকা দেবো সুস্থ থাকব

মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা \ নীলফামারীর সৈয়দপুর
উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন
প্রত্যাশা করছেন সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রইচ উদ্দিন
জোতদার মতি। নির্বাচন ও নেতা কেন্দ্রীক ত্রিধা বিভক্ত ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভাঙ্গণ
প্রতিরোধ এবং দলের জন্য শক্তিশালী দূর্গ হিসেবে কামারপুকুরকে গড়তেই তিনি
চেয়ারম্যান পদে নৌকা চান। তা না হলে এখানে বিগত নির্বাচনের মত আবারও
বিএনপি প্রার্থী চেয়ারম্যান হবেন। যা ঠেকানোর আর কোন উপায় থাকবেনা কারওই।
একান্ত সাক্ষাতকারে বাগডোকরা ইসলামী সমাজ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা
পরিচালক মতি জোতদার বলেন, ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। দীর্ঘ
১৪ বছর কামারপুকুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদে দায়িত্ব পালন
করেছি। আমার সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম সোনারের সাথে কোন কারণে মত পার্থক্য
বা মনোমালিন্য থাকলেও দলের স্বার্থে সবকিছুকে উপেক্ষা করে দলীয় ভাবগাম্ভির্য বজায়
রাখতে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করেছি। কোন দিন দলীয় কোন কোন্দল এ ইউনিয়নে হতে
দেয়নি। কিন্তু এখন এর উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। এখানে এখন দলের নয় নেতার নেতৃত্বে
পৃথক পৃথক বাহিনীর সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে বিগত নির্বাচনে রানিং চেয়ারম্যান
জিকো আহমেদ নৌকার প্রার্থী হলেও বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করেন
আনোয়ার হোসেন সরকার। তার সাথে ফয়েজ আহমেদও প্রার্থী হওয়ায় ত্রিধা বিভক্ত হয়ে
পড়ে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ। যার খেসারত দিতে হয় আওয়ামীলীগকেই। বিএনপি’র
প্রার্থী নতুন মুখ হয়েও বিজয়ী হয়।
তাদের মধ্যে এই বিরোধ এতটাই প্রকট আকার ধারণ করে যে ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে উভয়
নেতাকে সন্তুষ্ট রাখতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ দিতে হয়। নতুনদের জন্য নেতৃত্বের
পথ খুলে দিতে দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জিকো আহমেদকে
সভাপতি ও আনোয়ার হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করা হলেও তারা ২ বছর যাবত দলের
একটি সাধারণ সভাও করেনি। এমনকি তারা দু’জনে নিজস্ব সমর্থক বাহিনী তৈরী
করেছে। যারা একে অপরকে দেখতে পারেনা। এমতাবস্থায় তাদের কোন একজনকে
আওয়ামীলীগের মনোনয়ন দেয়া হলে অপরজন বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন। এতে বিভক্তি আরও
বেড়ে যাবে।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য দুই জনকেই নৌকা দেয়া হবে আত্মঘাতি। এতে
বিরোধী রাজনৈতিক প্রার্থীর জন্য পোয়াবারো হয়ে দাঁড়াবে। একারণে আবারও
আমাকেই দলের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের কথায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ
করতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে দলের কেন্দ্রীয় কমান্ড ও স্থানীয় উপজেলা নেতৃবৃন্দ আমার বিগত
রাজনৈতিক জীবনের সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে নৌকা প্রতীক প্রদান করেন
তাহলে বিরোধ নিষ্পত্তি পূর্বক চেয়ারম্যান পদটি পূণঃ উদ্ধার করা সম্ভব হবে। নতুবা
জিকো আহমেদ ও আনোয়ার হোসেন গ্র“পের বিরোধ মিটানো যাবেনা। আর এ
সুযোগে বর্তমান বিএনপি’র চেয়ারম্যানই আবার বিজয়ী হবে। এতে বিন্দুমাত্র
সন্দেহের অবকাশ নেই। কারণ দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা চরম বিপাকে পড়বে
ভোট দেয়া নিয়ে। তারা দলীয় প্রার্থী হিসেবে কাকে ভোট দিবেন তা নিয়ে
দ্বিধান্বিত হয়ে যাবেন এবং আমরাও কাকে ছেড়ে কার পক্ষে কাজ করবো তা নিয়ে
বিড়ম্বনায় পড়বো। যদিও আওয়ামীলীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীর পক্ষেই কাজ করতে হবে।
তবুও তা নিয়ে দ্ব›েদ্বর সৃষ্টি হবে। যা সামাল দিয়ে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করা কঠিন
হয়ে পড়বে।
একারণে ভোটের আগেই দ্ব›েদ্ব জড়ানো থেকে বিরত থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
তাই এ দ্ব›দ্ব নিরসনে প্রার্থী মনোনয়নে দলের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দের প্রতি

সুচিন্তিত মতামত প্রদানের জন্য আহŸান জানাই। আমাকে মনোনয়ন দেয়া হলে
বিরোধপূর্ণ উভয়পক্ষকে নিয়ে সম্মিলিত উদ্যোগে কাজ করার মাধ্যমে বিজয় ছিনিয়ে
আনা সময়ের ব্যাপার মাত্র। কারণ আমার প্রতি ইউনিয়নের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও
সাধারণ জনগণের যে আস্থা আছে তা নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে। তাছাড়া বিগত
দিনে ক্ষমতায় না থেকেও ইউনিয়নবাসীর পাশে থেকে যেভাবে তাদের সহযোগিতা করেছি
তা মূল্যায়ন করবে বলেই আমার বিশ্বাস। আর সে বিশ্বাসের ভিত্তিতেই দলের স্বার্থে
আমাকে নৌকা দেয়া হলে তার যথাযথ সম্মান রক্ষা করতে পারবো বলেই আমি মনোনয়ন
প্রত্যাশা করছি।

সৈয়দপুরে কামারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে নৌকা চায় মতি জোতদার

মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী): নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও পৌর বিএনপির আহবায়ক শেখ বাবলুকে সাদা পোষাকে পুলিশ পরিচয়ে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করছে স্থানীয় বিএনপি। শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলণে এ অভিযোগ করা হয়।
এতে বক্তব্য বলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার, বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড. এস এম ওবায়দুর রহমান ও মেয়র প্রার্থী বিএনপি নেতা আলহাজ্ব রশিদুল হক সরকার।
বক্তারা বলেন, ভোর রাতে শহরের নয়াটোলা শ্বশুড়বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে বিএনপি ওই নেতাকে । কিন্তু তার নামে স্থানীয় থানায় বা আদালতে কোন মামলা নেই। আসন্ন ২৮ তারিখের নির্বাচনের সুষ্ঠ পরিবেশকে নষ্ট ও ভোটারদের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যেই প্রশাসনকে ব্যবহার করছে আওয়ামী লীগ নেতারা। শহরের নৌকা মার্কার পথসভায় স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের বক্তব্যেই তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
বক্তারা আরো বলেন, আমরা নির্বাচনের শুর“ থেকে আচরণবিধি মেনে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছি। কিন্তু নৌকা মার্কার প্রচার-প্রচারণা মানা হচ্ছে না কোন আচরন বিধি। মধ্যরাত পর্যন্ত ৮-১০টি মাইক এক সাথে ব্যবহার করে পথসভা করছে। পথসভা থেকে বিভিন্ন ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বহিরাগতদের নিয়ে প্রতিদিন শতাধিক মোটরসাইকেল ও ৮-১০টি পিক-আপে পাড়া-মহল­ায় শোডাউন করছে।
এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করলেও কোন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসনাত খানের জানান, শহরের গোলাহাটে নির্বাচন প্রচারে আ’লীগ-জাপার মধ্যে সংঘষের্র মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে। 

সৈয়দপুরে রাতের আঁধারে বিএনপি নেতা আটকের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা: নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার নির্বাচনে সকাল থেকেই পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়ে কেন্দ্র দখল ও ইভিএমে কারচুপির অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক। সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের ক্যান্টনমেন্ট রোডস্থ লাঙ্গল প্রতিকের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন।

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রতিটি কেন্দ্রেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা লাঙ্গলের পোলিং এজেন্টদের জোর করে বের করে দিয়ে কেন্দ্র দখলে নিয়েছে। প্রতিবাদ করায় এজেন্টদের মারপিটও করা হয়েছে। এমনকি নারীদের গায়েও হাত দেয়া হয়েছে এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকিও দেয়া হয়েছে। আমাদের কোনো কর্মী সমর্থক ভোটারদের কেন্দ্রে ঢুকতে দিচ্ছে না। সাধারণ ভোটাররা বুথে প্রবেশ করলে তাদেরকে ভোট দিতে বাধা দিয়ে নৌকার লোকজন নিজেদের প্রতীকে ভোট দিয়ে দিচ্ছে। এর প্রতিবাদ করলেও ভোটারদের হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে।

তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, আমার বৃদ্ধা মাও কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেননি। তাকেও আওয়ামী লীগ বের করে দিয়েছে। আমার স্ত্রীও কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে হেনস্তার শিকার হন এবং তাকেও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে নৌকার কর্মকর্তারা। এভাবে প্রায় প্রতিটি ভোট কেন্দ্র থেকেই জাতীয় পার্টির লোকজনকে বের করে দিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমত নৌকায় ভোট দেয়া হচ্ছে।

এমনকি অনেকের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি যে, ইভিএমে শুধুমাত্র নৌকা প্রতীক রয়েছে। সেখানে অন্য কোনো মার্কা নেই। তাই বাধ্য ভোটাররা নৌকায়ই ভোট দিচ্ছেন বা না দিয়েই ফিরে আসছেন। আর সে সুযোগে ওই ভোটটা আওয়ামী লীগের লোকজন নৌকায় দিচ্ছে।

সিদ্দিকুল আলম বলেন, এমতাবস্থায় ভোট করার মতো কোনো পরিবেশ বিদ্যমান নেই। জাতীয় পার্টি সরকারেরই অংশ। তাই আমরা সরকারকে সহযোগিতা করতেই নির্বাচনে এসেছি। কিন্তু আমাদেরকেও সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদানে বাধা দেয়া হচ্ছে। এটা কোনোভাবে মেনে নেয়া যায় না। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং চলতি ভোট স্থগিত করে পুনরায় নির্বাচন দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে এই মুহূর্তেই আমরা নির্বাচন কমিশনারকে ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত জানাচ্ছি।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, সিদ্দিকুল আলমের স্ত্রী ইয়াসমিন আলম, জাপার কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল দিদার দিপু, সৈয়দপুর জাপা নেতা ডা: সুরত আলী, সৈয়দপুর সরকারি হিন্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পোলিং এজেন্ট সুমনা আলম, শহীদ জিয়া শিশু নিকেতন কেন্দ্রের পোলিং এজেন্ট ইতি।

ইয়াসমিন আলম বলেন, সরকারের অংশ হওয়ার পরও আওয়ামী লীগ যদি জাতীয় পার্টির সাথে এমন আচরণ করে, এভাবে শুধু নৌকাতেই ভোট নিবে তাহলে কি দরকার ছিল নির্বাচন দেয়ার। অটোভাবেই নৌকাকে পৌর পরিষদে বসিয়ে দিলেই তো হতো। তাহলে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার শিকার হতে হতো না সৈয়দপুরবাসীকে। এভাবে জনগণের টাকার খেয়ানত না করে প্রহসনের নির্বাচনের কোনো প্রয়োজন ছিল না। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করে ভোট স্থগিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।

সৈয়দপুরে কেন্দ্র দখল ও ইভিএমে কারচুপির অভিযোগে জাপা প্রার্থীর ভোট বর্জন

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা: সৈয়দপুর পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় একজন নিহত হয়েছে। এ সময় অন্তত পক্ষে আরো দু’জন আহত হয়েছেন।

নিহত ব্যক্তির নাম ছোটন অধিকারী (৫১)। তিনি শহরের মুন্সিপাড়া এলাকার মৃত নিতাই অধিকারীর ছেলে। নিহত ছোটন কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম রয়েলের সমর্থক ছিলেন।

হাসপাতালে ভর্তি আহত আজম আলী সরকার জানান, ‘সৈয়দপুর মহিলা কলেজের সামনে আমার পরিচিত ছোটন অধিকারীকে কাউন্সিলর প্রার্থী আক্তার হোসেন ফেকুর সমর্থকরা মারধর করছিল। এ সময় আমি প্রতিবাদ করায় তারা আমার ওপর চড়াও হয়। আমাকে মারধর করলে আমি মাটিতে পড়ে যাই। এ সময় এলাকাবাসী আমিসহ তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে জানতে পারি ছোটন অধিকারী মারা গেছে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ চলছিল। সকাল ১১টার দিকে পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের দুই কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম রয়েল ও আখতার হোসেন ফেকুর সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতি থেকে তা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়। বর্তমানে ভোটগ্রহণ চললেও এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে সৈয়দপুর পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সামান্য ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। বড় কোনো ঘটনা নয়। তবে একজন নিরিহ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এটা খুবই মর্মান্তিক।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা: ওমিদুল হাসান জানান, দুপুর ১টার দিকে ছোটন অধিকারীকে তার স্ত্রী ও লোকজন হাসপাতালে নিয়ে আসে। আমরা তাকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। আহত দু’জনকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) আবুল হাসনাত খান জানান, ‘আমি খবর পেয়েছি। একজনকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়েছিল, তিনি মারা গেছেন। আমাদের কোনো কেন্দ্রে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা হয়নি। তার মৃত্যুর কারণ জানতে চেষ্টা করছি।’

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

সৈয়দপুর পৌর নির্বাচন : দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, নিহত ১

মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতাঃ
সৈয়দপুরের প্রকৃত উন্নয়ন চাইলে মেয়র পদে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশব্যাপী যে উন্নয়নের জোয়ার চলছে তা থেকে সৈয়দপুর বাদ নেই। কিন্তু একটি পৌরসভায় উন্নয়ন করতে হলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমেই করতে হয়। সেটা করতে হলে নৌকা মার্কার প্রার্থীকে মেয়র হিসেবে নির্বাচিত করতে হবে। উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি শুক্রবার (২৬ ফেব্রæয়ারী) দুপুর সাড়ে ১২ টায় শহরের অফিসার্স ক্লাব প্রাঙ্গনে নৌকা মার্কার সমর্থনে উর্দূভাষী ক্যাম্পবাসীদের নিয়ে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির ভাষনে এসব কথা বলেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম কৃক, নীলফামারী জেলা সভাপতি ও পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আইনজীবি সভাপতি মমতাজুল হক, সৈয়দপুর উপজেলা সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোগখছেদুল মোমিন, উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সানজিদা বেগম লাকী, যুবলীগের আহবায়ক দিল নেওয়াজ খান, যুগ্ম আহŸায়ক আসাদুল ইসলাম আসাদ সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এসময় ক্যাম্পবাসীদের পক্ষ্যে বক্তব্য রাখেন, উর্দূভাষী নেতা আশরাফুল হক বাবু, বাঁশবাড়ী ক্যাম্পের সভাপতি আকবরই আজম ও খুলনা থেকে আগত শাহিন আলম।
জাহাঙ্গীর কবির নানক আরও বলেন, সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হচ্ছে। আর্মি ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষানগরী সৈয়দপুরের মান আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। সৈয়দপুর কারিগরী মহাবিদ্যালয়কে বিজ্ঞান কলেজে রুপান্তর করাসহ পৃথক একটি টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ইতোপূর্বে শেখ হাসিনাই উত্তরা ইপিজেড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মঙ্গাপীড়িত নীলফামারীকে আমুল বদলে দিয়েছে। একইভাবে অর্থনৈতিক জোন তৈরীর মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান ও আর্থিক বিপ্লব ঘটনানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। রেলওয়ে কারখানাতে আরও একটি ওয়াগন সপ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উন্নয়নের মাত্রা ত্বরান্বিত করা হচ্ছে।
এই ধারাবাহিকতায় নীলফামারী ও সৈয়দপুরে আরও নানা ধরণের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। কিন্তু পৌর এলাকায় কোন কাজ করতে গেলে তা পৌর পরিষদের মাধ্যমেই করতে হবে। তাই এখানে মেয়র পদে আওয়ামীলীগের নেতা থাকলে তা অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে করা সম্ভব হবে। দীর্ঘ ৩০ বছর বিএনপি’র লোক মেয়র থাকায় উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে সৈয়দপুর। তা থেকে উত্তরণ ঘটাতে আপনারা যদি উদ্যোগী হন এবং নৌকা মার্কায় ভোট দেন তাহলে সার্বিক উনন্নয়নের চিত্র পাল্টে ফেলা হবে। তাই আমাদের নেতা মরহুম আখতার হোসেন বাদলের স্ত্রী রাফিকা জাহান আকতার বেবীকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আগামী প্রজন্মের জন্য সমৃদ্ধ সৈয়দপুর গড়তে সকলের প্রতি আহŸান জানাচ্ছি।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে সাবেক মন্ত্রী নানক বলেন, বিএনপি’র চরিত্রই হলো মিথ্যেচার করা। তাই সৈয়দপুর বিএনপি মিথ্যে অভিযোগে তাদের নেতাকে আটক ও নির্বাচনী কাজে বাধার দেওয়ার অভিযোগ এনেছে। মূলতঃ তারা পরাজয় নিশ্চিত হয়ে নিজেদের লজ্জা ঢাকাতে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে।
উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন বলেন, সৈয়দপুরের নির্বাচনী পরিবেশ অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রয়েছে। এতে ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করায় গোলাহাট এলাকার সংঘর্ষে জড়িত থাকায় পৌর বিএনপির আহŸায়ক শেখ বাবলুকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এতে আওয়ামীলীগের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।

সৈয়দপুরের প্রকৃত উনন্নয়ন চাইলে নৌকায় ভোট দেয়ার বিকল্প নেই- জাহাঙ্গীর কবির নানক

নামাজের সময়সূচী

    Dhaka, Bangladesh
    বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৩:৪৪
    সূর্যোদয়ভোর ৫:১১
    যোহরদুপুর ১১:৫৯
    আছরবিকাল ৩:১৭
    মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৪৭
    এশা রাত ৮:১৫

বিচিত্র সংবাদ

অনলাইন ডেস্ক:  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস গত দু’দিন দিন যাবত অসুস্থ ছিলেন। গতকাল কোভিড-১৯ পরীক্ষার পর আজ পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে। বাসায় থেকে চিকিৎসকের পরামর্শে তারা চিকিৎসা নিচ্ছেন।’

শায়রুল বলেন, ‘পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন আব্বাস দম্পতি।’

এদিকে আব্বাস দম্পতি ছাড়াও দলটির আরও একাধিক শীর্ষ নেতা নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপনসহ আরও অনেকে।

মির্জা আব্বাস ও আফরোজা আব্বাস করোনা পজিটিভ

অনলাইন ডেস্ক: ভাইরাল হয়ে যাওয়া এক ছবিতে দেখা যায়, এক নারীর সঙ্গে বিছানায় বসে আছেন ভারতের যোগগুরু বাবা রামদেব। ছবিতে ওই নারীর কাঁধে হাত রেখে হাসিমুখে আছেন তিনি। ওই ছবি সম্প্রতি ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।

টুইটারে ছবিটি পোস্ট করে রামদেবকে ব্যাপকহারে গালিগালাজ করছেন অনেকেই। একইভাবে ফেসবুকেও ছবি-পোস্টে রামদেবকে ‘চরিত্রহীন’ বলা হচ্ছে।

ছবিটি আগেও ভাইরাল হয়েছিল। ২০১৮ সালেও ভাইরাল হয়েছিল ওই ছবি। পাঁচ বছর ধরেই নেটদুনিয়ায় ঘুরে-ফিরে দেখা গেছে রামদেবের ছবিটি। দুই বছর আগে একই ছবি পোস্ট করে রামদেব ‘যৌন কলঙ্কে’ ফাঁসবেন বলে দাবি করা হয়েছিল।

তবে ছবিটি পাঁচ বছর আগের। ছবিতে রামদেবের সঙ্গে থাকা নারী আসলে ক্যান্সার আক্রান্ত (তখন বয়স ২৭)। বেদান্ত হাসপাতালে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল রামদেবের।

গুগলের রিভার্স ইমেজ সার্চ ব্যবহার করে ওই ছবি সম্পর্কে জানা যায়, ছবিটি ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বরের। রামদেবের অফিসিয়াল ফেসবুকেও ওই ছবি একই সময়ে পোস্ট করা হয়েছিল।

ওই পোস্টে রামদেব বলেন, আমার এই বোন প্রীতি ক্যান্সারে ভুগছেন এবং মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। পতঞ্জলী যোগপীঠের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে একজনের পরিবারের সদস্য প্রীতি। বেদান্ত হাসপাতালে আমি এই বোনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি এবং তাকে আশীর্বাদ দিয়েছি। এছাড়াও তাকে প্রাণায়ম শেখানোর সঙ্গে আয়ুর্বেদ ওষুধও দিয়েছি।

নারীর সঙ্গে বিছানায় রামদেব, ভাইরাল ছবির পেছনের গল্প জেনে নিন

আরো খবর

ধর্ম

অনলাইন ডেস্ক:দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণে শনাক্ত ও মৃত্যুর হার অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে নামাজ আদায়ে ১০ দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। সোমবার (৫ এপ্রিল) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপসিচিব সাখাওয়াৎ হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১০ দফা নির্দেশনা মানা না হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

মসজিদে ইফতার সেহরির আয়োজন করা যাবে না বলা হলেও রমজানে তারাবিহ নামাজ আদায়ে সাধারণ মুসল্লিদের নিষেধ আছে কিনা তার স্পষ্ট উল্লেখ নেই নির্দেশনায়।

১০ নির্দেশনা
১। মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার/হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে এবং আগত মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।

২। প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওযু করে, সুন্নাত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

৩। মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবানুনাশক দ্বারা পরিস্কার করতে হবে, মুসল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসতে হবে।

৪। কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

৫। শিশু, বয়স্ক, যেকোনো অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামাতে অংশ নেওয়া হতে বিরত থাকবে। ৬। সংক্রমণ রোধ নিশ্চিত করতে মসজিদের ওযুখানায় সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

৭। সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই পালন করতে হবে।

৮। মসজিদে ইফতার ও সেহরির আয়োজন করা যাবে না। ৯। করোনাভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে খতিব ও ইমামরা দোয়া করবেন।

১০। সরকারের এসব নির্দেশনা মসজিদের খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন বলেও জানানো হয়েছে।

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

রমজানে মসজিদে নামাজ আদায়ে ১০ নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক: দেশের সব মাদ্রাসায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত গাওয়া বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছে সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এছাড়াও তারা জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে মাদ্রাসা শিক্ষার সিলেবাস ও কারিকুলাম এবং পরীক্ষা পদ্ধতির আধুনিকায়নের তাগিদ দিয়েছে। 

জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে বৃহস্পতিবার এ সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ণচন্দ্র চন্দ, মো. মাহবুবউল আলম হানিফ, মুহিবুর রহমান মানিক ও নাহিদ ইজাহার খান।

কমিটি সূত্র জানায়, এ সময় যে কোনো মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার আগে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন গ্রহণের বাধ্যবাধকতার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। নকল প্রতিরোধে গৃহীত ব্যবস্থা, উগ্র সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ ও প্রতিকারে মাদ্রাসা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ গ্রহণেরও সুপারিশ করা হয়। 

এছাড়া মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটি, গভর্নিং বডি, নির্বাহী কমিটি ও এডহক কমিটি গঠন প্রক্রিয়া এবং কমিটি-সংক্রান্ত উদ্ভূত জটিলতা দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়। এ ক্ষেত্রে গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নে স্থানীয় সংসদ-সদস্যের সুপারিশ গ্রহণের নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ এবং এডহক কমিটি গঠনের প্রবণতা বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীত গাওয়া বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ

আরো খবর

নারী শিশু

ধর্ষণ মামলার বিচার তদারকিতে সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদারকি/মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। কমিটির অপর দুই সদস্য হচ্ছেন-স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বা তার প্রতিনিধি (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার নিচে নয়) এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব বা তার প্রতিনিধি (অতিরিক্ত সচিব পদ-মর্যাদার নিচে নয়)। সেল গঠন সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন গতকাল বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের বেঞ্চে দাখিল করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা আইনে নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি না হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ওই সেল গঠনের নির্দেশ দিয়ে রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্টের অপর একটি বেঞ্চ। ওই রায় অনুযায়ী এই মনিটরিং সেল আইনে নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি না হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের মামলার বিষয়ে বিচারক, পাবলিক প্রসিকিউটর ও তদন্ত কর্মকর্তার পাঠানো প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অধস্তন আদালত সংক্রান্ত সুপ্রিমকোর্টের কমিটির কাছে প্রতিবেদন দেবে। প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করে সুপ্রিমকোর্টের ওই কমিটি মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার জন্য দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৩১ (ক) (৩) ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেবে। মূলত গাফিলতি এড়িয়ে ধর্ষণ মামলার বিচারে গতি আনতে এই ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

এই রায়টিসহ ধর্ষণ মামলার বিচারের বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া তিনটি রায়ের নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং ধর্ষণের মতো শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা, সালিস বা মীমাংসা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে গত বছরের ১৯ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট করে আইন ও সালিশ কেন্দ্র। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ২১ অক্টোবর হাইকোর্ট রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন। আদেশে সেদিন হাইকোর্ট ধর্ষণের ঘটনায় মধ্যস্থতা, সালিশ বা মীমাংসা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ধর্ষণের ঘটনায় গত পাঁচ বছরে সারা দেশের থানা, আদালত ও ট্রাইব্যুনালে কতগুলো মামলা হয়েছে, তা জানিয়ে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এছাড়া ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলা ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি, বিচার শুরুর পর থেকে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত একটানা বিচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আগের নির্দেশনা কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে তার অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়। চার মাসের মধ্যে এই প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। সে অনুসারে পুলিশপ্রধান (আইজিপি) ও সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের পক্ষে পাঠানো পৃথক দুটি প্রতিবেদন গতকাল রাষ্ট্রপক্ষ আদালতের কাছে তুলে ধরে।

পুলিশ মহাপরিদর্শকের পক্ষ থেকে দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৫ বছরে শুধু সারাদেশের থানাগুলোতে ২৬ হাজার ৬শ ৯৫টি ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। পুলিশপ্রধানের পক্ষে অতিরিক্ত ডিআইজি মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত পুলিশ সদর দপ্তরের স্পেশাল ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট শাখা থেকে ধর্ষণ মামলার পরিসংখ্যানটি পাঠানো হয়েছে। এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে ৪৩৩১টি, ২০১৭ সালে ৪৬৮৩টি, ২০১৮ সালে ৪৬৯৫টি, ২০১৯ সালে ৬৭৬৬টি এবং ২০২০ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত ৬২২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতি বছরই ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়েরের পরিমাণ বেড়েছে।

তবে আদালতগুলোতে কি পরিমাণ ধর্ষণের মামলা হয়েছে সেই তথ্য এখনো হাইকোর্টে পৌঁছায়নি। তবে হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো: গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্ষণের মামলা ১৮০ কার্যদিবসে বিরতিহীনভাবে নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা, তা মনিটরিং করতে সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবরকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চে এই তথ্য সংবলিত পৃথক দুটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী। আবেদনকারী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ইয়াদিয়া জামান ও অ্যাডভোকেট শাহিনুজ্জামান শাহিন। পরে আইনজীবী ইয়াদিয়া জামান জানান, ‘ধর্ষণের মামলার তথ্য সংবলিত প্রতিবেদন পুলিশের পক্ষ থেকে এসেছে। তবে আদালতগুলোতে কতগুলো ধর্ষণের মামলা হয়েছে সেই তথ্য এখনো আসেনি। আদালত এ কারণে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ মে পরবর্তী তারিখ রেখেছেন।’

গতকাল শুনানিতে আইজিপির প্রতিবেদনের অংশবিশেষ তুলে ধরে আইনজীবী অনীক আর হক আদালতে বলেন, প্রতিবেদন অনুযায়ী ধর্ষণের ঘটনা প্রতিবছর বাড়ছে। থানায় ৫ বছরে ২৬ হাজার ৬৯৫টি মামলা হয়েছে। তার বাইরে ট্রাইব্যুনালেও মামলা হয়। বাকিদের কাছ থেকে প্রতিবেদন আসেনি। সুপ্রিমকোর্টের প্রতিবেদন তুলে ধরে আইনজীবী অনীক আর হক বলেন, হাইকোর্টের ইতিপূর্বের রায়ের নির্দেশনা অনুসারে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। গত ১৮ নভেম্বর এই সেল গঠন করা হয়। হাইকোর্টের তিনটি রায় ছিল। এসব রায়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ আদালতের আদেশের পরই তা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) ও ব্লাস্টসহ পাঁচটি মানবাধিকার সংগঠনের করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৮ দফা নির্দেশনাসহ রায় দেন হাইকোর্ট। আদালতের ঐ নির্দেশনায় বলা হয়, ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন বা এ সংক্রান্ত ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ লিখিতভাবে রেকর্ড করবেন? এ ক্ষেত্রে ওই থানার আওতার মধ্যে ঘটনা সংঘটিত হোক-বা-না-হোক, সেটা মুখ্য নয়? অবিলম্বে এমন একটি সার্ভার তৈরি করতে হবে, যেন এ ধরনের অভিযোগ সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে করা যায়? সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া কোনো পুলিশ অফিসার যদি অভিযোগ গ্রহণে বিলম্ব করেন, তবে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে সুনির্দিষ্ট বিধান তৈরি করতে হবে?

নির্দেনায় আরও বলা হয়, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নমূলক ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে ডিএনএ পরীক্ষা করাতে হবে। একইসঙ্গে এ ধরনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ডিএনএসহ অন্যান্য নমুনা সংগ্রহ করে তা ফরেনসিক ল্যাবে পাঠাতে হবে। এছাড়া যেকোনো রিপোর্ট সংগ্রহ বা স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তদন্তকারী সংস্থার যেকোনো ব্যর্থতা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে?

একই বছরের ৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এক আদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ না হলে জবাবদিহি-সংক্রান্ত আইনের ৩১ক ধারা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, পাবলিক প্রসিকিউটর ও তদন্ত কর্মকর্তাকে (পুলিশ) এ নির্দেশ দেন আদালত। এ বিধান যথাযথভাবে প্রতিপালন করা না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও বলা হয় আদেশে।

সর্বশেষ আইনে নির্ধারিত সময়ে ধর্ষণ মামলার বিচার শেষ না হওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করে গত বছরের ১৮ জুলাই হাইকোর্ট ধর্ষণ মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সাত দফা নির্দেশনা দেন। এর মধ্যে আইনে নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ বিচারের জন্য মামলা হাতে পাওয়ার দিন থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে মামলার বিচার শেষ করতে হবে এবং মামলার শুনানি শুরু হলে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি কর্মদিবসে একটানা মামলা পরিচালনা করতে মামলায় সাক্ষীর উপস্থিতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে তদারকি কমিটি গঠন করতে হবে উল্লেখযোগ্য।

রিটকারীর আইনজীবীর ভাষ্য, ধর্ষণের ঘটনায় আইনি বিধিবিধান অনুসরণ ও ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং যথাযথ প্রতিকার নিশ্চিতে ইতিপূর্বে হাইকোর্ট তিনটি মামলায় রায় দেন। তবে রায়ের নির্দেশনার বাস্তবায়ন দেখা যায় না। এমন প্রেক্ষাপটে রিটটি করা হয়।

পাঁচ বছরে শুধু থানাতেই ২৬ হাজার ৬৯৫ ধর্ষণ মামলা বিচার তদারকিতে সেল গঠন

অনলাইন ডেস্ক: আয়েশা সিদ্দিকা, গত প্রায় ১৯ বছর ধরে দিনাজপুরে ফুলবাড়ী উপজেলার পূর্ব কাটাবাড়ীতে হোমিও চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন।এলাকায় তার চিকিৎসক হিসেবে সুনামও রয়েছে। সপ্তাহে চারদিন এখনো রোগী দেখেন তিনি। এই হোমিও চিকিৎসক আয়েশা সিদ্দিকাই হতে চেয়েছিলেন দেশের প্রথম নারী কাজি বা নিকাহ্ রেজিস্টার।

জানা গেছে, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেখে ২০১২ সালে ফুলবাড়ী পৌরসভায় নিকাহ রেজিস্টার বা কাজি পদের জন্য আবেদন করেন আয়েশা সিদ্দিকা। তখন নিয়োগ বিজ্ঞাপনে কেবল পুরুষ সদস্য আবেদন করতে পারবেন, এমন কোন কথা লেখা ছিল না। ধাপে ধাপে পরীক্ষা দিয়ে আয়েশা প্রথম স্থান অধিকার করেন ২০১৪ সালে।

এরপর নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্তে গঠিত কমিটির সদস্য ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়রসহ মোট পাঁচজন। ওই কমিটি পদের জন্য নির্বাচিত তিনজন সদস্যের একটি প্যানেল প্রস্তাব দিয়ে চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল।

পরে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দিয়ে কমিটির কাছে জানতে চাওয়া হয়, তারা কাকে নিয়োগ দিতে চান। তখন কমিটি চিঠি দিয়ে আয়েশা সিদ্দিকাকে নিয়োগের সুপারিশ করে। তবে কয়েকমাস পরে আয়েশাকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল যে নিয়োগ কমিটির প্রস্তাবিত প্যানেল বাতিল করে দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।

সিদ্দিকা জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের ১৬ই জুন আইন মন্ত্রণালয় ‘বাংলাদেশের বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে নারীদের দ্বারা নিকাহ্ রেজিস্টারের দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়’ – এমন মত দিয়ে একটি চিঠি দিয়ে নিয়োগ কমিটির প্রস্তাবিত প্যানেল বাতিল করে।

মনঃক্ষুণ্ণ হলেও তিনি মেনেই নিয়েছিলেন বিষয়টি। কিন্তু এরমধ্যে আয়েশা হঠাৎ জানতে পারলেন, প্যানেলের প্রস্তাবিত তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, যিনি একজন পুরুষ এবং সম্পর্কে তার আত্মীয়।

“এই ঘটনায় আমি খুবই আঘাত পাই মনে। আমার খুব অপমানও লাগে যখন জানতে পারি যে পরীক্ষায় প্রথম হয়েও আমি নিয়োগ পাব না, কারণ আমি মহিলা!” বিষয়টি নিয়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়লে স্বামীর পরামর্শে আয়েশা আইনি প্রতিকার চাইতে ঢাকায় আসেন। এরপরই আইন মন্ত্রণালয়ের ঐ চিঠিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন আয়েশা সিদ্দিকা।

ছয় বছর পরে ২০২০ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি আদালত মন্ত্রণালয়ের মতামতকে বহাল রেখে রায় দেয়। সম্প্রতি ১০ই জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়, আর তারপরই বিষয়টি সবার সামনে চলে আসে। বিষয়টি নিয়ে দেশের গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে এখনো।

আয়েশা জানিয়েছেন, পূর্ণাঙ্গ রায় এখন প্রকাশিত হলেও, ২০২০ সালে আদালতের রায়ের পরই তিনি আপিল করা সিদ্ধান্ত নেন। ইতিমধ্যে অ্যাপিলেট ডিভিশনে এ নিয়ে একটি আপিল দায়ের করা হয়েছে।

নিকাহ রেজিস্টার কেন হতে চেয়েছিলেন
আয়েশা সিদ্দিকার কাছে জানতে চেয়েছিলাম নিকাহ রেজিস্টার বা কাজির মত যে পেশায় এখনো পর্যন্ত কোন নারী নিয়োগ পাননি, তেমন একটি পদে তিনি কেন আবেদন করেছিলেন? তিনি বলেছেন, ব্যতিক্রমী কিছু করার জন্য তিনি আবেদন করেননি।

বিজ্ঞপ্তি দেখে তিনি আগ্রহী হয়েছিলেন, কারণ সমাজে গ্রহণযোগ্যতা আছে এই পেশার। “তাছাড়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে তো উল্লেখ ছিল না যে নারীরা আবেদন করতে পারবে না। আমি যখন দেখলাম যে নারী পুরুষ কিছু উল্লেখ নাই, তখন ভাবলাম – তাহলে আমি তো আবেদন করতেই পারি।”

“পরে আবেদনপত্র বাছাই, বা পরীক্ষার সময়ও তো আমাকে নারী বলে বাদ দেয় নাই, নিয়োগ কমিটিও তো ফলাফল চূড়ান্ত করে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এই কোন পর্যায়েই তো আমাকে ‘ডিসকোয়ালিফাইড’ বা অযোগ্য ঘোষণা করা হয় নাই! তাহলে আমি তো অযোগ্য না।”

জানা গেছে, আয়েশার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে ফুলবাড়ীর পূর্ব কাটাবাড়ীতে। তিন বোন এক ভাইয়ের পরিবারে দ্বিতীয় সন্তান তিনি। বাবাও ছিলেন হোমিও চিকিৎসক। বাবা অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় মাদ্রাসায় পড়তে পড়তেই অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দেয়া হয় তাকে। বিয়ের পরও তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যান।

একই সঙ্গে ফুলবাড়ীর দারুল সুন্নাহ সিনিয়র সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসা থেকে ফাজিল পাস করেছেন, আবার হোমিও কলেজ থেকেও ডিগ্রী নিয়েছেন। “ব্যতিক্রমী কিছু করার ইচ্ছা ছিল না, কিন্তু এটা মেনে নেয়া কষ্টকর যে শুধু মহিলা হওয়ার কারণে আমি অযোগ্য হবো কোন কিছুর জন্য।”-বিবিসি বাংলা

দেশের প্রথম নারী কাজি হতে চেয়েছিলেন যিনি

আরো খবর

বিনোদন

অনলাইন ডেস্ক: বিয়ে না করে একই ফ্ল্যাটে থাকছেন অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা এবং মনোজ প্রামাণিক। মিঠু রায় এর ‘ফেক হাসব্যান্ড’ শিরোনামের নাটকে এমনই দৃশ্য নিয়ে হাজির হবেন প্রভা এবং মনোজ। বাস্তব জীবনের ব্যাচেলরদের বাসা ভাড়া সমস্যা নিয়েই এর গল্প।

নাটকটির গল্পে দেখা যাবে, রুনি (প্রভা) একজন চাকরিজীবী অবিবাহিত মেয়ে। ঢাকায় একাই থাকেন। ব্যাচেলর বলে বাসা পেতে সমস্যা হয়, এলাকার লোকজন নানা মন্তব্য করে। এমনকি কর্মস্থলেও সহকর্মীরা অ্যাডভান্টেজ নেয়ার চেষ্টা করে। তাই রুনি বলে বেড়ান যে তিনি বিবাহিত। এরপর থেকে আগের সমস্যাগুলো অনেকটাই সমাধান হয়ে যায় তার।

নতুন এলাকায় নতুন একটা বাড়ি ভাড়া নেন রুনি। নতুন অফিসে যোগদান করেন। সেই অফিসে তার সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অফিসের রবিনও (মনোজ) জানেন যে, রুনি বিবাহিত। রুনি তার কাল্পনিক হাজব্যান্ডকে নিয়ে নানা ধরনের মুখরোচক গল্প করেন সবার কাছে। রবিনের কাছেও। পরে বিপদে পড়ে রবিনকেই সাজতে হয় রুনির ফেক হ্যাজবেন্ড এবং তারা বিয়ে না করে একই বাসাতে থাকতে শুরু করেন।

নাটকটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন কাজী উজ্জ্বল, পিন্টু আকুনজি, খাইরুল আলম টিপু, শারমীন সুলতানা শর্মী, কাজি সালিমুল হক কামাল, জান্নাতুল শ্রাবণী, রাইসুল ইসলাম, বরশা, রিংকু, স্বপন আহমেদ, মিজান রহমান, নয়ন, রাফি আহমেদ উৎসসহ অনেকে।

নাটকটি শিগগিরই কোনও একটি বেসরকারি চ্যানেলে প্রচার হবে।

বিয়ে না করেও একসঙ্গে থাকছেন প্রভা-মনোজ

আরো খবর

Add

লাইফস্টাইল

অনলাইন ডেস্ক: রাজপথে টোটো (অটোরিকশা) চালিয়ে রোজগার করা হতো, শামুকের গতি চলতো সংসার। এবার সেই অটোচালকের ভাগ্যের চাকা ঘুরে গেল এক লহমায়। লটারিতে রাতারাতি ১ কোটি টাকা জিতেছেন ভারতের মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তরুণ প্রকাশ বাগদী। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা।

কৃষক পরিবারের ছেলে প্রকাশের এক সময় লক্ষ্য ছিল সরকারি চাকরি। কিন্তু সেই স্বপ্নপূরণ হয়নি। উচ্চমাধ্যমিকের পরেই পড়াশোনার ইতি টেনে পেট চালাতে নেমে পড়েন কর্মে। সংসারে অসুস্থ বাবা-মা। রয়েছেন স্ত্রী, সন্তান এবং ভাই-ও। তাই একটু বেশি টাকা আয়ের জন্য মাসখানেক আগে একটি অটো কিনে চালাতে শুরু করেন তিনি। কিন্তু কিছুতেই যেন ‘সোনার কাঠি’র হদিশ পাচ্ছিলেন না বছর ২১-এর প্রকাশ। মাঝে মাঝে লটারি কাটতেন। শনিবারই যেমন জিতেছিলেন ১ হাজার ২০০ টাকা। যদি মোটা টাকা মেলে, এই আশায় রবিবারও ফের লটারি কাটেন।শেষ পর্যন্ত রবিবার রাতেই ‘দিন’ বদলে গেল প্রকাশের। তিনি জানতে পারেন তার লটারিতে পড়েছে ১ কোটি টাকা। এক ঝলকে লটারির ফল দেখে বিশ্বাস হয়নি। বার বার তাই মিলিয়ে নেন টিকিটটা। কিন্তু না, কোনও ভুল হয়নি। কী করবেন ১ কোটি টাকা দিয়ে? উত্তরে প্রকাশ বললেন, ‘অসুস্থ বাবার চিকিৎসা করাব। কিছু টাকা দুঃস্থদের দান করব। বাকিটা ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখব। ওই টাকাটাই এখন আমাদের সকলের ভবিষ্যৎ।

রল ভাগ্যের চাকা, রাতারাতি কোটিপতি অটোচালক

আরো খবর

শিক্ষা

[ঢাকা, মার্চ ২৩, ২০২১] মার্চেন্টস ডেভেলপমেন্ট ড্রাইভিং রুরাল মার্কেটস (এমডিডিআরএম) উদ্যোগ থেকে
অর্জিত শিক্ষা ও এই উদ্যোগের অধীনে সম্পন্ন কাজ প্রদর্শনে আজ রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে ‘লিভিং নো
মাইক্রো মার্চেন্টস বিহাইন্ড ইন দ্য ডিজিটাল এরা ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সম্মেলনের আয়োজন করে
জাতিসংঘ ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইউএনসিডিএফ)।
ইউএনসিডিএফ পরিচালিত এই সম্মেলনটি এর কনসোর্টিয়াম পার্টনার (ডিনেট, বিডিএমএস এবং
এফবিসিসিআই), নলেজ অ্যান্ড কমিউনিকেশন পার্টনার জিআইএফটি এবং ইভেন্ট পার্টনার এশিয়াটিকের
সহযোগিতায় আয়োজন করা হয়।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ
আহমেদ পলক এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পসচিব কেএম আলী আজম। সম্মানিত অতিথি
হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেলিগেশনের সহযোগিতা প্রধান মরিজিও চিয়ান এবং
ইউএনডিপি বাংলাদেশের স্থানীয় প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়। ইউএনসিডিএফ’র ইনক্লুসিভ ডিজিটাল
ইকোনোমিজ -এর ডিজিটাল হাব ফর এশিয়া’র আঞ্চলিক পরিচালক মারিয়া পারদোমো সম্মেলনটি সঞ্চালনা
করেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘২০১৭ সালে এউএনসিডিএফ – এর
অধীনে বাস্তবায়িত এমডিডিআরএম প্রকল্পের যাত্রা শুরুর পর বাংলাদেশে মাইক্রো-রিটেইল ব্যবস্থাপনার
মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে। যার ফলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আমাদের অর্থনীতির কেন্দ্র হিসেবে
বিবেচিত হচ্ছে।‘
বৈশ্বিক মহামারির সময়ে নতুন সুযোগের সন্ধান এবং নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, শিল্প ও ডিজিটাল
ইকোসিস্টেম নেতৃবৃন্দদের একত্রিতকরণ এবং এমডিডিআরএম (মার্চেন্টস ডেভেলপমেন্ট ড্রাইভিং রুরাল
মার্কেটস) উদ্যোগের অধীনে পরিচালিত কার্যক্রম প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে এই সম্মেলনের আয়োজন করা
হয়েছিল।
অনুষ্ঠানের অন্যতম বক্তা মিস টিনা জাবিন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক,
স্টার্টআপ বাংলাদেশ বলেন, " আমরা অর্থ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অর্থায়নের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের
সহায়তা করছি।"
অক্সফামের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জনসংখ্যার ওপরের দিকে থাকা ১ শতাংশ মানুষের কাছে নীচের
দিকে থাকা ৬.৯ বিলিয়ন মানুষের চেয়ে বেশি সম্পদ রয়েছে। এ বৈষম্যের মূল কারণ হলো পিরামিডের নীচে থাকা
মানুষদের— ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কৃষক এবং উদ্যোক্তা—জন্য সমান অর্থনৈতিক সুযোগের অভাব।
সৌভাগ্যক্রমে, বিগত কয়েক বছরে ডিজিটাল প্রযুক্তি পিরামিডের নিচের দিকে থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং
খুচরা বিক্রেতাদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সমতা আনার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
নীতিনির্ধারক এবং বেসরকারি খাতের অংশীদারদের জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ হওয়া উচিৎ ত্বরান্বিত এ
ডিজিটালাইজেশনের প্রবণতার ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে যাওয়া। এই প্রয়াসের সমর্থনে জাতিসংঘ ক্যাপিটাল
ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইউএনসিডিএফ) ২০১৭ সাল থেকে এমডিডিআরএম (মার্চেন্টস ডেভলপমেন্ট ড্রাইভিং
রুরাল মার্কেটস) নামক উদ্যোগটি চালিয়ে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশে দুই কোটি খুচরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর কাছে
পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। এই উদ্যোগে অর্থায়ন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ডিনেট, বিডিএমএস এবং
এফবিসিসিআইয়ের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এটি আয়ের বৈচিত্র্য, ব্যবসা প্রবৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগের ক্ষেত্রে উদ্ভাবনকে উৎসাহ প্রদানে কাজ করছে।

তবে, এক্ষেত্রে, সরকার, উন্নয়ন অংশীদার এবং বেসরকারি খাত কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ সত্ত্বেও
কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়ে গেছে যা আশু চিহ্নিত করা প্রয়োজন। এসব প্রতিবন্ধকতার মধ্যে রয়েছে খুচরা
ব্যবসায় সকল লিঙ্গের মানুষের অংশগ্রহণ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক এবং অ-আর্থিক উভয় ধরণের
প্রয়োজন শনাক্তে ডিজিটাল মাধ্যমের ব্যবহার, বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সাপ্লাই চেইনের সমন্বয়,
আনুষ্ঠানিকীকরণের ক্ষেত্রে নীতিগত উদ্যোগ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সুবিধায় বৈশ্বিক মহামারির ক্ষতি
থেকে উত্তরণে সহায়তা প্রক্রিয়া।
এসব বিষয়ের ওপর সম্মেলনে গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এছাড়াও, সম্মেলনে ‘মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজগুলোর
জন্য ডিজিটাল উদ্ভাবন—কীভাবে অ-আর্থিক পরিষেবা সংযোগ করা যায়’, ‘বৈশ্বিক মহামারি চলাকালীন ও পরে
ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা অর্জন’,
‘বাংলাদেশের খুচরা ব্যবসায় নারীদের ভবিষ্যৎ’ এবং ‘নীতি নির্ধারক সুপারিশ: সর্বশেষ পর্যায়ের ক্ষুদ্র
ব্যবসায়ীদের জন্য উদ্ভাবনী আর্থিক সমাধান প্রদানে বিভিন্ন খাতের মধ্যে সমন্বয়ে সরকারের পদক্ষেপ’ এ
বিষয়গুলোর ওপরে প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনে চিন্তাবিদ, পরামর্শক সংস্থা, আইএনজিও, সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিগণের পাশাপাশি
উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনসিডিএফ আয়োজিত সম্মেলনে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ

অনলাইন ডেস্ক: আগামী রোজার সময়ও দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলা থাকবে। তবে ঈদের সময় কয়েকদিন ছুটি দেয়া হবে। শনিবার সন্ধ্যায় আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ৩০ মার্চ থেকে খুলে দেয়া হবে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে প্রাক-প্রাথমিক আপাতত খুলবে না।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে এই আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব আমিনুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) কামাল হোসেন, পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রমজানে বন্ধ থাকবে না

আরো খবর

themesbazartvsite-01713478536
Top